খুঁজুন
                               
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

বিএনপি যে ওয়াদা দেয়, সরকারে এলে তা পূরণ করে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
বিএনপি যে ওয়াদা দেয়, সরকারে এলে তা পূরণ করে: প্রধানমন্ত্রী

Oplus_131072

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রথমবার চাঁদপুর যাওয়ার পথে কুমিল্লার বরুড়ায় লাখো মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দীর্ঘ ২৫ বছর পর প্রিয় নেতাকে কাছে পেয়ে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও রাস্তার দুই পাশে ভিড় করেন সাধারণ মানুষ।

শনিবার (১৬ মে) দুপুরে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা তাদের দীর্ঘদিনের তিনটি প্রধান দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন, যার মধ্যে অন্যতম ছিল কুমিল্লাকে বিভাগ ঘোষণা এবং একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা।

জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, কুমিল্লাকে বিভাগ ঘোষণা করা যদি জনগণের দাবি হয়ে থাকে, তবে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

একই সঙ্গে তিনি সেখানে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়েও ইতিবাচক আশ্বাস দেন।

বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের নানা উন্নয়ন ও কল্যাণমুখী পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এরইমধ্যে খাল খনন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ এবং ইমাম-পুরোহিতদের সম্মানী দেয়া শুরু হয়েছে। বিএনপি যে ওয়াদা দেয়, সরকারে এলে সেই ওয়াদা পূরণ করে।’

এখন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গঠন করার সময় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবাই যাতে স্বাবলম্বী হতে পারে, সে জন্য প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে তা নিশ্চিত করতে হবে। জনগণই দেশের মালিক; মালিক যখন দায়িত্ব নেয়, তখনই দেশ এগিয়ে যায়।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচার যেমন দেশের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন করেছে, তেমনি অর্থ লোপাটও করেছে। যার কারণে দেশের অর্থনীতি এখন কিছুটা চাপের মুখে রয়েছে।’ এই অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে তিনি দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।

কালের আলো/এসএকে

যারা ফ্যামিলি কার্ডকে ভুয়া বলেছিলেন, তারাই এখন কার্ডের জন্য উদগ্রীব: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৮:৫৯ অপরাহ্ণ
যারা ফ্যামিলি কার্ডকে ভুয়া বলেছিলেন, তারাই এখন কার্ডের জন্য উদগ্রীব: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নির্বাচনের আগে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের প্রতিশ্রুতিকে যারা ‘ভুয়া’ বলে সমালোচনা করেছিলেন, তারাই এখন এসব কার্ড পাওয়ার জন্য উদগ্রীব বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, মুখে স্বীকার না করলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিকল্পনার সফলতা বিরোধীরাও উপলব্ধি করছেন।

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব বলেন।

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে একটি পরিবারকে মাসে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হলে তা শুধু পরিবারটিকে স্বাবলম্বী করতেই ভূমিকা রাখবে না, এর ইতিবাচক প্রভাব পুরো গ্রামীণ অর্থনীতিতে পড়বে। এই অর্থ গ্রামের মুদি দোকান, ওষুধের দোকানসহ স্থানীয় বাজারে ব্যয় হবে, ফলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে। ৪০ লাখ পরিবার এ সুবিধার আওতায় এলে বাংলাদেশ আরও শক্ত অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাজেটের প্রশংসা করে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি শুধু সময়োপযোগী বা মানবিক বাজেট নয়, বরং একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার প্রতিফলন। তার ভাষায়, গত ১৭ বছরে অর্থনীতি, শিক্ষা ও অন্যান্য খাত পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করাতেই এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।

বাজেটের আকার নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার জবাবে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, সবাই উন্নয়ন চান, কিন্তু বড় বাজেটের সমালোচনা করেন। উন্নয়ন করতে হলে বাজেটের পরিধিও বড় হতে হবে। বাসায় ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়ার আশা করা যায় না। তিনি বলেন, সবাই বেহেশতে যেতে চায়, কিন্তু কেউ মরতে চায় না। একইভাবে সবাই নিজের এলাকায় উন্নয়ন চান, কিন্তু বড় বাজেট মেনে নিতে চান না।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে ইয়াসের খান বলেন, তারা সংসদে হাসপাতাল, সড়কসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের দাবি তুলছেন। এর মধ্য দিয়েই প্রমাণ হয়, সরকার ও অর্থমন্ত্রীর প্রতি তাদের আস্থা রয়েছে এবং তারা জানেন, এ সরকারই এসব উন্নয়ন বাস্তবায়ন করতে সক্ষম।

দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস তুলে ধরে ইয়াসের খান দাবি করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘোষণায় বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল, নব্বইয়ের গণ-আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং ছাত্র-জনতার আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ আবারও মুক্তির পথ খুঁজে পেয়েছে।

নিজ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচারের জন্য ফিফার কাছ থেকে সম্প্রচারস্বত্ব কেনা হয়েছিল ৪৭ কোটি টাকায়। পরে তা বেসরকারি খাতে বিক্রি করে প্রায় ৪৪ কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে। ফলে প্রায় বিনামূল্যেই দেশের দর্শকরা বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পারবেন। তিনি বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয় দীর্ঘদিনের দুর্নীতির সিন্ডিকেট ভাঙতে সক্ষম হয়েছে এবং তরুণ-শিশুদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও প্রশিক্ষণ পরিচালনা করছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

তুরাগে আ.লীগ নেতাকর্মীদের লাশ ভাসার খবরে পুলিশের বিবৃতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৮:৫৩ অপরাহ্ণ
তুরাগে আ.লীগ নেতাকর্মীদের লাশ ভাসার খবরে পুলিশের বিবৃতি

ঢাকার তুরাগ নদে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সমর্থক সাতজনের লাশ ভাসার যে খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে, তা ভিত্তিহীন বলে বিবৃতি দিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘তুরাগ নদীতে ভাসছে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ’ শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সবার প্রতি বাংলাদেশ পুলিশ অনুরোধ জানাচ্ছে।’

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটি এবং এর সহযোগী সংগঠন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ বিভিন্ন স্থানে মিছিল বের করতে গেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিরোধের মুখে পড়ে। রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে অনেকে গ্রেপ্তারও হন।

এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়ামী লীগ সমর্থক বিভিন্ন পেজ ও প্রোফাইল থেকে দাবি তোলা হয় যে আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগের সাতজনকে মিছিল থেকে আটকের পর হত্যা করে লাশ তুরাগ নদে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

সেই খবর নাকচ করে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অপপ্রচারকারীদের হুঁশিয়ারও করা হয়।

এতে বলা হয়, ‘একটি মহল এ ধরনের বিভ্রান্তি ছড়িয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মনোবল নষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। যারা এ ধরনের বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে তৎপর রয়েছে। কেউ এ ধরনের অপপ্রচারে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

কালের আলো/এসএকে

তারেক রহমানের চীন সফরে ভারতীয় গণমাধ্যমে উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের চীন সফরে ভারতীয় গণমাধ্যমে উদ্বেগ

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম চীন সফরকে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মোড় এবং ভারতের জন্য উদ্বেগের কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করছে দেশটির মূলধারার গণমাধ্যমগুলো। তাদের প্রতিবেদনে মূলত ঢাকা-বেইজিংয়ের নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও ভৌগোলিক প্রভাবের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে- বিশেষ করে মোংলা বন্দর, তিস্তা প্রকল্প, বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক করিডোর এবং সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে নয়াদিল্লির কৌশলগত উদ্বেগের বিষয়টি উঠে এসেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর বিশ্লেষণে এটি স্পষ্ট যে, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পর ঢাকার সাথে দিল্লির সম্পর্কে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল, তারেক রহমানের এই সফর সেটিকে আরও প্রভাবিত করতে পারে।

দেশটির অন্যতম প্রভাশালী সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট-এ ভারতের প্রথাগত কূটনৈতিক চর্চাকে এড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান কেন প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া ও চীনকে বেছে নিলেন, তা নিয়ে দীর্ঘ বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, তিস্তা প্রকল্প ভারতের কাছে সংবেদনশীল, কারণ নদীটি পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিম হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এর অবস্থান শিলিগুড়ি করিডোর বা ‘চিকেনস নেক’-এর খুব কাছাকাছি। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের একমাত্র স্থল সংযোগ এই করিডোর। ফলে সেখানে চীনের যেকোনো ধরনের উপস্থিতি নয়াদিল্লির উদ্বেগের কারণ।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের পাশে ১১০ একর জমিতে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইপিজেড) গড়ে তোলার চুক্তি চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ও চীন। এই কৌশলগত বন্দরে ভারতের প্রভাব কমিয়ে চীনের প্রবেশকে নয়াদিল্লি তাদের ভৌগোলিক বলয়ে একটি বড় ধরনের ঝুঁকি হিসেবে দেখছে।

‘বাংলাদেশের নজর চীনা যুদ্ধবিমানের ওপর, ভারত কেন কড়া নজর রাখছে’ শিরোনামে একটি বিশেষ প্রতিবেদন করেছে দেশটির আরেক সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশ চীনের কাছ থেকে ২৪টি ‘জে-১০সিই’ অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। আর এটি বাস্তবায়িত হলে পাকিস্তানের পর এই মডেলের দ্বিতীয় বিদেশি ব্যবহারকারী হবে বাংলাদেশ, যা ভারতের সামরিক ও নীতিনির্ধারক মহলে ব্যাপক উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

এনডিটিভি আরও বলছে, ভারতের ক্ষেত্রে, দুটি ঘটনা রয়েছে যার ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখবে। যদি চুক্তিটি সম্পন্ন হয় এবং বিমানগুলো শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে এসে পৌঁছায়, তবে সেগুলোকে কোথায় রাখা হবে তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে।

দেশটির আরেক দৈনিক পত্রিকা ইন্ডিয়া টুডে তাদের শিরোনামেই সরাসরি প্রশ্ন তুলেছে—‘ভারত বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর প্রকল্প চীনের কাছে হারালো, এতে দিল্লির কি উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত?’

প্রতিবেদনে বলা হয়, এটি শুধু একটি অর্থনৈতিক প্রকল্প হাতছাড়া হওয়ার ঘটনা নয়; বরং ভারতের পূর্ব উপকূলের কাছাকাছি চীনের দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতির পথ খুলে দিতে পারে। অপরদিকে চীনের বাণিজ্যিক বিনিয়োগ সামরিক উপস্থিতিতে রূপ নেবে—এমন প্রমাণ না থাকলেও অতীতে বিদেশি বন্দরে বিনিয়োগকে গোয়েন্দা ও নজরদারি কার্যক্রমে ব্যবহার করার নজির রয়েছে।

টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিংপিং বলেছেন, বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতার রূপরেখা তৈরি করতে এবং অবকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটাল অর্থনীতি, তথ্য প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে আগ্রহী বেইজিং।

এছাড়াও আইউটলুক, নিউজ১৮, হিন্দুস্তান টাইমস, আনন্দবাজারসহ একাধিক ভারতীয় গণমাধ্যম গুরুত্বের সঙ্গে সংবাদটি প্রকাশ করেছে।

বিশ্লেষকরা ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, দিল্লির মূল মাথাব্যথা বাংলাদেশ বা চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে নয়, বরং ভারতের একদম ঘরের কাছে বেইজিংয়ের এই ভৌগোলিক ও কৌশলগত নিরাপত্তার বিস্তার নিয়ে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