জীবন উৎসর্গের শপথ ৪৪১ নবীন নাবিকের, দেশের প্রয়োজনে ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকার কথা জানালেন নৌবাহিনী প্রধান

কালের আলো রিপোর্ট
প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬ । ১১:০০ অপরাহ্ণ

বাদ্যের তালে তালে বর্ণাঢ্য শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ। ২২ সপ্তাহের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ শেষের পর গৌরবের অনন্য এক অধ্যায়ে প্রবেশ। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এ/২০২৬ ব্যাচের ৪৪১ নবীন নাবিকের পদচারণায় বৃহস্পতিবার (২১ মে) মুখর পটুয়াখালীর কলাপাড়ার বানৌজা শের-ই-বাংলা প্যারেড গ্রাউন্ড। লাল-সবুজের পতাকা হাতে নিয়ে দৃঢ় কণ্ঠে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গের শপথ নিয়ে তাঁরা যোগ দিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে। সন্তানের কুচকাওয়াজ দেখে তখন অনেক অভিভাবকের চোখে জলজমা আনন্দ। বুটক্যাম্প প্রশিক্ষণ শেষ করা নবীন নাবিকদের বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অবলোকন করলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান।

‘শান্তিতে সংগ্রামে, সমুদ্রে দুর্জয়’ এই স্লোগান নিয়ে এই তরুণ নাবিকরা শুধু সমুদ্রসীমাই নয়, আগামী দিনে এক উন্নত ও শক্তিশালী বাংলাদেশ গঠনে রাখবে বলিষ্ঠ ভূমিকা এমন প্রত্যাশার কথাও উচ্চারিত হয় প্যারেড গ্রাউন্ড থেকে। মনোজ্ঞ এই কুচকাওয়াজে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। তিনি কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী নবীন নাবিকদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। এ সময় তিনি সুনীল অর্থনীতি বা ব্লু ইকোনমির গুরুত্ব তুলে ধরেন। সমুদ্র সম্পদ সংরক্ষণ ও বহি:শত্রুর যেকোন আক্রমণ থেকে সমুদ্র সীমা রক্ষার লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আধুনিকায়নে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানান। তিনি বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপকূলীয় এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় নৌবাহিনীর সদস্যদের ভূমিকা ছিল সর্বজনবিদিত। বিশেষ করে দুর্গম চরাঞ্চল ও বিচ্ছিন্ন দ্বীপগুলোতে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছানো থেকে শুরু করে উৎসবমুখর পরিবেশে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে নৌবাহিনীর কার্যক্রম দেশজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই দেশের প্রয়োজনে সর্বদা নিবেদিত থেকে যেকোন ত্যাগ স্বীকার করার জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিটি সদস্য সদা প্রস্তুত রয়েছে।’

  • বর্ণাঢ্য প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে নিজের আনন্দানুভূতি
  • ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনী হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিতি অর্জন
  • সুনীল অর্থনীতি জাতীয় উন্নয়নে কৌশলগত অগ্রাধিকারে স্থান লাভ করেছে
  • নতুন নৌঘাঁটি, যুদ্ধজাহাজ, আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি সংযোজনের কার্যক্রম সব সময় চলমান
  • তিনটি শিপইয়ার্ডের সাফল্যজনক কর্মতৎপরতায় দেশে জাহাজ নির্মাণ শিল্পে উল্লেখযোগ্য সাফল্
  • সংসদ নির্বাচনে উপকূলীয় এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় নৌবাহিনীর সদস্যদের ভূমিকা ছিল সর্বজনবিদিত

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, নৌবাহিনীর এ-২০২৬ ব্যাচের নবীন নাবিকদের মধ্যে মো. শাহরিয়ার টুটুল পেশাগত ও সকল বিষয়ে সর্বোচ্চ উৎকর্ষতা অর্জন করে সেরা চৌকস নাবিক হিসেবে ‘নৌপ্রধান পদক’ লাভ করেন। এছাড়াও মো. সামিউল ইসলাম শাকিল দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে ‘কমখুল পদক’ এবং মো. কাদের মিয়া তৃতীয় স্থান অধিকার করে ‘শের-ই-বাংলা পদক’ লাভ করেন। একই সঙ্গে সেরা চৌকস মহিলা নাবিক হিসেবে মোছা. মারিয়া আক্তার ‘প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার’ পদক অর্জন করেন।

বর্ণাঢ্য প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে নিজের আনন্দানুভূতি
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এ-২০২৬ ব্যাচের নবীন নাবিকদের মনোরম ও বর্ণাঢ্য প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে নিজের আনন্দানুভূতির কথা তুলে ধরেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। তিনি মহান আল্লাহ’র কাছে শুকরিয়া আদায় করে বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ’। নৌবাহিনী প্রধান বলেন, ‘সাফল্যের সঙ্গে ২২ সপ্তাহের প্রশিক্ষণ শেষ করে আজকের এই প্রাণবন্ত কুচকাওয়াজের মধ্যে দিয়ে নবীন নাবিকরা দেশ মাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষার মহান ও পবিত্র দায়িত্ব পালনের জন্য পেশাগত জীবনে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। এজন্য আমি তাদের সকলকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। আজকের এই বিশেষ ক্ষণে আমি প্রথমেই গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। বিশেষ করে নৌবাহিনীর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিনসহ শহীদ লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন ও সকল নৌ সদস্য ও কমান্ডোদের যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল আমাদের স্বাধীনতা। আমি সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনী হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিতি অর্জন
এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, ‘১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের এক সঙ্কটময় মুহুর্তে বাঙালি নাবিক ও তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গঠিত হয় নৌ কমান্ডো দল যারা অপারেশন জ্যাকপট পরিচালনার মাধ্যমে আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জনে বয়ে আনে অসামান্য সাফল্য। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দেশের বিস্তৃত সমুদ্র অঞ্চলের সার্বভৌমত্ব ও সমুদ্র সম্পদ রক্ষায় দু’টি টহল জাহাজ পদ্মা ও পলাশ ও সীমিত সংখ্যক নৌ সদস্যদের নিয়ে যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর। পরবর্তীতে বিভিন্ন পর্যায়ে সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনী আজ একটি ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনী হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তাঁর পরিচিতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

সুনীল অর্থনীতি জাতীয় উন্নয়নে কৌশলগত অগ্রাধিকারে স্থান লাভ করেছে
ইতিহাস পর্যালোচনা করে নৌবাহিনী প্রধান বলেন, ‘পৃথিবীর যেসব দেশ তাদের সমুদ্র সম্পদকে সঠিকভাবে ব্যবহারের পদক্ষেপ নিয়েছে তাঁরা অর্থনৈতিকভাবে দ্রুত উন্নতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। আমাদের জনবহুল এই দেশের সার্বিক উন্নয়নে সঙ্গত কারণেই ব্লু ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতি জাতীয় উন্নয়নে কৌশলগত অগ্রাধিকারে স্থান লাভ করেছে। বঙ্গোপসাগরে প্রায় ১ লক্ষ ১৮ হাজার বর্গকিলোমিটার সমুদ্র এলাকা নিয়ে আজ আমাদের বিশাল সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। যেখানে রয়েছে মৎস্য সম্পদের প্রাচুর্য, তেল-গ্যাসের সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র, নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথের ব্যবহার যা দেশের জিডিপি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই সুনীল অর্থনীতিকে বাস্তব উন্নয়নের পথে রূপ দিতে সমুদ্রের নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সমুদ্র সম্পদ সংরক্ষণ ও বহি:শত্রুর যেকোন আক্রমণ থেকে সমুদ্র সীমা রক্ষার লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আধুনিকায়নে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। নৌবহরে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যুদ্ধ জাহাজ, হেলিকপ্টার, মেরিটাইম পেট্রোল এয়ার ক্রাফটসহ আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি সংযোজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে বানৌজা নবযাত্রা এবং জয়যাত্রা নামে দুটি সাবমেরিন সংযোজনের মাধ্যমে আজ আমাদের প্রাণপ্রিয় নৌবাহিনী ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনীতে পরিণত হয়েছে।’

নতুন নৌঘাঁটি, যুদ্ধজাহাজ, আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি সংযোজনের কার্যক্রম সব সময় চলমান
এই ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে নতুন নৌঘাঁটি, যুদ্ধজাহাজ, আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি সংযোজনের কার্যক্রম সব সময় চলমান রয়েছে বলে জানান নৌবাহিনী প্রধান। তিনি বলেন, ‘এরই ধারাবাহিকতায় দেশের শিপইয়ার্ডে লার্জ পেট্রোল ক্রাফট নির্মাণ এবং পর্যায়ক্রমে অফশোর পেট্রোল ভ্যাসেল, করভেট ও ফ্রিগেড নির্মাণের পরিকল্পনাকরণ করা হচ্ছে। এছাড়াও ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইতোমধ্যে দু’টি ইউটিলিটি হেলিকপ্টার ও দুটি আনম্যান্ড এয়ারক্রাফট সিস্টেম নেভাল এভিয়েশনে সংযোজিত হয়েছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটির নিরাপত্তার লক্ষ্যে এন্টি-ড্রোন সিস্টেম প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। যা খুব শিগগির স্থাপনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। সম্প্রতি হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যুক্তরাজ্য থেকে একটি হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে ভেসেল ক্রয় করা হয়েছে। আগামী বছর জাহাজটি আমাদের নৌবহরে যুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ।’

তিনটি শিপইয়ার্ডের সাফল্যজনক কর্মতৎপরতায় দেশে জাহাজ নির্মাণ শিল্পে উল্লেখযোগ্য সাফল্য
বর্তমানে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত তিনটি শিপইয়ার্ডের সাফল্যজনক কর্মতৎপরতায় দেশে জাহাজ নির্মাণ শিল্পে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে বলে মন্তব্য করেন এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণের সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে নৌবাহিনী পরিচালিত শিপইয়ার্ডসমূহ লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ল্যান্ডিং অপারেশন পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য খুলনা শিপইয়ার্ডে তিনটি এলসিটি (ল্যান্ডিং ক্র্যাফট ট্যাংক) নির্মাণের কাজ প্রায় সম্পন্ন হতে চলেছে। পাশাপাশি অপারেশনাল কর্মকাণ্ড নিরবচ্ছিন্ন রাখার নিমিত্তে ডিডব্লিউ নারায়ণগঞ্জের একটি ফ্লোটিং ক্রেন নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। আপনারা জানেন চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেডকে সরকার দায়িত্ব প্রদান করেছে। চট্টগ্রাম ড্রাইডক এই দায়িত্ব গ্রহণের পর কন্টেইনার হ্যান্ডেলিংয়ে ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। হ্যান্ডেলিং’র হার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

খুলনা শিপইয়ার্ড বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য তিনটি ডাইভিং বোট নির্মাণ করেছে, যা ইতোমধ্যে নৌবাহরে যুক্ত হয়েছে। একই সঙ্গে ল্যান্ডিং অপারেশন পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য খুলনা শিপইয়ার্ডে তিনটি এলসিটি (ল্যান্ডিং ক্র্যাফট ট্যাংক) নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেড জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আপনারা জানেন চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেডের ওপর সরকার ন্যস্ত করেছে। এতে অল্প সময়ের মধ্যে কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং-এর সংখ্যা এতে গতিশীলতা এসেছে সামগ্রিক অর্থনীতিতে। চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে প্রথমবারের মতো নেভি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হয়েছে। এই কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম এই মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরু করা হয়েছে।

সংসদ নির্বাচনে উপকূলীয় এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় নৌবাহিনীর সদস্যদের ভূমিকা ছিল সর্বজনবিদিত
এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, ‘আপনারা জানেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাস হতে প্রায় দীর্ঘ দুই বছর যাবত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি বাংলাদেশ নৌবাহিনী ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা করে চলেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপকূলীয় এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় নৌবাহিনীর সদস্যদের ভূমিকা ছিল সর্বজনবিদিত। বিশেষ করে দুর্গম চরাঞ্চল ও বিচ্ছিন্ন দ্বীপগুলোতে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছানো থেকে শুরু করে উৎসবমুখর পরিবেশে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে নৌবাহিনীর কার্যক্রম দেশজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই দেশের প্রয়োজনে সর্বদা নিবেদিত থেকে যেকোন ত্যাগ স্বীকার করার জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিটি সদস্য সদা প্রস্তুত রয়েছে।’

কালের আলো/এমএএএমকে

প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক: মো: শামসুল আলম খান | ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান | কপিরাইট © কালের আলো সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন