বঙ্গবন্ধু বাঙালির অনুপ্রেরণার বাতিঘর: খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ 3:02 pm | August 15, 2021

নিজস্ব সংবাদদাতা, কালের আলোঃ

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির অনুপ্রেরণার বাতিঘর। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার কাজে নিবেদিত হওয়া তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের সর্বোত্তম উপায়।

রোববার (১৫ আগস্ট) ঢাকায় খাদ্য ভবন অডিটোরিয়ামে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, টুঙ্গিপাড়ায় খোকার জন্ম না হলে বাঙালি স্বাধীন দেশ পেত না। বঙ্গবন্ধু মানেই একটি স্বাধীন দেশ, একটি পতাকা। মুজিব স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা। যিনি সারা জীবন মানুষের সেবায় কাজ করে গেছেন।

তিনি বলেন, ১৫ আগস্ট প্রেক্ষাপট ছিল ভিন্ন। শেখ মুজিবকে স্বপরিবারে হত্যার পর প্রতিবাদ করা যায়নি। আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা ঘরে থাকতে পারেনি। শুধু তাই নয় পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে টেলিভিশন কিংবা বেতারে বঙ্গবন্ধুর নাম পর্যন্ত প্রচার হতো না। ইনডেমিনিটি বিলের মাধ্যমে বিচারের পথ রুদ্ধ করা হয়েছিল। চক্রান্তকারীরা ভেবেছিল তাঁকে হত্যা করলে ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলা যাবে। তাদের সে চক্রান্ত মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। ইতিহাসের সত্যকে মুছে ফেলা যায়নি, জীবিত মুজিব থেকে মৃত মুজিব হয়েছেন আরও শক্তিশালী।

খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার বাংলার মাটিতে শুরু হয়েছে। এখনও যে সকল হত্যাকারী দেশের বাইরে পালিয়ে আছে দ্রুততর সময়ে তাদের দেশে ফিরিয়ে আইনের আওতায় আনা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের মূল চক্রান্তকারী ছিলেন জিয়া, তার নেতৃত্বেই ১৫ আগস্ট কলঙ্কজনক হত্যাকাণ্ড সংঘঠিত হয়েছিল।

খাদ্য অধিদপ্তেরর মহাপরিচালক শেখ মুজিবর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম। এছাড়া খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (এফপিএমইউ) মো. শহীদুজ্জামান ফারুকী, অতিরিক্ত সচিব খাজা আব্দুল হান্নান, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য রেজাউল করিম, খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন।

সভার শুরুতে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ঘাতকের হাতে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার সবার স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এর আগে খাদ্যমন্ত্রী খাদ্য ভবনের নিচ তলায় স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে খাদ্যমন্ত্রী খাদ্য ভবন প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং দুস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন।

কালের আলো/টিআরকে/এসআইএল