খুঁজুন
                               
রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ২৭ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ২:২৫ অপরাহ্ণ
অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

মূলধারার অর্থনীতির বাইরে থাকা মানুষদের সরকার অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসতে চায় বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

রোববার (১০ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অনানুষ্ঠানিক খাতের উন্নয়নে পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ প্রকল্প ‘রেইজ’-এর ২য় পর্যায়ের কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, যারা মূলধারার অর্থনীতির বাইরে আছে, তাদেরকে অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসতে চাই। নাগরিক হিসেবে এটি সবার অধিকার। শুধু রাজনীতিতে গণতন্ত্র থাকলেই হবে না, অর্থনীতিতেও গণতন্ত্র থাকতে হবে। সে জন্য সরকার অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

দেশের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রশ্নে তিনি বলেন, যেকোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড রয়েছে। এসব মানদণ্ড পূরণ না হলে সরকার কোনো প্রকল্প অনুমোদন দেবে না। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ভালো কাজ করছে এবং প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণে কী প্রয়োজন, তা সরকার বিবেচনা করছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, নারীরা পুরো পরিবারকে আগলে রাখেন এবং কীভাবে সঞ্চয় করতে হয়, তা তারা ভালোভাবে জানেন। এজন্য ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে তাদের আর্থিকভাবে কিছুটা স্বস্তি দেয়ার চেষ্টা করছে সরকার। এই অর্থ গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ সৃষ্টি করবে। একইভাবে কৃষক কার্ডও দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

দেশের স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় আফগানিস্তানের চেয়েও বেশি, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী বাজেটে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানো হবে এবং এসব সেবা জনগণের নাগালের মধ্যে আনার উদ্যোগ নেয়া হবে।

আমির খসরু মাহমুদ আরও জানান, দেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের যে সম্ভাবনা এখনো অবশিষ্ট রয়েছে, সরকার তা কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে চায়।

বিশ্ববাজারে হস্তশিল্পের বড় সম্ভাবনা থাকলেও বাংলাদেশ সেই বাজার ধরতে পারছে না বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটি এখনও আন্তর্জাতিক বাজারে কাঙ্ক্ষিত অবস্থান তৈরি করতে পারেনি, কারণ এ খাতে পরিকল্পিতভাবে জোর দিয়ে কাজ করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, একটি ভালো ডিজাইনই কোনো পণ্যের মূল্য কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই পণ্যের ডিজাইনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের মার্কেটিং কৌশলও জরুরি। সরকার এসব জায়গায় গুরুত্ব দিতে চায়।

বাংলাদেশের মিউজিক ও থিয়েটারও বড় সম্ভাবনাময় খাত উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগের অভাবে এসব খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এশিয়ার বিভিন্ন দেশ অ্যামাজনসহ আন্তর্জাতিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিজেদের পণ্য ও সংস্কৃতি বিশ্ববাজারে তুলে ধরছে। বাংলাদেশকেও দ্রুত সেই পথে এগোতে হবে।

খেলাধুলাকেও বড় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, হাজার হাজার মানুষ খেলা দেখতে আসে, যা জিডিপিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। কিন্তু এ খাতেও প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দেয়া হয়নি। দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে এসব সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ ও পরিকল্পনা বাড়াতে হবে।

কালের আলো/এসএকে

সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৫:১৯ অপরাহ্ণ
সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, শুধু সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এজন্য হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক– সবার সম্মিলিত সচেতনতা ও অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

রোববার (১০ মে) ডিএসসিসির বুড়িগঙ্গা হলরুমে আয়োজিত কর্মী সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া মোকাবিলায় সমালোচনাকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সিটি কর্পোরেশন।

কোথাও কাজের ঘাটতির বিষয়ে অভিযোগ বা রিপোর্ট পেলেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। আবদুস সালাম বলেন, মশকনিধন কার্যক্রমে ব্যবহৃত ওষুধ একাধিকবার পরীক্ষা করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের পরীক্ষায় ওষুধ কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য বলে মত দেওয়া হয়েছে। এরপরও নতুন ওষুধ ব্যবহারের সম্ভাবনা যাচাইয়ে কীটতত্ত্ববিদদের মাধ্যমে পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে। তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে কাজ করলেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। সিটি কর্পোরেশন একা কখনোই এ সংকট মোকাবিলা করতে পারবে না।

ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, জরিপের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে এবং ইতোমধ্যে সেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে আগে থেকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী সম্ভাব্য প্রাণহানি কমিয়ে আনতে আগাম প্রস্তুতি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

আবদুস সালাম আরও বলেন, নর্দমা ও আবর্জনা পরিষ্কার রাখতে হবে। যেকোনোভাবেই আবর্জনামুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এ কাজে দলীয় পরিচয় নয়, পরিচ্ছন্নতাই প্রধান বিষয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন

কনস্টেবল থেকে এসআইদের পদোন্নতি দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
কনস্টেবল থেকে এসআইদের পদোন্নতি দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বর্তমানে অনেক পুলিশ কনস্টেবল ৪০ বছর চাকরি করে অবসর গ্রহণ করেও পরবর্তী পদোন্নতি পান না। সেজন্য বিশেষ নীতিমালা ও সন্তোষজনক চাকরির রেকর্ড বিবেচনায় অবসরকালীন সময়ে কিছু সংখ্যক পুলিশ সদস্যকে কনস্টেবল থেকে অনারারি সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) পদে; সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) থেকে অনারারি উপ-পরিদর্শক (এসআই) পদে এবং উপ-পরিদর্শক (এসআই) থেকে অনারারি পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) পদে পদোন্নতি দেওয়া হবে।

