‘ব্রেন ড্রেন’ নয়, ‘রিভার্স ব্রেন ড্রেন’ করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশের সময়: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬ । ১:১১ অপরাহ্ণ

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘ব্রেন ড্রেন’-এর পরিবর্তে ‘রিভার্স ব্রেন ড্রেন’-এর চেষ্টা করতে হবে। দেশের শিক্ষার্থীরা বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও দক্ষতা অর্জন করে আবার দেশে ফিরে এসে উন্নয়ন ও মানবতার সেবায় কাজ করবে, এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

সোমবার (১১ মে) রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে আয়োজিত ‘পাকিস্তান এডুকেশন এক্সপো-২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশকেও আকর্ষণীয় শিক্ষা গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মানোন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে আরও বেশি বিদেশি শিক্ষার্থী বাংলাদেশে পড়তে আসবে।

পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থার অগ্রগতির প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ হিসেবে গড়ে উঠেছে। পাকিস্তানের শিক্ষা খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে এবং তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক মান অনেক এগিয়ে গেছে। এক্সপোতে অংশ নেওয়া বিভিন্ন স্টল ঘুরে আমার মনে হয়েছে যেন পুরো পাকিস্তান ঘুরে এসেছি।

তিনি বলেন, পাকিস্তান বাংলাদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের ফুল স্কলারশিপ দিয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিচ্ছে, যা ইতিবাচক উদ্যোগ। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক মান ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা অত্যন্ত উন্নত। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও খাদ্যাভ্যাসের মিল রয়েছে। ফলে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সেখানে সহজেই মানিয়ে নিতে পারবে। আমি আশা করি, পাকিস্তানে যাওয়া শিক্ষার্থীরা দেশের ‘এম্বাসেডর’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে এবং ভালো ফলাফল অর্জনের মাধ্যমে দেশের মর্যাদা বাড়াবে।

তিনি আরও বলেন, অন্যদিকে বাংলাদেশও চায় নিজেদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে, যাতে বিদেশি শিক্ষার্থীরাও এ দেশে পড়তে আসে। বর্তমান বিশ্ব ‘গ্লোবাল ভিলেজ’। তাই শিক্ষা খাতে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে মানোন্নয়নের বিকল্প নেই। বাংলাদেশের ৬৫ শতাংশের বেশি জনগোষ্ঠী তরুণ। এই ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে কাজে লাগাতে শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। প্রধানন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং বিশেষভাবে কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নের ওপর জোর দিচ্ছেন।

এসময় পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (ডিজি) ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে

প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক: মো: শামসুল আলম খান | ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান | কপিরাইট © কালের আলো সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন