নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো:
যুদ্ধকালীন শারীরিক সক্ষমতা ও পেশাগত দক্ষতার সমন্বয় বাড়াতে প্রতি বছরই এ্যাসল্ট কোর্স প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে মেধা, শারীরিক সক্ষমতা, প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য আরও মজবুত করার দৃঢ় প্রত্যয়ে বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) কুমিল্লা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে চলতি বছরের এই প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। নিজের বক্তব্যে কার্যকর প্রশিক্ষণকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘প্রশিক্ষণ যার মূলমন্ত্র থাকে তাঁরা কখনও পিছিয়ে যেতে পারে না।’
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, প্রতিযোগিতায় ৩৩ পদাতিক ডিভিশন চ্যাম্পিয়ন এবং ৫৫ পদাতিক ডিভিশন রানারআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এছাড়াও প্রতিযোগিতায় বিশেষ পারদর্শিতা প্রদর্শনের মাধ্যমে ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের ইউপি ল্যান্স কর্পোরাল খাইরুল এনাম শ্রেষ্ঠ প্রতিযোগী এবং ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সৈনিক সোহরাব আলী দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ প্রতিযোগী হওয়ার গৌরব অর্জন করে। গত ৯ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন অঞ্চলের মোট ১৭টি দল অংশগ্রহণ করে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান চ্যাম্পিয়ন ৩৩ পদাতিক ডিভিশনকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘প্রশিক্ষণকে মূলমন্ত্র হিসেবে ধারণ করে ৩৩ পদাতিক ডিভিশন একটি উদাহরণ তৈরি করেছে। তারা প্রশিক্ষণে এবং শৃঙ্খলায় খুব ভালো। যে কারণেই ৩৩ পদাতিক ডিভিশন প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভালো করছে। আমি ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সকলকেই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’
এ সময় ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও কুমিল্লার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. মাইনুর রহমানসহ সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, কুমিল্লা সেনানিবাসের বিভিন্ন ইউনিটের অফিসার, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার ও অন্যান্য পদবির সৈনিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩ । ৭:২৩ অপরাহ্ণ