খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে এ বছর বাংলাদেশে গরিব বাড়বে ১২ লাখ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে এ বছর বাংলাদেশে গরিব বাড়বে ১২ লাখ

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে এ বছর বাংলাদেশে প্রায় ১২ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হতে পারেন। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে তাদের প্রকৃত আয় কমে যেতে পারে। তারা দারিদ্র্য সীমার ওপরে উঠতে পারবে না, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক।

বুধবার (৮ এপ্রিল) বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের এপ্রিল সংস্করণের ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদনের প্রকাশনা করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবের কারণে কতজন বাংলাদেশি দারিদ্র্যসীমার ওপরে উঠতে পারবে না, তার হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমানে কোনো কর্মক্ষম ব্যক্তি দিনে তিন ডলারের কম আয় করলে তাকে দরিদ্র হিসেবে ধরা হয়।

প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ে আজ সকালে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ ধ্রুব শর্মা।

এ ছাড়া বিশ্বব্যাংক বলছে, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ হতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, উচ্চ মূল্যস্ফীতিসহ নানা কারণে দারিদ্র্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২২ সালে দারিদ্র্যের হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪ শতাংশে। এ বছর নতুন করে ১৪ লাখ মানুষ গরিব হয়েছেন।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের আগে ধারণা করা হয়েছিল, চলতি বছর ১৭ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার ওপরে উঠবেন। কিন্তু যুদ্ধের কারণে মাত্র ৫ লাখ মানুষ সীমার ওপরে যেতে পারছেন। এর মানে, এ বছর প্রায় ১২ লাখ মানুষ গরিব থেকে যাচ্ছেন। বিশ্বব্যাংক বলেছে, যুদ্ধ না থাকলে ২০২৮ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার ১৯ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে আসতে পারত।

প্রতিবেদন অনুযায়ী দারিদ্র্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণগুলো হলো উচ্চ মূল্যস্ফীতি, শ্রমের কম মজুরি, কর্মসংস্থানের ধীর গতি। পাশাপাশি বৈষম্য বাড়ার পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের মতে, ইরান যুদ্ধের কারণে এ বছর দারিদ্র্যের হার মাত্র ০ দশমিক ৭ শতাংশ কমবে, যেখানে প্রতিবছর গড়ে এক শতাংশের বেশি হারে দারিদ্র্য কমত।

বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর বাংলাদেশ ও ভুটান জ্যঁ পেম বলেন, বাংলাদেশে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আদায় হচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্কের কারণে বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কয়েক বছর ধরে দারিদ্র্য কমার গতি হ্রাস পেয়েছে। তিনি বলেন, শোভন কর্মসংস্থানের জন্য বিনিয়োগ পরিবেশ সহজ করা প্রয়োজন।

জ্যঁ পেম বলেন, পূর্বে শুরু করা সংস্কার উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি, যদিও এগুলো বাস্তবায়ন কঠিন। মধ্যপ্রাচ্য সংকটের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে দ্রুত স্বল্পমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়া দরকার।

প্রতিবেদনটি বলছে, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব বাংলাদেশের অন্তত ছয়টি খাতে পড়তে পারে। হিসাবের ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আমদানি-রপ্তানি, প্রবাসী আয়, টাকার অবমূল্যায়নে প্রভাব পড়তে পারে। ভোগব্যয় ও বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব জিডিপির প্রবৃদ্ধি কমাতে পারে। জ্বালানি তেলের দাম ও পরিবহনের খরচ বেড়ে গেলে মূল্যস্ফীতি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এ কারণে ১২ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যেতে পারেন। আর্থিক চাপ বাড়তে পারে, যেমন সার ও জ্বালানিতে ভর্তুকি খরচ বৃদ্ধি। বৈষম্য বাড়তে পারে এবং ২০২৬ সালে গিনি সূচক ০ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে যেতে পারে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দুদেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তারেক রহমান চীনের বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট অব পিপলে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী তাকে স্বাগত জানান।

তারেক রহমানকে লালগালিচা দিয়ে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান লি কিয়াং। সশস্ত্র সালাম দেয় চীনের সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত একটি চৌকস দল।

এ সময় দু’দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। তোপধ্বনি দেয়া হয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিবাদন জানিয়ে। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর প্যারেড পরিদর্শন করেন।

বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

এদিন চীনা বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরামের আলোচনায়।

শুধু চীনা প্রধানমন্ত্রী নয়, আজ দেশটির বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, নীতিনির্ধারকদের সঙ্গেও আলাদা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এরপর শুক্রবার চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সূচি রয়েছে। রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি শেষে ওই দিনই ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার কথা সরকার প্রধানের।

এর আগে চীনের দালিয়ান প্রদেশে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের সম্মেলন শেষে গত বুধবার (২৪ ‍জুন) বিকেলে বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় স্টেশনের প্ল্যাটফর্মেই তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। দেয়া হয় লালগালিচা সংবর্ধনা, ছিল গার্ড অব অনারও।

বুধবার দিনভর দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনসহ নানা আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দেন তারেক রহমান। এবারের সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যম অঙ্গনের ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন। সাইডলাইন বৈঠকে কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানের সঙ্গে বৈঠকও করেন প্রধানমন্ত্রী।

কালের আলো/এসএকে

পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, সংগঠিত অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ দমন এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে।

জবাবে হাইকমিশনার সারাহ কুক জানান, আগামী ৭ ও ৮ জুলাই যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে দ্বিতীয় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় দুটি চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি জানান। সভাটি দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০২৪ সালে স্বাক্ষরিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মতান্ত্রিক প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্য সরকারের পাঠানো ‘ইউকে লেটার’-এর প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধ, ‘পুলিশ রেফারেল প্রোগ্রাম’, অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করছি। এ সময় রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের মানবিক সহায়তার জন্য দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আবদুল কাদের, উপসচিব মিনারা নাজমীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮৮, অবৈধ জাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮৮, অবৈধ জাল জব্দ

দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করছে নৌ পুলিশ। গত সাত দিনে নৌ পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ জাল, মাছ, মাছের পোনা, কাঁকড়া ও জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ১৮৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নৌ পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত সাত দিনের অভিযানে মোট ১৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮০ মিটার অবৈধ জাল, ২৬৪ কেজি মাছ, ২ লাখ ৭৪ হাজার পিস চিংড়ি রেণু, ৩০০ কেজি কাঁকড়া ও ১২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়। একই সময়ে নদী থেকে ১০৫টি ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়।

এ ছাড়া বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ২৮টি বাল্কহেডের বিরুদ্ধে নৌ আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং একটি ড্রেজার জব্দ করা হয়।

নৌ পুলিশের অভিযানে সাত দিনে ১৮৮ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ১০৪টি মৎস্য আইন, ১৭টি বেপরোয়া গতি আইন, তিনটি বালুমহাল, তিনটি মাদক, তিনটি চাঁদাবাজি, দুটি ডাকাতি, একটি চুরি এবং চারটি হত্যা মামলাসহ মোট ১৪৩টি মামলা দায়ের করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জব্দ করা অবৈধ জাল ও জেলিযুক্ত চিংড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি মাছের পোনা পানিতে অবমুক্ত করা হয় এবং অবশিষ্ট মাছ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

কালের আলো/এসএকে