খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

মাদক ও ধর্ষকের পক্ষে তদবির করলে নেতাদেরও হাজতে পাঠানো হবে: আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:০৪ অপরাহ্ণ
মাদক ও ধর্ষকের পক্ষে তদবির করলে নেতাদেরও হাজতে পাঠানো হবে: আইনমন্ত্রী

Oplus_131072

ধর্ষক বা মাদক ব্যবসায়ীরা কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পদ হতে পারে না উল্লেখ করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেছেন, এদের দমনে যদি কোনো রাজনৈতিক নেতা তদবির করেন, তবে সেই নেতাসহ তাদের একই মামলায় জড়িয়ে হাজতে পাঠানো হবে। আমার নিজের দলের নেতা হলেও রেহাই পাবেন না।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় মাদক ও ধর্ষণের বিষয়ে সরকার কোনো আপশ করবে না এবং ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

দুর্নীতিবাজদের সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, আপনি যত গোপনেই দুর্নীতি করেন না কেন, সরকার তা নজরদারি করছে। রাষ্ট্রের এখন অনেকগুলো চোখ, যা এড়ানো অসম্ভব।

তিনি আরও বলেন, মেধাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সব শূন্যপদে নিয়োগ দেওয়া হবে এবং কোনো রাজনৈতিক তদবির সেখানে বাধা হতে পারবে না।

সরকারি কর্মকর্তাদের কর্মক্ষেত্রে অবহেলার সমালোচনা করে আইনমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টায় অফিস করেন। কিন্তু জেলা ও উপজেলার অনেক সরকারি কর্মকর্তার মধ্যে এখনও অফিসে আসার অনীহা রয়েছে। কর্মকর্তারা যদি স্ব-স্ব স্থান থেকে নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন, তবে সমাজ বা রাষ্ট্রে কোনো সংকট থাকবে না।

তিনি কর্মকর্তাদের দক্ষতা (এফিসিয়েন্সি) বাড়ানোর এবং জনভোগান্তি কমানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, এক ছাতার নিচে সব সেবা নিশ্চিত করতে সরকার ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালুর জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

বিগত ফ্যাসিস্ট আমলের মেগা প্রজেক্টের ‘দুর্নীতি’র খতিয়ান তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিস্ট আমলে পৌনে ৪ কিলোমিটার রাস্তা করতে প্রথমে ৬০-টি কোটি টাকা এবং পরে তা বাড়িয়ে ২৮০ কোটি টাকার প্রস্তাব করা হয়েছিল। আমরা যাচাই-বাছাই করে দুর্নীতি পাওয়ায় একনেক বৈঠকে সেটি স্থগিত করেছি। রাষ্ট্রের টাকা বেশুমার লুটপাট ও বিদেশে বিলিয়ন বিলিয়ন টাকা পাচার বন্ধে এখন প্রকল্পগুলোর বাস্তবতার মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহের মাদক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা এখন স্মার্ট হয়ে গেছে, তারা সীমান্তে মাদক পাচারে ড্রোন ব্যবহার করছে। আদালতে আইনি ফাঁকফোকর গলাতে তারা অল্প পরিমাণে (১০/১৫ পিস) মাদক বহন করে, যার ফলে বিচারকরা পরিমাণের দিকে তাকিয়ে সহজে জামিন দিয়ে দিচ্ছেন। তবে মাদক ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্রের নীতি-নৈতিকতাকে চ্যালেঞ্জ করার মতো শক্তিশালী নয়। এদের দমনে সরকার আরও কঠোর হবে।

একই সঙ্গে তিনি কালীগঞ্জের চাঞ্চল্যকর শিশু তাবাসসুম ধর্ষণ ও হত্যা মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসনের একটি পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের প্রশংসা করে আইনমন্ত্রী বলেন, ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৬০ কিলোওয়াট সৌর বিদ্যুৎ স্থাপন করে ঝিনাইদহ সারা দেশের মধ্যে নজির স্থাপন করেছে। এখান থেকে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে। ঝিনাইদহের এই মডেল সারা দেশে চালু করা হবে, যা শিল্প-কারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুতের চাপ কমাবে।

