খুঁজুন
                               
, ,
           

বিজয় দিবস প্যারেডে ৫ দেশের সশস্ত্র বাহিনী, পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ়ের বার্তা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২১, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ
বিজয় দিবস প্যারেডে ৫ দেশের সশস্ত্র বাহিনী, পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ়ের বার্তা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

বাংলাদেশের ৫০ তম বিজয় দিবসে সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের আনন্দ। মুজিববর্ষের দৌলতে এই আনন্দ হয়ে উঠে আরও তাৎপর্যময়। বঙ্গবন্ধু কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে এবারই প্রথম বন্ধুপ্রতীম ৫ টি দেশ বিজয় দিবসের প্যারেডে অংশগ্রহণ করে নজর কাড়ে।

বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অংশগ্রহণ মহিমান্বিত করে পুরো কুচকাওয়াজকে। ভারত, ভুটান, রাশিয়া, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র কনটিনজেন্ট ও পর্যবেক্ষক দল পাঠনোর মাধ্যমে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করারই বার্তা দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এক সাগর রক্ত পেরিয়ে বিজয়ের নিশানে স্বাধীনতা এসেছিল বাঙালির জীবনে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালির বিজয় আজ মহিরুহ। বাঙালি জাতির জীবনে এক অনন্য প্রাপ্তির সময়ে দেশের সতেরতম সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জেনারেল ড. এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে বিজয়ের ৫০’র কুচকাওয়াজকে আকর্ষণীয় ও জৌলুসময় হিসেবেই উপহার দিয়েছেন। ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশই কেবল হননি, নিজের সেনাপ্রধানের অধ্যায়টিকেও রাঙিয়েছেন। 

জাঁকজমক বিজয় প্যারেডের মাধ্যমে সতের কোটি বাঙালির উৎসব-আনন্দকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে ব্যস্ত সময়ও অতিবাহিত করছিলেন জেনারেল শফিউদ্দিন। তার সময়েই প্রথমবারের মতো বন্ধুরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীরা বিজয় প্যারেডে অংশ নিয়ে সূচনা করেছে নতুন দিগন্তের। গত মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা সেনানিবাসস্থ আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি এবং বিজয় দিবস প্যারেড উদযাপন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশে আগত বিভিন্ন দেশের অতিথিদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। 

সেনাপ্রধান জেনারেল ড. এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের আমন্ত্রণে নৈশভোজে যোগ দেন মেক্সিকো’র সেনাবাহিনী প্রধান, রাশিয়া’র ডেপুটি ল্যান্ড ফোর্স কমান্ডার। এছাড়া ভারতীয় মিত্র বাহিনীর সদস্য, ভারত, রাশিয়া ও ভুটান সশস্ত্রবাহিনীর সদস্য, এবং যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর পর্যবেক্ষকরা নৈশভোজে যোগ দেন। 

স্বাধীনতা যুদ্ধে বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্রসমূহ বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। নিজস্ব বাদকদলের ব্যান্ডের তালে তালে প্রথমেই রাষ্ট্রপতি মো.আবদুল হামিদকে সালাম জানান ভূটান সশস্ত্র বাহিনীর সম্মিলিত সামরিক কন্টিনজেন্ট। এ সময় রাষ্ট্রপতির পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদসহ তিন বাহিনীর প্রধানরা।

ভুটানের কনটিনজেন্টের নেতৃত্বে ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল সুনাম। এই দলে মোট সদস্যের সংখ্যা ৩৫। আঞ্চলিক প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশ ও ভূটানের মধ্যে রয়েছে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। বিশ্বের দরবারে ভূটানই প্রথম স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। ১৯৭১ সাল থেকে দু’দেশের মধ্যে গড়ে উঠা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় এবং দীর্ঘস্থায়ী হবে। ভবিষ্যতের কৌশলগত উন্নয়নের ব্যাপারে দু’দেশ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

বন্ধুত্বের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত। নিজস্ব বাদক দলের ব্যান্ডের তালে তালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মানিশ বাড়ালের নেতৃত্বে কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত সামরিক প্যারেড কন্টিনজেন্ট। কর্নেল বিনয়ের নেতৃত্বে গত ১০ ডিসেম্বর ১২২ সদস্য বিশিষ্ট ভারতীয় প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে আসে।

মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর অবদান অনস্বীকার্য। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূচনালগ্ন থেকে ভারত ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সুসম্পর্ক রয়েছে ভবিষ্যতে এটি উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে মনে করা হচ্ছে।

রাশিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত সামরিক প্যারেড কন্টিনজেন্ট দেশটির কর্নেল জেনারেল কে এম অ্যালেক্সের নেতৃত্বে কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করে। রাশার প্রতিনিধি দলে মোট সদস্য ছিলেন ৩৫ জন।

এরপর রাষ্ট্রপতিকে সালাম জানায় মেক্সিকোর পর্যবেক্ষক দল। এই দলের নেতৃত্বে ছিলেন কর্নেল সিয়ারা হোসেএকুবোস। এই পর্যবেক্ষক দলে সদস্য সংখ্যা ৫। বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র মেক্সিকোর স্বাধীনতার ২০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে গত ১৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে সশস্ত্র বাহিনীর একটি কন্টিনজেন্ট মেক্সিকো সিটিতে আয়োজিত প্যারেডে অংশগ্রহণ করে।

যুক্তরাষ্ট্রের পর্যবেক্ষক দলের নেতৃত্বে ছিলেন ক্যাপ্টেন অ্যালেকজেন্ডার ব্রাউন ওয়াচকিংস। এই পর্যবেক্ষক দলে ১১ জন সদস্য ছিলেন। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান মিত্র। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা, সন্ত্রাস দমন ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে দু’দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রয়েছে। বিজয় দিবস কুচকাওয়াজে তাদের অংশগ্রহণ দু’দেশের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

কালের আলো/এমএএএমকে

খুলনায় রূপসা এক্সপ্রেসের ১২ চাকা লাইনচ্যুত, সীমান্ত এক্সপ্রেস অনিশ্চিত

খুলনা সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ
খুলনায় রূপসা এক্সপ্রেসের ১২ চাকা লাইনচ্যুত, সীমান্ত এক্সপ্রেস অনিশ্চিত

খুলনায় রেলওয়ে ইয়ার্ডে রূপসা এক্সপ্রেসের দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে ট্রেনটি ওয়াশপিটে নেওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বগি দুটির ১২টি চাকা লাইন থেকে ছিটকে পড়ে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, যাত্রা শেষে রূপসা এক্সপ্রেসের খালি ট্রেনটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য ওয়াশপিটে নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় ইয়ার্ডের ভেতরে দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়। ট্রেনটি খালি থাকায় এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

দুর্ঘটনার পর খুলনা থেকে ছেড়ে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা সীমান্ত এক্সপ্রেসের যাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। কখন ট্রেনটি ছাড়তে পারবে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

এ ছাড়া ঢাকাগামী ২৫ আপ নকশীকাঁথা এক্সপ্রেসের যাত্রাও প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।

খুলনা স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক করার কাজ শুরু হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে অন্যান্য ট্রেনের চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে। তবে সীমান্ত এক্সপ্রেসের ক্ষেত্রে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

যুদ্ধ নয়, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন চায় বাংলাদেশ: তথ্যমন্ত্রী

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
যুদ্ধ নয়, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন চায় বাংলাদেশ: তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ কোনো যুদ্ধ, নিরাপত্তা সংকট, ভূখণ্ড দখল বা শোষণের সঙ্গে জড়াতে চায় না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ। দেশের উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই বাংলাদেশের প্রধান অগ্রাধিকার বলেও জানান তিনি।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের একটি সেশনে তিনি এসব কথা বলেন।

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক সংকট শুধু একটি অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বিশ্বজুড়ে নিরাপত্তা ও জ্বালানি সংকটের প্রভাব বিভিন্ন দেশকে ভোগাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার প্রতিযোগিতাও সহজে শেষ হওয়ার নয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্ব সম্প্রদায়ের অংশ এবং দেশটি স্থিতিশীলতা চায়। কারণ মানুষের প্রধান চিন্তা খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে। যুদ্ধ বা অস্থিতিশীলতায় জড়ানোর মতো সময় বাংলাদেশের নেই। দিন শেষে এসব সংকটের ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষই হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতের প্রভাবে বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কথাও তুলে ধরেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যেসব যুদ্ধের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সম্পর্ক নেই, সেসব যুদ্ধের প্রভাবেও বাংলাদেশকে বেশি দামে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে।

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, বাংলাদেশ কোনো যুদ্ধে জড়াতে চায় না। চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ পরাশক্তিগুলো বাংলাদেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সহযোগিতা করবে—এটাই প্রত্যাশা।

বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের মানুষ কঠোর পরিশ্রম করতে প্রস্তুত। তাদের প্রয়োজন এমন একটি স্থিতিশীল পরিবেশ, যেখানে তারা শান্তিতে কাজ করতে পারবেন এবং দেশের উন্নয়ন এগিয়ে নিতে পারবেন।

‘নতুন করে গড়ে ওঠা এক বিশ্বে ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও আস্থার পথচলা’ প্রতিপাদ্যে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে শতাধিক দেশের প্রায় ২০০ বক্তা, ৩০০ প্রতিনিধি ও এক হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনটি ৫ অক্টোবর শেষ হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

গ্যাস সিলিন্ডারে বেশি দাম, ৩৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
গ্যাস সিলিন্ডারে বেশি দাম, ৩৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

সরকার নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে ঢাকা মহানগরসহ দেশের ১৬ জেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ৩৯টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) অধিদপ্তরের ২৩টি টিম একযোগে ডিলার, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করে।

অধিদপ্তর জানায়, বাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দাম নেওয়া বন্ধ করতে এ তদারকি কার্যক্রম চালানো হয়।

অভিযানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ ও প্রদান, সিলিন্ডারের নিরাপত্তাবিধি মানা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে কি না তা যাচাই করা হয়।

এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অযৌক্তিকভাবে সিলিন্ডার মজুত এবং সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা তৈরি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যে সিলিন্ডার বিক্রি এবং দৃশ্যমান স্থানে মূল্যতালিকা প্রদর্শনের বিষয়েও সতর্ক করা হয়।

ভোক্তাদের সিলিন্ডার কেনার সময় ওজন, সিল, মেয়াদ ও দৃশ্যমান ত্রুটি যাচাই করার পাশাপাশি মূল্যতালিকা দেখে রশিদ বা ভাউচার সংগ্রহের পরামর্শ দিয়েছে অধিদপ্তর।

গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ থাকলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১-এ যোগাযোগ করা যাবে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাজারে শৃঙ্খলা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি