খুঁজুন
                               
শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৬ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ- ২১ কর্মকর্তার বিদেশ সফর সংক্রান্ত আমার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদটি অসত্য ও বানোয়াট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৯ অপরাহ্ণ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ- ২১ কর্মকর্তার বিদেশ সফর সংক্রান্ত আমার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদটি অসত্য ও বানোয়াট

দৈনিক ‘আমার দেশ’ পত্রিকায় আজ প্রকাশিত “বিটিভির ডিজিটাল সম্প্রচার শিখতে তিন দেশে যাচ্ছেন ২১ কর্মকর্তা” শীর্ষক সংবাদটিকে অসত্য, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে প্রকৃত তথ্য গোপন করে এই সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশ টেলিভিশন-এর ১৬টি কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রে অত্যাধুনিক সম্প্রচার যন্ত্রপাতি স্থাপনের মাধ্যমে পুরো ব্যবস্থাকে ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করা। প্রকল্পের ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) প্রণয়নের সময়েই বাস্তবায়ন ও পরিচালনার সাথে সরাসরি জড়িত কর্মকর্তাদের কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং ‘প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন’ (PSI) কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এটি করার মূল উদ্দেশ্য হলো যন্ত্রপাতি ক্রয়, সরবরাহ এবং এর যথাযথ পরিচালনা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, প্রশিক্ষণ ও প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন সংক্রান্ত সমস্ত ব্যয় ডিপিপির বরাদ্দ থেকে মেটানো হচ্ছে, যার সাথে বর্তমান সরকারের সরাসরি কোনো অতিরিক্ত আর্থিক সংশ্লেষ নেই। চুক্তির শর্তানুযায়ী, এই কার্যক্রমগুলো নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন না হলে সংশ্লিষ্ট অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কর্তনযোগ্য এবং এই অর্থ পরবর্তীতে ফেরত পাওয়ার কোনো আইনি সুযোগ নেই। ফলে এই বিদেশ সফরে সরকারের রাজকোষ থেকে নতুন করে কোনো অর্থ ব্যয় হবে না।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করেছে যে, প্রকল্পের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের ৮০ শতাংশ ভৌত অবকাঠামো এবং ৯৫ শতাংশ আর্থিক ব্যয় সম্পন্ন হয়েছে।

সংবাদটিতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়। সেখানে প্রকল্পটি ‘পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের’ আমলে গৃহীত বলে উল্লেখ করা হলেও, মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সব অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে ইতিপূর্বেই বাতিল করেছে। বর্তমান প্রকল্পটি রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনীয়তা ও ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবেই চলমান রয়েছে।

অসত্য তথ্যের ভিত্তিতে বিভ্রান্তি ছড়ানোর পরিবর্তে বস্তুনিষ্ঠ এবং যাচাইকৃত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সংবাদ পরিবেশনের জন্য ‘আমার দেশ’ পত্রিকা কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

কালের আলো/এম/এএইচ

রাজশাহীতে জুয়েলার্সের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি, কয়েক কোটি টাকার অলঙ্কার লুট

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে জুয়েলার্সের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি, কয়েক কোটি টাকার অলঙ্কার লুট

রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার স্বর্ণপট্টি এলাকায় একটি জুয়েলার্সের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা দেয়াল কেটে দোকানে প্রবেশ করে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ২০০ ভরি রুপা ও নগদ অর্থ নিয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মালিকপক্ষ।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে শুক্রবার দিবাগত রাতের মধ্যে কোনো এক সময় সাহেববাজার এলাকার স্বর্ণা হোটেলের নিচতলায় অবস্থিত কারুশ্রী জুয়েলার্সে এ চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনার প্রতিবাদে রাজশাহীর জুয়েলার্স ব্যবসায়ীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পাশাপাশি অবস্থিত আফিয়া জুয়েলার্স ও কারুশ্রী জুয়েলার্সের মধ্যে সংযোগকারী দেয়াল কেটে চোরেরা কারুশ্রী জুয়েলার্সে প্রবেশ করে। এর আগে তারা আফিয়া জুয়েলার্সের তালা খুলে ভেতরে ঢোকে। পরে দুই দোকানের মাঝের দেয়াল কেটে কারুশ্রী জুয়েলার্সে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার, রুপার অলংকার ও নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। আফিয়া জুয়েলার্সে কোনো মালামাল না থাকায় সেখান থেকে কিছু নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি আশরাফুল ইসলাম অপু বলেন, প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ২০০ ভরি রুপা ও নগদ ২০ লাখ টাকা চুরি হয়েছে। চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার এবং জড়িতদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত রাজশাহীর সব জুয়েলার্সের দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।

বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধির দাবি, আইনমন্ত্রী-প্রধান বিচারপতির সমর্থন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধির দাবি, আইনমন্ত্রী-প্রধান বিচারপতির সমর্থন

ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন আদালতে কর্মরত বিচারকরা বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধি ও বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি বিচারকদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে এজলাস, খাসকামরা, রেকর্ডরুম, মালখানা ও আবাসন-সংকট নিরসনে অবকাঠামোগত সংস্কার ও উন্নয়ন, আদালত ও বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ডিজিটাইজেশন এবং প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তারও দাবি করেন তারা।

শনিবার (২০ জুন) সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ স্পোর্টস কমপ্লেক্সে এক অনুষ্ঠানে ঢাকা বিভাগের সব জেলা থেকে আগত জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটরা এমন দাবি করেন।

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কার্যালয় এসব তথ্য জানিয়েছে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিভাগে কর্মরত বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি অভিভাষণ দেন। তিনি বলেন, বিচার বিভাগের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ডিজিটাইজেশন, বিচাকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, বিচারকদের দেশি-বিদেশি প্রশিক্ষণ, প্রতিটি জেলা আদালতে মেডিকেল সেন্টার ও ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন, স্পিচ-টু-টেক্সট সফটওয়্যার তৈরি ও ব্যবহার এবং বিচারকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমি কাজ করে যাচ্ছি।

প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকল্পে বিচারকদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে বিচারিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বিচার বিভাগের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং সেজন্য বিচার বিভাগের জন্য বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে আইন ও বিচার বিভাগের জন্য জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা। একই সময়ে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) জন্য বরাদ্দ ৩৪৭ কোটি টাকা, আর দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের জন্য বরাদ্দ মাত্র ২৯১ কোটি টাকা।

বিচার বিভাগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, একটি রাষ্ট্রের আইনের শাসন ও সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার কেন্দ্রবিন্দু যেখানে আদালত, সেখানে বিচার বিভাগের জন্য এমন সীমিত বরাদ্দ রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগরের দুই শীর্ষ নেতাকে শোকজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগরের দুই শীর্ষ নেতাকে শোকজ

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ শোয়েব ও সদস্যসচিব আরিফ মঈনুদ্দিনকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে দলের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি।

শনিবার (২০ জুন) পৃথক দুটি চিঠির মাধ্যমে তাদের কাছে এ নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলা কমিটির প্রধানের দপ্তরে জমা দিতে বলা হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুন এনসিপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এএসএম সুজাউদ্দিনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলা কমিটির কাছে জমা পড়ে। অভিযোগটি তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি তদন্ত ও শৃঙ্খলা কমিটি গঠন করা হয়।

নোটিশে বলা হয়, অভিযোগটি তদন্তাধীন থাকা অবস্থায় এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ে কোনো সিদ্ধান্ত হওয়ার আগেই চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির দুই শীর্ষ নেতা অভিযুক্ত ব্যক্তির পক্ষে অবস্থান নেন। এর মধ্যে আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ শোয়েব দলীয় প্যাডে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তদন্তাধীন বিষয়ে পক্ষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সদস্যসচিব আরিফ মঈনুদ্দিনের বিরুদ্ধে দলীয় প্যাডে বিবৃতি দেওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে অভিযোগকারীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির দপ্তর সেলের সদস্য মোহাম্মদ উসামা স্বাক্ষরিত নোটিশে এসব কর্মকাণ্ডকে দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মীর মোহাম্মদ শোয়েব। তিনি বলেন, ১৫ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ সময় কোনো রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল না।

তিনি বলেন, আমার অগোচরে কে বা কারা আমার অফিসিয়াল প্যাড ব্যবহার করে বিবৃতি দিয়েছে, সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না। ওই বিবৃতির সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। আমি এটিকে অসাংগঠনিক কাজ হিসেবে মনে করি।

শোয়েব আরও বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি বডি শেমিং, নারী হেনস্তা এবং যে কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরোধী। কেন্দ্র থেকে পাওয়া শোকজ নোটিশের বিষয়ে যথাযথ তথ্য-প্রমাণসহ জবাব দেব।

এ বিষয়ে সদস্যসচিব আরিফ মঈনুদ্দিন বলেন, আমি মাত্র ঘুম থেকে উঠেছি। গ্রুপে আমাকে মেনশন করে একটি বার্তা দেওয়া হয়েছে। সেখানে কী লেখা আছে, এখনো পড়িনি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