খুঁজুন
                               
রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

উন্নয়ন সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত খুলতে চায় ঢাকা-ওয়াশিংটন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২৫ অপরাহ্ণ
উন্নয়ন সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত খুলতে চায় ঢাকা-ওয়াশিংটন

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন সাক্ষাৎ করেছেন।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে সমবায় মন্ত্রীর নিজ কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন অগ্রাধিকার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, উন্নয়ন সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত খুলতে চায় ঢাকা-ওয়াশিংটন।

বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, পানি সরবরাহ, কৃষি, অবকাঠামো উন্নয়ন ও গ্রামীণ যোগাযোগ খাতকে আরও শক্তিশালী করতে প্রযুক্তিগত সহায়তা, গবেষণা এবং বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন।

তিনি বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করে আগ্রহী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানান এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর জোর দেন।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘসময় ধরে যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে এবং ভবিষ্যতে এ সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বিশেষ করে কৃষি, জ্বালানি সহায়তা এবং সোলার প্যানেলসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

বৈঠক শেষে উভয়পক্ষই আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা ভবিষ্যতে আরও বেগবান হবে।

এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: বাসস

কালের আলো/এসএকে

স্বজনদের মায়া ছেড়ে ব্যস্ত নগরীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ
স্বজনদের মায়া ছেড়ে ব্যস্ত নগরীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

শেষ হচ্ছে ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটি। প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটিয়ে এবার কর্মস্থলে ফেরার পালা। তাই স্বজনদের মায়া ছেড়ে ধীরে ধীরে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ।

যদিও এখনো ফিরতি যাত্রায় তেমন ভিড় দেখা যায়নি। রোববার (৩১ মে) সকালে রাজধানীর বিমানবন্দর রেলস্টেশন, কমলাপুর রেলস্টেশন ও সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

এদিন সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ট্রেন, বাস ও লঞ্চে করে মানুষ ঢাকায় ফিরছেন। তবে ফিরতি যাত্রায় এখনো চাপ কম। অনেক পরিবারই গ্রামের বাড়িতে থেকে গেছে।

যাদের অফিস-আদালত খুলছে, জরুরি কাজ রয়েছে কিংবা কর্মস্থলে দ্রুত যোগ দেওয়া প্রয়োজন, মূলত তারাই আগে ঢাকায় ফিরছেন। ফলে রাজধানীতে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করলেও এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি কর্মচাঞ্চল্য।

ঢাকায় ফেরা এক চাকরিজীবী বলেন, ‘কাল থেকে অফিস খোলা। তাই ঈদ আনন্দ শেষে স্বজনদের মায়া ছেড়ে চলে এলাম।’ এদিকে, আজও ঢাকা ছাড়ছেন অনেকে। কমলাপুরে ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ফেরার চেয়ে ছাড়ার সংখ্যাই বেশি।

অন্যদিকে, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে সকাল থেকেই ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সকাল থেকেই পদ্মা পাড়ি দিয়ে ঘাটে ভিড়ছে যাত্রীবোঝাই লঞ্চ। এসব লঞ্চে আসছেন আসছেন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ। এবার ফেরি ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক থাকায় ঘাট এলাকায় তেমন কোনো ভোগান্তি বা দীর্ঘ যানজটের ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি যাত্রীদের। অনেকে আবার স্পিডবোটে নদী পার হচ্ছেন। যাত্রীরা জানান, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের তেমন বড় কোনো অভিযোগ না থাকলেও, গণপরিবহনে কিছুটা বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে। তবে এবারের ঈদযাত্রা ও ফিরতি যাত্রা বিগত বছরগুলোর চেয়ে অনেকটাই স্বস্তিদায়ক। ঘাট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামীকাল থেকে অফিস-আদালত পুরোদমে শুরু হওয়ায় বিকেলের দিকে যাত্রীদের চাপ আরও বাড়তে পারে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

যুদ্ধের প্রভাবে ৬০ বিলিয়ন ডলারের বাড়তি চাপ মার্কিনিদের কাঁধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৯:১০ পূর্বাহ্ণ
যুদ্ধের প্রভাবে ৬০ বিলিয়ন ডলারের বাড়তি চাপ মার্কিনিদের কাঁধে

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের ওপর। নতুন এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত তিন মাসে দেশটির ভোক্তাদের মোট অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলার।

মুডিজ অ্যানালিটিকসের তথ্য অনুযায়ী কাতারভিত্তিক সংবাদমাদ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর থেকে জ্বালানিসংশ্লিষ্ট খাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি পরিবারে গড়ে ৪৪৭ দশমিক ১৯ ডলার অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে।

পেট্রোলের দাম বৃদ্ধি এবং বিমানভাড়া বেড়ে যাওয়ায় এই অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত তিন মাসে মার্কিন ভোক্তাদের সম্মিলিত অতিরিক্ত ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

অর্থনীতিবিদেরা আশঙ্কা করছেন, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে ভোক্তাদের ওপর আর্থিক চাপ আরও বাড়বে।

মুডিজের প্রধান অর্থনীতিবিদ মার্ক জান্ডি বলেন, ‘যুদ্ধ দ্রুত শেষ না হলে আর্থিক চাপে থাকা ভোক্তারা ব্যয় কমাতে বাধ্য হবেন। এতে ইতিমধ্যে দুর্বল হয়ে পড়া অর্থনীতি আরও চাপে পড়তে পারে।’

বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, জ্বালানির বর্তমান মূল্যস্তর অব্যাহত থাকলে যুদ্ধ শুরুর এক বছর পূর্তির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি পরিবারের অতিরিক্ত ব্যয় প্রায় ২ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় যা জানালো আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ২:২০ পূর্বাহ্ণ
সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় যা জানালো আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

রাজধানীর মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগের ঘটনায় নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে ব্যাখ্যা দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

একই সঙ্গে ৩০ মে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দুঃখও প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

শনিবার (৩০ মে) আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের পরিচালক (এইচআর অ্যান্ড কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স) তারিকুল ইসলাম মুকুল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৭ মে হাসপাতালে ছয় নবজাতকের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পুলিশ, র‌্যাবসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।

পাশাপাশি সরকার এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এর ফলে কয়েকদিন ধরে হাসপাতালজুড়ে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের আসা-যাওয়া এবং বিপুলসংখ্যক সাংবাদিকের উপস্থিতি ছিল।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, এ পরিস্থিতিতে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য সেবাকর্মীরা মানসিক চাপের মধ্যে দায়িত্ব পালন করছিলেন। একই সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও সেবা নিতে আসা ব্যক্তিদেরও নানা ধরনের অসুবিধার মুখোমুখি হতে

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে চলে যাওয়ার পর বিপুলসংখ্যক সাংবাদিক হাসপাতালে প্রবেশের চেষ্টা করেন। তখন চিকিৎসাধীন রোগীদের স্বার্থে সাংবাদিকদের হাসপাতালে প্রবেশ থেকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করা হয়।

হাসপাতালের ভাষ্য অনুযায়ী, এ সময় কর্মীদের সঙ্গে সাংবাদিকদের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে একজন সাংবাদিক পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ‘ঝাড়ুদার’ বলে সম্বোধন করেন। এতে তারা নিজেদের অপমানিত বোধ করে উত্তেজিত হয়ে পড়েন এবং সাংবাদিকদের হাসপাতাল ত্যাগের অনুরোধ জানান। পরে হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কর্মীদের শান্ত করার উদ্যোগ নেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল জানায়, প্রতিষ্ঠানটি সবসময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করে। এরপরও ৩০ মে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।

কর্মীদের অনিচ্ছাকৃত আচরণে কোনো গণমাধ্যমকর্মী কষ্ট পেয়ে থাকলে তারা বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি