খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মকেই দেশের দায়িত্ব নিতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৮:০৬ অপরাহ্ণ
মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মকেই দেশের দায়িত্ব নিতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক

আমরা একদিন চলে যাবো। কিন্তু, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মকেই দেশের দায়িত্ব নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে বলীয়ান হয়ে দেশের জন্য নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর ভবনে ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রশাসক বলেন, ১৯৭১ সালে যেমন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ডাকে মুক্তিযোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতার জন্য হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিলেন, আজও তেমনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ডাকে ঢাকা শহরকে ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ করতে তারা রাজপথে নেমেছেন।

একজন মুক্তিযোদ্ধা ও ডিএসসিসি প্রশাসক হিসেবে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা একদিন চলে যাবো। কিন্তু, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মকেই দেশের দায়িত্ব নিতে হবে। নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে বলীয়ান হয়ে দেশের জন্য নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা আমাদের প্রাণের শহর। এই শহরকে যদি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করতে চাই, তাহলে আগে নিজেদের বদলাতে হবে। আমরা বদলালে ঢাকা বদলাবে। আমরা চাই না পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ শহরের তালিকায় ঢাকা থাকুক। আমরা চাই পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও সবুজ শহরের তালিকায় ঢাকা এক নম্বরে থাকুক।

পরিচ্ছন্নতা অভিযান নগর ভবন থেকে শুরু হয়ে জাতীয় স্টেডিয়ামের ১ নম্বর গেট হয়ে বিএনপির নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যেয়ে শেষ হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

তথ্য মন্ত্রণালয়ে দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসন গঠনের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ণ
তথ্য মন্ত্রণালয়ে দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসন গঠনের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সরকার ও রাষ্ট্রকে এক করে দেখার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে জনগণের কল্যাণে একটি জবাবদিহিমূলক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসনিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র কোনো ব্যক্তি বা সরকারের ব্যক্তিগত ডিভাইস নয়। জনগণের ইচ্ছাই রাষ্ট্র পরিচালনার মূল শক্তি এবং জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হলে কোনো সরকারই টিকে থাকতে পারে না।

তিনি বলেন, জনগণের সম্মিলিত মতামতই রাষ্ট্রকে পরিচালিত করে। নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের ইচ্ছাকে বাস্তবায়ন করা।

সভায় তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। একইসঙ্গে সংবিধান, আইন ও বিধিবিধানের বাইরে গিয়ে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের একটি সংবিধান আছে, যা সকল আইন ও বিধির মূল ভিত্তি। রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি স্তরে সেই আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে।

মতবিনিময় সভায় মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা ও সক্ষমতাকে সমন্বিতভাবে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিচ্ছিন্নভাবে থাকা সক্ষমতাকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে কেন্দ্রীভূত করতে পারলে প্রশাসনের কার্যকারিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

হামে আক্রান্ত হাসান ও হোসেনের পাশে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
হামে আক্রান্ত হাসান ও হোসেনের পাশে প্রধানমন্ত্রী

হামে আক্রান্ত হয়ে নিউমোনিয়ায় গুরুতর অসুস্থ দুই বছর বয়সী যমজ শিশু হাসান ও হোসেনের চিকিৎসা এবং সার্বিক সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সম্প্রতি জাতীয় দৈনিকে ‘হামের পরে নিউমোনিয়া, আইসিইউতে লড়ছে ২ যমজ শিশু’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকার মুগদা জেনারেল হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটুর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল অসুস্থ শিশুদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরিবারটির হাতে আর্থিক সহায়তা ও পুষ্টিকর ফলমূল তুলে দেওয়া হয়।

হাসপাতালে ডা. বিটু দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং হাসান-হোসেনসহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্যান্য শিশুদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

চিকিৎসকরা জানান, হাসান-হোসেনের শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। তাদের আইসিইউ থেকে জেনারেল ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে শিশুদ্বয় এখনও পুষ্টিহীনতায় ভুগছে এবং চিকিৎসকদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. মেজবাহুর রহমান, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মো. শাখাওয়াত হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক (শিশু) ডা. শামীম ইবনে হালিম, ডা. মো. জহিরুল ইসলাম জহির, ডা. হাসিবুল হাসান, ডা. মো. হাফিজুর রহমানসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।

উল্লেখ্য, হাসান-হোসেনের বাবা একজন রাজমিস্ত্রী। তাদের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

প্রাথমিক শিক্ষায় এখনো কাঙ্ক্ষিত শেখার দক্ষতা অর্জিত হয়নি : ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৭:২৯ অপরাহ্ণ
প্রাথমিক শিক্ষায় এখনো কাঙ্ক্ষিত শেখার দক্ষতা অর্জিত হয়নি : ববি হাজ্জাজ

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে গণসাক্ষরতা অভিযান আয়োজিত পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য ‘রেমিডিয়াল শিক্ষা : কর্ম-অভিজ্ঞতা ও আগামীর ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতকে জাতীয় বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করছে। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী ইশতেহারেই শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা স্পষ্ট করেছেন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রাথমিক শিক্ষাকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য হলো প্রি-প্রাইমারি ও প্রাথমিক স্তরের চার থেকে দশ বছর বয়সি শিশুদের মৌলিক শেখার ভিত্তি দৃঢ় করা। কিন্তু বাস্তবতা হলো– অনেক শিক্ষার্থী ক্লাস থ্রিতে পড়লেও তারা সেই শ্রেণির উপযোগী দক্ষতা অর্জন করতে পারেনি। জাতীয় শিক্ষার্থী মূল্যায়ন (এনএসএ) অনুযায়ী প্রায় ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী পিছিয়ে আছে। ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণে আমার মনে হয়েছে, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানান, যেসব শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে বা ক্লাসে তাল মেলাতে পারছে না, তাদের জন্য বিশেষ সহায়ক কার্যক্রম চালু করা হবে। লার্নিং সার্কেল, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা, অভিভাবক অংশগ্রহণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর কনটেন্ট ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি কমানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সভাপতির বক্তব্যে গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী বলেন, ‘দ্য লার্নিং নেশন’ বইয়ে ববি হাজ্জাজ বাংলাদেশের শিক্ষা সংস্কারের একটি বিস্তৃত রূপরেখা তুলে ধরেছেন। বইটিতে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে উচ্চশিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন ব্যবস্থা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়নের নানা দিক বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

সভার শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন গণসাক্ষরতা অভিযানের উপ-পরিচালক তপন কুমার দাশ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেভ দ্য চিলড্রেনের এডুকেশন লিড শাহীন ইসলাম, সিনিয়র ম্যানেজার (এডুকেশন) তাহসিনা তাইমুর এবং অধ্যাপক মুরশিদ আখতার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমেদ, গণসাক্ষরতা অভিযানের কাউন্সিল মেম্বার এবং চলপড়ির প্রতিষ্ঠাতা জেরিন মাহমুদ হোসেন, সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত।

কালের আলো/এসআইপি