ফতুল্লায় ‘গ্যাস বিস্ফোরণ’: একে একে চলে গেল পরিবারের ৫ জনই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬ । ৩:০৯ অপরাহ্ণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় বাসায় গ্যাস লিক থেকে হওয়া বিস্ফোরণে একই পরিবারের দগ্ধ ৫ জনের কাউকেই আর বাঁচানো গেল না।ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় স্বামী ও তিন সন্তানের মৃত্যুর পর সবশেষ চিকিৎসাধীন থাকা সায়মা মারা গেলেন।শুক্রবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ৩২ বছর বয়সী সায়মার মারা যাওয়ার তথ্য দিয়েছেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান।তিনি শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এর আগে গত দুই দিনে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সায়মার তিন সন্তান মারা যায়।বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা ৫০ মিনিটে ১০ বছর বয়সি মুন্নি মারা যায়, তার শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

এর ঘণ্টা তিনেক আগে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে মুন্নির ছোটভাই সাত বছর বয়সী মুন্না মারা যায়। তার শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।আগের দিন বুধবার সন্ধ্যায় তাদের আরেক বোন কথা মারা যায়; তার শরীরের ৫২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে রোববার সকালে ওই বিস্ফোরণ ঘটে। তাতে তিন শিশু সন্তানসহ এক দম্পতি দগ্ধ হন।

তাদের সবাইকে ভর্তি করা হয় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। তখনই তাদের অবস্থা ‘আশঙ্কাজনক’ ছিল বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসক শাওন।পরদিন সকালেই মারা যান ৩৫ বছর বয়সী গৃহকর্তা মো. কালাম, তার শরীরে পোড়ার মাত্রা ছিল ৯৫ শতাংশ। এরপর একে একে তাদের সাবারই মৃত্যু হল।

গিরিধারার ওই বাসায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকতেন সবজি বিক্রেতা কালাম। তিতাসের লাইনের লিক থেকে গ্যাস জমে তাদের ঘরে বিস্ফোরণ ঘটে বলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ধারণা।

কালের আলো/এসআইপি

প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক: মো: শামসুল আলম খান | ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান | কপিরাইট © কালের আলো সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন