খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

মূল্যস্ফীতির চাপে নাজেহাল জনজীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
মূল্যস্ফীতির চাপে নাজেহাল জনজীবন

মূল্যস্ফীতির ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতিতে দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে থাকায় আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি। চালের দামে কিছুটা স্বস্তি এলেও শাক-সবজি ও মাছের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি জনজীবনে নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে মজুরি বৃদ্ধির ধীরগতি ও রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলছে।

পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) প্রকাশিত ‘ইকোনমিক আপডেট মার্চ ২০২৬’ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে সাধারণ মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.১৩ শতাংশ, যা জানুয়ারিতে ছিল ৮.৫৮ শতাংশ। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.৩০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা খাদ্য-বহির্ভূত মূল্যস্ফীতির (৯.০১ শতাংশ) চেয়েও বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন পর খাদ্য খাতই আবার মূল্যস্ফীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে সামনে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতিতে চালের অবদান উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। জানুয়ারিতে যেখানে চালের অবদান ছিল ২২.১৬ শতাংশ, ফেব্রুয়ারিতে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬.২০ শতাংশে। তবে এই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি, কারণ একই সময়ে শাক-সবজি ও মাছের দাম বেড়ে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতিতে তাদের অবদান দ্রুত বেড়েছে। বিশেষ করে সবজির অবদান ৮.৪০ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৯.১৩ শতাংশে পৌঁছানো বাজারে অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

অন্যদিকে, মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে না মানুষের আয়। ফেব্রুয়ারি মাসে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮.০৬ শতাংশ, যা মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম। ফলে মানুষের প্রকৃত আয় কমে যাচ্ছে এবং ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধিও এই চাপকে আরো বাড়িয়ে তুলেছে।

রাজস্ব খাতেও পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জক নয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ফেব্রুয়ারিতে ৪২,০৫১ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেও বাস্তবে সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ৩০,৫৫৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রায় ২৭ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে। এই ঘাটতির সরাসরি প্রভাব পড়ছে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের ওপর। সরকারি অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি কমে যাওয়ায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এ ছাড়া, জ্বালানি খাতেও চাপ বাড়ছে। বৈশ্বিক বাজারে তেলের দামে অস্থিরতা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ গ্যাস সংকট শিল্প উৎপাদনকে ব্যাহত করছে। যদিও রেমিট্যান্স প্রবাহ ইতিবাচক রয়েছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫.১১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, তবুও জ্বালানি আমদানির উচ্চ ব্যয় রিজার্ভের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় শুধু মুদ্রানীতি যথেষ্ট নয়। বাজার ব্যবস্থাপনায় কঠোর নজরদারি, রাজস্ব খাতে সংস্কার এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি। বিশেষ করে মধ্যস্বত্বভোগীদের নিয়ন্ত্রণ এবং কর ফাঁকি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত অর্থনৈতিক সূচকগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের পথে থাকলেও উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব ঘাটতি এবং জ্বালানি সংকট বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা রক্ষা করতে না পারলে সামাজিক বৈষম্য আরো তীব্র হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দুদেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তারেক রহমান চীনের বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট অব পিপলে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী তাকে স্বাগত জানান।

তারেক রহমানকে লালগালিচা দিয়ে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান লি কিয়াং। সশস্ত্র সালাম দেয় চীনের সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত একটি চৌকস দল।

এ সময় দু’দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। তোপধ্বনি দেয়া হয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিবাদন জানিয়ে। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর প্যারেড পরিদর্শন করেন।

বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

এদিন চীনা বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরামের আলোচনায়।

শুধু চীনা প্রধানমন্ত্রী নয়, আজ দেশটির বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, নীতিনির্ধারকদের সঙ্গেও আলাদা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এরপর শুক্রবার চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সূচি রয়েছে। রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি শেষে ওই দিনই ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার কথা সরকার প্রধানের।

এর আগে চীনের দালিয়ান প্রদেশে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের সম্মেলন শেষে গত বুধবার (২৪ ‍জুন) বিকেলে বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় স্টেশনের প্ল্যাটফর্মেই তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। দেয়া হয় লালগালিচা সংবর্ধনা, ছিল গার্ড অব অনারও।

বুধবার দিনভর দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনসহ নানা আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দেন তারেক রহমান। এবারের সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যম অঙ্গনের ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন। সাইডলাইন বৈঠকে কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানের সঙ্গে বৈঠকও করেন প্রধানমন্ত্রী।

কালের আলো/এসএকে

পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, সংগঠিত অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ দমন এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে।

জবাবে হাইকমিশনার সারাহ কুক জানান, আগামী ৭ ও ৮ জুলাই যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে দ্বিতীয় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় দুটি চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি জানান। সভাটি দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০২৪ সালে স্বাক্ষরিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মতান্ত্রিক প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্য সরকারের পাঠানো ‘ইউকে লেটার’-এর প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধ, ‘পুলিশ রেফারেল প্রোগ্রাম’, অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করছি। এ সময় রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের মানবিক সহায়তার জন্য দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আবদুল কাদের, উপসচিব মিনারা নাজমীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮৮, অবৈধ জাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮৮, অবৈধ জাল জব্দ

দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করছে নৌ পুলিশ। গত সাত দিনে নৌ পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ জাল, মাছ, মাছের পোনা, কাঁকড়া ও জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ১৮৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নৌ পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত সাত দিনের অভিযানে মোট ১৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮০ মিটার অবৈধ জাল, ২৬৪ কেজি মাছ, ২ লাখ ৭৪ হাজার পিস চিংড়ি রেণু, ৩০০ কেজি কাঁকড়া ও ১২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়। একই সময়ে নদী থেকে ১০৫টি ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়।

এ ছাড়া বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ২৮টি বাল্কহেডের বিরুদ্ধে নৌ আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং একটি ড্রেজার জব্দ করা হয়।

নৌ পুলিশের অভিযানে সাত দিনে ১৮৮ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ১০৪টি মৎস্য আইন, ১৭টি বেপরোয়া গতি আইন, তিনটি বালুমহাল, তিনটি মাদক, তিনটি চাঁদাবাজি, দুটি ডাকাতি, একটি চুরি এবং চারটি হত্যা মামলাসহ মোট ১৪৩টি মামলা দায়ের করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জব্দ করা অবৈধ জাল ও জেলিযুক্ত চিংড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি মাছের পোনা পানিতে অবমুক্ত করা হয় এবং অবশিষ্ট মাছ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

কালের আলো/এসএকে