খুঁজুন
                               
সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও পাচারকৃত অর্থ ফেরতসহ ২১ প্রস্তাব ইআরএফের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩৫ অপরাহ্ণ
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও পাচারকৃত অর্থ ফেরতসহ ২১ প্রস্তাব ইআরএফের

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর নেট সম্প্রসারণ ও পাচার হওয়া অর্থ ফেরত এনে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে ২১ দফা প্রাক-বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ)।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপলক্ষ্যে এই প্রস্তাবনা তুলে ধরেন সংগঠনের প্রেসিডেন্ট দৌলত আক্তার মালা।

প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- অর্থ সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমানসহ অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং ইআরএফের সহ-সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, অর্থ সম্পাদক আমিনুল ইসলামসহ সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

বাজেট প্রস্তাবে ইআরএফ বলেছে, অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী রাখা জরুরি। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে শুধু সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বা সরকারি ব্যয় সংকোচন যথেষ্ট নয়, এর পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনা জোরদার, সরবরাহ চেইনে সিন্ডিকেট ভাঙা এবং চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

অন্যদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে ডিলার, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে লাভের সীমা নির্ধারণ করে তা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ওপেন মার্কেট সেল কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ ও ভর্তুকির চাপে সরকারের পরিচালনা ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে, অথচ উন্নয়ন ব্যয় কাঙ্ক্ষিত হারে বাড়ছে না। তাই পরিচালনা খাতে ঋণনির্ভরতা কমিয়ে উন্নয়ন ব্যয়ে বরাদ্দ বাড়ানো এবং পুঁজিবাজার শক্তিশালী করে নতুন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য খাতে মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বিভাগীয় শহরগুলোতে উচ্চমানের হাসপাতাল স্থাপন এবং চিকিৎসা ব্যয় কমানোর সুপারিশ করেছে ইআরএফ। সংগঠনটি জানায়, দেশে চিকিৎসা ব্যয়ের বড় অংশ জনগণকে নিজ খরচে বহন করতে হয়, যা অনেককে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

বেসরকারি খাতে বিনিয়োগে স্থবিরতা ও শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে কর্মসংস্থান সংকুচিত হচ্ছে উল্লেখ করে সংগঠনটি বলেছে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়াতে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

এছাড়া সরকার ঘোষিত বিভিন্ন সংস্কার কর্মসূচির স্পষ্ট রূপরেখা বাজেটে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে ইআরএফ বলেছে, কোন খাতে কী ধরনের সংস্কার হবে এবং তার সম্ভাব্য প্রভাব কী? তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন।

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে কারিগরি ও যুগোপযোগী শিক্ষার প্রসার, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার এবং মিড-লেভেল ম্যানেজমেন্টে দক্ষ জনবল তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এলডিসি উত্তরণকে সামনে রেখে বেসরকারি খাতের সক্ষমতা বাড়ানো, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, রাজস্ব নীতিতে পূর্বানুমানযোগ্যতা নিশ্চিত এবং ব্যবসার পরিবেশ সহজ করার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমদানি শুল্ক কমানোর কথাও বলা হয়।

এসএমই খাতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ নিশ্চিত এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য সহায়ক আর্থিক ও রাজস্ব নীতি প্রণয়নের জন্য সুপারিশ করেছে সংগঠনটি। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের ওপরও জোর দেওয়া হয়।

লুটেরাদের ফেরাতে আইন বদল ঝুঁকিতে ব্যাংক খাত
পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা, ট্রান্সফার প্রাইসিং আইনের কার্যকর প্রয়োগ এবং পুঁজিবাজার শক্তিশালী করার মাধ্যমে ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানোর সুপারিশ করেছে ইআরএফ। একই সঙ্গে রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রকল্প গ্রহণ বন্ধ এবং বৈদেশিক ঋণ নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

মেধা ও দক্ষতার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ক্লাস্টার সিস্টেম চালু এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে মানবসম্পদ উন্নয়নে পৃথক তহবিল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

রাজস্ব খাতে সংস্কারের অংশ হিসেবে কর নেট সম্প্রসারণ, প্যাকেজ ভ্যাট পুনর্বহাল, কর ছাড়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ডাটাবেজের সঙ্গে ব্যাংকিং তথ্য সমন্বয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

সামাজিক সুরক্ষার আওতায় নিম্ন ও মধ্যবিত্তের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসা উপকরণের কর হার কম রাখা, সঞ্চয়ে উৎসাহ প্রদান এবং কর ফেরত সহজ করার সুপারিশ করা হয়েছে।

এছাড়া বাজেট ঘোষণার সময় পরিবর্তন করে দিনের প্রথম ভাগে আনা, নীতির প্রভাব বিশ্লেষণে গবেষণা জোরদার করা এবং অর্থনৈতিক সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নে বাজেট বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিন দেশের সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিন দেশের সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে

তবে ঈদের আগে তৈরি পোশাক শিল্প খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ এবং বন্দরগুলোতে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ২৫ ও ২৬ মে বিশেষ ব্যবস্থায় সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার (১৮ মে, ২০২৬) বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘সুপারভাইজারি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এনালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট’ (এসডিএডি) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

সার্কুলারে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের ধারাবাহিকতায় আগামী ২৩ মে (শনিবার) ও ২৪ মে (রোববার) তফসিলি ব্যাংকগুলোর সব শাখা ও উপশাখা স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী খোলা থাকবে। এর পরদিন অর্থাৎ ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে (রোববার) পর্যন্ত টানা সাত দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

পোশাক শিল্প এলাকায় সীমিত ব্যাংকিং বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ঈদের আগে তৈরি পোশাক শিল্প খাতে নিয়োজিত শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য ভাতাদি পরিশোধ এবং পোশাক খাতের আমদানি-রপ্তানি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম চলমান রাখার সুবিধার্থে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ব্যাংক খোলা থাকবে।

ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত পোশাক শিল্পের লেনদেন সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখাগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ২৫ ও ২৬ মে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই দুই দিন সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর অফিস সময়সূচি হবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এবং গ্রাহক লেনদেনের সময়সূচি হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

বন্দর এলাকায় ২৪ ঘণ্টা ও ছুটির দিনেও সেবা দেওয়ার বিষয়ে সার্কুলারে বলা হয়, সমুদ্র, স্থল ও বিমান বন্দর এলাকায় (পোর্ট ও কাস্টমস এলাকা) অবস্থিত ব্যাংকের শাখা, উপশাখা ও বুথগুলোতে সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার বিষয়ে আগের নির্দেশনা বহাল থাকবে। এছাড়া ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত (ঈদের দিন ব্যতীত) সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতেও আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত কার্যক্রম সীমিত আকারে চলমান রাখতে হবে। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনসহ বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যাংকগুলোকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই ছুটির দিনগুলোতে ব্যাংকের যেসব কর্মকর্তা ও কর্মচারী দায়িত্ব পালন করবেন, তারা বিধি অনুযায়ী অতিরিক্ত ভাতাদি (অ্যালাউন্স) পাবেন।ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এ নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কালের আলো/এসআইপি

গাজার পথে ত্রাণবাহী জাহাজ আটক করল ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
গাজার পথে ত্রাণবাহী জাহাজ আটক করল ইসরায়েল

গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে যাওয়া নৌবহরের অন্তত ১০টি জাহাজ আটক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। একই সঙ্গে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে থাকা আরও ২৩টি জাহাজের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে বহরটির আয়োজকরা।

সোমবার (১৮ মে) গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা নামের সংগঠনটি এক্সে দেওয়া পোস্টে জানায়, ইসরায়েলি সামরিক জাহাজগুলো তাদের বহরের কাছে পৌঁছে জাহাজে ওঠা শুরু করেছে। তারা দাবি করেছে, এটি ছিল একটি “বৈধ ও অহিংস মানবিক মিশন” এবং নিরাপদে গাজায় পৌঁছানোর সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

