খুঁজুন
                               
, ,
           

রাত থেকে উঠে যাচ্ছে জ্বালানি তেল নেওয়ার সীমাবদ্ধতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৮:০১ অপরাহ্ণ
রাত থেকে উঠে যাচ্ছে জ্বালানি তেল নেওয়ার সীমাবদ্ধতা

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ শনিবার (১৪ মার্চ) রাত থেকেই দূরপাল্লার বাসসহ গণপরিবহনে জ্বালানি নেওয়ার ক্ষেত্রে নির্ধারিত সীমাবদ্ধতা উঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এদিন রাজধানীর একটি বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেল এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, সড়কপথে আগামীকাল থেকে ঈদযাত্রার চাপ বাড়বে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আগেই গণপরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আজ রাত থেকেই দূরপাল্লার বাসসহ অন্যান্য গণপরিবহনে তেল নেওয়ার কোনো সীমাবদ্ধতা থাকবে না এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তারা জ্বালানি নিতে পারবে।

মন্ত্রী বলেন, বিআরটিসির অধীনে চলাচলকারী বাসগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে নির্ধারিত সময় মেনে বাস ছেড়ে যাচ্ছে এবং নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না। পরিবহনগুলো শিডিউল অনুযায়ী চলাচল করছে।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি সংকটের অজুহাতে কোথাও যাতে ভাড়া বাড়ানো না হয় বা অগ্রিম টিকিট ফেরত না দেওয়া হয়, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর আগে কিছু পরিবহন জ্বালানি সংকটের কথা বলে অগ্রিম টিকিট ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করলেও সরকারের নির্দেশনার পর তা বন্ধ হয়েছে।

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কের যেসব স্থানে নির্মাণকাজ চলছিল সেসব স্থান থেকে নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও জানান সড়ক পরিবহনমন্ত্রী। এর মাধ্যমে অন্তত দুই থেকে তিনটি লেন যান চলাচলের জন্য সচল রাখা হয়েছে এবং যেখানে চার লেন রয়েছে সেখানে সব লেন চালু রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, মহাসড়কের জ্বালানি পাম্পগুলো ঈদের আগে সাত দিন এবং ঈদের পরে পাঁচ দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য যানজটের ঝুঁকিপূর্ণ ২০৭টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থানে হাইওয়ে পুলিশ, বিআরটিএ, পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে কোথাও যানজট সৃষ্টি না হয়।

শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, সব প্রস্তুতি মিলিয়ে এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যাত্রীরা যাতে নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন এবং সড়কে দীর্ঘ সময় আটকে না থাকেন, সে লক্ষ্যে সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে। পাশাপাশি ঈদ উপলক্ষে যাত্রীদের ওপর অতিরিক্ত ভাড়া চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না এবং বিষয়টি কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে।

কালের আলো/এসএকে

খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫২ পূর্বাহ্ণ
খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশন শুরু

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অধিবেশনের প্রথম প্লেনারি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পরে ৮১তম অধিবেশনের নবনির্বাচিত সভাপতি হিসেবে ড. খলিলুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেন। আগামী এক বছর তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

শপথ গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে সংস্থাটির প্রতি আস্থার ঘাটতি রয়েছে। ভবিষ্যতের জন্য জাতিসংঘকে আরও কার্যকর ও উপযোগী করে তুলতে গভীর সংস্কার প্রয়োজন।

মঙ্গলবার প্রথম প্লেনারি সভা শুরু হলেও আগামী ২২ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের ভাষণের মধ্য দিয়ে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক শুরু হবে। এতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

জ্বালানি বিলেই নাজেহাল মার্কিনিরা, ইরান যুদ্ধে বাড়তি খরচ ১০০ বিলিয়ন ডলার

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২৭ পূর্বাহ্ণ
জ্বালানি বিলেই নাজেহাল মার্কিনিরা, ইরান যুদ্ধে বাড়তি খরচ ১০০ বিলিয়ন ডলার

ইরান যুদ্ধের ছয় মাসেই জ্বালানি কিনতে গিয়ে মার্কিন ভোক্তাদের পকেট থেকে বেরিয়ে গেছে অতিরিক্ত প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বেড়ে সাধারণ পরিবারের বাজেটে তৈরি হয়েছে বড় চাপ। দেশটির প্রায় ১৩ কোটি ১০ লাখ পরিবারের হিসাবে গড়ে প্রতিটি পরিবারের বাড়তি জ্বালানি ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৬৩ ডলার।

ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ওয়াটসন ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের তথ্যের বরাতে এই হিসাব সামনে এসেছে। এতে স্পষ্ট, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক অভিঘাত শুধু মধ্যপ্রাচ্য বা আন্তর্জাতিক তেলবাজারে সীমাবদ্ধ নেই; সরাসরি মার্কিন পরিবারের দৈনন্দিন খরচেও এর প্রভাব পড়ছে।

সবচেয়ে বড় ধাক্কা পেট্রোলের দামে
মার্কিনিদের জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে পেট্রোলের দামে। ছয় মাসের ব্যবধানে প্রতি গ্যালন পেট্রোলের দাম ২ দশমিক ৯৮ ডলার থেকে বেড়ে ৪ দশমিক ১৫ ডলারে উঠেছে। অর্থাৎ দাম বেড়েছে প্রায় ৩৯ শতাংশ। ডিজেলের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও কঠিন। প্রতি গ্যালনের দাম ৩ দশমিক ৬৭ ডলার থেকে বেড়ে হয়েছে ৫ দশমিক ৯০ ডলার—বৃদ্ধি ৬০ শতাংশেরও বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারের প্রবণতা বেশি হওয়ায় পেট্রোলের এই মূল্যবৃদ্ধি সরাসরি পরিবারের ব্যয়ে প্রভাব ফেলছে। অন্যদিকে ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়ছে পরিবহন ও পণ্য সরবরাহের খরচে। ফলে একদিকে গাড়ি চালানোর খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে দোকানে পৌঁছানোর আগেই পণ্যের দাম বাড়ছে।

যুদ্ধ চলছে ছয় মাস
ইরানকে ঘিরে সামরিক সংঘাত শুরুর সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধটি চার থেকে পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে শেষ হওয়ার প্রত্যাশা জানিয়েছিলেন। বাস্তবে সেই সময়সীমা অনেক আগেই পেরিয়ে গেছে। সংঘাত এখন ষষ্ঠ মাসে প্রবেশ করেছে এবং দ্রুত কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনাও স্পষ্ট নয়। যুদ্ধ যত দীর্ঘ হচ্ছে, ততই জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা আন্তর্জাতিক তেলবাজারে বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করছে।

ট্রাম্পের সঙ্গে মার্কিনিদের দ্বিমত
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এখন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্কেরও অংশ। যুদ্ধের প্রতি জনসমর্থন না থাকায় অনেক মার্কিনি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনকে দায়ী করছেন।তবে ট্রাম্প এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি তেলের দাম বাড়ার বিষয়টিকে খুব বেশি গুরুত্ব না দিয়ে বরং তেল কোম্পানিগুলোর ওপর দায় চাপিয়েছেন। ফলে যুদ্ধের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের খরচ শেষ পর্যন্ত কে বহন করছে—সরকার, তেল কোম্পানি নাকি সাধারণ মানুষ—এই প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে।

