খুঁজুন
                               
রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

১২ জেলার পুলিশ সুপারসহ ৩৯ কর্মকর্তার বড় রদবদল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
১২ জেলার পুলিশ সুপারসহ ৩৯ কর্মকর্তার বড় রদবদল

বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। অতিরিক্ত উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) এবং পুলিশ সুপার (এসপি) পদমর্যাদার মোট ৩৯ জন কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি ও পদায়ন করেছে সরকার। এর মধ্যে ১২টি জেলায় নতুন পুলিশ সুপার নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ দেয়া হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন উপসচিব তৌছিফ আহমেদ।

পুলিশ সুপার (এসপি) ও সমমর্যাদার কর্মকর্তাদের বদলি/পদায়ন তালিকা:

১. মো. রবিউল ইসলাম: এসপি পঞ্চগড় থেকে নৌ পুলিশে বদলি।

২. মো. মিজানুর রহমান: এসপি এপিবিএন-২ মুক্তাগাছা থেকে পঞ্চগড়ের এসপি হিসেবে পদায়ন।

৩. মো. আবদুর রহমান: এসপি বান্দরবান থেকে আরপিএমপি রংপুরের উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি।

৪. মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার: এসবি ঢাকা-র বিশেষ পুলিশ সুপার থেকে বান্দরবানের এসপি হিসেবে পদায়ন।

৫. মিনা মাহমুদা: এসপি জয়পুরহাট থেকে ডিএমপি ঢাকার উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি।

৬. শাহনাজ বেগম: রেঞ্জ ডিআইজি অফিস ঢাকার পুলিশ সুপার থেকে জয়পুরহাটের এসপি হিসেবে পদায়ন।

৭. মো. আনোয়ার জাহিদ: এসপি পাবনা থেকে এসবি ঢাকার বিশেষ পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি।

৮. মো. ছুফি উল্লাহ: এসবি ঢাকার বিশেষ পুলিশ সুপার থেকে পাবনার এসপি হিসেবে পদায়ন।

৯. শেখ জাহিদুল ইসলাম: এসপি নীলফামারী থেকে ডিএমপি ঢাকার উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি।

১০. মো. ফরহাদ হোসেন খাঁন: শিল্পাঞ্চল পুলিশের পুলিশ সুপার থেকে নীলফামারীর এসপি হিসেবে পদায়ন।

১১. মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার: এসপি নড়াইল থেকে ট্যুরিস্ট পুলিশে বদলি।

১২. মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী: ডিএমপি ঢাকার উপ-পুলিশ কমিশনার থেকে নড়াইলের এসপি হিসেবে পদায়ন।

১৩. মো. আরেফিন জুয়েল: এসপি সাতক্ষীরা থেকে এপিবিএন-এ বদলি।

১৪. আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম: বিপিএ সারদার পুলিশ সুপার থেকে সাতক্ষীরার এসপি হিসেবে পদায়ন।

১৫. মো. রবিউল হাসান: এসপি চাঁদপুর থেকে ডিএমপি ঢাকার উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি।

১৬. মো. মিজানুর রহমান: এসপি ঝালকাঠি থেকে চাঁদপুরের এসপি হিসেবে পদায়ন।

১৭. প্রত্যুষ কুমার মজুমদার: সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার থেকে ঝালকাঠির এসপি হিসেবে পদায়ন।

১৮. মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন: এসপি মৌলভীবাজার থেকে নৌ পুলিশে বদলি।

১৯. মো. রিয়াজুল ইসলাম: আরএমপি রাজশাহী-র উপ-পুলিশ কমিশনার থেকে মৌলভীবাজারের এসপি হিসেবে পদায়ন।

২০. মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন: এসপি চট্টগ্রাম থেকে এপিবিএন-এ বদলি।

২১. মো. মাসুদ আলম: ডিএমপি ঢাকার উপ-পুলিশ কমিশনার থেকে চট্টগ্রামের এসপি হিসেবে পদায়ন।

২২. মো. শফিকুল ইসলাম: এসপি ফেনী থেকে পুলিশ অধিদপ্তরের এআইজি হিসেবে বদলি।

২৩. মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান: সিএমপি চট্টগ্রাম-র উপ-পুলিশ কমিশনার থেকে ফেনীর এসপি হিসেবে পদায়ন

অতিরিক্ত ডিআইজি ও পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের বদলি/পদায়ন তালিকা

১. মো. মুশফেকুর রহমান: ডিআইজি, সিলেট রেঞ্জ থেকে ডিআইজি, পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকা হিসেবে বদলি।

২. মো. জিললুর রহমান: পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি), আরএমপি রাজশাহী থেকে ডিআইজি, সিলেট রেঞ্জ হিসেবে পদায়ন।

৩. মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির: ডিআইজি, এসবি ঢাকা থেকে পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি), আরএমপি রাজশাহী হিসেবে পদায়ন।

৪. মো. শফিকুল ইসলাম: পুলিশ কমিশনার, বিএমপি বরিশাল থেকে ডিআইজি, ট্যুরিস্ট পুলিশ হিসেবে বদলি।

৫. মো. আশিক সাঈদ: ডিআইজি, পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকা থেকে পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি), বিএমপি বরিশাল হিসেবে পদায়ন।

৬. এস এন মো. নজরুল ইসলাম: অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি), ডিএমপি ঢাকা থেকে ডিআইজি, সিআইডি হিসেবে বদলি।

৭. মো. আবুল বাশার তালুকদার: ডিআইজি, সিআইডি ঢাকা থেকে অতিরিক্ত কমিশনার (ডিআইজি), ডিএমপি ঢাকা হিসেবে পদায়ন।

৮. সানা শামীনুর রহমান: অতি: পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি), ডিএমপি ঢাকা থেকে ডিআইজি, সিআইডি হিসেবে বদলি।

৯. মোহাম্মদ শামসুল হক: ডিআইজি, সিআইডি থেকে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি), ডিএমপি ঢাকা হিসেবে পদায়ন।

১০. ড. শাহেদুল আকবর খান: উপসচিব পদ হতে প্রত্যাগত থেকে বিশেষ পুলিশ সুপার, এসবি ঢাকা হিসেবে পদায়ন।

১১. ড. এলিজা শারমীন: পুলিশ সুপার, ১৩ এপিবিএন থেকে পুলিশ সুপার (টিআর পদে), পুলিশ অধিদপ্তর ঢাকা হিসেবে বদলি।

১২. মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান: উপ-পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি ঢাকা থেকে বিশেষ পুলিশ সুপার, এসবি হিসেবে পদায়ন।

১৩. কাজী আখতার উল আলম: পুলিশ সুপার, এপিবিএন থেকে বিশেষ পুলিশ সুপার, এসবি হিসেবে পদায়ন।

১৪. মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম: উপ-পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি ঢাকা থেকে উপ-পুলিশ কমিশনার, কেএমপি খুলনা হিসেবে বদলি।

১৫. মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া: উপ-পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি ঢাকা থেকে উপ-পুলিশ কমিশনার, কেএমপি খুলনা হিসেবে বদলি।

১৬. সাজেদুর রহমান: অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এপিবিএন (সুপারনিউমারারি পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) থেকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সুপারনিউমারারি পুলিশ সুপার), ডিএমপি ঢাকা হিসেবে পদায়ন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় যা জানালো আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ২:২০ পূর্বাহ্ণ
সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় যা জানালো আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

রাজধানীর মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগের ঘটনায় নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে ব্যাখ্যা দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

একই সঙ্গে ৩০ মে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দুঃখও প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

শনিবার (৩০ মে) আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের পরিচালক (এইচআর অ্যান্ড কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স) তারিকুল ইসলাম মুকুল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৭ মে হাসপাতালে ছয় নবজাতকের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পুলিশ, র‌্যাবসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।

পাশাপাশি সরকার এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এর ফলে কয়েকদিন ধরে হাসপাতালজুড়ে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের আসা-যাওয়া এবং বিপুলসংখ্যক সাংবাদিকের উপস্থিতি ছিল।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, এ পরিস্থিতিতে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য সেবাকর্মীরা মানসিক চাপের মধ্যে দায়িত্ব পালন করছিলেন। একই সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও সেবা নিতে আসা ব্যক্তিদেরও নানা ধরনের অসুবিধার মুখোমুখি হতে

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে চলে যাওয়ার পর বিপুলসংখ্যক সাংবাদিক হাসপাতালে প্রবেশের চেষ্টা করেন। তখন চিকিৎসাধীন রোগীদের স্বার্থে সাংবাদিকদের হাসপাতালে প্রবেশ থেকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করা হয়।

হাসপাতালের ভাষ্য অনুযায়ী, এ সময় কর্মীদের সঙ্গে সাংবাদিকদের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে একজন সাংবাদিক পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ‘ঝাড়ুদার’ বলে সম্বোধন করেন। এতে তারা নিজেদের অপমানিত বোধ করে উত্তেজিত হয়ে পড়েন এবং সাংবাদিকদের হাসপাতাল ত্যাগের অনুরোধ জানান। পরে হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কর্মীদের শান্ত করার উদ্যোগ নেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল জানায়, প্রতিষ্ঠানটি সবসময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করে। এরপরও ৩০ মে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।

কর্মীদের অনিচ্ছাকৃত আচরণে কোনো গণমাধ্যমকর্মী কষ্ট পেয়ে থাকলে তারা বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আহত কয়েকজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আহত কয়েকজন

রাজধানীর আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন।

শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

সম্প্রতি হাসপাতালটিতে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতালের একটি ভবনে অবৈধ বিস্কুট কারখানা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরে এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে চাইলে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্টাফ নার্সদের সাংবাদিকদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান।

একপর্যায়ে তারা সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া করেন। এতে কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। হামলার শিকার হওয়াদের মধ্যে টাইমস অফ বাংলাদেশ স্টাফ রির্পোটার কাজী জাহিদ, দীপ্ত টিভির ক্যামেরাপারসন আহত, বৈশাখী টিভির ক্যামেরা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনাস্থলে দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

আবারও মনুষ্যত্ববোধ ও সহমর্মিতার দৃষ্টান্ত তথ‍্য প্রতিমন্ত্রীর 

বিশেষ সংবাদদাতা/ময়মনসিংহ প্রতিবেদক, কালের আলো:
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
আবারও মনুষ্যত্ববোধ ও সহমর্মিতার দৃষ্টান্ত তথ‍্য প্রতিমন্ত্রীর 

তিনি সরকারের প্রতিমন্ত্রী। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক জীবন ছকে বাঁধা নয় মোটেও। সবার উর্ধ্বে দায়িত্ব ও মানবিকতাকে স্থান দিয়ে মন্ত্রীত্বের পুরাতন সব রীতি ভেঙে দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। সব সময় নিজ নির্বাচনী এলাকার ‘মাটির মানুষ’ হিসেবে মানুষের কাছাকাছি তিনি। ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনের এই সংসদ সদস্য এলাকার সাধারণ মানুষের শেষ বিদায়ে অংশগ্রহণের পাশাপাশি নিজের কাঁধেই তিনি লাশ বহন করেছেন। দাফন কাজে নিজের সক্রিয় উপস্থিতির পাশাপাশি কবরে শায়িত করতে নেমে গেছেন। প্রকৃত মনুষ্যত্ববোধের পরিচয় দিচ্ছেন।

চলতি বছরের ২৭ মার্চ থেকে ২৯ মে। দেখতে দেখতে কেটে গেছে দু’মাস। এ সময়ে নিজ কাঁধে খাটিয়া বহন করে দুটি মরদেহ দাফন কাজে অংশ নিয়ে অনন্য মানবিক নজির স্থাপন করেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। প্রথমটি উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নে ২৭ মার্চ। অন্যটি গত ২৯ মে নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর এলাকায়। প্রটোকলের চিরায়ত প্রথা ভেঙেছেন।

শুক্রবার (২৯ মে) নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর এলাকায় মরহুম আব্দুল হামিদের জানাজায় অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী। জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহ কবরস্থানে নেওয়ার সময় তিনি নিজ কাঁধে খাটিয়া তুলে নেন এবং অন্যদের সঙ্গে মরদেহ বহন করেন। কোনো দ্বিধা বা সংকোচ না করে নিজেই কবরে নেমে পড়েন। মরদেহ খাটিয়া থেকে নামিয়ে কবরে শায়িত করার কাজে সরাসরি শরিক হন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

মৃতের স্বজনদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও প্রতিমন্ত্রীর এই মানবিকতা ও উদারতা অপার বিস্ময়ে উপভোগ করলেন। মুহুর্তেই সেই ছবি ছড়িয়ে পড়লো সোশ্যাল হ্যাণ্ডেলে। নেটিজেনরা সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রীর এমন অনন্য মানবিকবোধ নিয়ে মেতে উঠলেন প্রশংসায়। কেউ কেউ বলছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মতোই তার এই প্রতিমন্ত্রীও অতি সাধারণ। যোগ্য ব্যক্তিই ক্যাবিনেটে স্থান পেয়েছে।’

সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রীকে এভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দাফন কাজে অংশ নিতে দেখে সবাই অভিভূত। অতীতে কোন মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীকে এভাবে দেখেনি মানুষ। জনতার নেতা হিসেবে সাধারণ মানুষের প্রতি তার এই শ্রদ্ধা-ভালোবাসা নান্দাইলবাসীর কাছে এক বিমুগ্ধ বিস্ময়।

স্থানীয়রা বলছেন, এখনও অনেক রাজনীতিকের ভেতরে দয়া-মায়া, ভালোবাসা ও সহমর্মিতা আছে। মনুষ্যত্ববোধ যে টিকে আছে তার বড় এক উদাহরণ প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। রাজনৈতিক নেতৃত্বের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে এই মানবিকবোধ নতুন প্রজন্মের কাছে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

কালের আলো/এমএএএমকে