খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

এখনও শাপলা চত্বর গণহত্যার ২৩ মামলার ঘানি টানছেন ফখরুল 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ
এখনও শাপলা চত্বর গণহত্যার ২৩ মামলার ঘানি টানছেন ফখরুল 

হেফাজতে ইসলামীর সাবেক নেতা ফখরুল ইসলাম

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে অনুষ্ঠিত সমাবেশকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলার জটিলতা এখনো পিছু ছাড়েনি হেফাজতে ইসলামীর সাবেক নেতা ফখরুল ইসলামের। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও একাধিক মামলার ভার বইতে হচ্ছে তাকে।

জানা যায়, ওই সময় হেফাজতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরীর প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন ফখরুল ইসলাম। শাপলা চত্বরের সমাবেশে অংশগ্রহণের অভিযোগে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তার বিরুদ্ধে মোট ২৩টি মামলা দায়ের করে পুলিশ।

সোমবার ঢাকা মেইলের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই প্রতিবেদককে এসব কথা জানান।

ফখরুল বলছিলেন, মামলা তো শেষ হলো না। অন্তবর্তী ও নতুন সরকার আসার পর কিছু মামলা থেকে রেহাই পেয়েছি। কিন্তু বাকি মামলা তো শেষ হয়নি। ফলে বাকি মামলাগুলোতে আর কতদিন ভুগতে হবে জানি না।

জানা গেছে, ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে ইসলাম অবমাননাকারীদের শাস্তি ও ব্লাসফেমি আইন (ধর্ম অবমাননা বিরোধী আইন) প্রণয়নের দাবিতে ১৩ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে জড়ো হন কয়েক লাখ মানুষ। তারা সরকার পতনের জন্য ঢাকায় জড়ো হয়েছেন অভিযোগ তুলে সেদিন রাতে সেখানে অপারেশন চালায় পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি।

অভিযানে বাহিনীরা সদস্যরা ছিলেন অস্ত্রসহ কিন্তু সেখানে জড়ো লোকজনের হাতে কোনও অস্ত্র ছিল না। ফলে তারা বাহিনীর অভিযানে নিরুপায় হয়ে পড়েছিলেন। তাদেরকে সরাতে টিয়ারসেল, রাবারবুলেট এমনকি গুলি করা হয়। এতে অন্তত সেদিন দুই হাজার মানুষ আহত হন। যার মধ্যে ৬৫ জনের মৃত্যুর তথ্য ছিল হেফাজতে ইসলামের কাছে। তবে সেসব নিহতের পরিবারের দেওয়া নম্বরগুলোর অধিকাংশই এখন বন্ধ রয়েছে। ফলে ভুক্তভোগীদের খুঁজে পাওয়া দুস্কর। তিনি বলছিলেন, আমরা ৫ মে পরদিন ৩৬ জনের মৃত্যুর তালিকা করেছিলাম ।

পরে মানবাধিকার সংস্থা অধিকারসহ আরও অনেকে তালিকা প্রকাশ করে। আর আহত হয়েছিল প্রায় কয়েক হাজার। তাদের বেশিরভাগ এসেছিলেন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে। আর সবাই ছিলেন নিরস্ত্র। কিন্তু সরকার সেই সময় তাদের ওপর সন্ত্রাস বিরোধী মামলা দিলো। অনেক নেতাকর্মীকে জেলে নিলো। ২৩ মামলায় ৩২ মাস জেলে ছিলেন ফখরুল: তিনি বলছিলেন, আমি সাত বছর বাসায় থাকতে পারিনি। পালিয়ে থাকতাম।

সাত বছর পর ২০২১ সালে যখন গ্রেফতার হলাম এরপর টানা ৩২ মাস জেলেই ছিলাম। আমার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক, সন্ত্রাস দমন আইনসহ নানা মামলা দেওয়া হয়েছিল। জেলে আমার সঙ্গে বর্তমান সাংসদ আমীর হামজা, মাওলানা মামুনুল হক, জোনায়েদ বাবুনগরীসহ আরও অনেকে ছিলেন। সেদিনের স্মৃতি চারণ করে তিনি বলেন, সমাবেশের জড়ো হওয়া মানুষজনের ওপর গণহত্যা চালানোর পরও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পুলিশ থেমে ছিল না।

