খুঁজুন
                               
বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ২৩ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ- ২১ কর্মকর্তার বিদেশ সফর সংক্রান্ত আমার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদটি অসত্য ও বানোয়াট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৯ অপরাহ্ণ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ- ২১ কর্মকর্তার বিদেশ সফর সংক্রান্ত আমার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদটি অসত্য ও বানোয়াট

দৈনিক ‘আমার দেশ’ পত্রিকায় আজ প্রকাশিত “বিটিভির ডিজিটাল সম্প্রচার শিখতে তিন দেশে যাচ্ছেন ২১ কর্মকর্তা” শীর্ষক সংবাদটিকে অসত্য, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে প্রকৃত তথ্য গোপন করে এই সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশ টেলিভিশন-এর ১৬টি কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রে অত্যাধুনিক সম্প্রচার যন্ত্রপাতি স্থাপনের মাধ্যমে পুরো ব্যবস্থাকে ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করা। প্রকল্পের ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) প্রণয়নের সময়েই বাস্তবায়ন ও পরিচালনার সাথে সরাসরি জড়িত কর্মকর্তাদের কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং ‘প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন’ (PSI) কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এটি করার মূল উদ্দেশ্য হলো যন্ত্রপাতি ক্রয়, সরবরাহ এবং এর যথাযথ পরিচালনা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, প্রশিক্ষণ ও প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন সংক্রান্ত সমস্ত ব্যয় ডিপিপির বরাদ্দ থেকে মেটানো হচ্ছে, যার সাথে বর্তমান সরকারের সরাসরি কোনো অতিরিক্ত আর্থিক সংশ্লেষ নেই। চুক্তির শর্তানুযায়ী, এই কার্যক্রমগুলো নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন না হলে সংশ্লিষ্ট অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কর্তনযোগ্য এবং এই অর্থ পরবর্তীতে ফেরত পাওয়ার কোনো আইনি সুযোগ নেই। ফলে এই বিদেশ সফরে সরকারের রাজকোষ থেকে নতুন করে কোনো অর্থ ব্যয় হবে না।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করেছে যে, প্রকল্পের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের ৮০ শতাংশ ভৌত অবকাঠামো এবং ৯৫ শতাংশ আর্থিক ব্যয় সম্পন্ন হয়েছে।

সংবাদটিতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়। সেখানে প্রকল্পটি ‘পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের’ আমলে গৃহীত বলে উল্লেখ করা হলেও, মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সব অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে ইতিপূর্বেই বাতিল করেছে। বর্তমান প্রকল্পটি রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনীয়তা ও ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবেই চলমান রয়েছে।

অসত্য তথ্যের ভিত্তিতে বিভ্রান্তি ছড়ানোর পরিবর্তে বস্তুনিষ্ঠ এবং যাচাইকৃত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সংবাদ পরিবেশনের জন্য ‘আমার দেশ’ পত্রিকা কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

কালের আলো/এম/এএইচ

চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিমানবাহিনীর সদস্যদের প্রস্তুত থাকার জন্য আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৮:৫৩ অপরাহ্ণ
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিমানবাহিনীর সদস্যদের প্রস্তুত থাকার জন্য আহ্বান

একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার জন্য বিমানবাহিনীর সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাহিনীটির প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। বুধবার (৬ মে) ঢাকা সেনানিবাসস্থ বিমানবাহিনী সদর দপ্তরে বিমানবাহিনীর এয়ার অফিসার্স সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিমানবাহিনী প্রধান সম্মেলনে উপস্থিত বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামমূলক বক্তব্য দেন। দেশের আকাশসীমা রক্ষার পাশাপাশি তিনি দেশমাতৃকার সেবায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অবদানের কথা উল্লেখ করেন।

এসময় বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্ষমতা অর্জন করে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার জন্য বিমানবাহিনীর সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান এবং বাহিনীর প্রত্যেক সদস্য আগামী দিনে দেশ সেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে আশা করেন।

জানা গেছে, বিমান সদরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, সংশ্লিষ্ট এয়ার অফিসার ও বিমান সদরের পরিচালক সরাসরি এবং ঢাকার বাইরে অবস্থিত বিমানবাহিনী ঘাঁটির এয়ার অধিনায়কসহ সংশ্লিষ্ট এয়ার অফিসাররা ভিডিও টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

নিজে গাড়ি চালিয়ে চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
নিজে গাড়ি চালিয়ে চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

অফিস শেষ করে সচিবালয় থেকে নিজেই গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় গাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর পাশের সিটে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সচিবালয়ের অফিস থেকে আগারগাঁও শেরেবাংলা নগরে ‘বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে’ বাংলাদেশ এডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

 

সরকারি পর্যায়ে খাদ্যশস্যের মজুত ছাড়িয়েছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
সরকারি পর্যায়ে খাদ্যশস্যের মজুত ছাড়িয়েছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন

দেশে বর্তমানে সরকারি পর্যায়ে চাল ও গম মিলিয়ে মোট খাদ্যশস্য মজুতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ১৪৬ মেট্রিক টন।

২০২৬ সালের শুরু থেকে মঙ্গলবার (৫ মে) পর্যন্ত খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্যে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দৈনিক খাদ্যশস্য পরিস্থিতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে সরকারি গুদামগুলোতে চালের মজুত রয়েছে ১২ লাখ ২৫ হাজার ৮৭ মেট্রিক টন। এছাড়া গমের মজুত ৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৮৪ মেট্রিক টন এবং ধানের মজুদ ২৬৫ মেট্রিক টন।

হিসাব অনুযায়ী, গুদামজাত মোট খাদ্যশস্যের পরিমাণ ১৫ লাখ ৭০ হাজার ৪৪৩ মেট্রিক টন। তবে এর সঙ্গে ট্রানজিটে থাকা বা ফ্লোটিং (ভাসমান) মজুত যুক্ত করলে মোট মজুতের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায়।

মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে ভাসমান মজুতের ক্ষেত্রে গমের পরিমাণ ৯০ হাজার ৬৭২ মেট্রিক টন এবং চালের পরিমাণ ২৯ হাজার ৮৩১ মেট্রিক টন।

সব মিলিয়ে দেশে খাদ্যশস্যের মোট মজুতের (ফ্লোটিং বা ভাসমান মজুদসহ) পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৯৪৬ মেট্রিক টন।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের এই মজুত সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তারা বলেন, ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য মজুত থাকলে তা নিরাপদ মজুদ হিসেবে গণ্য হয়। সে হিসেবে এখন দেশে যা মজুত আছে তা নিরাপদ।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা বলেন, চলতি বোরো মৌসুমে নতুন ধান ও চাল সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলমান থাকায় আগামী দিনগুলোতে এই মজুতের পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গত ৩ মে থেকে খাদ্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে। যা চলবে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। এ সময় ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান, ১২ লাখ মেট্রিক টন চাল, ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল, ৫০ হাজার মেট্রিক টন গমসহ মোট ১৮ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সচিব আরও বলেন, আমদানিসহ সরকারের নানা পদক্ষেপের কারণে খাদ্য মজুত আগামী দিনগুলোতে আরও বাড়তে থাকবে।

সূত্র: বাসস

কালের আলো/এসএকে