খুঁজুন
                               
রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

বগুড়া জজ আদালতে ই-বেইল বন্ড সেবার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বগুড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
বগুড়া জজ আদালতে ই-বেইল বন্ড সেবার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বগুড়ায় সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জজ আদালতে ই-বেইল বন্ড সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন।

সোমবার (২০ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে বগুড়া সার্কিট হাউস থেকে পায়ে হেঁটে কোর্ট চত্বরে পৌঁছান তিনি। পরে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে এ সেবার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সময় তিনি বগুড়া জেলা অ্যাডভোকেটস বার সমিতির নবনির্মিত ভবনের নামফলক উন্মোচন করেন। এর আগে সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে সড়কপথে ঢাকার বাসভবন থেকে রওনা হয়ে বগুড়া শহরের সার্কিট হাউজে পৌঁছান তিনি।

ই-বেইল বন্ড সেবার উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বগুড়া সিটি করপোরেশনের ফলক উন্মোচন এবং সিটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম ঘোষণা করবেন বলে জানা গেছে।

দিনের দ্বিতীয়ার্ধে তিনি গাবতলী উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে খাল খনন কার্যক্রম, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী নিজ পৈতৃক বাড়ি পরিদর্শন করবেন এবং বিকেলে পুনরায় শহরে ফিরে আসবেন। বিকেল ৪টায় জেলা বিএনপির আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে বগুড়া শহরসহ আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন প্রবেশমুখে নেতাকর্মীরা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে ভিড় করছেন এবং তাকে একনজর দেখতে অপেক্ষা করছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জঙ্গল সলিমপুরকে অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ণ
জঙ্গল সলিমপুরকে অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরকে আর কোনোভাবেই অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ‘এখানকার অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তবে জঙ্গল সলিমপুরের স্থানীয় প্রকৃত অধিবাসীদের কাউকেই উচ্ছেদ করা হবে না। তাদের কীভাবে পুনর্বাসন করা যায়, সরকার সেই ব্যবস্থা করবে।’

রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে জঙ্গল সলিমপুরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর বর্তমান সরকার গত এক মাসে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। জঙ্গল সলিমপুর নিয়ে সরকারের মহাপরিকল্পনা রয়েছে। এখানকার ঝুলে থাকা কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের বিষয়টি শিগগিরই সমাধান করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সারাদেশের অপরাধচিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘শুধু সলিমপুর নয়, সারা দেশে চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাসীদের রুখে দিতে একযোগে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে। কেউ যদি জঙ্গল সলিমপুরের সাধারণ মানুষকে উচ্ছেদের ভয় দেখায় কিংবা চাঁদা দাবি করে, তবে সরাসরি নাম উল্লেখ করে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দিন। অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক, ছাড় দেওয়া হবে না।’

পরিদর্শনের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন ভূমিপ্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দিন, চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী,পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির, র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী চট্টগ্রামের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ পর্যালোচনা সভায় অংশ নিতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

উল্লেখ্য, গত ১৯ জানুয়ারি এই এলাকায় অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন র‍্যাবের উপ-সহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া। সেই ঘটনার পর গত ৯ মার্চ সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের একটি যৌথ অভিযানে পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয় প্রশাসন এবং আলীনগরে একটি অস্থায়ী যৌথ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়।

সর্বশেষ গত ২৪ মে দিবাগত গভীর রাতে শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিনের নেতৃত্বে কয়েকশ সশস্ত্র অপরাধী ভারী বুলডোজার নিয়ে সেই যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা ক্যাম্পের দেয়াল গুঁড়িয়ে দেয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পথ রুদ্ধ করতে ভেতরের সড়ক কেটে বড় বড় গর্ত করে রাখে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী ব্যাপক গুলিবিনিময়ের পর হামলাকারীরা পাহাড়ের গভীরে পালিয়ে যায়। এই হামলার ঘটনায় গত ২৬ মে সীতাকুণ্ড থানায় ৪৩ জনের নাম উল্লেখসহ প্রায় ৩০০ অজ্ঞাতপরিচয় সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে মামলা হয়।

কালের আলো/এসএকে

জঙ্গল সলিমপুরকে অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ণ
জঙ্গল সলিমপুরকে অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরকে আর কোনোভাবেই অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ‘এখানকার অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তবে জঙ্গল সলিমপুরের স্থানীয় প্রকৃত অধিবাসীদের কাউকেই উচ্ছেদ করা হবে না। তাদের কীভাবে পুনর্বাসন করা যায়, সরকার সেই ব্যবস্থা করবে।’ 

রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে জঙ্গল সলিমপুরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর বর্তমান সরকার গত এক মাসে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। জঙ্গল সলিমপুর নিয়ে সরকারের মহাপরিকল্পনা রয়েছে। এখানকার ঝুলে থাকা কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের বিষয়টি শিগগিরই সমাধান করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সারাদেশের অপরাধচিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘শুধু সলিমপুর নয়, সারা দেশে চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাসীদের রুখে দিতে একযোগে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে। কেউ যদি জঙ্গল সলিমপুরের সাধারণ মানুষকে উচ্ছেদের ভয় দেখায় কিংবা চাঁদা দাবি করে, তবে সরাসরি নাম উল্লেখ করে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দিন। অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক, ছাড় দেওয়া হবে না।’

পরিদর্শনের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন ভূমিপ্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দিন, চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী,পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির, র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী চট্টগ্রামের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ পর্যালোচনা সভায় অংশ নিতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

উল্লেখ্য, গত ১৯ জানুয়ারি এই এলাকায় অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন র‍্যাবের উপ-সহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া। সেই ঘটনার পর গত ৯ মার্চ সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের একটি যৌথ অভিযানে পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয় প্রশাসন এবং আলীনগরে একটি অস্থায়ী যৌথ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়।

সর্বশেষ গত ২৪ মে দিবাগত গভীর রাতে শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিনের নেতৃত্বে কয়েকশ সশস্ত্র অপরাধী ভারী বুলডোজার নিয়ে সেই যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা ক্যাম্পের দেয়াল গুঁড়িয়ে দেয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পথ রুদ্ধ করতে ভেতরের সড়ক কেটে বড় বড় গর্ত করে রাখে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী ব্যাপক গুলিবিনিময়ের পর হামলাকারীরা পাহাড়ের গভীরে পালিয়ে যায়। এই হামলার ঘটনায় গত ২৬ মে সীতাকুণ্ড থানায় ৪৩ জনের নাম উল্লেখসহ প্রায় ৩০০ অজ্ঞাতপরিচয় সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে মামলা হয়।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ বাংলাদেশি হাজি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ বাংলাদেশি হাজি

পবিত্র হজ পালন শেষে বাংলাদেশি হাজিদের দেশে ফেরা শুরু হয়েছে। রোববার (৩০ মে) রাত ৩টা পর্যন্ত ১৫টি ফিরতি ফ্লাইটে মোট ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি বাংলাদেশে পৌঁছেছেন। একই সময়ে সৌদি আরবে বাংলাদেশি হাজিদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালে আইটি হেল্প ডেস্ক প্রকাশিত দৈনিক বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

হজ বুলেটিন অনুযায়ী, দেশে ফেরা ৬ হাজার ১৭৫ হাজির মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪১৬ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫ হাজার ৭৫৯ জন রয়েছেন। আর ফিরতি যাত্রী পরিবহনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১ হাজার ১৮৪ জন, সৌদি এয়ারলাইন্স ১ হাজার ৬৯১ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ৩ হাজার ৩০০ জন হাজি পরিবহন করেছে।

এ পর্যন্ত মোট ১৫টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৩টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ৪টি এবং ফ্লাইনাস ৮টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

অন্যদিকে সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত ৩৭ জন বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ২৪ জন পুরুষ ও ১৩ জন নারী। মারা যাওয়াদের মধ্যে মক্কায় ২৭ জন এবং মদিনায় ১০ জন মারা গেছেন। এছাড়া সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানীয় হাসপাতালে মোট ১৭৬ জন হাজি চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। বর্তমানে ২৬ জন হাজি বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

বুলেটিনে আরও বলা হয়, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় মক্কায় বাংলাদেশ মিশনের কনফারেন্স কক্ষে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদের সভাপতিত্বে হজ প্রশাসনিক দলের নিয়মিত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনকারী হাজিদের নির্বিঘ্নে দেশে ফেরা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় করণীয়, আবাসন ও চিকিৎসাসেবার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে প্রশাসনিক দলের সদস্য, চিকিৎসক ও আইটি দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, এ বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রীর কোটা নির্ধারণ করা হয়। হজযাত্রীদের সৌদি আরবগামী প্রথম ফ্লাইট ছিল ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ২১ মে। অন্যদিকে ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু হয়েছে ৩০ মে থেকে, যা চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।

কালের আলো/এসএকে