তারা পরবর্তীতে হেফাজতসহ বিভিন্ন সেদিন সমসাবেশে অংশ নেওয়া ও নেতৃত্ব প্রদানকারী ব্যক্তিদের হয়রানি করতে বিভিন্ন মামলা দিতে শুরু করে। আমাকেও সেসব মামলায় জড়ানো হয়। যেহুতু আমি সেই সময়ে হেফাজতের ঢাকা মহানগরীর প্রচার সম্পাদক ছিলাম। বাসায় থাকতে পারিনি। স্ত্রীরও খোঁজ খবর নিতে পারতাম না। সারাক্ষণ পুলিশ নজর রাখতো। ফলে বাসায় যাওয়া যেতো না। এভাবে সাত বছর লুকিয়ে কাটাইছি।

তিনি বলছিলেন, তারা আমাদেরকেই মারলো আবারও আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিলো। এইসব মামলায় অনেকে সর্বশান্ত হয়ে গেছে। আমরা কেউ বাসায় থাকতে পারিনি। এখন সেই দিনগুলোর কথা মনে হলো ভয় লাগে। ফখরুলের চোখে সেদিনের মতিঝিল গণহত্যা: ফখরুল বলছিলেন, সন্ধ্যার দিকে লালবাগ থেকে হেফাজতের আমীর মতিঝিলের আসতে চাইলে গোয়েন্দারা জানালো সেখানে গেলে বিপদ হতে পারে। এজন্য মুরব্বী আর সেখানে যেতে পারলেন না।

কিন্তু গভীর রাতে তিন বাহিনী মিলে তারা গণহত্যায় মেতে উঠলো। সেদিন আমরা সমাবেশের জন্য গেলে রাত আড়াইটার দিকে র‌্যাব, বিজিবি ও পুলিশ ইডেন মোড়ের দিক থেকে আসতে শুরু করে। আমরা তাদের টিয়ারসেল ও রাবারবুলেটের কারণে কোনভাবেই টিকতে পারিনি। অভিযানটা শুরু হয় ২ টা ৩০ মিনিটে। চলে ভোর পর্যন্ত। অভিযান শুরুর পরপরই তারা মঞ্চের দিকে আসতে শুরু করে।

তিন বাহিনী (বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশ) মিলে কয়েক হাজার সদস্য ছিল। ফলে তাদের কাছে এত লোকজন থাকলেও আমরা নস্যি ছিলাম। সেই মঞ্চে বাবু নগরী, জুনায়েদ আল হাবিব, জাফর উল্লাহসহ আরও অনেকে ছিলেন। আমরা ওই সময় কি করব বুঝেও উঠতেও পারছিলাম না। এরপর বাবুনগরী ও জাফর উল্লাহ হুজুরকে গণভবনের দিকের রাস্তায় এগিয়ে দিয়ে আসলাম। কিন্তু তখন শুধু রক্ত আর লাশ।

মানুষ রাস্তায় পড়ে পড়ে আছে। তারা জীবিত কি মৃত কিছু বোঝার উপায় নাই কারণ তখন তো জীবন নিয়ে দৌঁড়াচ্ছিল সবাই। আমি রাস্তায় পড়ছি আর উঠতেছি। এভাবে আবারও শাপলা চত্বরের দিকে গিয়ে দেখতে পেলাম গোল শাপলার প্রতীকটার নিচে ছয় থেকে সাতজন পানিতে পড়ে ভাসছে। তখন তো কাউকে উদ্ধারেরও উপায় নাই।

অগত্যা আমি কমলাপুরের দিকে ছুটতে শুরু করলাম। বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ব দিকের রাস্তা ধরে কিছুদূর যেতেই এক ব্যক্তি দেখে আমাকে দ্রুত তার বাসায় ঢুকতে দিলো। এরপর সারা রাত সেই বাসায় ছিলাম। ভোরে মসজিদে গিয়ে দেখি ফ্লোর রক্তে ভিজে যাচ্ছে। অনেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফ্লোরে পড়ে আছেন।

কিন্তু কাউকে যে হাসপাতালে নিব সেই অবস্থাও নেই। সেখান থেকে কোনো মতে কাকরাইল হয়ে রামপুরা হয়ে কামরাঙ্গীরচরের মাদ্রাসায় চলে আসি। কিন্তু পরদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখি হাজার হাজার মানুষ আহত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছিল হাসপাতালের বাইরে থেকে চিকিৎসকরা এসে সেবা দিচ্ছে।

