খুঁজুন
                               
, ,
           

সেনাপ্রধানের হীরকদ্যুতিতে জ্বলজ্বল মুক্তিযুদ্ধ, দিনমান কর্মযজ্ঞ শৈশব ‘স্মৃতি জাগানিয়া’ নড়াইলে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২২, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
সেনাপ্রধানের হীরকদ্যুতিতে জ্বলজ্বল মুক্তিযুদ্ধ, দিনমান কর্মযজ্ঞ শৈশব ‘স্মৃতি জাগানিয়া’ নড়াইলে

এম.আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর :

রাজা-জমিদারদের তীর্থ ভূমি নড়াইলে কেটেছে সেনাপ্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের দুরন্ত উচ্ছ্বাসে ভরপুর শৈশব। ‘বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি’, আত্নসমর্পণে বাধ্য পাকবাহিনীকে ভালোভাবেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন তাঁর বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবা শেখ রোকন উদ্দিন আহমেদ। জাতির একজন সূর্য সন্তানের আত্নজ হিসেবেই স্বচোখে তিনিও দেখেছেন মহান মুক্তিযুদ্ধের রক্ত-অশ্রু।

সেই রুদ্ধশ্বাস সমরের দিনলিপি গভীরভাবে আন্দোলিত করেছিল তাঁর শিশুমনকেও। হৃদয়ের মনিকোঠরে দাগকাটা সেই সময়ে তাঁর বয়স ৭ কী ৮ বছর। তখন মহাবিজয়ের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বজ্রকন্ঠের আহ্বানে তাঁর বাবার মতোই অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা অসামান্য শৌর্য আর বীরত্বের সঙ্গে লড়াই করে হটিয়েছিলেন পাকিদের।

জেনেছেন নিশ্চিত মৃত্যু; কিন্তু দ্বিধার একটি পলকও ফেলেননি ওইসব চোখ। শৈশবের সোনার খাঁচায় খসে যাওয়া দিনগুলো আজও যেন মনে পড়ে সেনাপ্রধানের। জ্বলজ্বল করে মনের হীরকদ্যুতিতে! পরম সম্পদ মেনে এই দিনগুলোর স্মৃতিকেই যেন জীবনভর আগলে রেখেছেন। অত:পর মঙ্গলবার (০৪ জানুয়ারি) ছুটে গেছেন নিজের পৈতৃক ভিটা নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার করফা গ্রামে।

কেবল-ই কী তাই? নিভৃত মানবিকতার মুক্তদানার বিচ্ছুরণে জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন দাঁড়িয়েছেন নড়াইলের গরিব ও অসহায় মানুষের পাশেও। স্থানীয় মল্লিকপুর করফা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রায় দু’হাজার মানুষের হাতে তিনি তুলে দিয়েছেন দেশপ্রেমী বাহিনীর ভালোবাসার শীতবস্ত্র।

প্রতি বছরের মতো এবারও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শীতকালীন প্রশিক্ষণের পাশাপাশি দেশজুড়ে অসহায় ও দু:স্থ মানুষের শরীরে জড়িয়ে দিচ্ছে উষ্ণতার উপহার। ত্রাণ আর চিকিৎসা সেবাসহ নানামুখী জনকল্যাণমুখী কর্মযজ্ঞে সম্পৃক্ত রেখেছেন নিজেদের, উদ্ভাসিত করেছেন কালজয়ী চেহারায়।

প্রতিকূলতার সঙ্গে যুদ্ধ করে চলা শীতার্ত মানুষ দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর এমন অনির্বাণ মানবিকতায় খুশি। এবার তাদের পরম মমতার পরশে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসেই অনিন্দ্য সুন্দর একটি দিন পার করেছেন শীতের সঙ্কটে বেদনাবৃত্তে নিমজ্জিত নড়াইলের অসহায় মানুষেরাও।

অতীতের কাছে জমা রেখে আসা নিজের সোনালী শৈশবের সঙ্গে নিবিড়ভাবে অঙ্কিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের নড়াইল অধ্যায়। জীবনের পূর্ণতার এই সময়ে অতীত স্মৃতি হৃদয়ে উঁকি দেয়া মাত্রই যেন ভালো লাগারই এক মুগ্ধতা ছড়ায়।

শাশ্বত আত্মার অন্তর্নিহিত মর্মরধ্বনিতে চির মাধুর্যের সুরে সতত বহমান তাঁর শৈশব জীবনের নড়াইলের গল্পগাঁথা। নিজের জবানীতে তুলে আনলেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বহ্নিশিখাকে। স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের উত্তরে অতীতের হীরন্ময় প্রকোষ্ঠে হারিয়ে গিয়ে জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলতে থাকলেন- ‘নড়াইল আমার জন্মভিটা নয়, আমার জন্ম খুলনায়; আমি বড় হয়েছি খুলনায়। কিন্তু স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আমি নড়াইলে ছিলাম। কারণ এটা হলো আমার বাপ-দাদার জন্মস্থান।’

সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গেই সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথরেখায় দীর্ঘ ৩৮ বছরের বর্ণাঢ্য সামরিক জীবনে তাঁর শ্রেষ্ঠ অর্জন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হওয়া। নড়াইলের স্মৃতির গ্রামেও সম্ভবত মঙ্গলবার (০৪ জানুয়ারি) তিনি খুঁজে ফিরেছেন সেই ধূলোমাখা পথচিহ্ন আর স্মৃতির সরণি। স্মৃতি-সত্ত্বা-ভবিষ্যতকে সঙ্গী করেই এগিয়ে গেছেন জীবনের অনিবার্যপথে, যেখানে সাফল্যে রাঙিয়েছেন নিজেকে।

হয়তো এদিন নিজের গ্রামে চোখে পড়েনি সেই পুরনো কাঠামো বা বিন্যাস। গ্রামীণ জীবনের পাশাপাশি ল্যান্ডস্কেপও হয়েছে পরিবর্তিত। বদলেছে জীবনের সীমা-পরিসীমা। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে উন্নয়ন-অগ্রযাত্রায় নিজের স্মৃতির গ্রামের সুন্দর প্রতিচ্ছবিই যেন ভেসে উঠলো সেনাপ্রধানের দু’নয়নজুড়ে।

অযুত নিযুত পালাবদল সত্ত্বেও শৈশবের উজ্জ্বল দিনগুলো নিয়ে তাঁর স্মৃতিচিত্র মলিন হয়নি মোটেও। শান-শওকতে ভরা জমিদার বাড়ির আবছায়া আর নেই। কালের গর্ভে অনেক কিছুই হয়েছে বিলীন। হারিয়েছে নিজের বাপ-দাদা’র বাড়ির প্রাচীন ইমরাত বা সাংস্কৃতিক দ্যোতনা।

মানুষগুলোও চলে গেছেন জীবনের চেয়ে বহুদূরের ঠিকানায়। আবেগমথিত কন্ঠেই তাই সেনাপ্রধানের উচ্চারণ-‘এই নড়াইলে আমাদের বাড়ি ছিল। এখানে একটি বড় জমিদারবাড়ি ছিল আমাদের। সেই বাড়িটি দেখলাম এখন অনেকটাই ভেঙে গেছে নদী ভাঙনে। কিন্তু এখানে এসে একটি আলাদা অনুভূতি কাজ করছে আমার ভেতর। স্বাধীনতা যুদ্ধের কথা, অনেক স্মৃতিই আজ মনে পড়ছে।’

সেনাবাহিনীতে প্রথমবারের মতো লজিস্টিক এফটিএক্স অনুশীলন
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে প্রশিক্ষণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন সেনাপ্রধান। প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মান বিশ্ব পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ারও দৃঢ় অঙ্গীকার করে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে ৫০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আর্মি লেভেল লজিস্টিক এফটিক্স (ফিল্ড ট্রেনিং এক্সারসাইজ) পরিচালিত হচ্ছে।’

জেনারেল শফিউদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখন শীতকালীন প্রশিক্ষণে সারাদেশে মোতায়েন রয়েছে। আমরা যখন প্রশিক্ষণে জনগনের কাছে যাই তখন আমরা এই সুযোগটা গ্রহণ করি; তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। এই প্রচেষ্টার ফলশ্রুতিতে আমরা আজকে এখানে শীতবস্ত্র বিতরণ করছি।

শুধু এখানেই নয়, আমরা বাংলাদেশের সব জায়গায়, যেখানেই সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণের জন্য মোতায়েন করেছি সেখানেই শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের কিছু কম্বল বা অন্যান্য সাহায্য দেওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা কম্বল বিতরণের বাইরেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী বিতরণ এবং চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রীর প্রাজ্ঞ নেতৃত্বে যুগোপযোগী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাজ্ঞ নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যুগোপযোগী এক বাহিনী হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। বিশ্বে শান্তিরক্ষায় সেনা প্রেরণকারী দেশ হিসেবেও শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ সেনবাহিনী।

পেশাদারিত্বের কারণেই আমরা এটি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশেও যাতে আমরা আরও সুনাম ছড়িয়ে দিতে পারি এজন্য প্রশিক্ষণকেই মূল ফোকাস রেখেছি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তার সক্ষমতার জায়গায় পৌঁছতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।’

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, এর আগে সেনাপ্রধান লোহাগড়ায় এসে পৌঁছালে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়ক মেজর জেনারেল এফ এম জাহিদ হোসেন ও ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি এবং যশোরের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. নূরুল অনোয়ার তাকে অভ্যর্থনা জানান।

মধুমতি নদীর উপর নির্মিতব্য রেল সেতু পরিদর্শন
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ পরে মধুমতি নদীর উপর নির্মিতব্য রেল সেতু প্রজেক্ট ও মধুমতি আর্মি ক্যাম্প পরির্দশন করেন। এ সময় পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়ক এবং ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি উপস্থিত ছিলেন।

আইএসপিআর জানিয়েছে, দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলাগুলোর সাথে রাজধানী ঢাকার রেল সড়ক সংযুক্তি বর্তমান সরকারের একটি অন্যতম সংযুক্তি প্রকল্প। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় ১৭২ কিলোমিটার রেল পথের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় নয়টি জেলা রাজধানী ঢাকার সাথে সরাসরি সংযুক্ত হবে। এই রেলপথ ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, নড়াইল, যশোর এবং খুলনা জেলাকে রেলপথ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করবে।

প্রকল্পটি ২০১৮ সালে জুলাই মাসে শুরু হয় এবং ২০২৪ সালের জুলাই মধ্যে সমাপ্ত হবে। প্রকল্প সমাপ্তির পর জাতীয় অর্থনীতিতে আনুমানিক ১.১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ঘটবে বলে আশা করা যায়। সরকারের জি টু জি প্রকল্পের আওতায় চীনের এক্সিম ব্যাংকের অর্থায়নে রেল মন্ত্রণালয়ের এই প্রকল্পে ‘চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানী’ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কর্মরত রয়েছে।

প্রকল্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রকল্প সুপারভিশন এবং পরামর্শকের দায়িত্ব পালন করছে। এই প্রকল্পে ১৭২ কিলোমিটার রেলপথে মোট ৫৯ টি রেল সেতু, ১২৪ টি কালভার্ট ও ১৩২ টি আন্ডারপাসসহ মোট ২০ টি স্টেশন নির্মাণ করা হবে। বর্তমানে প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৪৫.৭৮ শতাংশ।

কালের আলো/এমএএএমকে

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এগিয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক,কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৭ পূর্বাহ্ণ
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এগিয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে বাংলাদেশ

আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে প্রথমবারের মতো জায়গা করে নেওয়ার স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে মাঠে নামছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। অন্যদিকে, পয়েন্ট তালিকার নিচের দিকে থাকা ক্যারিবীয়দের লক্ষ্য নিজেদের অবস্থানের উন্নতি করা। ফলে দুই দলের জন্যই সিরিজটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে সিরিজের প্রথম টেস্ট। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে ৫ নভেম্বর সিলেটে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই ম্যাচেই পয়েন্ট অর্জনের সুযোগ থাকছে দুই দলের সামনে।

ফাইনালের স্বপ্নই বাংলাদেশের অনুপ্রেরণা
বর্তমানে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এটি দলটির জন্য উল্লেখযোগ্য অবস্থান। সামনের ম্যাচগুলোতে ভালো ফল করতে পারলে প্রথমবারের মতো ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে। সিরিজের আগে সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেন, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার সম্ভাবনাকে তাঁরা চাপ হিসেবে নয়, বরং অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছেন।

শান্তর ভাষ্য, দল প্রস্তুতি শুরুর পর থেকেই সাম্প্রতিক সিরিজগুলোতে নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা করেছে। বাড়তি কিছু করার চেষ্টা না করে নিজেদের স্বাভাবিক খেলা এবং ইতিবাচক ফল এনে দেওয়া প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করতে চান তাঁরা। অধিনায়ক বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ হলেও দল নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে চায়। খেলোয়াড়দের ওপর অবাস্তব প্রত্যাশা না চাপিয়ে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী পারফর্ম করার দিকেই মনোযোগ দিচ্ছেন তাঁরা।

চার জয়ে ফাইনালের সম্ভাবনা
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের পর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ। এরপর জানুয়ারিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে দুই টেস্টের সিরিজ খেলার কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে সামনে থাকা ছয়টি টেস্ট বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা সমীকরণ অনুযায়ী, এই ছয় ম্যাচের মধ্যে চারটিতে জিততে পারলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে বাংলাদেশের সামনে। তবে চূড়ান্ত অবস্থান নির্ভর করবে অন্য দলগুলোর ফল এবং পয়েন্ট তালিকার হিসাবের ওপরও। অন্যদিকে, বর্তমানে তালিকার আট নম্বরে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের লক্ষ্য সেরা ছয়ের মধ্যে থেকে চক্র শেষ করা। ফলে সিরিজের প্রতিটি ম্যাচেই পয়েন্ট অর্জনের জন্য লড়তে হবে ক্যারিবীয়দের।

পরিসংখ্যানে এগিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
টেস্ট ক্রিকেটে মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যানে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুই দল এখন পর্যন্ত ২২টি টেস্ট খেলেছে। এর মধ্যে ক্যারিবীয়রা জিতেছে ১৫টিতে, বাংলাদেশ পাঁচটিতে। বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। এটি দুই দলের ১২তম টেস্ট সিরিজ। আগের সিরিজগুলোর মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ আটটি এবং বাংলাদেশ দুটি জিতেছে। একটি সিরিজ ড্র হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের মাটিতে দুই দলের আগের ১০ টেস্টের মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতেছে সাতটিতে। বাংলাদেশ জয় পেয়েছে দুটি ম্যাচে, অন্যটি ড্র হয়েছে। মিরপুরে দুই দলের আগের চার টেস্টের তিনটিতে জিতেছে ক্যারিবীয়রা, বাংলাদেশ জিতেছে একটিতে। ২০২১ সালে মিরপুরে সর্বশেষ টেস্টে বাংলাদেশকে ১৭ রানে হারিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এবার ঘরের মাঠে সেই পরিসংখ্যান বদলানোর লক্ষ্য থাকবে স্বাগতিকদের।

সাম্প্রতিক ফল নিয়ে সতর্ক বাংলাদেশ
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতার ঘাটতি দেখা গেছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে দুই টেস্টের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জয়ের পর জিম্বাবুয়ের মাঠে ইনিংস ব্যবধানে হারের অভিজ্ঞতা হয়েছে দলের। পরে অস্ট্রেলিয়া সফরে ডারউইন টেস্টে স্বাগতিকদের হারিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেয় বাংলাদেশ। তবে সম্প্রতি আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ড্র করার পর ত্রিদেশীয় সিরিজের দুই ম্যাচেই হেরেছে দলটি। এমন পরিস্থিতিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ বাংলাদেশের জন্য নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগও। ঘরের মাঠে পরিচিত কন্ডিশন কাজে লাগিয়ে ভালো ফল করতে চাইবে শান্তর দল।

পেস আক্রমণে তাসকিনসহ চারজন
গুরুত্বপূর্ণ এই সিরিজে বাংলাদেশের পেস আক্রমণে থাকছেন তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন, হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলাম। তাঁদের ভূমিকা এবং কন্ডিশন অনুযায়ী খেলোয়াড় নির্বাচন নিয়ে আশাবাদী অধিনায়ক শান্ত।

তিনি বলেন, পেসাররা প্রত্যেকে নিজেদের ভূমিকা সম্পর্কে জানেন। কোন পরিস্থিতিতে কে খেলবেন, সে বিষয়েও তাঁদের ধারণা রয়েছে। সিরিজের যেকোনো ম্যাচে খেলার জন্য প্রত্যেকে প্রস্তুত থাকাটা দলের জন্য ইতিবাচক দিক বলে মনে করেন তিনি। সব মিলিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজে বাংলাদেশের সামনে রয়েছে দুটি লক্ষ্য—টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় নিজেদের অবস্থান ধরে রাখা এবং ফাইনালের স্বপ্নের পথে এগিয়ে যাওয়া। তবে প্রতিপক্ষের বিপক্ষে অতীতের পরিসংখ্যান ও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের ওঠানামা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি ম্যাচেই সতর্ক থাকতে হবে স্বাগতিকদের।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

আইজিপির বক্তব্য নিয়ে ব্যাখ্যা দিল বিপিএসএ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৩ পূর্বাহ্ণ
আইজিপির বক্তব্য নিয়ে ব্যাখ্যা দিল বিপিএসএ

আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যরা অযথা দ্বিধাগ্রস্ত হলে অপরাধীরা উৎসাহিত হতে পারে এবং সামগ্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার কার্যকারিতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএসএ)। একই সঙ্গে আইনের সীমার মধ্যে থেকে দৃঢ়তা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের সই করা এক বিবৃতিতে এসব কথা জানানো হয়। বিবৃতিতে দেশের পরিবর্তিত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মব কালচার এবং ৫ আগস্ট-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দায়িত্ব পালন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।

আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল বিপিএসএ
সোমবার পুরান ঢাকার চকবাজারে একটি কমিউনিটি ব্যাংকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) দেওয়া বক্তব্যকে প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের আলোকে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছে বিপিএসএ। সংগঠনটির বিবৃতিতে বলা হয়, আইজিপির বক্তব্যের মূল তাৎপর্য ছিল—আইনের সীমার মধ্যে থেকে পরিস্থিতি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাগত আত্মবিশ্বাস ও দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা নিশ্চিত করা। বিপিএসএর মতে, অপরাধ দমনে আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের অযথা দ্বিধাগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। দায়িত্ব পালনের সময় আইন প্রয়োগে অকারণ দ্বিধা তৈরি হলে অপরাধীরা উৎসাহিত হতে পারে। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে বলেও মনে করে সংগঠনটি।

১০ মাসে পুলিশের ওপর ১৭৬ হামলা
বিবৃতিতে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিপিএসএ জানায়, ২০২৬ সালের প্রথম ১০ মাসে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের ওপর ১৭৬টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় চারজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত হয়েছেন ৩৭০ জন। সংগঠনটির ভাষ্য, পুলিশের ওপর হামলার এসব ঘটনা সদস্যদের নিরাপত্তা ও উপযুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার এবং প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুসরণের সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। বিপিএসএ মনে করে, নিরাপদ কর্মপরিবেশ থাকলে পুলিশ সদস্যরা আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। তবে সেই দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আইনগত সীমারেখা মেনে চলার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আইনের মধ্যে থেকেই দৃঢ়ভাবে দায়িত্ব পালনের তাগিদ
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশ সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করে। এসব আইনের মধ্যে রয়েছে দণ্ডবিধি, ১৮৬০; ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮; পুলিশ আইন, ১৮৬১ এবং পুলিশ রেগুলেশনস অব বেঙ্গল। তবে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি। এ পরিস্থিতিতে আইন অতিক্রম না করে দৃঢ়তা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিপিএসএর মতে, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা সুদৃঢ় করাও গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য আইন প্রয়োগে পেশাদার আচরণ, নিরপেক্ষতা এবং বিধিবিধানের যথাযথ অনুসরণ প্রয়োজন।

জননিরাপত্তায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান
বিবৃতিতে আইজিপির বক্তব্যকে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশের সক্ষমতা আরও জোরদার করার সময়োপযোগী আহ্বান হিসেবে বিবেচনা করার অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির বক্তব্য অনুযায়ী, পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইন প্রয়োগে তাঁদের পেশাগত আত্মবিশ্বাস বজায় রাখা—দুটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আইনগত সীমা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারত্ব বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

৩১ অক্টোবর ১১ দলের লংমার্চ, বাধা এলে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ
৩১ অক্টোবর ১১ দলের লংমার্চ, বাধা এলে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা

আগামী ৩১ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চে কোনো ধরনের বাধা বা অপতৎপরতা চালানো হলে তা প্রতিহত করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই ও শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডের বিচার, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট নিরসন এবং দুর্নীতি-চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করবে জোটটি।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক এসব কথা জানান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

মামুনুল হক জানান, লংমার্চের তৃতীয় ধাপের কর্মসূচি আগামী ৩১ অক্টোবর সকাল ৭টায় বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে শুরু হবে। এরপর বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ শেষে কর্মসূচি কুষ্টিয়ায় গিয়ে শেষ হবে।

তিনি বলেন, লংমার্চ সফল করতে প্রশাসন সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। তবে কোনো পক্ষ অপতৎপরতা চালালে যেকোনো মূল্যে তা প্রতিহত করা হবে।

গোপালগঞ্জের ওপর দিয়ে লংমার্চ যাওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মামুনুল হক বলেন, তাঁরা সেখানে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন না। কর্মসূচিতে ইসলামপন্থি ও দেশপ্রেমিক বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেবেন বলে আশা করছেন তাঁরা। কোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে এর দায় সরকার ও প্রশাসনকে নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সরকারের সমালোচনা করে খেলাফত মজলিসের আমির বলেন, বিরোধী দল সরকারকে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে কাজ করলেও সরকারের আচরণে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মামুনুল হক। তাঁর অভিযোগ, ইসি সচিব পর্যায়ে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ এবং ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচনে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তাঁদের প্রশ্ন রয়েছে। ভোটাধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বড় ধরনের কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

এ ছাড়া পুলিশের মহাপরিদর্শকের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা ক্রসফায়ার নিয়ে সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক রাষ্ট্রীয় সফর নিয়েও প্রশ্ন তুলে সফরে অংশগ্রহণকারীদের নির্বাচন নিয়ে সমালোচনা করেন।

বৈঠকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি