খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

বিজয় দিবস প্যারেডে ৫ দেশের সশস্ত্র বাহিনী, পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ়ের বার্তা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২১, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ
বিজয় দিবস প্যারেডে ৫ দেশের সশস্ত্র বাহিনী, পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ়ের বার্তা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

বাংলাদেশের ৫০ তম বিজয় দিবসে সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের আনন্দ। মুজিববর্ষের দৌলতে এই আনন্দ হয়ে উঠে আরও তাৎপর্যময়। বঙ্গবন্ধু কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে এবারই প্রথম বন্ধুপ্রতীম ৫ টি দেশ বিজয় দিবসের প্যারেডে অংশগ্রহণ করে নজর কাড়ে।

বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অংশগ্রহণ মহিমান্বিত করে পুরো কুচকাওয়াজকে। ভারত, ভুটান, রাশিয়া, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র কনটিনজেন্ট ও পর্যবেক্ষক দল পাঠনোর মাধ্যমে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করারই বার্তা দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এক সাগর রক্ত পেরিয়ে বিজয়ের নিশানে স্বাধীনতা এসেছিল বাঙালির জীবনে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালির বিজয় আজ মহিরুহ। বাঙালি জাতির জীবনে এক অনন্য প্রাপ্তির সময়ে দেশের সতেরতম সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জেনারেল ড. এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে বিজয়ের ৫০’র কুচকাওয়াজকে আকর্ষণীয় ও জৌলুসময় হিসেবেই উপহার দিয়েছেন। ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশই কেবল হননি, নিজের সেনাপ্রধানের অধ্যায়টিকেও রাঙিয়েছেন। 

জাঁকজমক বিজয় প্যারেডের মাধ্যমে সতের কোটি বাঙালির উৎসব-আনন্দকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে ব্যস্ত সময়ও অতিবাহিত করছিলেন জেনারেল শফিউদ্দিন। তার সময়েই প্রথমবারের মতো বন্ধুরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীরা বিজয় প্যারেডে অংশ নিয়ে সূচনা করেছে নতুন দিগন্তের। গত মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা সেনানিবাসস্থ আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি এবং বিজয় দিবস প্যারেড উদযাপন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশে আগত বিভিন্ন দেশের অতিথিদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। 

সেনাপ্রধান জেনারেল ড. এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের আমন্ত্রণে নৈশভোজে যোগ দেন মেক্সিকো’র সেনাবাহিনী প্রধান, রাশিয়া’র ডেপুটি ল্যান্ড ফোর্স কমান্ডার। এছাড়া ভারতীয় মিত্র বাহিনীর সদস্য, ভারত, রাশিয়া ও ভুটান সশস্ত্রবাহিনীর সদস্য, এবং যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর পর্যবেক্ষকরা নৈশভোজে যোগ দেন। 

স্বাধীনতা যুদ্ধে বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্রসমূহ বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। নিজস্ব বাদকদলের ব্যান্ডের তালে তালে প্রথমেই রাষ্ট্রপতি মো.আবদুল হামিদকে সালাম জানান ভূটান সশস্ত্র বাহিনীর সম্মিলিত সামরিক কন্টিনজেন্ট। এ সময় রাষ্ট্রপতির পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদসহ তিন বাহিনীর প্রধানরা।

ভুটানের কনটিনজেন্টের নেতৃত্বে ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল সুনাম। এই দলে মোট সদস্যের সংখ্যা ৩৫। আঞ্চলিক প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশ ও ভূটানের মধ্যে রয়েছে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। বিশ্বের দরবারে ভূটানই প্রথম স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। ১৯৭১ সাল থেকে দু’দেশের মধ্যে গড়ে উঠা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় এবং দীর্ঘস্থায়ী হবে। ভবিষ্যতের কৌশলগত উন্নয়নের ব্যাপারে দু’দেশ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

বন্ধুত্বের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত। নিজস্ব বাদক দলের ব্যান্ডের তালে তালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মানিশ বাড়ালের নেতৃত্বে কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত সামরিক প্যারেড কন্টিনজেন্ট। কর্নেল বিনয়ের নেতৃত্বে গত ১০ ডিসেম্বর ১২২ সদস্য বিশিষ্ট ভারতীয় প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে আসে।

মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর অবদান অনস্বীকার্য। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূচনালগ্ন থেকে ভারত ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সুসম্পর্ক রয়েছে ভবিষ্যতে এটি উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে মনে করা হচ্ছে।

রাশিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত সামরিক প্যারেড কন্টিনজেন্ট দেশটির কর্নেল জেনারেল কে এম অ্যালেক্সের নেতৃত্বে কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করে। রাশার প্রতিনিধি দলে মোট সদস্য ছিলেন ৩৫ জন।

