খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

সেনাপ্রধানের দ:কোরিয়া সফর, গভীর হবে দু’দেশের সেনাবাহিনীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২১, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
সেনাপ্রধানের দ:কোরিয়া সফর, গভীর হবে দু’দেশের সেনাবাহিনীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করা হয় দক্ষিণ কোরিয়াকে। গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ারের প্রকাশিত ২০২১ সালের সামরিক শক্তি র‌্যাংকিং’এই বিশ্বে ৬ষ্ঠ স্থানে রয়েছে দেশটি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া সম্পর্ক আরও জোরদার হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের চিফ অব স্টাফ জেনারেল ন্যাম ইয়ং শিনের আমন্ত্রণে ৬ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে দেশটির সামরিক নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী সিঅ উক’র সঙ্গেও। এছাড়া তিনি কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির সম্মানে সিউলে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল এরোস্পেস অ্যান্ড ডিফেন্স এক্সিবিশনে বেশ কিছু সামরিক মহড়াও পরিদর্শন করেন।

সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের এই সফরের মধ্যে দিয়ে দু’দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের ভাষ্য হচ্ছে- নিজেদের মধ্যকার সুদৃঢ় বিশ্বাস, শান্তির দৃঢ় প্রত্যয়, সুরক্ষা ও সকলের জন্য সমৃদ্ধির প্রত্যাশার ওপর ভিত্তি করেই বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

সূত্র মতে, কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং বহুমুখী সম্পর্কের গভীরতা ব্যাপক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে এই সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে। জেনারেল শফিউদ্দিনের এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে উপযুক্ত সরঞ্জামের বিষয়ে একটি ধারণা মিলেছে। একই সঙ্গে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নেও সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ায় বেশ কিছু সামরিক মহড়া পরিদর্শন ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে শনিবার (২৩ অক্টোবর) দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০’ বাস্তবায়নে সেনাপ্রধানের অভিজ্ঞতা সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

আইএসপিআর জানায়, সেনাপ্রধান শফিউদ্দিন আহমেদ সফরকালে গত ১৯ অক্টোবর দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ন্যাম ইয়ং শিন এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সফরকালে তিনি ‘আর্মি টাইগার ৪.০’ ও ‘ওয়ারিয়র্স প্ল্যাটফর্ম’ শীর্ষক দুটি মহড়া দেখেন।

পরদিন ২০ অক্টোবর জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী সিঅ উক, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ন্যাম ইয়ং শিন এর সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এছাড়া তিনি অ্যাঙ্গোলা সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ জেনারেল জ্যাক রাউল, রাশিয়া গ্রাউন্ড ফোর্সের কমান্ডার-ইন-চিফ জেনারেল ওলেগ লিওনিদোভিচ সেউকভসহ অন্যান্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরে প্রদর্শনীর বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম সম্বলিত স্টলগুলো পরিদর্শন করেন জেনারেল শফিউদ্দিন আহমেদ।

জানা যায়, বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক তৈরি হয় ১৯৭৩ সালে। এরপর ১৯৭৫ সালের প্রথম দিকে ঢাকায় দূতাবাস চালু করে তারা। ২০১৯ সালের জুলাইয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী লি নাক-ইয়োনে বাংলাদেশ সফর করেন।

ওই সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। বৈঠকে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, রোহিঙ্গা সংকটসহ দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সংস্কৃতি বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে দু’টি সমঝোতা স্মারক ও একটি নথি স্বাক্ষর হয়।

কালের আলো/জিকেএম/এমএএএমকে

বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দুদেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তারেক রহমান চীনের বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট অব পিপলে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী তাকে স্বাগত জানান।

তারেক রহমানকে লালগালিচা দিয়ে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান লি কিয়াং। সশস্ত্র সালাম দেয় চীনের সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত একটি চৌকস দল।

এ সময় দু’দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। তোপধ্বনি দেয়া হয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিবাদন জানিয়ে। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর প্যারেড পরিদর্শন করেন।

বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

এদিন চীনা বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরামের আলোচনায়।

শুধু চীনা প্রধানমন্ত্রী নয়, আজ দেশটির বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, নীতিনির্ধারকদের সঙ্গেও আলাদা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এরপর শুক্রবার চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সূচি রয়েছে। রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি শেষে ওই দিনই ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার কথা সরকার প্রধানের।

এর আগে চীনের দালিয়ান প্রদেশে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের সম্মেলন শেষে গত বুধবার (২৪ ‍জুন) বিকেলে বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় স্টেশনের প্ল্যাটফর্মেই তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। দেয়া হয় লালগালিচা সংবর্ধনা, ছিল গার্ড অব অনারও।

বুধবার দিনভর দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনসহ নানা আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দেন তারেক রহমান। এবারের সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যম অঙ্গনের ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন। সাইডলাইন বৈঠকে কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানের সঙ্গে বৈঠকও করেন প্রধানমন্ত্রী।

কালের আলো/এসএকে

পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, সংগঠিত অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ দমন এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে।

জবাবে হাইকমিশনার সারাহ কুক জানান, আগামী ৭ ও ৮ জুলাই যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে দ্বিতীয় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় দুটি চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি জানান। সভাটি দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০২৪ সালে স্বাক্ষরিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মতান্ত্রিক প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্য সরকারের পাঠানো ‘ইউকে লেটার’-এর প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধ, ‘পুলিশ রেফারেল প্রোগ্রাম’, অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করছি। এ সময় রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের মানবিক সহায়তার জন্য দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আবদুল কাদের, উপসচিব মিনারা নাজমীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮৮, অবৈধ জাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮৮, অবৈধ জাল জব্দ

দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করছে নৌ পুলিশ। গত সাত দিনে নৌ পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ জাল, মাছ, মাছের পোনা, কাঁকড়া ও জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ১৮৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নৌ পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত সাত দিনের অভিযানে মোট ১৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮০ মিটার অবৈধ জাল, ২৬৪ কেজি মাছ, ২ লাখ ৭৪ হাজার পিস চিংড়ি রেণু, ৩০০ কেজি কাঁকড়া ও ১২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়। একই সময়ে নদী থেকে ১০৫টি ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়।

এ ছাড়া বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ২৮টি বাল্কহেডের বিরুদ্ধে নৌ আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং একটি ড্রেজার জব্দ করা হয়।

নৌ পুলিশের অভিযানে সাত দিনে ১৮৮ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ১০৪টি মৎস্য আইন, ১৭টি বেপরোয়া গতি আইন, তিনটি বালুমহাল, তিনটি মাদক, তিনটি চাঁদাবাজি, দুটি ডাকাতি, একটি চুরি এবং চারটি হত্যা মামলাসহ মোট ১৪৩টি মামলা দায়ের করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জব্দ করা অবৈধ জাল ও জেলিযুক্ত চিংড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি মাছের পোনা পানিতে অবমুক্ত করা হয় এবং অবশিষ্ট মাছ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

কালের আলো/এসএকে