আসামিদের ওপর নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান চিফ প্রসিকিউটরের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশের সময়: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ । ১১:২০ অপরাহ্ণ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, কিছু আসামির গতিবিধি ও তৎপরতা সন্দেহজনক। তাদের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের নাশকতা বা স্যাবোটাজের ঘটনা ঘটতে পারে বলে গোপন তথ্য রয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলির নেতৃত্বে গুমের শিকার ৫৫টি পরিবারের সদস্যরা চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে আসেন। তদন্ত সংস্থা তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করবে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যদের সতর্ক করা হয়েছে। কিছু আসামির তৎপরতা সন্দেহজনক হওয়ায় বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নাশকতার আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়েই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ২৫১ জন গুমের শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সংস্থা কাজ করছে।

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ২৫১ জনের গুমের ঘটনাগুলোর ধরন ও পদ্ধতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে একই ধরনের পদ্ধতিতে এসব ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে ঘটনাগুলোকে ‘ব্যাপক ও পদ্ধতিগত অপরাধ’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, গুমের ঘটনাগুলোর তদন্ত দ্রুত শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। চলতি বছরের মধ্যেই তদন্ত শেষ করে বিচারকাজ শুরু করার চেষ্টা চলছে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গুমের পরিবারের তদন্ত শুরু হওয়ার পর কিছু অভিযুক্তের তৎপরতা বেড়েছে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে ট্রাইব্যুনালে চলমান মামলার আসামিদের বিষয়েও প্রশাসনকে নজর রাখতে হবে।

গুমের শিকার পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক: মো: শামসুল আলম খান | ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান | কপিরাইট © কালের আলো সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন