খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

লজিস্টিক এফটিএক্স অনুশীলনের যুগে সেনাবাহিনী, সেনাপ্রধানের ‘টার্গেট’ বিশ্বমানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২২, ৯:৩৪ পূর্বাহ্ণ
লজিস্টিক এফটিএক্স অনুশীলনের যুগে সেনাবাহিনী, সেনাপ্রধানের ‘টার্গেট’ বিশ্বমানের

এম.আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর :

১৯ ডিসেম্বর থেকে ১৪ জানুয়ারি। সেনাবাহিনীর চার সপ্তাহের শীতকালীন বহিরঙ্গন প্রশিক্ষণ। ক্যান্টনমেন্ট থেকে মাঠ সংযোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা। দেশের দায়িত্বপূর্ণ প্রতিটি এলাকায় প্রায় শতভাগ সেনা সদস্য। নব উদ্যম নিয়েই চালিয়ে যাচ্ছেন নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানোর অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ।

প্রবেশ করেছেন লজিস্টিক এফটিএক্স অনুশীলনের যুগেও। ৫০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সূচিত হয়েছে নতুন এক ধারা। যুদ্ধক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে পরিচিত এই ফিল্ড ট্রেনিং এক্সারসাইজের (এফটিএক্স) মাধ্যমে নিজেদের যুগোপযোগী করতে সুচিন্তিত পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে সেনা সদর দপ্তর।

সেনাবাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় সব ফরমেশনের মধ্যে ওয়্যারলেস, ভিস্যাট ও ইন্টারনেট কমিউনিকেশন যেমন স্থাপন করা হয়েছে, তেমনি প্রশিক্ষণে পরীক্ষা করা হচ্ছে সেনাবাহিনীতে নতুন সংযোজিত অত্যাধুনিক অস্ত্র ও সরঞ্জামাদির কৌশলগত ব্যবহারও।

আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন সেনাবাহিনী গড়তে উন্নত-আধুনিক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা ভূমিকা পালন করবে যুগান্তকারী, এমটিই বলছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। তাদের ভাষ্য হচ্ছে- নিজ নেতৃত্বাধীন বাহিনীর দীর্ঘ ৫০ বছরের উজ্জ্বল-গৌরবময় পথপরিক্রমার ধারাবাহিকতায় নতুন বছরে নতুন প্রত্যাশায় সম্ভাবনার পথে স্বপ্নের সীমানা ছাড়িয়ে যেতে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

ফলশ্রুতিতে প্রশিক্ষণকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে তিনি বিশ্বমানের একটি বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়ে প্রবলভাবেই আশাবাদী। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রশিক্ষণ পরিদর্শনকালে নিজের প্রতিটি বক্তব্যেই এই বিষয়টিকে ফোকাস করেছেন সেনাপ্রধান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশিত পেশাদারিত্বের কাঙ্খিত মান অর্জনের মতোই উদয়াস্ত নিরবচ্ছিন্ন প্রশিক্ষণেই তাই পূর্ণ মনোনিবেশ করেছেন তার বাহিনীর সেনা সদস্যরা। পরিকল্পিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে দক্ষতার শিখরে পৌঁছতে চায় প্রতিটি সেনা সদস্য। সময়োপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই সামরিক বিশ্ব পরিমন্ডলে নিজেদের নতুন চেহারায় মেলে ধরার মাধ্যমে দুর্বৃত্তদেরও আবারও জানান দিতে চায়- ‘বাংলার মাটি, দুর্জয় ঘাঁটি’।

সূত্র মতে, উন্নয়নের সোপানে প্রশিক্ষণ অগ্রগতির সাফল্য নিশ্চিতে তৃণমূলে ছুটছেন সেনাপ্রধান। একেকদিন একেক এলাকায় যাচ্ছেন। আধুনিক প্রশিক্ষণ সাফল্যের নবযাত্রাকে বেগবান করতে গত ১২ দিনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা, হবিগঞ্জ, ব্রাক্ষণবাড়িয়া, নড়াইল, খুলনাসহ বিভিন্ন জেলায় স্বচোখে প্রশিক্ষণ পরিদর্শন করেন জেনারেল শফিউদ্দিন। বাহিনী প্রধানের সরাসরি উপস্থিতিতে আরও চাঙ্গা ও উজ্জীবিত হয়ে উঠছেন প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া সদস্যরা।

সূত্র মতে, সেনাপ্রধান প্রশিক্ষণসমূহের এলাকার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সার্বভৌম মানবিকতায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড় করিয়েছেন দেশপ্রেমিক নিজ বাহিনীকে।

ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দর্শন ‘জনগণের সেনাবাহিনী’ বাস্তবায়নে দৃঢ় অঙ্গীকার করেছেন। দেশজুড়ে অসহায় ও দু:স্থ মানুষের শরীরে সেনারা জড়িয়ে দিচ্ছেন উষ্ণতার উপহার। ত্রাণ আর চিকিৎসা সেবাসহ নানামুখী জনকল্যাণমুখী কর্মযজ্ঞে সম্পৃক্ত রেখে স্থানীয়দের বুলিয়ে দিচ্ছেন মমতার পরশ।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, প্রতি বছরই শীতকালীন প্রশিক্ষণে বের হয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। গত বছর অপারেশন কোভিড শিল্ড পরিচালিত হওয়ায় হয়নি প্রশিক্ষণ। ফলে এক বছরের বিরতিতে পূর্ণোদ্যমে অনুশীলনে মনোযোগ দিয়েছে বাহিনীটির সদস্যরা।

সেনাসদর দপ্তরসহ সেনাবাহিনীর সকল ফরমেশন মোতায়েন হয়েছে বিভিন্ন দায়িত্বপূর্ণ এলাকায়। এই প্রশিক্ষণে সেনাবাহিনী সদর দপ্তর বহিরঙ্গনে এসে পূর্ণাঙ্গরূপে অনুশীলন করছে।

একই সূত্র বলছে, লজিস্টিক’র র ওপর ফিল্ড ট্রেনিং এক্সারসাইজ (এফটিএক্স) পরিচালনার অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণে সড়কপথের পাশাপাশি আকাশপথ, নদীপথ এবং রেলপথে সফলভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে রসদ সম্ভার পরিবহন করা হচ্ছে। ফোর্সেস গোল-২০৩০’র আলোকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নতুন সংযোজিত অত্যাধুনিক অস্ত্র ও সরঞ্জামাদির কৌশলগত ব্যবহারও এবারের শীতকালীন প্রশিক্ষণে পরীক্ষা করা হচ্ছে।

সেনা সদর মনে করছে, চলতি বছরের শীতকালীন প্রশিক্ষণ অনেক বেশী অভিনব ও বাস্তবধর্মী। দেশের সেবায় নিজেদের প্রস্তুত করে তুলতে সরেজমিনে বাস্তবধর্মী বিভিন্ন সামরিক বিষয়াদি অনুশীলনের মাধ্যমে পেশাগত দক্ষতার উন্নয়ন সাধন করাই মাসব্যাপী পরিচালিত এই অনুশীলনের মূল লক্ষ্য।

আইএসপিআর জানায়, এবারের অনুশীলনে সেনাবাহিনী প্রধান, প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, জিওসি আর্মি ট্রেনিং এ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড, কমান্ড্যান্ট ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিভিন্ন ফরমেশনে অনুশীলন কার্যক্রম পরিদর্শন এবং তাৎক্ষণিক দিকনির্দেশনা প্রদান করছেন।

কঠোর প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্যের পেশাগত উৎকর্ষ সাধনের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সার্বিকভাবে একটি বিশ্বমানের বাহিনী হিসেবে গড়ে উঠবে বলে আশাবাদী সেনাপ্রধান।

যুদ্ধ বা বৈরিতা চান না প্রতিরক্ষামন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে আক্রান্ত হলে মোকাবিলার শক্তি অর্জন করতে চান। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা অর্জনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে আধুনিক ও চৌকস বাহিনীতে রুপ দিতে নানামুখী উদ্যোগ ও কর্মপ্রয়াসের সফল বাস্তবায়নে ব্রত প্রধানমন্ত্রী।

স্বাধীনতা সুরক্ষার পবিত্র দায়িত্বে থাকা এই বাহিনীটিতে অত্যাধুনিক সাঁজোয়া যান, মাঝারি ও দূরপাল্লার এমএলআরএস রেজিমেন্ট, আকাশ বিধ্বংসী স্বয়ংক্রিয় সোরাড, ভিসোরাড ও সর্বাধুনিক অরলিকন মিসাইল রেজিমেন্টসহ নানাবিধ অস্ত্র-সরঞ্জামাদি সংযোজন করেছেন।

সরকারপ্রধান শেখ হাসিনার প্রাজ্ঞ ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন দিকনির্দেশনায় জেনারেল এস এম শফিউদ্দিনের নেতৃত্বে এখন উন্নত ও স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এবারের শীতকালীন প্রশিক্ষণে পুরোমাত্রায় সাফল্য নিশ্চিতের পাশাপাশি দেশপ্রেমিক সেনারা লজিস্টিক এফটিএক্স অনুশীলন অভিষেক নিজেদের প্রাণে প্রাণে শুভ কল্যাণের দোলার মাধ্যমে সামরিক বিশ্বে নিজেদের সমৃদ্ধির নতুন এক বার্তাই দিয়ে যাচ্ছে যেন!

কালের আলো/এমএএএমকে

রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও কার্যকর সমাধান রাখাইন রাজ্যেই নিহিত এবং এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে শুধু মানবিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, সম্মানজনক ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আরও সক্রিয় ও ফলপ্রসূ ভূমিকা নিতে হবে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে তুরস্কে চলমান আন্তালিয়া ডিপ্লোম্যাসি ফোরামে প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য প্রদানকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক দাতা সহায়তা কমে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি এই প্রেক্ষাপটে অর্থায়ন বৃদ্ধি, রাখাইনে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
তিনি জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মিয়ানমার সরকার এবং আরাকান আর্মি—উভয় পক্ষই তাঁকে স্বাগত জানিয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা—তবে এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ ও ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।
কালের আলো/এসআর/ এএএন 

ফের হরমুজ বন্ধ করল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
ফের হরমুজ বন্ধ করল ইরান

পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ফের বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকায় আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে এই ঘোষণা দিয়েছে দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

আইআরজিসির যৌথ সামরিক কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ করে যাওয়ায় হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ‘আবার আগের অবস্থায় ফিরে গেছে’।

আইআরজিসির বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ‘অবরোধের নামে জলদস্যুতা ও সামুদ্রিক চুরি চালিয়ে যাচ্ছে’।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এই কারণে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আবার আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে এবং এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ এখন সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর তত্ত্বাবধানে রয়েছে।’

এতে বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্র যতদিন না ইরান থেকে জাহাজগুলো স্বাভাবিকভাবে তাদের গন্তব্যে যাতায়াতের পূর্ণ স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিচ্ছে, ততদিন হরমুজ প্রণালির অবস্থা কঠোর নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং আগের মতোই থাকবে।’

এর কয়েক ঘণ্টা আগেই ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ অব্যাহত রাখলে হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, ‘অবরোধ অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি খোলা থাকবে না। এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল ইরানের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে।’

বিশ্বব্যাপী নৌপরিবহণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও এলএনজি পরিবহন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি বন্ধ করে দিয়েছিল ইরান।

এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দেয়। যার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু শত চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। তেহরান নৌপথটি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পুরো অঞ্চলজুড়ে অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামোতে আঘাত হানার সক্ষমতা ও ইচ্ছা উভয়ই প্রদর্শন করেছে, যা উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও গ্যাসভিত্তিক অর্থনীতিকে বিপন্ন করেছে।

লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে দীর্ঘ প্রায় ছয় সপ্তাহ পর শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) হরমুজ প্রণালি খুলে দিয়েছিল ইরান। ওই দিন বিকেলে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক ঘোষণায় জানান, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকাকালে প্রণালি দিয়ে সব বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল উন্মুক্ত থাকবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকায় মাত্র এক দিনের মাথায় ফের বন্ধ করে দিলো তেহরান।

কালের আলো/এসআর/ এএএন

 

গভীর রাতে হজক্যাম্পে ধর্মমন্ত্রী, খোঁজ নিলেন সেবার মান ও ব্যবস্থাপনার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২৩ অপরাহ্ণ
গভীর রাতে হজক্যাম্পে ধর্মমন্ত্রী, খোঁজ নিলেন সেবার মান ও ব্যবস্থাপনার

রাজধানীর আশকোনা হজক্যাম্পে হজযাত্রীদের সেবা ও কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করতে গভীর রাতে পরিদর্শনে গিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টায় ধর্মমন্ত্রী হজক্যাম্পে প্রবেশ করেন। তিনি হজযাত্রীদের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলোর ডেস্কে যান এবং তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ নেন। মন্ত্রী ইমিগ্রেশন এরিয়ায় গিয়ে হজযাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং হজক্যাম্পের সেবা কার্যক্রম সম্পর্কে তাদের কাছ থেকে জানতে চান।

হজযাত্রীদের শারীরিক অবস্থার বিষয়েও খোঁজখবর নেন তিনি। শেষে মন্ত্রী ডরমিটরিতে যান এবং সেখানে অবস্থানকারী হজযাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। ডরমিটরির সামগ্রিক অবস্থা সম্পর্কেও জানতে চান মন্ত্রী।

হজক্যাম্পের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তারা ধর্মমন্ত্রীর এরূপ নিবিড় মনিটরিং কার্যক্রমে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং তার জন্য দোয়া করেন।

সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে ধর্মমন্ত্রী বলেন, হজযাত্রীরা আল্লাহর মেহমান। এটি মাথায় রাখতে হবে এবং তাদের সঙ্গে সেভাবে আচরণ করতে হবে। হজযাত্রীরা যেন কোনো কষ্ট না পান সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী রাত সোয়া একটার দিকে হজক্যাম্প ত্যাগ করেন।

কালের আলো/এসএকে