খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

সরকারি দল বহু জায়গায় উল্টাপাল্টা করছে: জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
সরকারি দল বহু জায়গায় উল্টাপাল্টা করছে: জামায়াত আমির

বহু জায়গায় সরকারি দল অনেক উল্টাপাল্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, ‌‘আপনারা দেখেছেন বহু জায়গায় এরইমধ্যে সরকারি দল অনেক উল্টাপাল্টা করছে। তারা গণভোটকে অগ্রাহ্য করেছে। তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন করে অত্যন্ত দুর্বল-বিতর্কিত একজন মানুষকে সেই সম্মানজনক জায়গায়, বসিয়েছে।’

বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন যে ৪২টি জেলায় তারা প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে বসিয়েছে, একটা ডেমোক্রেটিক প্রসেসে দেশ যখন এগোচ্ছে, এইসময় কেন প্রশাসক নিয়োগ দিতে হবে? দলীয় লোকদের কেন দিতে হবে? বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচন করে জনগণ যাদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছে, হেরে গেছে; তাদেরকে আবার বড় বড় জায়গায় বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটাকে কি জনগণের সঙ্গে এক ধরনের তামাশা নয়?’

দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আবার বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে জ্ঞানের চর্চা হবে, আমাদের সন্তানগুলো মানুষ হয়ে, পরিপক্ব হয়ে একজন যোগ্য নাগরিক হয়ে বের হবে; সেখানে এখন দলীয় অনুগত লোকদেরকে ভিসি, প্রো-ভিসি, প্রক্টর, প্রভোস্ট—এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে এখন নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এগুলোর কোনো জবাব নেই।’

তিনি বলেন, ‘মনে রাখবেন, আপনাদের পরিকল্পনাই ফাইনাল না, আল্লাহ তায়ালার মহাপরিকল্পনা ফাইনাল। এটা যদি ফাইনাল হতো, অতীতের সরকার সাড়ে ১৫ বছরে খুব সুন্দর করে সবকিছু সাজিয়েছিল। কিন্তু না, দুই দিনের মাথায় সবকিছু তছনছ হয়ে গিয়েছে।’

রংপুর অঞ্চলের বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য আমরা বলেছিলাম, কৃষির রাজধানী হিসেবে এটাকে ঘোষণা করবো। এটা কথার কথা নয়, মুখের কথা নয়; বাস্তবেই কৃষির রাজধানী হিসেবে এটাকে রূপান্তর করার জন্য যত কর্মসূচি নেওয়া দরকার, রাষ্ট্র সব কর্মসূচি নেবে। হয় রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে হবে, না হয় বেসরকারি উদ্যোগে হবে, না হয় যৌথ উদ্যোগে হবে। হয় দেশীয় উদ্যোগে হবে, না হয় আন্তর্জাতিক উদ্যোগে হবে। কিন্তু এর চেহারা বদলাবে ইনশাআল্লাহ।’

এর আগে, একদিনের সফরে সকাল ৯টায় রংপুরে পৌঁছান জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সার্কিট হাউজে তাকে গার্ড অব অনার দেয় মহানগর পুলিশ। পরে তিনি নগরীর মডেল কলেজ অডিটোরিয়ামে রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের জেলা, উপজেলা ও থানা আমির সম্মেলনে যোগ দেন।

জুমার নামাজ শেষে একটি মসজিদ উদ্বোধনের পর বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

নানা জাতির বৈচিত্র্যকে বিভাজনের হাতিয়ার না করার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
নানা জাতির বৈচিত্র্যকে বিভাজনের হাতিয়ার না করার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বাংলাদেশের ভাষা, ধর্ম, লিঙ্গ ও জাতিসত্তার বৈচিত্র্যকে বিভাজনের হাতিয়ার নয়, বরং জাতীয় সম্পদে রূপান্তর করতে হবে।

শুক্রবার (১৫ মে) বিকালে রাজধানীর পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে সিএইচটি ওয়েলফেয়ার সোসাইটি আয়োজিত ‘বিজু, বৈসুক, সাংগ্রাই, বিষু ও চাংক্রান পুনর্মিলনী, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক উৎসব’-এ তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ একটি দেহের মতো। এই দেহের প্রতিটি অংশ যেমন অপরিহার্য, তেমনি দেশের প্রতিটি জাতিসত্তা, ধর্মীয় ও ভাষাগত গোষ্ঠীও বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্নে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর ধারণার মাধ্যমে তার সমাধান দিয়েছিলেন। এই দর্শনের ভিত্তিতে ভাষা, বর্ণ, ধর্ম বা জাতিসত্তা নির্বিশেষে সব নাগরিক সমান মর্যাদার অধিকারী বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে প্রত্যাবর্তনের পর জাতির উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে পাহাড়ি ও সমতলের জনগণকে সমান নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং সরকার ভবিষ্যতেও সমঅধিকারভিত্তিক রাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করবে।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, যে সমাজ যত বেশি বৈচিত্র্য ধারণ করতে পারে, সেই সমাজ তত বেশি শক্তিশালী হয়। উদাহরণ হিসেবে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কথা উল্লেখ করে বলেন, বিভিন্ন ভাষা, বর্ণ ও সংস্কৃতির মানুষের সহাবস্থান দেশটিকে শক্তিশালী করেছে।

তিনি আরও বলেন, যারা বৈচিত্র্যকে বিভাজনের পথে নিতে চায়, তারা দেশবিরোধী। আর যারা দেশের প্রতিটি জাতিসত্তা ও সম্প্রদায়কে সম্মান করতে চায়, তারাই প্রকৃত দেশপ্রেমিক।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ সুষম ও সমতাভিত্তিক উন্নয়নে বিশ্বাসী। এই অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, বিশেষ করে খেয়াং, বম ও চাক সম্প্রদায়ের মানুষকে দেশের মূলধারার উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে আমাদের সরকার অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, মাধবী মার্মা এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মেজর (অব.) তপন বিকাশ চাকমা।

কালের আলো/এম/এএইচ

তারেক রহমানের ছায়ায় বাংলাদেশ নিরাপদ: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের ছায়ায় বাংলাদেশ নিরাপদ: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির প্রতিটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। বিগত নির্বাচনে জণগনের প্রতি বিএনপির দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে সরকার।

তারেক রহমানের প্রতি আস্থা রাখুন, যে কোনো সুখে-দুঃখে জনগণের পাশে থাকবেন তিনি। তারেক রহমানের ছায়ায় বাংলাদেশের জনগণ নিরাপদ থাকবে।

শুক্রবার (১৫ মে) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আরও বলেন, বিএনপির নাম ভাঙিয়ে কেউ যেন ব্যক্তিগত লাভের জন্য অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে।

দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রেখে জনগণের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক গৃহিত কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নে নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে নান্দাইলের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নান্দাইলে কোন মাদক, চাঁদাবাজ, জুয়ারি, জুলুমবাজ, অত্যাচারী ও ভূমিদস্যুর স্থান হবে না। নান্দাইলকে একটি আধুনিক ও উন্নত মডেল উপজেলা ও শান্তির নীড়ে পরিণত করা হবে, ইনশাল্লাহ।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী নান্দাইল হেডকোয়াটার থেকে বাকচান্দা জিসি সড়ক উদ্ভোধন করেন।

এ সময় নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাত, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালাহ উদ্দিন মাহমুদ, নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলামসহ নান্দাইল উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতারা এবং স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

স্কুলের পাশাপাশি সন্তানদের খেলার মাঠেও সময় দিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৭:০৭ অপরাহ্ণ
স্কুলের পাশাপাশি সন্তানদের খেলার মাঠেও সময় দিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, মাদক থেকে বাঁচতে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার বিকল্প নেই। এ জন্য খেলাবান্ধব পরিবেশ তৈরিসহ মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।  

শুক্রবার সকালে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে সিরাজগঞ্জ শহীদ শামসুদ্দিন স্টেডিয়ামে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালক ও বালিকা ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি শহরে অনেক বড় বড় বাড়ি নির্মিত হয়েছে।

সেখানে অনেক ছেলে-মেয়ে বাস করে। কিন্তু এসব ছেলে-মেয়েদের খেলাধুলা করার মতো কোনো জায়গা নেই। এতে করে তাদের স্বাস্থ্যের যেমন ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি মনও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই প্রতিটি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি সপ্তাহে একদিন হলেও খেলাধুলার সুযোগ করে দিতে হবে।

মনে রাখতে হবে মাদক থেকে বাঁচতে হলে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, মাদকের পরিবর্তে খেলাধুলা ও স্বাস্থ্যরক্ষার বিষয়ে অভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে। একটা জেনারেশন নেশার কারণে নষ্ট হয়ে গেছে। তাদের সঠিক পথে এনে সুস্থ-সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দিতে পারলে আমাদের দেশটাও সুন্দর হবে।

প্রয়োজনে প্রতিটি অভিভাবক যেমন সন্তানদের স্কুলে নিয়ে বসে থাকেন তেমনি বিকেলে সন্তানদের মাঠে খেলতে দিয়ে বসে থাকবেন।

বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুদের মেধা বিকাশের জন্য নতুন কুঁড়ি শুরু করেছেন। এতে সকল শিশুর মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়বে।

এ সময় জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজরান রউফ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন খানসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআইপি