খুঁজুন
                               
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৭ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে ঘরমুখো মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:১৩ অপরাহ্ণ
নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে ঘরমুখো মানুষ

Oplus_131072

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছেন রাজধানীবাসী। সড়কপথ থেকে রেলপথ অপক্ষেমাণ স্বস্তির যাত্রা হওয়ায় ট্রেনে ভিড় করছেন যাত্রীরা।

ট্রেন ছাড়তে কিছুটা দেরি হলেও সবার চোখে-মুখে উচ্ছ্বাস রয়েছে। অন্যদিকে, দূরপাল্লার বাসগুলো নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা। যদিও কিছু রুটে বাড়তি চাপের কারণে ভোগান্তির কথাও বলছেন কেউ কেউ।

শনিবার (২৩ মে) ঢাকার কমলাপুর-বিমান বন্দর রেলস্টেশনে এমন চিত্র দেখা যায়। গত শুক্রবারের তুলনায় আজ যাত্রীর চাপও বেড়েছে। উত্তরবঙ্গের ট্রেন গুলোতে তুলনামূলক ভিড় বেশি হলেও পূর্বাঞ্চলের ট্রেনে বেশ স্বস্তি রয়েছে। অন্যদিকে, রাজধানীর মহাখালী, গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে সকাল থেকেই ঘরমুখো মানুষের বাড়তি ভিড় দেখা যায়।

জানা গেছে, ঈদের নির্ধারিত ছুটি এখনও শুরু না হলেও স্ত্রী-সন্তান, মা-বাবা, ভাই-বোনেদের আগে বাড়ি পাঠিয়ে দিচ্ছেন চাকরিজীবীদের কেউ কেউ।

তবে ঢাকা থেকে ট্রেন ছাড়তে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। সকালে চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী ও চিলাহাটী নীল সাগর এক্সপ্রেসসহ কয়েকটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে ছাড়তে দেখা গেছে।

তবে যাত্রীরা জানিয়েছেন, যাত্রীরা বলছেন, ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে ভিড় তত বাড়বে। সেসময় ভিড়ের মধ্যে ঠাসাঠাসি করে পরিবার-পরিজন নিয়ে ভ্রমণ করার মতো পরিস্থিতি নাও থাকতে পারে। বিভিন্ন ধরনের ঝক্কিঝামেল পোহাতে হয়। তাই কিছুটা স্বস্তি ঈদযাত্রার জন্য আগেই ট্রেনের টিকিট কেটেছেন।

যাত্রীদের অনেকে বলছেন, স্বাভাবিক সময়েও এই ট্রেনগুলো এমন বিলম্ব করে। এরপরও নিরাপদে বাড়িতে যেতে পারলেই খুশি তারা।

সুলতান নামে এক শিক্ষার্থী জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগেই ছুটি হয়ে গেছে। তাই বাড়ি চলে যাচ্ছি। দেরি হলে মানুষের চাপ বেড়ে যায়।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গছে, শনিবার দিনব্যাপী ৪৬টি আন্তঃনগর ট্রেন এবং ২৩টি লোকার মেইল ও কমিউটার ট্রেন ঢাকা ছেড়ে যাবে। সারা দিনে ৪৫ হাজার যাত্রী সিটের এবং স্ট্যান্ডিং ১৫-২০ হাজার যাত্রী যেতে পারবেন।

কমলাপুর রেলস্টেশন পরিদর্শনে এসে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম বলেন, শিডিউল বিপর্যয় ঠেকাতে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে রেলের। এবারের ঈদযাত্রায় শিডিউল বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই। ছাদে ওঠা রোধে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে বাস টার্মিনাল ও মহাসড়কে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থা।

মহাখালীর ট্রাফিক ইন্সপেক্টর ওমর ফারুক জানান, যাত্রাপথে চাঁদাবাজি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা যানজট নিয়ন্ত্রণে নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এসএকে

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত

নিহত পাঁচ বাংলাদেশি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন- জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মোস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।

শনিবার সকালে প্রবাসীরা একটি পিকআপ ভ্যানে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। পথে আল শাহানিয়া এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি দুর্ঘটনায় পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মরদেহ উদ্ধার করে কাতারের একটি হাসপাতালের মর্গে রেখেছে। বাংলাদেশ দূতাবাস ও প্রবাসী সংগঠনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন কাতারের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ মালেক।

তিনি বলেন, কাতারে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সহসভাপতি তাওহীদুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, কাতারে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় আমাদের এলাকার পাঁচজন প্রবাসীর মৃত্যুতে পুরো কানাইঘাটে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় প্রবাসী সংগঠন ও বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে মরদেহ দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যাতে স্বজনরা শেষবারের মতো তাদের দেখতে পারেন এবং যথাযথ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফন সম্পন্ন করা যায়।

এদিকে, বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।

এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা আমাদের এই রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমি নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে যথাযথ আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে কাতার দূতাবাসের শ্রম উইংকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এই সংকটাপন্ন মুহূর্তে সরকার নিহতের পরিবারগুলোর পাশে রয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

দেশের যে কোনো স্থানে হাইকোর্টের অধিবেশন বসাতে পারেন প্রধান বিচারপতি: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:০৬ অপরাহ্ণ
দেশের যে কোনো স্থানে হাইকোর্টের অধিবেশন বসাতে পারেন প্রধান বিচারপতি: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ঢাকার বাইরে দেশের অন্যান্য বিভাগে হাইকোর্টের কোনো স্থায়ী বেঞ্চ প্রতিষ্ঠার সুযোগ নেই, কারণ এটি সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর পরিপন্থি। তবে প্রধান বিচারপতি চাইলে এবং প্রয়োজন মনে করলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে ঢাকার বাইরে দেশের যে কোনো স্থানে হাইকোর্টের সাময়িক অধিবেশন বসাতে পারেন।

রোববার (২১ জুন) সংসদ অধিবেশনে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সরকারের এই অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেন।

সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা তার প্রশ্নে জানতে চান, দেশের বিভাগওয়ারী হাইকোর্টের স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা সরকারের আছে কি না, থাকলে তা কবে বাস্তবায়িত হবে এবং না থাকলে তার কারণ কী।

জবাবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আসন সম্পর্কে সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও স্পষ্ট বিধান রয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের স্থায়ী আসন থাকবে কেবল রাজধানীতেই। তবে দেশের মানুষের বিচারিক প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতির অনুমতি সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি ঢাকার বাইরে যে কোনো জায়গায় হাইকোর্টের অধিবেশন বসানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের স্থায়ী বেঞ্চ প্রতিষ্ঠার আইনি বিতর্কটি ঐতিহাসিক ‘আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বনাম বাংলাদেশ’ মামলায় আপিল বিভাগে এরই মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। ওই রায়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, ঢাকার বাইরে সুপ্রিম কোর্টের স্থায়ী বেঞ্চ প্রতিষ্ঠা করা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সাংবিধানিক নিয়মের পরিপন্থি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আওয়ামী অপতৎপরতা ও মাদকের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ বিএনপির বিক্ষোভ-সমাবেশ

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:০৪ অপরাহ্ণ
আওয়ামী অপতৎপরতা ও মাদকের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ বিএনপির বিক্ষোভ-সমাবেশ

ময়মনসিংহে আওয়ামী অপতৎপরতা ও মাদকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন। এ সময় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ

রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ নগরীর টাউন হল প্রাঙ্গনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে এই শুরু হয় বিক্ষোভ মিছিল। এ সময় মিছিলটি নগরীর জিলা স্কুল মোড়, নতুন বাজার এবং গাঙ্গিনাপাড় মোড় ঘুরে স্টেশন চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিল পূর্বসমাবেশে এমপি আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেন, আমরা মাদক, সন্ত্রাস ও চাদাবাজ মুক্ত সমাজ গঠন করতে চাই। কিন্তু ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার আওয়ামী লীগ দৌঁড় মিছিল করে দেশের শান্তি শৃঙ্খলা বিনষ্ট করতে অপতৎপরতা চালাচ্ছে। কিন্তু তাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে কোন ছাড় দেওয়া হবে না। যেকোনো অপতৎপরতা মোকাবেলায় বিএনপি রাজপথে সক্রিয় থাকবে।

এ সময় তারেক রহমানের মানবিক কর্মকান্ডের প্রসঙ্গ টেনে ওয়াহাব আকন্দ আরো বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার নেতৃত্বের গুণাবলী ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তৃতীয় বিশ্বে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। তাঁর নেতৃত্বে বতর্মান সরকারে প্রতিটি পদক্ষেপ সর্বমহলে হয়ে উঠেছে প্রশংসনী| এজন্য ষড়যন্ত্রকারী মহল অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে।’

সমাবেশে মহানগর বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক একেএম শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কোতোয়ালি বিএনপির আহবায়ক হেলাল আহমেদ। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা কাজী রানা, শাহ শিব্বির আহম্মেদ ভুলু, এম.এ হান্নান খান, এনামুল হক আকন্দ লিটন, কায়কোবাদ মামুন, সৈয়দ শরীফ, রতন আকন্দ, খন্দাকার মাসুদ, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোজাম্মেল হক টুটু, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি গোবিন্দ রায়সহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগিতা সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

কালের আলো/এম/এএইচ