দীর্ঘদিন পর মানুষ আনন্দে ঈদ করতে পেরেছে: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

টাঙ্গাইল প্রতিবেদক
প্রকাশের সময়: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬ । ৬:৫২ অপরাহ্ণ

ডাক ও টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বিগত ১৭টি বছর একটি দলের অনুশাসন দেখেছি। তাদের কার্যক্রম ভালো ছিল না। তাই দীর্ঘদিন পর এ দেশের মানুষ আনন্দে ঈদ উদ্‌যাপন করতে পেরেছে।

রোববার (২২ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার আম্বাড়ীয়া উচ্চবিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, আমরা দেশের মানুষকে ভালো রাখতে চাই। ভোগান্তিমুক্ত রাখতে চাই। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, সালিশ হবে না। দেশের মানুষ যাতে ভালো থাকতে পারে সেদিকে নেতা-কর্মীদের খেয়াল রাখতে হবে। প্রশাসন, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ মিলে টিম ওয়ার্কের মাধ্যমে সমাজের উন্নয়ন করতে হবে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।

নির্বাচনি ইশতেহারে জনগণের কল্যাণে দেওয়া প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন শুরু করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা প্রদানসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সরকার গঠনের এক মাসের মধ্যে ভোটারের আঙুলের কালি মুছে যাওয়ার আগেই বিএনপির ৩১ দফার কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। আগামী ১৪ এপ্রিল টাঙ্গাইল থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিটি উপজেলায় আইটি ভিলেজ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। এর মাধ্যমে ১০ লাখ লোকের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বৈদেশিক সহযোগিতা নিয়ে হাইটেক পার্কের উন্নয়নের মাধ্যমে যুবসমাজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। ইতোমধ্যেই রাজশাহীতে স্টারলিঙ্ক কাজ শুরু করে দিয়েছে।

শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনা করে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ৪৫ বছর পর টাঙ্গাইল-১ মধুপুর ধনবাড়ী থেকে আপনাদের ভোটে বিএনপির এমপি নির্বাচিত করেছেন। আপনারা আমাকে এমপি বানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে মন্ত্রী বানিয়েছেন। এখন আমাদের কাজ হলো আপনাদের উন্নয়ন করা, এলাকার উন্নয়ন করা। আম্বাড়ীয়া উচ্চবিদ্যালয় ১৭ বছর উন্নয়নবঞ্চিত ছিল। আমি প্রতিষ্ঠানের ভবন, জীর্ণ ব্রিজসহ স্থানীয় সমস্যাগুলোর উন্নয়ন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের ব্যবস্থা করব।

মধুপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাকির হোসেন সরকার, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এম রতন হায়দার, সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব হোসেন, পুনর্মিলনী উদ্‌যাপন পরিষদের আহ্বায়ক নূরুন্নবী শিহাব, আম্বাড়ীয়া উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে

প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক: মো: শামসুল আলম খান | ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান | কপিরাইট © কালের আলো সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন