খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

হামে মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত চলছে: স্বাস্থ্য সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
হামে মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত চলছে: স্বাস্থ্য সচিব

স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশু মৃত্যুর নেপথ্য ঘটনা জানতে তদন্ত চলছে। প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনায় রাষ্ট্রের দায় রয়েছে এবং জনগণের জানার স্বার্থে সেসব ঘটনার যথাযথ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

শনিবার (৯ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব বলেন স্বাস্থ্য সচিব। ‘হামের প্রাদুর্ভাব ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক গোলটেবিলের আয়োজন করে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএইচআরএফ)।

কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, হামের প্রাদুর্ভাবের নেপথ্য কারণ ও শিশু মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। তদন্তে উঠে আসবে কেন আমরা এতগুলো শিশু হারালাম। কী কারণে, কোথায় আমাদের সমস্যা ছিল, আমাদের কোনো গাফিলতি ছিল কি না বা আমাদের কর্মকর্তাদের দায়-দায়িত্ব নির্ধারণে কোনো অবহেলা ছিল কি না। তদন্ত হলে যা হয়, তার সব কিছু হচ্ছে। এ নিয়ে আর বেশি কিছু না বলি। আমরা তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করবো। এর আলোকেই আপনারা সব কিছু জানবেন।

তদন্ত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব উল্লেখ করে স্বাস্থ্য সচিব বলেন, ‘প্রত্যেকটি ঘটনার তদন্ত হওয়া দরকার। জনগণের জানা দরকার। আমাদের সরকার একটি গণতান্ত্রিক সরকার, জবাবদিহিমূলক সরকার। আমি বিশ্বাস করি, সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করার জন্য প্রস্তুত।’

অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের জাতীয় পোলিও ও হাম-রুবেলা ল্যাবরেটরির ভাইরোলজিস্ট ও সাবেক সাবেক প্রধান ডা. খন্দকার মাহবুবা জামিল, বিএমইউর নবজাতক বিভাগের অধ্যাপক ডা. সঞ্জয় কুমার দে, জনস্বাস্থ্যবিদ ও সিডিসির সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আব্দুস সবুর খান, জনস্বাস্থ্যবিদ ও সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন, টিকা বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) সাবেক গবেষক ডা. তাজুল ইসলাম এ বারি, বিএমইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ, পুষ্টিবিদ ও ব্র্যাকের ক্লাইমেট ব্রিজ ফান্ডের প্রধান সাইকা সিরাজ, ডব্লিউএইচও বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার (ইমিউনাইজেশন) ডা. চিরঞ্জিত দাস, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব অধ্যাপক ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের  (এনডিএফ) প্রতিনিধি অধ্যাপক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্সের (এনএইচএ) ডা. হুমায়ুন কবির হিমু ও বিএমইউ ডেন্টাল অনুষদের ডিন ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্ত।

বিএইচআরএফের সভাপতি প্রতীত ইজাজের সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদ শুভ। হাম পরিস্থিতি কাভারে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বিষয়ে তুলে ধরেন বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক তবিবুর রহমান।

কালের আলো/এসআর/এএএন

টিকা নিতে অনাগ্রহে হামের বিস্তার: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
টিকা নিতে অনাগ্রহে হামের বিস্তার: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বিস্তারের পেছনে টিকাদানে অনীহা, অসম্পূর্ণ টিকাদান এবং জনসচেতনতার ঘাটতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ভৌগোলিক ও সামাজিক কিছু প্রতিবন্ধকতাও রোগটির বিস্তারে প্রভাব ফেলছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলের সদস্য মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তারের তারকা চিহ্নিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার হামের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ এবং শিশু মৃত্যুহার কমাতে বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। সকল শিশুকে টিকার আওতায় এনে শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধক বলয় বা ইমিউনিটি গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। তবে রোগটির বিস্তারে টিকাদানে অনীহা, অসম্পূর্ণ টিকাদান, জনসচেতনতার ঘাটতি এবং কিছু ক্ষেত্রে ভৌগোলিক ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতা ভূমিকা রাখছে। ফলে প্রাদুর্ভাবের জন্য দায় নির্ধারণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঘটনার তদন্ত ও প্রমাণের ওপর নির্ভরশীল।

মন্ত্রী জানান, হামের প্রাদুর্ভাব ও এ-সংক্রান্ত মৃত্যুর জন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিষয়টি তথ্য-উপাত্ত ও তদন্তের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়। কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর অবহেলা, দায়িত্বে গাফিলতি বা কর্তব্যে অবজ্ঞার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ইপিআই কর্মসূচির আওতায় টিকা সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়ে থাকে।

মন্ত্রী বলেন, টিকা সংগ্রহ পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তনের ফলে টিকাদান কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কি না, তা প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও কারিগরি মূল্যায়নের ভিত্তিতে পর্যালোচনা করা হবে। এ পর্যালোচনায় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে সরকার ইতোমধ্যে টিকা সরবরাহ ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা, টিকা মজুত ব্যবস্থাপনা জোরদার, রোগ নজরদারি কার্যক্রম সম্প্রসারণ, দ্রুত প্রাদুর্ভাব শনাক্তকরণ ও প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় আরও সুদৃঢ় করার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এ ছাড়া দেশে হামের টিকাদানের আওতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষার আওতায় আনতে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও সংসদকে জানান মন্ত্রী।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

অবৈধ ওয়াকিটকি ব্যবহারে সতর্কবার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ণ
অবৈধ ওয়াকিটকি ব্যবহারে সতর্কবার্তা

অবৈধ ওয়াকিটকি ব্যবহারের বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা দেয় বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি ও স্থাপনার বিরুদ্ধে বিটিআরসি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযানকালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে লাইসেন্সবিহীন অবস্থায় ব্যবহৃত ওয়াকিটকি জব্দ করে স্থানীয় থানায় মামলা দায়ের করা হচ্ছে।

আইন স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিটিআরসি বলেছে- বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ (সংশোধনী-২০২৬) অনুযায়ী, যেকোনো ধরনের ওয়াকিটকি বা বেতার যোগাযোগ যন্ত্র ব্যবহার, সংরক্ষণ, আমদানি, বিপণন বা পরিচালনার জন্য বিটিআরসি থেকে তরঙ্গ বরাদ্দ এবং বেতার যন্ত্রের লাইসেন্স গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। লাইসেন্স ব্যতীত এ ধরনের যন্ত্র ব্যবহার আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এমতাবস্থায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, নিরাপত্তা সেবা প্রদানকারী সংস্থা, হোটেল, রেস্তোরাঁ, শপিংমলসহ সব ব্যক্তি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে বিশেষ সতর্ক করা যাচ্ছে যে, বিটিআরসির যথাযথ অনুমোদন ও লাইসেন্স ব্যতীত কোনো ধরনের বেতার যন্ত্র বা ওয়াকিটকি ব্যবহার করা যাবে না।

অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন বেতার যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিটিআরসির অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইন অমান্য করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনস্বার্থে এবং সুষ্ঠু বেতার যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সবাইকে যথাযথ আইন ও বিধি-বিধান মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে বিটিআরসি।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

আসন্ন হজ মৌসুম নিয়ে মন্ত্রণালয়ের নতুন সতর্কবার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
আসন্ন হজ মৌসুম নিয়ে মন্ত্রণালয়ের নতুন সতর্কবার্তা

অনুমোদনবিহীন এজেন্সি বা গ্রুপ বা কাফেলার হজ কার্যক্রমের প্রচারণা বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-৩ শাখা থেকে এক চিঠিতে এ সতর্ক করা হয়েছে।

চিঠিতে হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তি ও সর্বসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়েছে- অনুমোদনবিহীন এজেন্সি বা গ্রুপ বা কাফেলা নামীয় কিছু প্রতিষ্ঠান ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আকর্ষণীয় হজ প্যাকেজ ঘোষণা করে পবিত্র হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তিদের প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করছে। প্রকৃতপক্ষে সরকার অনুমোদিত বৈধ লাইসেন্সধারী ও তালিকাভুক্ত যোগ্য হজ এজেন্সি ব্যতীত অন্য কোনো এজেন্সি বা এজেন্ট বা গ্রুপ বা কাফেলার হজ কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ নেই এবং তাদের মাধ্যমে হজে গমন সম্ভব নয়।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত যোগ্য হজ এজেন্সি ব্যতীত অন্য কোনো এজেন্সি বা ট্রাভেল এজেন্ট বা গ্রুপ বা কাফেলার সাথে হজ সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেন না করার জন্য সব চিঠিতে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

চিঠিতে ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ও গাইড লাইন শিগগিরই ঘোষণা করা হবে উল্লেখ করে প্রকাশিত হজ প্যাকেজ ও গাইড লাইন অনুসরণ করার জন্য সংশ্লিষ্টদেরকে অনুরোধ করা হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে