খুঁজুন
                               
সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ২৮ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে ফের যুদ্ধ শুরুর শঙ্কা দেখছে না পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৯:০৯ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে ফের যুদ্ধ শুরুর শঙ্কা দেখছে না পাকিস্তান

এই মুহুর্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান। একই সঙ্গে চলমান উত্তেজনা বন্ধ ও একটি সমাধানে পৌঁছাতে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশটি।

সোমবার (১১ মে) প্রক্রিয়াটির সঙ্গে পরিচিত একাধিক পাকিস্তানি সরকারি সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু।

একটি সূত্র আনাদোলুকে জানিয়েছে, চলমান অচলাবস্থা সত্ত্বেও পাকিস্তান যুদ্ধ পুনরায় শুরু হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো তাৎক্ষণিক বিপদ দেখছে না, কারণ ওয়াশিংটন ও তেহরান সংঘাত নিরসনে একটি কূটনৈতিক পথ গুরুত্বের সাথে খুঁজছে।

সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের সর্বশেষ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও এই মুহুর্তে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।

সূত্র বলছে, ‘ট্রাম্প চান না যে ফের সংঘাত শুরু হওয়ার কারণে তার আসন্ন চীন সফর ম্লান হয়ে যাক’।

মূলত রোববার ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের ‘তথাকথিত প্রতিনিধিদের’ প্রতিক্রিয়া পড়েছেন এবং এটিকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে বর্ণনা করেছেন।

জবাবে ইরান বলেছে, তাদের জবাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করলেও তাতে ‘কিছুই যায় আসে না।’

সূত্রগুলো আরও জানায়, ‘কিছু বিষয়ে, প্রধানত তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ব্যাপারে উভয় পক্ষের প্রকাশ্যে অনমনীয়তা সত্ত্বেও অচলাবস্থা ভাঙতে ইসলামাবাদ তার মধ্যস্থতা অব্যাহত রাখবে।

একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘উভয় পক্ষের কঠোর মনোভাব সত্ত্বেও গোপন যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং কাতার ও মিশরসহ বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক দেশ ইসলামাবাদকে তার মধ্যস্থতার প্রচেষ্টায় সহায়তা করছে।’

এদিকে পাকিস্তান দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার ব্যাপারে এখনও আশাবাদী হলেও, মার্কিন প্রস্তাবের জবাবে পারমাণবিক ইস্যুতে ইরানের পূর্বের অবস্থানে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি।

এ বিষয়ে সূত্রগুলো জানায়, গত সপ্তাহে ইসলামাবাদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো তেহরানের জবাবে মূলত যুদ্ধের অবিলম্বে সমাপ্তির ওপরই জোর দেওয়া হয়েছে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটনের মূল দাবির বিষয়ে এতে তেমন কিছুই নেই।

সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, উভয় পক্ষ যুদ্ধ শেষ করতে সম্মত হওয়ার পর এক মাসের মধ্যে পারমাণবিক আলোচনা শুরু করারও প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। তবে ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলার মার্কিন দাবি আবারও প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ওয়াশিংটনের ২০ বছরের স্থগিতাদেশের দাবি প্রত্যাখ্যান করে পাঁচ বছরের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছে তেহরান।

এছাড়াও ইরান তার বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়ার বিনিময়ে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে তার প্রস্তুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

সূত্র: আনাদোলু

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আমরা দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে চলছি: সেতুমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
আমরা দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে চলছি: সেতুমন্ত্রী

সরকার দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে আসন্ন ঈদুল আজহায় নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিতে প্রস্তুতি সভা শেষে মন্ত্রী এ কথা জানান।

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া পয়েন্টে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ হলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেক কমে যাবে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‌হ্যাঁ, পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর তিনটি প্রস্তাবনা আছে। তার এক নম্বর প্রস্তাবনা আপনি যেটা বলেছেন ওই রুটে। আমরা দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে চলছি। ফিজিবিলিটি স্টাডি অলরেডি কমপ্লিট। অর্থায়নের জায়গাটা নিয়ে ভাবছি, কথা বলছি। আর ধরেন অন্যান্য প্রাক-প্রস্তুতি চলছে।

মন্ত্রী বলেন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রাক-প্রস্তুতির কাজও এগিয়ে যাচ্ছে বলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, ঈদ যাত্রায় নৌপথেও নেওয়া হয়েছে বাড়তি সতর্কতা। আরিচা ঘাটে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনার তদন্তে গাড়ির ব্রেকে ত্রুটির বিষয় উঠে এসেছে। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে এবার ফেরিতে গাড়ি ওঠার আগে ব্যারিকেড ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাতে ফেরি সম্পূর্ণ খালি না হওয়া পর্যন্ত নতুন গাড়ি প্রবেশ করতে না পারে।

মন্ত্রী বলেন, এ ছাড়া সদরঘাটে স্পিডবোট ও লঞ্চ চলাচলে নতুন শৃঙ্খলা আনা হয়েছে। এখন থেকে স্পিডবোটের যাত্রীরা সরাসরি লঞ্চে উঠতে পারবেন না। তাদের নির্ধারিত পন্টুন ব্যবহার করতে হবে। এ জন্য নতুন সংযোগ ব্রিজও নির্মাণ করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, দেড় কোটির বেশি মানুষের ঈদযাত্রা এবং প্রায় এক কোটি কোরবানির পশু পরিবহনকে কেন্দ্র করে এবারের ঈদ ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। তবে সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করলে ভোগান্তি ও দুর্ঘটনা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জিডিপির ৫ শতাংশ স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ হবে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
জিডিপির ৫ শতাংশ স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ হবে: অর্থমন্ত্রী

আগামী ৫ বছরের মধ্যে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সরকার জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, ট্যাক্স-জিডিপি প্রবৃদ্ধি যেখানে ১১ থেকে ১২ শতাংশের বেশি ছিল, সেখানে এখন তা ৭ শতাংশেরও কম। এর প্রভাবে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন প্রকল্প বা সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প গ্রহণ করা যাচ্ছে না।

সোমবার (১১ মে) রাজধানীর বনানীতে দৈনিক বণিক বার্তার আয়োজনে ‘বৈশ্বিক অস্থিরতায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের পথরেখা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ট্যাক্স-জিডিপি বাড়াতে গেলে প্রথমেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে সংস্কার করতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকার সেই প্রক্রিয়া শুরু করে গেছে। তবে সেটি যথেষ্ট নয়, আরো কার্যকরভাবে করতে হবে। কারণ আধা সংস্কারের কারণে এখন না পুরোপুরি পুরোনো কাঠামো রাখা যাচ্ছে, না নতুন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে। ফলে আমরা নতুন একটি কমিটি করেছি। সেই কমিটির মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত হবে কীভাবে এবং কতটুকু সংস্কার করা হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে যতটুকু বাজেট বরাদ্দ বাড়াতে চাইছি, ততটুকু এখনো পারছি না। তবে ধীরে ধীরে আমরা সেই জায়গায় পৌঁছাব। দক্ষ জনশক্তি ছাড়া মানবসম্পদ উন্নয়নের সুযোগ নেই। দক্ষতা উন্নয়নের জন্য দেশব্যাপী বড় ধরনের একটি কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, এখন যে পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে, তার বড় অংশই অদক্ষ শ্রমিকদের পাঠানো অর্থ। তাদের দক্ষতা বাড়ানো গেলে বর্তমানে যা আসে, তার চেয়ে অনেক বেশি রেমিট্যান্স আসবে। আমাদের লক্ষ্য এটিকে ৫০ বিলিয়ন ডলারের ওপরে নিয়ে যাওয়া।

আমির খসরু বলেন, বর্তমানে যেসব দক্ষতা উন্নয়ন স্কুল রয়েছে, সেগুলোর কোনো সার্টিফিকেশনই আন্তর্জাতিক মানের নয়। ফলে এসব জায়গায় বিনিয়োগ করে প্রত্যাশিত লাভ হচ্ছে না। সরকার এখন এই জায়গাগুলোতে জোর দিচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, বড় দুর্নীতির কারণে বিগত সরকারের আমলে কর্মসংস্থান তৈরি হয়নি। আগামী দুই বছরের মধ্যে নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করতে চাই।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, উচ্চশিক্ষিতদের ক্ষেত্রে চাকরি পাওয়াটা খুব জটিল হয়ে যাচ্ছে। তাদের জন্য আইসিটি খাত হতে পারত খুব ভালো একটি ক্ষেত্র। কিন্তু ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা নয়ছয় করেছে আওয়ামী লীগ সরকার।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ভারতীয় সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, সতর্ক বিজিবি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৯:৪০ অপরাহ্ণ
ভারতীয় সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, সতর্ক বিজিবি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারতীয় সীমান্তে তারা যদি কাঁটাতারের সীমানা নির্ধারণ করতে চায় তবে সেটা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সীমান্তে অনুপ্রবেশ রোধ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবি সার্বক্ষণিক সতর্ক রয়েছে।

সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে লবণ চাষীদের জীবনমান উন্নয়ন সংক্রান্ত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

হাওড়ায় রাজ্য সচিবালয়ে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফকে ৪৫ দিনের মধ্যে জমি বুঝিয়ে দেবে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির নেতৃত্বাধীন নতুন রাজ্য সরকার। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় সীমান্তে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ যদি কাঁটাতারের সীমানা নির্ধারণ করতে চায় সে বিষয়ে আমি এখনও কিছু জানি না। সেটা তাদের আভ্যন্তরীণ বিষয়।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি ও সীমান্ত উত্তেজনা সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন হয়েছে। সেখানে রাজনৈতিক দলের পরিবর্তন হয়েছে। নতুন একটি রাজনৈতিক সরকার গঠিত হয়েছে সেখানে। ভারতের কোনো অঙ্গরাজ্যে সরকার পরিবর্তন বা অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত (যেমন কাঁটাতার নির্মাণ) তাদের নিজস্ব বিষয়।

মন্ত্রী স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখে। কোনো নির্দিষ্ট অঙ্গরাজ্যের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি বা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলে না। সীমান্তে অনুপ্রবেশ রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবি সার্বক্ষণিক সতর্ক রয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী কথিত সংখ্যালঘু নির্যাতন ও এর প্রভাব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্যের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনেক ক্ষেত্রে পুরোনো ও বিভ্রান্তিকর ভিডিও ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত এ ধরণের কোনো পরিস্থিতির সত্যতা বা নেতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশে পড়ার মতো কোনো তথ্য স্বরাষ্ট্র বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে নেই। তিনি জনগণকে এ ধরণের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, দেশে লবণ শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং স্থানীয় লবণ চাষীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে লবণের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণের উদ্যোগ নিয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয় বর্তমানে লবণ চাষীদের উৎপাদন খরচ পর্যালোচনা করছে যাতে তারা তাদের পরিশ্রমের সঠিক মূল্য পান। দেশে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও ভোজ্য লবণের চাহিদা নিরূপণ করে আমদানির যৌক্তিকতা যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, যথাযথ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এমনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যাতে দেশ লবণ উৎপাদনে সম্পূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারে এবং চাষীরা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