চলতি অর্থবছরের বাজেট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এই বাজেট অত্যন্ত চিন্তাশীল, সুদূরপ্রসারী, উচ্চাভিলাষী এবং জনকল্যাণের বাজেট। বিএনপি দেশ ও জনগণের রাজনীতি করে না বলেই এই বাজেট নিয়ে রাজপথে কোনো মিছিল-মিটিং করতে পারেনি। আর মদ ও সিগারেটের দাম বৃদ্ধিতে যারা মিছিল-মিটিং করেন, তারা মূলত বোকার স্বর্গে বাস করছেন। তারা বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা করেন।

ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক মোম নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন— ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা কামালুজ্জামান, চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা বিএনপি সভাপতি জাহিদুজ্জামান মনা, সিভিল সার্জন ডা. কামরুজ্জামান সোহেল, বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল রফিকুল আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ এবং পুলিশ সুপার মিয়া মো. আশিস বিন হাসান।

সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সুধী সমাজের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে আইনমন্ত্রী ঝিনাইদহ পৌরসভা এলাকায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত অত্যাধুনিক কসাইখানা এবং বিকেলে শৈলকূপা উপজেলার বারইপাড়া স্কুল মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

কালের আলো/এসএকে

নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ডে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত হচ্ছে পাঁচটি রিভারাইন পেট্রোল ভেসেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ডে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত হচ্ছে পাঁচটি রিভারাইন পেট্রোল ভেসেল

দেশীয় প্রযুক্তিতে জাহাজ নির্মাণে বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ড ও শিপইয়ার্ডসমূহ সাফল্যের ধারাবাহিকতায় অগ্রযাত্রার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা শিল্পে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতির আলোকে দেশীয় প্রযুক্তির বিকাশ ও নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বুধবার (১৭ জুন) এ ধারাবাহিকতায় ডকইয়ার্ড এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস (ডিইডব্লিউ) লিমিটেড কর্তৃক বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জন্য ৫টি রিভারাইন পেট্রোল ভেসেল (আরপিভি) নির্মাণের লক্ষ্যে ‘কিল-লেয়িং’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী প্রধান অতিথি এবং বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল মো. জিয়াউল হক বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আরপিভিসমূহের ‘কিল-লেয়িং’ এর সূচনা করেন।

এ ছাড়াও, অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড এবং ডিইডব্লিউ লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের আধুনিকায়ন এবং অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নৌবাহিনী পরিচালিত ডিইডব্লিউতে দেশীয় প্রযুক্তিতে ৫টি আরপিভি নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ৩৮.৫ মিটার দৈর্ঘ্য, ৭.৯০ মিটার প্রস্থ, ২.৪৫ মিটার গভীরতা এবং ২৩২ টন ডিসপ্লেসমেন্ট ক্ষমতাবিশিষ্ট নির্মিতব্য প্রতিটি নৌযান ঘণ্টায় ২৫ মাইল বেগে চলাচল করতে সক্ষম হবে। প্রতিটি নৌযানে নেভিগেশন র‍্যাডার, জিপিএস, যোগাযোগ প্রযুক্তি, নাইট ভিশন ও বিভিন্ন ধরনের আধুনিক সরঞ্জামাদি সংযোজিত থাকবে।

কম গভীরতায় চলাচলের উপযোগী ও উচ্চ গতি সম্পন্ন এ নৌযানসমূহ বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের বহরে সংযোজনের মধ্য দিয়ে দেশের নদী, মোহনা এবং উপকূলীয় এলাকার সংকীর্ণ ও দুর্গম নৌপথে অধিক দক্ষতা ও কার্যকারিতার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি, কম গভীরতাসম্পন্ন জলপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নজরদারি জোরদারকরণ, সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও নদীপথ ব্যবস্থাপনায় কোস্ট গার্ডের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

একইসাথে এ সকল এলাকায় নিয়মিত টহল, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালনা এবং উদ্ধার কাজে আরপিভিসমূহ ব্যবহৃত হবে।

উল্লেখ্য, ডিইডব্লিউ লিঃ-এর নিজস্ব সক্ষমতায় আরপিভি নির্মাণ প্রতিরক্ষা শিল্পে আত্মনির্ভরতা, দেশীয় জাহাজ নির্মাণ শিল্পের বিকাশ এবং প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের ক্ষেত্রে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। উন্নত প্রযুক্তি ও দেশীয় নির্মাণ সক্ষমতার সমন্বয়ে ভবিষ্যতে অধুনিক জাহাজ এবং প্ল্যাটফর্ম নির্মাণের ক্ষেত্রে ডিইডব্লিউ লিঃ এর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

তিন মাসে মাদক মামলায় গ্রেফতার ৯৬৮৫: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৮:০৫ অপরাহ্ণ
তিন মাসে মাদক মামলায় গ্রেফতার ৯৬৮৫: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মাদক নির্মূলে তিন মাসে দেশব্যাপী নয় হাজার ২৫১টি মামলায় নয় হাজার ৬৮৫ জন মাদক চোরাকারবারীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সময়ে ৩০ হাজার ৭৪৪টি অভিযানে দতাদের গ্রেফতার করা হয়।

বুধবার(১৭ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস‌্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কর্তৃক কিশোরগঞ্জ জেলাসহ দেশব্যাপী মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সমাজে মাদকের ভয়াবহতা হ্রাসকল্পে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর বৃহত্তর পরিসরে মাদকের সরবরাহ হ্রাস, চাহিদা হ্রাস এবং ক্ষতি হ্রাস এই তিনটি কর্মকৌশল নিয়ে সারাদেশে কাজ করা হচ্ছে।

এছাড়া বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী জনগণের কল্যাণের লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলাসহ সারাদেশে ১৮০ দিন, আগামী ২০২৬-২০২৭ অর্থবছর এবং আগামী ০৫ বছরের কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কর্মকৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে। এই কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলাসহ কিশোরগঞ্জ জেলায় অবৈধ মাদক ব্যবসায়ী ও স্পটগুলোর তালিকা হালনাগাদ করা হচ্ছে। চিহ্নিত স্পটগুলোতে নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান সরকার মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। মাদক ও সন্ত্রাস ধীরে ধীরে পুরো সমাজ ব্যবস্থাকেই ধ্বংস করে দেয়। কেবল পুলিশি অভিযানের মাধ্যমে মাদক ও সন্ত্রাস এর মূলোৎপাটন করা পুরোপুরি সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র সবার সম্মিলিত সহযোগিতা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

দেশে একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের লক্ষ্যে ‘ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান’ (জাতীয় কর্মপরিকল্পনা) তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

বুধবার (১৭ জুন) মন্ত্রণালয়ে তথ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে, রাষ্ট্রদূতকে তিনি এ বিষয়ে জানান।

সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বাক স্বাধীনতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।

বৈঠকে স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে বর্তমান সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।

এ বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ করে তিনি বলেন, গণমাধ্যমে স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাংলাদেশ তা কাজে লাগাতে পারে।

রাষ্ট্রদূতের মন্তব্যের জবাবে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। তবে স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণকে ভুল তথ্য ও অপতথ্য থেকে সুরক্ষা দেওয়াও সরকারের অন্যতম দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, এই দুই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই সরকার একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে কাজ করছে।

তথ্যমন্ত্রী জানান, গণমাধ্যম খাতে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে একটি ‘ড্রাফট কমিটি’ গঠন করা হবে। এই কমিটি একটি ‘ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান’ তৈরি করে সরকারের কাছে উপস্থাপন করবে। পরবর্তীতে এই ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যানের ওপর ভিত্তি করেই স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা হবে।

কালের আলো/এসএকে