রোববার (১০ মে) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ মিলনায়তনে ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে ‘প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কল্যাণ সভায়’ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ বাহিনীকে একটি জনকল্যাণমুখী ও আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের আর্থিক সঙ্গতি ও সক্ষমতা বিবেচনায় তাদের যৌক্তিক দাবিসমূহ পূরণ করা হবে। পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে অতিরিক্ত কর্মঘণ্টায় দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের জন্য বিশেষ নীতিমালার ভিত্তিতে ওভারটাইম ভাতা দেওয়া কথা ভাবছে সরকার, যা তাদের মনোবল বৃদ্ধি ও সেবার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে। এ ক্ষেত্রে আইজিপি থেকে কনস্টেবল পদ পর্যন্ত ওভারটাইম ভাতা বিবেচনা করা হতে পারে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা ও অধিক কর্মচাপ বিবেচনায় পুলিশ সদস্যদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালকে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিপূর্বক আরো আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হবে এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষান্তে আরও উন্নত হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ভবন/কার্যালয় নির্মাণ ও আবাসন সমস্যা দূরীকরণে বর্তমান সরকার আন্তরিক। এ ক্ষেত্রে ভূমি অধিগ্রহণসহ প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করা সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।

বিগত দুই মাসে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চলছে। তথ্য প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে অপরাধের ধরন ও মাত্রা বদলেছে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আধুনিক প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা অর্জন করতে না পারলে অপরাধ দমনে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ও সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, জুয়া, অনলাইন জুয়া, সাইবার ক্রাইম ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে আরো যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের জন্য এরই মধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী আইন প্রণয়ন করা হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মব কালচার পুরোপুরি বন্ধ করার লক্ষ্যে বিদ্যমান আইনকে সংশোধন ও সংযোজন করে যুগোপযোগী করা হবে।

মন্ত্রী এসময় পুলিশ বাহিনীকে জনপ্রত্যাশা ও জনআকাঙ্ক্ষা অনুয়ায়ী দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

স্বাগত বক্তৃতা করেন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যাণ্ড অপারেশনস্) খন্দকার রফিকুল ইসলাম।

কালের আলো/এসআর/এএএন

রাজশাহীর ক্রীড়াঙ্গনকে সমৃদ্ধ করার জন্য স্টেডিয়ামগুলো সংস্কার করা হবেঃ ভূমিমন্ত্রী মিনু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
রাজশাহীর ক্রীড়াঙ্গনকে সমৃদ্ধ করার জন্য স্টেডিয়ামগুলো সংস্কার করা হবেঃ ভূমিমন্ত্রী মিনু

রাজশাহী প্রতিনিধি

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন,“রাজশাহীর ক্রীড়াঙ্গনকে সমৃদ্ধ করার জন্য খুব দ্রুত যে স্টেডিয়ামগুলো  জরাজীর্ণ অবস্থায় আছে সেগুলো সংস্কার করা হবে। প্রধানমন্ত্রী এবং ক্রীড়ামন্ত্রীর সাথে আমার আলোচনা হয়েছে।” শনিবার বিকেলে রাজশাহী জেলা মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে নতুন কুড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, “রাজশাহীর বিভাগীয় যে স্টেডিয়াম আমাদের প্রিয় সন্তান মুক্তিযুদ্ধে যিনি রাজশাহীর মাটিতে শাহাদাত বরণ করেছিলেন সেই বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর। সেই স্টেডিয়ামকে আমরা বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর নামকরণ করে সেখানে নতুন করে ফ্লাডলাইট, টি-২০ ম্যাচের আয়োজন করা হবে। রাজশাহীতে আন্তর্জাতিকমানের ফুটবল এবং অন্যান্য খেলাকে নিয়ে রাজশাহীর সমৃদ্ধি আরো বৃদ্ধি করা হবে।”

ভূমিমন্ত্রী বলেন,“প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান  জাতিকে সকল দিক থেকে এগিয়ে নেওয়ার জন্যই এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছেন। আমাদের প্রিয় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কিশোর কুঁড়ি দিয়ে এর যাত্রা শুরু করেছিলেন। তৎকালীন সময়ে ছোট নবীন শিল্পীদের সৃষ্টি হয়েছিল। আমাদের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এটিকে আরও বেগবান করেছিলে। আমরা আশা করছি এই আয়োজন এর মধ্য দিয়ে আমাদের ছোটমনিরা জাতীয় পতাকাকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরবে।”

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল মন্ডল, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম বজলুর রশীদ, রাজশাহী জেলা পরিষদ প্রশাসক এ্যাড. এরশাদ আলী ঈশা, আরএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার আল মামুন, ডিআইজি অফিসের পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ শাহজাহান মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোঃ শরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মোহাঃ সবুর আলী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। পরে প্রধান অতিথি অন্যান্য অতিথিদের নিয়ে খেলায় বিজয়ী ও রানার্স আপ দলের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। ক্ষুদে খেলোয়াড়রা মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।কালের আলো/এসআইপি