খুঁজুন
                               
রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ঈদের পরদিন রাজধানীতে চড়া সবজির দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬, ২:২৭ অপরাহ্ণ
ঈদের পরদিন রাজধানীতে চড়া সবজির দাম

Oplus_131072

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে টানা ছু টির প্রভাবে ঢাকার কাঁচাবা জারের চিত্র বদলে গেছে। বা জারগুলোতে সবজির সরবরাহ কম থাকাই এর প্রভাব পড়েছে দামে। ঈ দের আগের তুলনায় অনেক সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

শুক্রবার (২৯ মে) রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ, খিলগাঁও, বনশ্রী এলাকার বা জার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

মহল্লার ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আড়তেও সবজির সরবরাহ কম এবং দাম বেশি।

তারা বলছেন, ঢাকায় শুক্রবার সব থেকে বেশি সবজি বিক্রি হয়। কিন্তু ঈ দের পরের দিন হওয়ায় আজ আড়তে খুব কম মাল এসেছে। আড়তের সব ব্যবসায়ীও নেই। মাল কম আসায় পাইকারিতে বিভিন্ন সবজির দাম অনেক বেড়ে গেছে। তাই খুচরাতেও দাম বাড়তি।

বা জারে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতি কেজি পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৩০ টাকা, যা ঈ দের আগে ছিল ৮০ থেকে ৯০ টাকা। বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা, যা ঈ দের আগে ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকা।

একইভাবে করলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা, যা ঈ দের আগে ৫০ থেকে ৬০ টাকা ছিল। কাঁকরোলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকা, যা ঈ দের আগে ৬০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছিল। ঈ দের আগে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া ঢ্যাঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা।

দাম বাড়ার এই তালিকায় রয়েছে কাঁচা মরিচ ও শসাও। ঈ দের আগে ২০ টাকা পোয়া (২৫০ গ্রাম) বিক্রি হওয়া কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া শসার দাম বেড়ে ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কোনো কোনো জায়গায় ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

রামপুরার সবজি বিক্রেতা কায়সার বলেন, ঈ দের কারণে অনেক আড়ত বন্ধ। গ্রাম থেকে সবজিবাহী ট্রাকও অনেক কম এসেছে। এ কারণে সবজির সরবরাহ কমে গেছে। আড়তে অল্প সবজি এসেছে। তাই সবজির দাম একটু বেশি। দু-একদিন পর আবার স্বাভাবিক হবে।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার ঈ দ গেছে, আজ শুক্রবার না হলে আমিও দোকান খুলতাম না। ঢাকার বেশিরভাগ মানুষ শুক্রবার বা জার করে। তাই ঈ দের পরের দিন হলেও কিছু বিক্রি হবে, এই আশায় সবজি নিয়ে এসেছি।

ভ্যানে সবজি বিক্রি করা টিটু মিয়া বলেন, আড়তে সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে। এ কারণে খুচরাতেও আজ সবজির দাম একটু বেশি। ঈ দের আগের তুলনায় প্রায় সব সবজির দাম কেজিতে ২০ টাকার মতো বেড়েছে।

তিনি বলেন, আমি ৭ বছর ধরে ঢাকায় ব্যবসা করছি। কো রবানির ঈ দের পর কয়েকদিন সবজি বিক্রি খুব কম হয়। আজ যেহেতু শুক্রবার, তাই কিছু বিক্রি হবে বলে আশা করছি। এ জন্য অল্প কিছু মাল নিয়ে এসেছি। আড়তেও মাল কম এসেছে।

রামপুরা বা জারে সবজি কিনতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী নাজমুল হোসেন বলেন, ঈ দের পর বা জারে এসেছি। দেখি সবকিছুর দাম বাড়তি। কো রবানির পরও তো সংসার চালাতে হয়। শুধু মাং স দিয়ে তো আর ভাত খাওয়া যায় না। তাই কিছু সবজি কিনতে আসলাম।

মালিবাগ হাজীপাড়া বৌবা জারে গিয়ে দেখা যায় বেশিরভাগ ব্যবসায়ী দোকান খোলেননি। অল্প কয়েকজন সবজি নিয়ে বসে আছেন। একই অবস্থা দেখা যায় খিলগাঁও তালতলায়।

খিলগাঁও তালতলা থেকে টমেটোসহ কিছু সবজি কেনা কামাল মোশাররফ বলেন, ঈ দের আগে এক কেজি পাকা টমেটো কিনেছিলাম ৮০ টাকা দিয়ে। আজ সেই টমেটোর দাম ১২০ টাকা রেখেছে। ঈ দের আগে ঢ্যাঁড়স কিনেছিলাম ৬০ টাকা কেজি, আজ ৮০ টাকা কেজি কিনতে হলো। এভাবে সব কিছুর দাম বেড়ে গেছে।

তিনি বলেন, কো রবানি দিয়েছি। বাসায় মাং সের কয়েক পদ রা ন্না হয়েছে। কিন্তু শুধু মাং স দিয়ে কতোবার খাওয়া যায়। একটু সবজি না খেলে তো অসুস্থ হয়ে পড়বো। তাই কিছু সবজি কিনে নিয়ে যাচ্ছি।

সবজি বিক্রেতা মো. বকুল বলেন, ঈ দের পর সবজির দাম একটু বেশি থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তাছাড়া কয়েকদিন টানা বৃষ্টি হয়েছে। এতে সবজি ক্ষেতের ক্ষতি হয়েছে। সেই হিসেবে ঈ দের পরের দিন সবজির দাম তুলনামূলক কম বেড়েছে।

