বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য ও সমাজ কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, লার্নিং প্রসেসটা কিন্তু একটা লম্বা কাজ। কেউ যদি মনে করেন কালকে সকালে উঠে আপনি খুব শিক্ষিত হয়ে যাবেন, দক্ষ হয়ে যাবেন, এটি খুব ভুল ধারণা। আপনাকে সময় দিতে হবে আর বিশ্বাস রাখতে হবে। আপনিই পারবেন তাহলে এগিয়ে যেতে পারবেন।
তিনি বলেন, শিক্ষার সঙ্গে জ্ঞান বাড়ে। আর কনফিডেন্স অর্থাৎ আপনার যখন আত্মবিশ্বাস বাড়ে তখন কিন্তু আপনি কথা বলতে পারবেন।
রোববার (২৮ জুন) রাজধানীর রাজারবাগে আলোকি ২১১ হলে আয়োজিত বিএনপির ‘কর্মশালা’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
জাহিদ হোসেন বলেন, এই হলে প্রথম আজকে বক্তব্য দিয়েছি। আমি নিজে অনেককে জিজ্ঞেস করছিলাম, এই হলটা কবে হলো? এই হলটা এত সুন্দর। কাজেই আপনাদের ভাবার কোনো কারণ নেই। আমরা সবাই এসি ঘরে থাকি। একজন বলেছেন, আমরা সবাই এসি ঘরে থাকি না। আমরা হাত পাখা দিয়ে অভ্যস্ত ছিলাম। তারপরে এখন অনেক সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি হয়েছে সত্যি এবং বিভিন্নভাবে আপনারা দায়িত্ব দিয়েছেনও, সেজন্য অনেক সুবিধা হয়েছে এটা সত্যি। কিন্তু আমরা ঘোরানো হাত পাখা, তালপাতার পাখা যেটাতে আমরা অভ্যস্ত ছিলাম। আমরা হারিকেন বা কুপি ব্যবহার করতাম। এটা কিন্তু গ্রেজুয়ালি আসছে, ওই যে মায়েরা বা মেয়েরা যারা গ্রাম থেকে এসেছেন, আমরা যদি এরকমভাবে সবাইকে করতে পারি এবং এটাকে কপি করতে পারি। বাংলাদেশের ৫৯৭টি উপজেলায় ছড়িয়ে দিতে পারি। ডেফিনেটলি, আমাদের যে দারিদ্র্যতা বা জলবায়ু পরিবর্তনের পরে পরবর্তীতে আমাদের যে শারীরিক, মানসিক, আর্থিক এবং যে পরিবর্তন হবে। এটাকে এই চ্যালেঞ্জ অর্থাৎ এই যে, আমাদের যে পরিবর্তনের সম্মুখীন হতে হবে, ওই সময় আমাদেরকে কীভাবে বেঁচে থাকতে হবে এবং যে সব পদক্ষেপ গ্রহণ করলে বেঁচে থাকতে পারব। এ সব কৌশল যদি আমরা শেখাতে পারি।
তিনি বলেন, আমার গ্রামের সেই মা, বোনদেরকে এবং পরিবারকে অথবা এলাকার মানুষগুলোকে আজকে আমরা দক্ষ করে তুলতে পারি তাদেরকে কীভাবে অ্যাডাপ অর্থাৎ এই পরিবর্তনের সঙ্গে কীভাবে খাপ খাওয়াতে হবে। সেই জ্ঞান যদি আমরা দিতে পারি, তাহলে দেখা যাবে বাংলাদেশটা সত্যিকার অর্থেই অনেক মানুষ বলছে, আমাদের এত পারসেন্ট এলাকা সমুদ্রের বৃদ্ধির কারণে তলিয়ে যাবে। আমরা এত মানুষ ডিসপ্লেস হব এবং আমাদের অবস্থা আরো খারাপ হবে। নিশ্চয়ই, ডেফিনেটলি এটা সায়েন্স বলে আমরা বিশ্বাস করি। অবিশ্বাসের কোনো কারণ নেই।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, সোলার দিয়ে ওই সেচ পাম্প চালানো যায়। অথবা আপনার সোলার পাম্প ইউজ করে, ইলেকট্রিক লাইন ছাড়াও এটা চলবে এবং আপনার কোনো পিডিবি অথবা কোনো ড্যাশার লাইন লাগবে না, অথবা আপনার কেরোসিন তেল লাগবে না। অর্থাৎ এই যে আমাদের মানুষের যে নলেজের যে একটার পর একটা আমরা যে পরিবর্তনশীল। পৃথিবীতে জ্ঞান আমাদেরকে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য ইকুইপ করতেছে। সেটার সঙ্গে যদি আমরা তাল মিলিয়ে চলতে পারি। তাহলেই দেখবেন আমরা সবাইকে নিয়ে একটা ইনক্লুসিভ সোসাইটি করতে সক্ষম হব।
কালের আলো/এসএকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশের সময়: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬ । ৫:১৯ অপরাহ্ণ