খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

শ্রম আইনের ‘জেন্ডার’ শব্দ বাতিলের দাবি ৩৩০ বিশিষ্টজনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ণ
শ্রম আইনের ‘জেন্ডার’ শব্দ বাতিলের দাবি ৩৩০ বিশিষ্টজনের

বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধনে যুক্ত হওয়া ‘জেন্ডার’, ‘জেন্ডার পরিচয়’ ও ‘জেন্ডার অভিব্যক্তি’সহ কয়েকটি পরিভাষা বাতিল বা সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের ৩৩০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।

তাদের মতে, এসব শব্দের সুস্পষ্ট আইনি সংজ্ঞা না থাকায় ভবিষ্যতে বিভ্রান্তি ও বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে।

মঙ্গলবার (১২ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ দাবি জানান। মূল্যবোধ আন্দোলনের মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মাদ সাদাতের সই করা বিবৃতিতে বলা হয়, শ্রম আইন হওয়া উচিত শ্রমিকের অধিকার, নিরাপত্তা ও ন্যায্যতা নিশ্চিতের বাস্তবভিত্তিক আইন। সেখানে অস্পষ্ট ও বিতর্কিত মতাদর্শিক পরিভাষা সংযোজন সমাজে বিভাজন ও মূল্যবোধগত সংঘাত তৈরি করতে পারে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫–এর মাধ্যমে শ্রম আইন ২০০৬–এ ‘জেন্ডার’, ‘জেন্ডার পরিচয়’, ‘জেন্ডার অভিব্যক্তি’ ও ‘জেন্ডারভিত্তিক অন্যান্য আচরণ’ শব্দগুলো যুক্ত করা হলেও এসবের কোনো স্পষ্ট আইনি সংজ্ঞা দেওয়া হয়নি। ফলে ভিন্ন ব্যাখ্যা ও প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

স্বাক্ষরকারীরা দাবি করেন, এ ধরনের অস্পষ্টতা নারীদের নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে দেশের ধর্মীয় অনুভূতি, সামাজিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

বিবৃতিতে শ্রম আইনে ব্যবহৃত ‘লিঙ্গ’ ও ‘জেন্ডার’ শব্দের সুস্পষ্ট আইনগত সংজ্ঞা নির্ধারণ এবং বিতর্কিত ও অসংজ্ঞায়িত পরিভাষা সংশোধন বা অপসারণের দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মাদ আবদুল মালেক, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ, মূল্যবোধ আন্দোলনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, সাংবাদিক আলী হাসান তৈয়বসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীরা।

কালের আলো/এসআর/এএএন

স্পিকারের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
স্পিকারের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে তার কার্যালয়ে আজ সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ‌্যে বিগত দুই দশকে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক বিস্তার লাভ করেছে। বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ‌্য, বিনিয়োগ, শ্রমবাজার, প্রযুক্তি এবং অবকাঠামো উন্নয়ন সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের সংসদীয় কূটনীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

স্পিকার বলেন, বর্তমান দুই দেশের মধ‌্যে কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) নিয়ে আলোচনা এগিয়ে চলছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ইলেক্ট্রনিক পণ‌্যগুলোর শুল্কমুক্ত আমদানির সুযোগ দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে ইলেক্ট্রনিক ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনে দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতা প্রয়োজন।

দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন এসময় স‌্যামসাংসহ যেসব কোরিয়ান কোম্পানি বাংলাদেশে ব‌্যবসা করছে তাদেরকে বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত আন্তরিক সহযোগিতা অব‌্যাহত রাখার জন‌্য স্পিকারের মাধ‌্যমে বাংলাদেশের সরকারকে অনুরোধ জানান। তিনি ‘জাতীয় যন্ত্রপাতি পরিচিতি নিবন্ধন (এনইআইআর) বাস্তবায়নে এদেশের সহযোগিতা কামনা করেন।

স্পিকার কোরিয়ায় বর্তমানে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের কল‌্যাণে অব‌্যাহত সহযোগিতা প্রদানের জন‌্য দক্ষিণ কোরিয়ান সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। একইসঙ্গে দুই দেশের মধ‌্যে মানবসম্পদ বিনিময়, আন্তঃসংসদীয় বিদ‌্যমান সহযোগিতা আরও গভীর বিস্তৃত এবং বহুমাত্রিক করার আশাবাদ ব‌্যক্ত করেন।

স্পিকার এসময় ভোলায় গ‌্যাসক্ষেত্র থেকে গ‌্যাস উত্তোলন ও ইউরিয়া সার কারখানা নির্মাণে দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন।

সাক্ষাৎকালে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব‌্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্ট ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

পরিবেশ দূষণ করে নেগোশিয়েশন করার সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
পরিবেশ দূষণ করে নেগোশিয়েশন করার সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী 

পরিবেশ দূষণ করে বা ছাড়পত্রের নিয়ম অমান্য করে নেগোশিয়েশনের মাধ্যমে আর কোনো প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

বুধবার (২৪ জুন) সকালে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়নে শিল্পকারখানার বর্জ্যে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় সাড়ে তিনশত একর ফসলি জমি পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিগত সরকার ১৫ বছর কী করেছে তা নিয়ে কথা বলতে চাইনা। আমাদের প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ রক্ষায় কাজ করছেন। শিল্প কারখানার রাসায়ানিক বজ্য খাল, নদী ও কৃষকের জমিতে গিয়ে পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। কৃষকরা ফসলী জমিতে কারখানার বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে আন্দোলন করে ব্যর্থ হয়েছেন। আর কোনো শিল্পের বর্জ্য যাতে নদী, খাল, বিল ও কৃষকের জমিতে না যায় সকলকে ঐক্য বদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে।

পানি দূষণ বন্ধে ইটিপির ব্যবহার অত্যন্ত জরুরী, চেষ্টা করব নতুন করে মিল কারখানার কোনো দূষিত বর্জ্যের পানি আশপাশের কৃষকের জমিতে না যায়। তার জন্য কারখানার এলাকায় টিম গঠন করার পরামর্শ দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

পরিদর্শনকালে পরিবেশ আইন ভঙ্গের দায়ে ‘এক্সপেরিয়েন্স’ কারখানার একটি অবৈধ বর্জ্য আউটলাইন সিলগালা করা হয়েছে। পুনরায় ওপেন করা হলে ওই কারখানা চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও হুশিয়ারি দেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কোনো অবস্থাতেই কারখানার দূষিত বর্জ্যে খাল, নদী, আশপাশের জমিসহ কোনো জলাশয়ে যেন ফেলা না হয়। আমরা চাইনা কোনো পক্ষের প্রতিপক্ষ হতে। এখানে ডায়িং ফ্যাক্টরীসহ অন্যান্য যে সব শিল্প কারখানা আছে সেগুলো অবশ্যই কেমিক্যাল ব্যবহার করছে। এগুলো কোনো অবস্থাতেই অপরিশোধিত ভাবে নদী খাল বিল ও জলাশয়ে ফেলা যাবে না।

আমরা অবশ্যই চেষ্টা করবো এই বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ রাখার জন্য। এ ক্ষেত্রে পরিবেশের কর্মকর্তারা যদি সহযোগিতা না করে তাহলে তাদেরকে আমরা এখানে রাখবো না। অবশ্যই পরিবেশের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নতুন করে আরেক জনকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, যিনি সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো ফিরোজ হোসেন, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ভালুকা শাখার সাধারণ সাংবাদিক কামরুল হাসান পাঠান কামাল, উপজেলা যুবদল সধারণ সম্পাদক রকিবুল হাসান রাসেল, কৃষক প্রতিনিধি ইঞ্জিনিয়ার মো. রুহুল আমীন, মো. শামছুদ্দিন মন্ডল, মোহাইমেনুল ইসলাম তালুকদার, আবুল বাশারসহ এক্সপেরিয়েন্স কারখানার আইন উপদেষ্টা এজাজ উদ্দিন, মুলতাজিম মিলের প্রতিনিধি পুলকময় মজুমদার প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

কালের আলো/এসএকে

বিজ্ঞানীদের মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞানীদের মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশের টেকসই উন্নয়ন ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বিজ্ঞানীদের বাজেটনির্ভর গবেষণার পরিবর্তে খাদ্যের পুষ্টিগুণ, নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে মৌলিক, উদ্ভাবনী ও মানসম্মত গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। গবেষণার কোনো বিকল্প নেই।

বুধবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী গবেষণার পেটেন্ট গ্রহণ এবং কৃষিকে যুগোপযোগী করতে উৎপাদনশীল প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, কৃষি এগিয়ে গেলেই দেশ এগিয়ে যাবে। নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে দেশ আরও সমৃদ্ধ হবে।

তিনি বলেন, পৃথিবীতে খাদ্য উৎপাদনের অভাব নেই; অভাব রয়েছে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের।তাই সরকার নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যের কারণে মৎস্য ও কৃষি খাতের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী মাছের খাদ্য উৎপাদনের কাঁচামাল নিরাপদভাবে উৎপাদন করা জরুরি।

মন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ববাজারে স্বাদুপানির মাছের চাহিদা তুলনামূলক কম। তাই নিরাপদ ও মানসম্মত উপায়ে উৎপাদন বৃদ্ধি করে ভবিষ্যতে রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মাছ চাষে কৃষি খাতের মতো বিদ্যুতের বাণিজ্যিক হারের পরিবর্তে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মৎস্যচাষীদের এ দাবি যৌক্তিক। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

এর আগে সকালে মন্ত্রী বিএফআরআইয়ের বিভিন্ন হ্যাচারি পরিদর্শন করেন। তিনি সুবর্ণ রুই, মেকং পাঙ্গাশ, মহাশোল, ছোট মহাশোল, স্বাদুপানির মুক্তা, খোকসা মাছ, ঢেলা মাছ, দেশি সরপুটি, বাইন মাছ, ভাগনা মাছ, দেশি তিতপুঁটি, ঘাউড়া, মনোসেক্স তেলাপিয়া, গুঁড়া চিংড়ি, গলদা চিংড়ি ও কুচিয়া মাছের হ্যাচারি এবং খাঁচায় শিং, গুলশা, পাবদা ও মাগুর মাছের চাষাবাদ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

মতবিনিময় সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বিএফআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র, ময়মনসিংহ বিভাগের মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, ইনস্টিটিউটের পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) ড. মো. লতিফুল ইসলাম, পরিচালক (গবেষণা ও পরিকল্পনা) ড. মো. আমিরুল ইসলাম, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলামসহ ময়মনসিংহের বিভিন্ন দপ্তর এবং বিএফআরআইয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