সংগঠনটি জানায়, ৫৪টি জাহাজ নিয়ে গঠিত এই বহরে ৩৯টি দেশের মোট ৪২৬ জন অংশ নিয়েছেন। আটক হওয়া জাহাজগুলোর যাত্রীদের মধ্যে অন্তত দুই ডজন তুর্কি নাগরিক রয়েছেন। বহরটি গাজা উপকূল থেকে প্রায় ৪৬৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল।

এদিকে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে বলেছে, “গাজার বৈধ নৌ অবরোধ ভাঙার কোনো চেষ্টা ইসরায়েল মেনে নেবে না।” একই সঙ্গে তারা বহরে অংশ নেওয়া সবাইকে দ্রুত ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার দক্ষিণ তুরস্ক থেকে তৃতীয় দফায় যাত্রা শুরু করে এই সহায়তা বহর। এর আগেও গাজায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী কয়েকটি জাহাজ আটক করেছিল।

গত ১২ এপ্রিল স্পেন থেকে যাত্রা করা আগের বহরটির জাহাজও ইসরায়েলি বাহিনী থামিয়ে দেয়। সে সময় শতাধিক ফিলিস্তিনপন্থি কর্মীকে গ্রিসের ক্রিট দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয় এবং আরও দুজনকে ইসরায়েলে আটক রাখা হয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বাংলাদেশ ৩৯০ রানে অলআউট, বিশ্বরেকর্ড গড়ে জিততে হবে পাকিস্তানকে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ ৩৯০ রানে অলআউট, বিশ্বরেকর্ড গড়ে জিততে হবে পাকিস্তানকে

মুশফিকুর রহিমের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে শাসন করেছে বাংলাদেশ। সবমিলিয়ে অলআউট হওয়ার আগে বাংলাদেশ করেছে ৩৯০ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ লিড নিয়েছে ৪৩৬ রান। ফলে ৪৩৭ রান করতে হবে পাকিস্তানকে জিততে। রেকর্ড গড়ে না জেতা ছাড়া উপায় নেই সফরকারীদের। টেস্টে সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করে রেকর্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।

সিলেটে তৃতীয় দিন শেষে ব্যাটার হিসেবে ১৩৭ রান করে আউট হয়েছেন মুশফিক। সাজিদ খানকে বড় শট খেলতে গিয়ে মিড উইকেটে ক্যাচ দেন মোহাম্মদ আব্বাসকে। তিনই আউট হলে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। অন্যপ্রান্তে ০ রানে অপরাজিত ছিলেন নাহিদ রানা।

লিটন দাসের সঙ্গে মুশফিকের জুটি হয় ১২৩ রানের। এই জুটিই ম্যাচের ভিতটা গড়ে দেয়। ৬৯ রানে হাসান আলীর বলে তিনি বিদায় নিলে ২৩৮ রানে ৫ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। ১৯ রানের বেশি করতে পারেননি মেহেদি হাসান মিরাজ। তবে তাইজুল বেশ ভালো সাপোর্ট দেন মুশফিককে। আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ২২ রান। মুশফিকের সঙ্গে তার জুটি হয় ৭২ রানের। ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

তাসকিন ৬ ও শরিফুল করেন ১২ রান। তবে একপ্রান্তে অবিচল থাকা মুশফিক তুলে নেন ক্যারিয়ারের ১৪তম টেস্ট সেঞ্চুরি, যা কি না বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে কোনো ব্যাটারের একক সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির সংখ্যা। টপকে গেছেন ১৩ সেঞ্চুরি মালিক মুমিনুল হককে। ১৩৭ রানের ইনিংসটি মুশফিক সাজিয়েছেন ১২ চার ও এক ছক্কায়।

তৃতীয় দিনের শুরুতে আউট হয়েছেন শান্ত। ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। খুররম শাহজাদের বলে সাজঘরে ফেরেন তিলি লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে। আর প্রথম দিন তানজিদ হাসান তামিম ৪ ও মুমিনুল আউট হন ৩০ রান করে। ওয়ানডে মেজাজে ৫২ রান করে আউট হন মাহমুদুল হাসান জয়।

পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট পেয়েছেন খুররম শাহজাদ। ৩টি সাজিদ খান, দুটি হাসান আলী ও একটি পেয়েছেন মোহাম্মদ আব্বাস।

কালের আলো/এসআর/এএএন