খুঁজুন
                               
বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ২৩ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

সেনাপ্রধানের সফরে আরও দৃঢ় হবে বাংলাদেশ-সুইজারল্যান্ড বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ অক্টোবর, ২০২২, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
সেনাপ্রধানের সফরে আরও দৃঢ় হবে বাংলাদেশ-সুইজারল্যান্ড বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

খুলেছে সহযোগিতার নতুন দুয়ার। উষ্ণ হয়েছে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ’র সুইজারল্যান্ড সফরের মধ্যে দিয়ে দেশ দু’টির মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় হওয়ারও বার্তা মিলেছে।

গুরুত্বপূর্ণ এই সফরকালে সুইজারল্যান্ড আর্মড ফোর্সেস’র আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বিভাগের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম. মেডারের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সেনাপ্রধান। এ সময় উভয়েই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ক্রমাগত বিস্তৃতি ও গভীর করার ওপর জোর দিয়েছেন। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান গত বুধবার (৫ অক্টোবর) সুইজারল্যান্ডের বিমান বিধ্বংসী অস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‌‘রাইনমেটাল এয়ার ডিফেন্স কোম্পানি এজি’র প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং কোম্পানি পরিদর্শন করেন। এ সময় কোম্পানিটির কর্মকর্তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে চলমান বর্তমান প্রকল্পসমূহ এবং উৎপাদিত সরঞ্জামাদি সম্পর্কে সেনাবাহিনী প্রধানকে প্রয়োজনীয় ব্রিফিং প্রদান করেন।

এরপর তিনি কোম্পানির উৎপাদন প্ল্যান্টে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য প্রস্তুত করা ওরলিকন টুইন গান জিডিএফ-০০৯ অস্ত্র পরিদর্শন করেন।

আইএসপিআর আরও জানায়, গত ৬ অক্টোবর রাইনমেটাল এয়ার ডিফেন্স কোম্পানি এজি লাইভ ফায়ারিংয়ের আয়োজন করে। সেখানে সেনাপ্রধান ওরলিকন টুইন গান জিডিএফ-০০৯ এর গান ফায়ারিং এবং গোলাবারুদের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করেন।

সফরকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ সুইস এয়ার ফোর্স ও এয়ার ডিফেন্স জাদুঘর পরিদর্শন করেন।এছাড়াও তিনি গত ৭ অক্টোবর রাইনমেটাল কোম্পানির অ্যামোনিশন প্রোডাকশন লাইন পরিদর্শন এবং প্রস্তুত প্রণালী পর্যবেক্ষণ করেন। মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) দেশে এসে পৌঁছান সেনাপ্রধান।

সূত্র জানায়, প্রায় পাঁচ দশক ধরে বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের এক নির্ভরযোগ্য অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী হয়ে কাজ করছে সুইজারল্যান্ড। ইতোমধ্যেই দু’দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে। সেনাপ্রধানের এই সফর দু’দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যকার চমৎকার সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

আইএসপিআরও মনে করছে, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের এই সফরের মধ্য দিয়ে সুইজারল্যান্ড ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।

কালের আলো/এমএএএমকে

চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিমানবাহিনীর সদস্যদের প্রস্তুত থাকার জন্য আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৮:৫৩ অপরাহ্ণ
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিমানবাহিনীর সদস্যদের প্রস্তুত থাকার জন্য আহ্বান

একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার জন্য বিমানবাহিনীর সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাহিনীটির প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। বুধবার (৬ মে) ঢাকা সেনানিবাসস্থ বিমানবাহিনী সদর দপ্তরে বিমানবাহিনীর এয়ার অফিসার্স সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিমানবাহিনী প্রধান সম্মেলনে উপস্থিত বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামমূলক বক্তব্য দেন। দেশের আকাশসীমা রক্ষার পাশাপাশি তিনি দেশমাতৃকার সেবায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অবদানের কথা উল্লেখ করেন।

এসময় বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্ষমতা অর্জন করে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার জন্য বিমানবাহিনীর সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান এবং বাহিনীর প্রত্যেক সদস্য আগামী দিনে দেশ সেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে আশা করেন।

জানা গেছে, বিমান সদরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, সংশ্লিষ্ট এয়ার অফিসার ও বিমান সদরের পরিচালক সরাসরি এবং ঢাকার বাইরে অবস্থিত বিমানবাহিনী ঘাঁটির এয়ার অধিনায়কসহ সংশ্লিষ্ট এয়ার অফিসাররা ভিডিও টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

নিজে গাড়ি চালিয়ে চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
নিজে গাড়ি চালিয়ে চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

অফিস শেষ করে সচিবালয় থেকে নিজেই গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় গাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর পাশের সিটে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সচিবালয়ের অফিস থেকে আগারগাঁও শেরেবাংলা নগরে ‘বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে’ বাংলাদেশ এডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

 

সরকারি পর্যায়ে খাদ্যশস্যের মজুত ছাড়িয়েছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
সরকারি পর্যায়ে খাদ্যশস্যের মজুত ছাড়িয়েছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন

দেশে বর্তমানে সরকারি পর্যায়ে চাল ও গম মিলিয়ে মোট খাদ্যশস্য মজুতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ১৪৬ মেট্রিক টন।

২০২৬ সালের শুরু থেকে মঙ্গলবার (৫ মে) পর্যন্ত খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্যে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দৈনিক খাদ্যশস্য পরিস্থিতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে সরকারি গুদামগুলোতে চালের মজুত রয়েছে ১২ লাখ ২৫ হাজার ৮৭ মেট্রিক টন। এছাড়া গমের মজুত ৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৮৪ মেট্রিক টন এবং ধানের মজুদ ২৬৫ মেট্রিক টন।

হিসাব অনুযায়ী, গুদামজাত মোট খাদ্যশস্যের পরিমাণ ১৫ লাখ ৭০ হাজার ৪৪৩ মেট্রিক টন। তবে এর সঙ্গে ট্রানজিটে থাকা বা ফ্লোটিং (ভাসমান) মজুত যুক্ত করলে মোট মজুতের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায়।

মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে ভাসমান মজুতের ক্ষেত্রে গমের পরিমাণ ৯০ হাজার ৬৭২ মেট্রিক টন এবং চালের পরিমাণ ২৯ হাজার ৮৩১ মেট্রিক টন।

সব মিলিয়ে দেশে খাদ্যশস্যের মোট মজুতের (ফ্লোটিং বা ভাসমান মজুদসহ) পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৯৪৬ মেট্রিক টন।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের এই মজুত সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তারা বলেন, ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য মজুত থাকলে তা নিরাপদ মজুদ হিসেবে গণ্য হয়। সে হিসেবে এখন দেশে যা মজুত আছে তা নিরাপদ।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা বলেন, চলতি বোরো মৌসুমে নতুন ধান ও চাল সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলমান থাকায় আগামী দিনগুলোতে এই মজুতের পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গত ৩ মে থেকে খাদ্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে। যা চলবে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। এ সময় ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান, ১২ লাখ মেট্রিক টন চাল, ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল, ৫০ হাজার মেট্রিক টন গমসহ মোট ১৮ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সচিব আরও বলেন, আমদানিসহ সরকারের নানা পদক্ষেপের কারণে খাদ্য মজুত আগামী দিনগুলোতে আরও বাড়তে থাকবে।

সূত্র: বাসস

কালের আলো/এসএকে