পুতুলের বিরুদ্ধে কানাডার নাগরিকত্ব থাকার প্রমাণ পেয়েছে দুদক
প্রকাশিতঃ 3:09 pm | January 26, 2025
নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো:
জুলাই বিপ্লবে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের পাশাপাশি কানাডার নাগরিকত্ব ধারণের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ছাড়াও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিষয়ক আঞ্চলিক পরিচালকের পদ পেতেব তিনি রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপব্যবহার এবং নিয়মবহির্ভূত কার্যকলাপের আশ্রয় নিয়েছিলেন বলেও বেড়িয়ে এসেছে দুদকের অনুসন্ধানে।
এ ব্যাপারে বিবৃতি দিয়ে দুদক জানিয়েছে, যৌক্তিক কারণ ছাড়াই সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সফরে সফরসঙ্গী করা হয়েছে। তার ক্ষেত্রে প্রার্থীর যোগ্যতা হিসেবে দেওয়া তথ্যাদি যথাযথ ছিল না। এ ছাড়াও পুতুল পাসপোর্টধারী কানাডার নাগরিক ছিলেন বলেও তথ্য পাওয়া গেছে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, পারিবারিক রাজনৈতিক প্রভাবের অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে বেআইনিভাবে ঢাকার ‘পূর্বাচল নতুন শহর আবাসিক প্রকল্প’-এর ডিপ্লোমেটিক জোনে ১০ (দশ) কাঠা প্লট আয়ত্ব করেন পুতুল। সে কারণে তার ও অন্যদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক একটি দুর্নীতির মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুধু তাই নয়, ‘সূচনা ফাউন্ডেশন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান খুলে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে জোরপূর্বক উপঢৌকন আদায় ও অর্থ আত্মসাত করেছেন বলেও দাবি দুদকের। সংস্থাটি বলছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য বিভাগের আওতায় অটিস্টিক সেলকে ব্যবহার করে ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ লুফে নিয়ে শেখ হাসিনার মেয়ে নিজে লাভবান হয়েছেন। এছাড়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এর উপর অবৈধ প্রভাব বিস্তার করে ফাউন্ডেশনের নামে প্রাপ্য অর্থ করমুক্ত করিয়ে নেন তিনি। এতে সরকারের বিপুল অর্থে ক্ষতি হয়েছে। সব তথ্য হাতে নিয়ে দুদক জানায়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ রয়েছে।
কালের আলো/এসএকে