খাদ্যনিরাপত্তাতেও চাপ
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এর প্রভাব শুধু গাড়ির জ্বালানিতে আটকে থাকে না। কৃষিতে ট্রাক্টর চালানো, খাদ্য পরিবহন, পণ্য সংরক্ষণ, শীতলীকরণ থেকে শুরু করে প্লাস্টিকের প্যাকেজিং—প্রায় প্রতিটি ধাপেই তেল ও গ্যাসের ব্যবহার রয়েছে।ফলে জ্বালানির দাম বাড়লে উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয়ও বাড়ে। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত গিয়ে পড়ে ভোক্তার বাজারে। মার্কিন পরিবার একদিকে গাড়ির ট্যাংক ভরতে বেশি টাকা দিচ্ছে, অন্যদিকে একই জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির কারণে খাবার ও অন্যান্য পণ্য কিনতেও বাড়তি অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। বিশ্বের নিম্ন আয়ের দেশগুলোর জন্য ঝুঁকি আরও বড়। তেল ও সার আমদানির ব্যয় বেড়ে গেলে কৃষি উৎপাদনের খরচ বাড়তে পারে। দীর্ঘস্থায়ী হলে খাদ্য সরবরাহ ও খাদ্যনিরাপত্তাতেও চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সামনে আরও চাপের শঙ্কা
জ্বালানি বাজারের এই চাপের মধ্যেই ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন ‘নিয়ন্ত্রিত জোন’ তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, এ এলাকার জন্য নতুন মানচিত্র দেওয়া হবে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহনে সেটি অনুসরণ করতে হবে। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, মার্কিন অবরোধ ও হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়ার নিশ্চয়তা দেবে না ইরান। নতুন নিয়ন্ত্রিত এলাকায় অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ প্রবেশ করলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে দেশটি। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে মার্কিনিদের জন্য জ্বালানি বিলের চাপ আরও বাড়তে পারে। আর হরমুজ প্রণালি ঘিরে অনিশ্চয়তা বাড়লে তার প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ববাজারেও পড়বে। ফলে ইরান যুদ্ধ এখন শুধু ভূরাজনৈতিক সংঘাত নয়—সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দেওয়া এক বড় অর্থনৈতিক সংকটেও রূপ নিচ্ছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

জাতিসংঘ সংস্কারে গভীর পরিবর্তনের প্রয়োজন: খলিলুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২৬ পূর্বাহ্ণ
জাতিসংঘ সংস্কারে গভীর পরিবর্তনের প্রয়োজন: খলিলুর রহমান

জাতিসংঘের সংস্কারকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় জাতিসংঘকে কার্যকর ও আস্থাশীল রাখতে গভীর ও অর্থবহ সংস্কার প্রয়োজন।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

খলিলুর রহমান বলেন, বর্তমানে জাতিসংঘের প্রতি আস্থার ঘাটতি রয়েছে। শুধু বর্তমান সময়ের জন্য নয়, ভবিষ্যতের উপযোগী করে তুলতে হলে সংস্থাটিতে গভীর সংস্কার করতে হবে। সংস্কার যেন কেবল নামমাত্র না হয়, বরং সাধারণ মানুষের কাছে জাতিসংঘের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর ভূমিকা রাখে—সেদিকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘এটি ১৯৪৫ সাল নয়। আমরা এখন একবিংশ শতাব্দীতে আছি। বিশ্ব এগিয়ে গেছে, তাই জাতিসংঘকেও এগিয়ে যেতে হবে।’

জাতিসংঘ মহাসচিবের সংস্কার প্রক্রিয়াকে সমর্থন করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, একজন প্রতিনিধি ও কর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে তিনি এই সংস্থাকে কাছ থেকে দেখেছেন। তাই সংস্কারগুলো অবশ্যই অর্থবহ হওয়া প্রয়োজন।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ তুলে খলিলুর রহমান বলেন, নিজ বাড়িঘর থেকে বিতাড়িত বিশাল জনগোষ্ঠীর আকুতি তিনি কাছ থেকে দেখেছেন। ভবিষ্যতেও জাতিসংঘের সামনে রোহিঙ্গাদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার কাজ অব্যাহত রাখবেন তিনি।

সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনে কোনো দেশ তাকে ভোট দিয়েছে কি না, সেটি তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি সব দেশের জন্য একজন সভাপতি হিসেবে কাজ করতে চান।

এ সময় বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতি ও প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে খলিলুর রহমান জানান, তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাই তাকে এই পদমর্যাদা ও দায়িত্বের পরিপ্রেক্ষিতেই প্রশ্ন করার আহ্বান জানান তিনি।

শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তার দরজা সবসময় খোলা থাকবে এবং সবার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে চান।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি