ইউপি ভবনের ছাদে কাশবন, নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার স্থাপনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ । ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার ৮ নম্বর ভাওরখোলা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভবনের ছাদে গজিয়ে উঠেছে কাশবন ও নানা ধরনের আগাছা। দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে সরকারি অর্থে নির্মিত ভবনটি ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এ স্থাপনাটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ছাদের বিভিন্ন অংশে বড় বড় কাশগাছ ও আগাছা জন্মেছে। ছাদে পড়ে আছে ময়লা-আবর্জনাও। ভবনের দেয়ালের পাশেও পড়ে আছে গাছের বড় বড় ডালপালা। এতে ভবনের দেয়াল ও অন্যান্য অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

শুধু ভবনের ছাদ নয়, পরিষদের স্যানিটেশন ব্যবস্থার অবস্থাও অপরিচ্ছন্ন। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা না থাকায় সরকারি গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাটি ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

পরিষদে সেবা নিতে আসা আলগী গ্রামের শফিক বলেন, ‘এখানে যারা বসে অফিস করেন, তাদের বুঝি ছাদের দিকে তাকানোর সময় নেই। নিজের বাড়ি হলে এমন আজেবাজে গাছ তো দূরের কথা, ছাদের ওপর একটি দুর্বল ঘাসও থাকতে দিতেন না।’

এদিকে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা নাজমুলের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন সেবাগ্রহীতা। তাদের অভিযোগ, অনেক সময় তাকে নির্ধারিত সময়ে অফিসে পাওয়া যায় না। এ ছাড়া ওয়ারিশ সনদ ও জন্মসনদ দেওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগও করেছেন তারা।

পরিষদের দায়িত্বশীলদের দায়িত্বহীনতা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের বিষয়ে জানতে চাইলে ৮ নম্বর ভাওরখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি গ্রাম পুলিশ পাঠাচ্ছি, তারা গিয়ে দেখে আসবে। নিউজ করার দরকার নেই।’

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত ভবনের ছাদ ও আশপাশ পরিষ্কার করে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হোক। একই সঙ্গে সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগগুলোও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক: মো: শামসুল আলম খান | ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান | কপিরাইট © কালের আলো সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন