খুঁজুন
                               
, ,
           

শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে বসছে অত্যাধুনিক ইনডোর টেলিকম নেটওয়ার্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে বসছে অত্যাধুনিক ইনডোর টেলিকম নেটওয়ার্ক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (এইচএসআইএ) তৃতীয় টার্মিনালে দেশের অন্যতম অত্যাধুনিক ইনডোর টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক স্থাপন করতে যাচ্ছে সরকার। এর ফলে যাত্রী ও কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে কোনো ধরনের নেটওয়ার্ক দুর্বলতা ছাড়াই নিরবচ্ছিন্ন ভয়েস ও উচ্চগতির ডেটা সেবা নিশ্চিত হবে।

সরকারি নথি অনুযায়ী, এ প্রকল্পের আওতায় একটি অত্যাধুনিক ‘অ্যাক্টিভ ডিস্ট্রিবিউটেড অ্যান্টেনা সিস্টেম’ (অ্যাক্টিভ ডাস) বসানো হবে। এর সাথে যুক্ত থাকবে শত শত স্মল সেল ও ওয়াই-ফাই অ্যাক্সেস পয়েন্ট।

পুরো টার্মিনাল কমপ্লেক্সজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ৪জি এবং ভবিষ্যৎ উপযোগী ৫জি সংযোগ দিতে এই ব্যবস্থা ডিজাইন করা হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল মাবুদ চৌধুরী বলেন, এই নেটওয়ার্ক স্থাপন কাজের জন্য ইতোমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্যাদেশ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কাজ শুরু হবে।

প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্ক মূলত আউটডোর টাওয়ারের ওপর নির্ভরশীল হলেও, এই প্রযুক্তি বিশেষভাবে জটিল ইনডোর পরিবেশের জন্য তৈরি করা হয়েছে, যেখানে রি-ইনফোর্সড কংক্রিট, স্টিল কাঠামো ও বিশাল কাঁচের দেয়াল রেডিও সংকেতকে দুর্বল করে দেয়।

৭০০টি স্মল সেল এবং ৬৩৫টি ওয়াই-ফাই ইউনিটের সাহায্যে অ্যাক্টিভ ডাস কাঠামোর মাধ্যমে সংকেত ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এটি কোনো সিগন্যাল ড্রপ ছাড়াই যাত্রী ও কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন ভয়েস ও উচ্চগতির ডেটা সেবা দেবে।

ভবিষ্যতের বিমান চলাচল প্রযুক্তির কথা বিবেচনা করেই এই ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। যাত্রী, এয়ারলাইন্স ও বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি এই ৪জি ও ৫জি উপযোগী নেটওয়ার্ক আগামী দিনে বিমানবন্দরের আধুনিক পরিচালনায় সহায়তা করবে। এর মাধ্যমে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই যোগাযোগ কেন্দ্রের জন্য একটি সম্প্রসারণযোগ্য যোগাযোগ কাঠামো তৈরি হবে।

৪৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, যার সম্পূর্ণ অর্থায়ন করছে বাংলাদেশ সরকার।

প্রকল্পটির মাধ্যমে পুরো তৃতীয় টার্মিনালে মোবাইল নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে ইমিগ্রেশন এলাকা, চেক-ইন কাউন্টার, ভিআইপি লাউঞ্জ, এক্সপোর্ট কার্গো টার্মিনাল (ইসিটি), ইমপোর্ট কার্গো টার্মিনাল (আইসিটি) এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ইনডোর সুবিধা।

প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে মূলধনী ব্যয় হিসেবে ৪৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই টাকা মূলত মূল নেটওয়ার্ক সরঞ্জাম, ট্রান্সমিশন সিস্টেম, অ্যাক্টিভ ডাস উপকরণ, স্মল সেল ও ওয়াই-ফাই ডিভাইসসহ টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো খাতে খরচ হবে।

রাজস্ব ব্যয় হিসেবে নির্ধারিত ২ কোটি ২৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা বিদ্যুৎ, পরিবহন, প্রশিক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণে খরচ হবে। অন্যদিকে দৈব ও মূল্যবৃদ্ধিজনিত সম্ভাব্য খরচের জন্য ২৫ লাখ টাকা রাখা হয়েছে। প্রকল্পের কাজ ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধির বিষয়টিকে সামনে রেখেই এই বিনিয়োগ করা হচ্ছে। বর্তমানে এই বিমানবন্দর দিয়ে বছরে প্রায় ৯১ লাখ যাত্রী চলাচল করেন। ২০৩৫ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ১ কোটি ৮৫ লাখে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া প্রতিদিন এখান থেকে প্রায় ১৯০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালিত হয় এবং বছরে প্রায় ২ লাখ ৪৮ হাজার মেট্রিক টন কার্গো হ্যান্ডলিং করা হয়।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ করা হয়, নবনির্মিত এই টার্মিনালে এখনো ব্যাপক ইনডোর মোবাইল কভারেজের ঘাটতি রয়েছে। ফলে, বিভিন্ন ইনডোর এলাকায় দুর্বল সিগন্যাল, কল বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া এবং ধীরগতির ইন্টারনেট সেবার মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

পুরো টার্মিনালজুড়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ নেটওয়ার্ক কার্যক্ষমতা নিশ্চিত করে এসব সীমাবদ্ধতা দূর করাই নতুন এই টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর লক্ষ্য।

দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি প্রতিবছর লাখ লাখ বিদেশি দর্শনার্থীর প্রথম প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করে। তাই এই প্রকল্প বাংলাদেশের ডিজিটাল প্রবেশদ্বারকে আরো শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে। নিখুঁত ও উচ্চগতির মোবাইল সংযোগ যাত্রীদের অভিজ্ঞতা উন্নত করতে, বিমানবন্দর পরিচালনায় গতি আনতে এবং পর্যটন ও বৈদেশিক বিনিয়োগে সহায়তা করতে অপরিহার্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই উদ্যোগ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। সেখানে বিমানবন্দর ও অন্যান্য প্রধান জনবান্ধব স্থানে বিনামূল্যে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

Oplus_131072

মালদ্বীপের প্রেসি‌ডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে‌ছেন বাংলা‌দে‌শের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

শ‌নিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় মালদ্বীপের প্রেসি‌ডেন্টের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ হ‌য়ে‌ছে। দেশ‌টির প্রেসি‌ডেন্টের অ‌ফিস এক সংবাদ বিজ্ঞ‌প্তি‌তে এ তথ্য জা‌নি‌য়ে‌ছে।

সংবাদ বিজ্ঞ‌প্তি‌তে জানা‌নো হয়, প্রেসি‌ডেন্ট পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং ৬১তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে সরকারের বিশেষ অতিথি হিসেবে তার মালদ্বীপ সফরের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকা‌লে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা, শিক্ষা  খা‌তে সুযোগ এবং মানু‌ষে মানু‌ষে যোগা‌যোগের ওপন বিশেষ জোর দিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার উপায়গুলো নি‌য়ে তারা আলোচনা করেন।

উভয় পক্ষ মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরে পারস্পরিক সুবিধা ও স্বার্থের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

কালের আলো/এসএকে

ভিসা আবেদন নিয়ে নতুন নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৯:০৯ অপরাহ্ণ
ভিসা আবেদন নিয়ে নতুন নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের

যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা নিতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি ভিসা আবেদনকারীদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। শনিবার (২৫ জুলাই) দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দূতাবাসের তথ্যমতে, চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বি-২ (B-2) ভিসা আবেদনকারীদের চিকিৎসা, সংশ্লিষ্ট ব্যয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া-আসার সম্পূর্ণ খরচ বহনের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দিতে হবে।

নির্দেশনায় মার্কিন দূতাবাস জানায়, কনস্যুলার কর্মকর্তারা প্রতিটি আবেদন পৃথকভাবে মূল্যায়ন করেন, যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় আবেদনকারীর পরিকল্পিত চিকিৎসা বা অবস্থানের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের ওপর কোনো আর্থিক বোঝা সৃষ্টি হবে না।

চিকিৎসা ভিসার আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের নিজ দেশের চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র জমা দিতে হবে। পাশাপাশি কেন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা প্রয়োজন, সেটিও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনো চিকিৎসক বা হাসপাতালের সম্মতিপত্রও প্রয়োজন হবে। সেখানে চিকিৎসার সম্ভাব্য সময়কাল এবং আনুমানিক ব্যয়ের বিবরণ উল্লেখ থাকতে হবে।

মার্কিন দূতাবাস আরও জানা, আবেদনকারীদের চিকিৎসা ব্যয়, যাতায়াত ব্যয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালীন বসবাসের খরচ বহনের পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণও দাখিল করতে হবে।

কালের আলো/এসএকে

খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখতে পারে: আইজিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৯:০৪ অপরাহ্ণ
খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখতে পারে: আইজিপি

খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে ঢাকার পূর্বাচলে বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল গ্রাউন্ড উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন। এদিন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মধ্যে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, বর্তমান সরকার ক্রীড়া উন্নয়নে বেশ আগ্রহী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। এ লক্ষ্যে পুলিশ সদস্যদের মধ্য থেকে বাছাই করে একটি ফুটবল দল গঠন করা হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, পুলিশ সদস্যদের ফুটবল খেলা যুবসমাজকে অনুপ্রাণিত করবে। তারা লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে একটি সুস্থ জাতি গড়ে তুলবে।

আইজিপি বলেন, পুলিশের দায়িত্ব অত্যন্ত কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং। নিয়মিত খেলাধুলা ও শরীরচর্চা একজন পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব পালনে আরও কর্মক্ষম, আত্মবিশ্বাসী এবং সক্ষম করে তোলে। ফুটবল খেলা শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দলগত সমন্বয়ের শিক্ষা দেয়, যা পুলিশিংয়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের ক্রীড়া চর্চার গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য রয়েছে। আমাদের সদস্যরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন খেলায় সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল গ্রাউন্ড শুধু একটি ক্রীড়া অবকাঠামোই নয়, এটি পুলিশ ফুটবল টিমের অন্যতম অনুশীলন কেন্দ্র হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এখান থেকে ভবিষ্যতে আরও দক্ষ ও মেধাবী খেলোয়াড় তৈরি হবে, যারা বাংলাদেশ পুলিশের পাশাপাশি দেশের সুনামও বৃদ্ধি করবে।

তিনি প্রীতি ফুটবল খেলায় অংশগ্রহণকারী উভয় দলের খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণের প্রশংসা করে।

এবিপিএনের অতিরিক্ত আইজি হাসিব আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের প্রতিনিধি এবং খেলোয়াড় ও অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, নবনির্মিত বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল গ্রাউন্ডের চতুর্দিকে ২০ ফুট সার্ভিস এরিয়াসহ এর মোট আয়তন প্রায় এক লাখ বর্গফুট।

কালের আলো/এম/এএইচ