এরপর রাষ্ট্রপতিকে সালাম জানায় মেক্সিকোর পর্যবেক্ষক দল। এই দলের নেতৃত্বে ছিলেন কর্নেল সিয়ারা হোসেএকুবোস। এই পর্যবেক্ষক দলে সদস্য সংখ্যা ৫। বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র মেক্সিকোর স্বাধীনতার ২০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে গত ১৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে সশস্ত্র বাহিনীর একটি কন্টিনজেন্ট মেক্সিকো সিটিতে আয়োজিত প্যারেডে অংশগ্রহণ করে।

যুক্তরাষ্ট্রের পর্যবেক্ষক দলের নেতৃত্বে ছিলেন ক্যাপ্টেন অ্যালেকজেন্ডার ব্রাউন ওয়াচকিংস। এই পর্যবেক্ষক দলে ১১ জন সদস্য ছিলেন। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান মিত্র। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা, সন্ত্রাস দমন ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে দু’দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রয়েছে। বিজয় দিবস কুচকাওয়াজে তাদের অংশগ্রহণ দু’দেশের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

কালের আলো/এমএএএমকে

বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দুদেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তারেক রহমান চীনের বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট অব পিপলে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী তাকে স্বাগত জানান।

তারেক রহমানকে লালগালিচা দিয়ে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান লি কিয়াং। সশস্ত্র সালাম দেয় চীনের সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত একটি চৌকস দল।

এ সময় দু’দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। তোপধ্বনি দেয়া হয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিবাদন জানিয়ে। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর প্যারেড পরিদর্শন করেন।

বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

এদিন চীনা বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরামের আলোচনায়।

শুধু চীনা প্রধানমন্ত্রী নয়, আজ দেশটির বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, নীতিনির্ধারকদের সঙ্গেও আলাদা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এরপর শুক্রবার চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সূচি রয়েছে। রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি শেষে ওই দিনই ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার কথা সরকার প্রধানের।

এর আগে চীনের দালিয়ান প্রদেশে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের সম্মেলন শেষে গত বুধবার (২৪ ‍জুন) বিকেলে বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় স্টেশনের প্ল্যাটফর্মেই তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। দেয়া হয় লালগালিচা সংবর্ধনা, ছিল গার্ড অব অনারও।

বুধবার দিনভর দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনসহ নানা আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দেন তারেক রহমান। এবারের সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যম অঙ্গনের ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন। সাইডলাইন বৈঠকে কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানের সঙ্গে বৈঠকও করেন প্রধানমন্ত্রী।

কালের আলো/এসএকে

পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, সংগঠিত অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ দমন এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে।

জবাবে হাইকমিশনার সারাহ কুক জানান, আগামী ৭ ও ৮ জুলাই যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে দ্বিতীয় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় দুটি চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি জানান। সভাটি দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০২৪ সালে স্বাক্ষরিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মতান্ত্রিক প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্য সরকারের পাঠানো ‘ইউকে লেটার’-এর প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধ, ‘পুলিশ রেফারেল প্রোগ্রাম’, অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করছি। এ সময় রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের মানবিক সহায়তার জন্য দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আবদুল কাদের, উপসচিব মিনারা নাজমীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮৮, অবৈধ জাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮৮, অবৈধ জাল জব্দ

দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করছে নৌ পুলিশ। গত সাত দিনে নৌ পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ জাল, মাছ, মাছের পোনা, কাঁকড়া ও জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ১৮৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নৌ পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত সাত দিনের অভিযানে মোট ১৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮০ মিটার অবৈধ জাল, ২৬৪ কেজি মাছ, ২ লাখ ৭৪ হাজার পিস চিংড়ি রেণু, ৩০০ কেজি কাঁকড়া ও ১২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়। একই সময়ে নদী থেকে ১০৫টি ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়।

এ ছাড়া বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ২৮টি বাল্কহেডের বিরুদ্ধে নৌ আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং একটি ড্রেজার জব্দ করা হয়।

নৌ পুলিশের অভিযানে সাত দিনে ১৮৮ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ১০৪টি মৎস্য আইন, ১৭টি বেপরোয়া গতি আইন, তিনটি বালুমহাল, তিনটি মাদক, তিনটি চাঁদাবাজি, দুটি ডাকাতি, একটি চুরি এবং চারটি হত্যা মামলাসহ মোট ১৪৩টি মামলা দায়ের করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জব্দ করা অবৈধ জাল ও জেলিযুক্ত চিংড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি মাছের পোনা পানিতে অবমুক্ত করা হয় এবং অবশিষ্ট মাছ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

কালের আলো/এসএকে