খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

অন্যায়-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিলে পার্লামেন্টে মারামারি শুরু হবে : এ্যানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
অন্যায়-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিলে পার্লামেন্টে মারামারি শুরু হবে : এ্যানি

পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, পার্লামেন্ট চলছে, বিরোধীদল কথা বলছে, আমরা অর্থাৎ সরকারি দল তার উত্তর দিচ্ছে—এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। সরকারি দল ও বিরোধীদল কোনো কারণে অন্যায় দুর্নীতিকে যদি প্রশ্রয় দিই, তাহলে পার্লামেন্টে মারামারি শুরু হয়ে যাবে। এজন্য আমাদেরকে সজাগ থাকতে হবে। সজাগ থাকতে হবে প্রতিটা বাক্য বিনিময়ে ও কাজ কর্মে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ৩টায় চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার বেলগাছি ইউনিয়নের কাশিপুর-ডামোশ গ্রাম দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের মোড়ে ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে দেশে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেন এবং ১৯৭৭-৮০ সাল পর্যন্ত এটিকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে যান। তিনি খাল খননে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। সকল পেশার মানুষ মিলে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিল। সেই ধারা অব্যাহত রেখেছেন তার সন্তান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মন্ত্রী আরও বলেন, খাল খনন শুরু করার পর সেই সময় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজেই খোঁজখবর রাখতেন কিভাবে কার্যক্রম চলছে। যার কারণে খাল খনন কর্মসূচি সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছিল। যার কারণে পরবর্তীতে যে সরকারই ক্ষমতায় আসতো, মানুষ চাইতো খাল খনন কর্মসূচি হোক, কিন্তু হয়নি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে এ কর্মসূচি চালিয়ে গেছেন। কিন্তু পরবর্তীতে গত ১৭ বছর একটি ফ্যাসিস্ট সরকার যা থেকে বিরত থেকেছে। সেই জন্য খালের মধ্যে পলি জমে আছে, অবৈধ দখল হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, এই খাল দেখভালের জন্য একটি ডিপার্টমেন্ট আছে। এই খালের জায়গা নিতে হলে ডিসির পারমিশন ছাড়া কারোর পক্ষে নেওয়া সম্ভব নয়। অথচ গত ১৭ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনে এ আইন মানা হয়নি। যে যার মত খালের জায়গা দখলে নিয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ছিল। কারণ সে সময় খাল খনন কর্মসূচি চলমান ছিল। মাঝে ১৭ বছর খাল খনন ছিল না, যার ফলে রপ্তানি নেই, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেই। আমরা বিশ্বাস করি, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গার কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়ন হবে।

তিনি বলেন, অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার পর ক্ষমতায় এসেছে বর্তমান বিএনপি সরকার। এর আগে আমাদের অনেক নেতা গুমের শিকার হয়েছেন, শহীদ হয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন। তবে সর্বশেষ ২০২৪ সালে জুলাইয়ের আন্দোলনে আমরা ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে সফল হয়েছিলাম।

অবকাঠামো উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেভাবে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন, তার অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৩১ দফা প্রণয়ন করেছেন। যে ৩১ দফার মধ্যে তারেক রহমান দেশের মানুষের কথা, সাধারণ মানুষের কথা তুলে ধরেছেন। এজন্য ৩১ দফায় তারেক রহমান বলেছেন, সবার আগে বাংলাদেশ।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছিলেন, আমরা ক্ষমতায় গেলে সারাদেশে নদী, খাল, জলাশয় খনন, পুনঃখনন এবং পুনরুদ্ধার করব। দায়িত্ব গ্রহণের পরই কৃষকদের কল্যাণে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে, যার পরিমাণ সারা দেশে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এর মূল উদ্দেশ্য কৃষকদের উৎসাহ দেওয়া। বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ, কৃষিই দেশের অর্থনীতির চাবিকাঠি। সরকার কৃষকদের সহায়তা করতে চায়, যাতে তারা ফসল উৎপাদন বাড়াতে পারেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন খাল খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় সেচব্যবস্থায় ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং জলাবদ্ধতা বেড়েছে। এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় খাল দখল, লিজ দেওয়া কিংবা আবাদ করার মতো অনিয়ম হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এসব দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন মন্ত্রী।

খাল খনন ও জলাশয় পুনরুদ্ধারে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, ফরিদপুর পশ্চিম অঞ্চলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী শাহজাহান সিরাজ, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ আহমেদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ এবং কাজের ঠিকাদার হেমন্ত কুমার সিংহ রায়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ইছেরদাড়ী মোড় থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খাল পুনঃখননে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। খালের তলদেশের গড় প্রস্থ ৭ মিটার এবং গড় গভীরতা ১ দশমিক ৫ মিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সরাসরি প্রায় ৫ হাজার ২০০ মানুষ উপকৃত হবেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

কালের আলো/এসএকে

রামিসার বড় বোনের সব দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
রামিসার বড় বোনের সব দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারের বোনের সব দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত পৌনে ১০টায় মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের বাসায় রামিসাদের বাসায় গিয়ে তাদের পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। এসময় রামিসার বোনের দায়িত্ব নেয়ার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ঘাতক সোহেল রানা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

১৬ মাসে ধর্ষণের শিকার ৫৮০ শিশু, নিহত ৪৮৩: এইচআরএসএস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
১৬ মাসে ধর্ষণের শিকার ৫৮০ শিশু, নিহত ৪৮৩: এইচআরএসএস

দেশে গত ১৬ মাসে অন্তত এক হাজার ৮৯০ জন শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮৩ জন শিশু নিহত ও এক হাজার ৪০৭ জন শিশু শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে।  এছাড়া এসব শিশুর মধ্যে ৫৮০ জন ধর্ষণ এবং ৩১৮ জন যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক শিশু হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের ধারাবাহিক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছে সংস্থাটি। পাশাপাশি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এসব নৃশংস ঘটনায় জড়িতের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে দাবি জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে সংস্থাটি জানায়, গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ৭ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। শরীর ছিল প্রতিবেশীর ঘরে খাটের তলায় এবং মাথাটা ছিল বাথরুমে। এমনকি অভিযুক্ত বিকৃত যৌনাচারে আসক্ত স্বামীকে বাঁচাতে সহযোগিতা করেছিলেন স্ত্রী।

গত ১৬ মে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের চান্দের চর গ্রামের মদিনাপাড়ায় আছিয়া আক্তার নামে ১০ বছরে বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের গলায় শ্বাসরোধের চিহ্ন ও ধর্ষণের প্রাথমিক আলামতের ভিত্তিতে বাড়িতে অবস্থানরত ও অভিযুক্ত রাজা মিয়াকে (৪৫)-কে আটক করেছে পুলিশ।

গত ১৪ মে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ধর্ষণের পর লামিয়া আক্তার নামে এক চার বছরের শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর এলাকার একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গত ৬ মে সকালে সিলেটের সদর উপজেলার জালালাবাদে ৪ বছরের শিশু ফাহিমা আক্তারকে ধর্ষণ চেষ্টার পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। এমনকি খোটের নিচে লাশ লুকিয়ে রেখে স্বজনদের সাথে খুঁজতে যান আসামী জাকির হোসেন।

এছাড়া প্রতিনিয়ত সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে এমন ধরণের অসংখ্য শিশু হত্যা, ধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। এইচআরএসএসের সংগৃহীত তথ্যানুসারে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত সারাদেশে অন্তত ১৮৯০ জন শিশু ও কিশোরী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ৪৮৩ জন শিশু নিহত ও ১৪০৭ জন শিশু শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এছাড়া এসব শিশু ও কিশোরীদের মধ্যে ৫৮০ জন ধর্ষণ এবং ৩১৮ জন যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, শিশু হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের মতো সহিংসতা প্রতিরোধ করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও আইনগত দায়িত্ব। কিন্তু একের পর এক শিশু ধর্ষণ, হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনা প্রমাণ করে যে শিশু সুরক্ষায় বিদ্যমান ব্যবস্থা যথেষ্ট কার্যকর নয়। এছাড়া বিচাহীনতার সংস্কৃতি, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও দুর্বল আইন প্রয়োগ শিশু নির্যাতনের মতো পাশবিক সহিংসতা বৃদ্ধি ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির চিত্র প্রকাশ করছে। নিষ্পাপ শিশুদের ওপর এমন পাশবিক সহিংসতা শুধু মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়, এটি আমাদের সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়ের বহিঃপ্রকাশ।

এইচআরএসএস অবিলম্বে এসব শিশু হত্যা ও ধর্ষণের সব ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের সনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের যথাযথ প্রয়োগ, বিনামূল্যে আইনি সহায়তা, ভুক্তভোগী পরিবারকে নিরাপত্তা ও ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসা ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের দাবি জানায় সংস্থাটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, শিশুদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে হলে কেবল আইন প্রয়োগ নয়, সামাজিক প্রতিরোধ ও মানবিক মূল্যবোধের পুনর্জাগরণও জরুরি। এজন্য সব নাগরিক, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যমকে শিশুদের সুরক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার পাশাপাশি অপরাধ রোধে ও দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকার ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানায় এইচআরএসএস।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারের বাসায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষ করে রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর পল্লবীতে রামিসার বাসায় যান প্রধানমন্ত্রী।

সেখানে নিহত রামিসার মা-বাবা ও স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন তিনি।

এরআগে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ইসলাম হক রামিসাদের বাসায় গিয়ে সমবেদনা জানিয়েছেন। আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামিসা হত্যার বিচার দ্রুত নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছেন।

রামিসা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার আসামির দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ হচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্নস্থানে।

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ঘাতক সোহেল রানা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