কালের আলো /এসাআর/ এএএন

সরকার মহাকাশ প্রযুক্তিকে বিলাসিতা হিসেবে নেয়নি: আইসিটি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ
সরকার মহাকাশ প্রযুক্তিকে বিলাসিতা হিসেবে নেয়নি: আইসিটি মন্ত্রী

বাংলাদেশের মহাকাশ, স্যাটেলাইট ও ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়নে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের (আইসিটি) মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের এই যুগে স্যাটেলাইট, ড্রোন ও স্পেস টেকনোলজি শুধু বিলাসিতা নয়, বরং জাতীয় উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কৃষি, মৎস্য, যোগাযোগ ও নিরাপত্তা খাতে অপরিহার্য অবকাঠামো হিসেবে কাজ করছে।

সোমবার (১৮ মে) রাজধানীতে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনে অনুষ্ঠিত ‘স্যাটেলাইট, ড্রোনস অ্যান্ড ফিউচার স্পেস টেকনোলজি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে দুর্যোগ পূর্বাভাস, নদীভাঙন পর্যবেক্ষণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, উপকূলীয় নিরাপত্তা এবং গভীর সমুদ্রে অবস্থানরত জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সরকার ইতোমধ্যে সাইক্লোন ও বৈরী আবহাওয়ার পূর্বাভাস দ্রুত জেলেদের কাছে পৌঁছে দিতে কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।

ড্রোন প্রযুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ড্রোন এখন শুধু ফটোগ্রাফি বা বিনোদনের যন্ত্র নয়; এটি সীমান্ত নিরাপত্তা, কৃষি ব্যবস্থাপনা, জরিপ কার্যক্রম ও দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর প্রযুক্তিগত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, সরকার ভবিষ্যতে লো আর্থ অরবিট ভিত্তিক নতুন স্যাটেলাইট স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে, যাতে আরও স্পষ্ট ও কার্যকর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা যায়। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তি খাত সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে স্পেস ডাটা ও অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে কি নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড(বিএসসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ইমাদুর রহমান।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেমিনারের আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বাংলাদেশের মহাকাশ প্রযুক্তির সম্ভাবনা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবনে তরুণ প্রকৌশলীদের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নাফ নদী থেকে ৪ জেলেকে ধরে নিয়ে গেলো আরাকান আর্মি

কক্সবাজার ( টেকনাফ) প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
নাফ নদী থেকে ৪ জেলেকে ধরে নিয়ে গেলো আরাকান আর্মি

কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদী থেকে ২টি ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ ৪ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি। সোমবার (১৮ মে) দুপুরের দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়ন সংলগ্ন নাফনদী এলাকা থেকে তাদের ধরে নিয়ে যায়।

জেলেরা হলেন- টেকনাফ পৌরসভা জালিয়া বাসিন্দা মো. মনির আহমেদ (৪৫), মো. ইয়াছিন (১৮), আব্দুল মালেক প্রকাশ শফা (৫০) ও জামাল হোসেন (৪০)।

জেলে করিম উল্লাহ জানান, সোমবার দুপুরের দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়ন সংলগ্ন নাফ নদীতে জেলেরা মাছ ধরছিলেন। এসময় সশস্ত্র আরাকান আর্মির সদস্যরা দুটি নৌকাসহ ৪ জন বাংলাদেশি জেলেকে ধাওয়া করে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

টেকনাফ উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. ওবায়দুল হক বলেন, আরাকান আর্মির হাতে ৪ জেলে আটকের খবর শুনেছি। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো জেলের পরিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

কালের আলো/এসআইপি

২৪ ঘণ্টায় হাম রোগে মৃত্যু ৫, হাসপাতালে ভর্তি ৮৯

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
২৪ ঘণ্টায় হাম রোগে মৃত্যু ৫, হাসপাতালে ভর্তি ৮৯

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম সন্দেহে আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১৮ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৪০৫ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৫৪ হাজার ৯১১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৮৯ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা সাত হাজার ৮৫৬ জন।

১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪২ হাজার ৮৬৮ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৯৮০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৩৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কালের আলো/এমএইচ/এএএন