তিনি বলেন, এখন সবজির চাহিদা তুলনামূলক কম। ঈ দের জন্য ঢাকার বেশিরভাগ মানুষ গ্রামে রয়েছেন। ঢাকায় যারা আছেন, সবার বাসায় মাং স আছে। আরও কয়েকদিন সবজির চাহিদা কম থাকবে। সবজির চাহিদা বাড়লে আমার ধারণা দাম আরও বেড়ে যাবে।

কালের আলো/এসএকে

সরকার সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে : ডা.জাহিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ২:০৩ পূর্বাহ্ণ
সরকার সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে : ডা.জাহিদ

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকার সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া এডুকেশন স্কিল, কেয়ারগিভার ও ভাষাশিক্ষা প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর ইস্কাটনে পুলিশ কনভেনশন হলে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রক্তের নিরাপদ সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। বিশেষ করে থ্যালাসেমিয়া, ডেঙ্গু, দুর্ঘটনা ও জরুরি অস্ত্রোপচারে রক্তের প্রয়োজন মেটাতে এই রেফ্রিজারেটর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, রক্ত একটি জীবনদায়ী উপাদান। এর সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা যত শক্তিশালী হবে, তত বেশি মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ‌‘এজন্য জুনের পর অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম প্রথমে ঢাকাতে শুরু করতে চাই। এরপর সারাদেশে এই কার্যক্রম শুরু হবে।’

তিনি সরকারের পাশাপাশি প্রচার-প্রচারণায় জনগণকে সচেতন করতে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বেসরকারি সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করছে। রোটারি ক্লাব অব গুলশান অ্যাভিনিউয়ের এই মানবিক উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের সামাজিক দায়বদ্ধতাকে আরও এগিয়ে নেবে। আমরা কাজ করতে চাই, দেশ গড়তে চাই এবং পৃথিবীর মানচিত্রে আমাদের দেশকে সম্মানের সাথে তুলে ধরতে চাই।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, সমাজে যত অন্যায় আছে তা দূর করতে সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত (ইনভলভ) করতে চাই। তিনি বলেন, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সমাজ থেকে মাদকাসক্তি দূর করতে, জুয়াখেলা নিয়ন্ত্রণে, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে এবং রামিসার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে আর না ঘটে—সেসব বিষয়ে জনগণকে সচেতন করে তুলতে হবে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হুসাইন ফকির ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নাজমুল হোসাইন। এছাড়া পিডিজি ড. ইশতিয়াক এ. জামান, রোটারি ক্লাব অব গুলশান অ্যাভিনিউয়ের প্রোগ্রাম চেয়ারম্যান ও ক্লাব ডিরেক্টর রোটারিয়ান মো. সালাহ উদ্দিন এবং রোটারি ক্লাব অব গুলশান অ্যাভিনিউয়ের সভাপতি রোটারিয়ান ডাক্তার লুবনা শারমিন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

৩০ বছর পর ধলা আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে সমাজকল্যাণমন্ত্রী, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

মোঃ শামসুল আলম খান, কালের আলো:
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
৩০ বছর পর ধলা আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে সমাজকল্যাণমন্ত্রী, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ধলায় অবস্থিত সরকারি ভবঘুরে ও পুনর্বাসন আশ্রয়কেন্দ্র দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত ও সেবামূলক সংকটসহ নানা অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আশ্রয়কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন। দীর্ঘ তিন দশক পর কোনো মন্ত্রী সরেজমিনে পরিদর্শন করায় প্রশংসায় ভাসছেন বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (৫ জুন) সমাজকল্যাণমন্ত্রী আশ্রয়কেন্দ্রটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং সেখানে অবস্থানরত শিশু-কিশোর ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিদর্শনকালে তিনি কেন্দ্রের বিভিন্ন সমস্যা, সীমাবদ্ধতা ও জরুরি চাহিদা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রিশালের ধলায় অবস্থিত এই সরকারি পুনর্বাসন কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, পানির লাইন এবং বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থার মতো মৌলিক সেবাগুলো অনেক ক্ষেত্রেই পুরোনো ও অকার্যকর হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি আবাসন ও প্রশাসনিক ভবনের অবস্থাও জরাজীর্ণ হওয়ায় দৈনন্দিন কার্যক্রমে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা একাধিক নিবাসী জানান, দীর্ঘ সময় পর কোনো মন্ত্রীর আগমন করায় আমরা ব্যাপক খুশি। দীর্ঘদিন ধরে আমরা অনেক সমস্যার মধ্যে আছি।”

পরিদর্শন শেষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা আজকে এই অবহেলিত আশ্রয় কেন্দ্রটিতে পরিদর্শনে এসেছি। আশ্রয় কেন্দ্রটির বিদ্যমান সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রাজু আহমেদ, ত্রিশাল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এনামুল হক ভূইয়া, আশ্রয়কেন্দ্রের কর্মকর্তাসহ প্রমুখ।

কালের আলো/এম/এএইচ

অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আরএমপি কমিশনারের মতবিনিময়

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ
অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আরএমপি কমিশনারের মতবিনিময়

রাজশাহী মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মাদক ও ছিনতাই নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধ দমনে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে মতবিনিময় সভা করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)।

শনিবার বেলা ১২টায় আরএমপি সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।

সভায় মহানগরীর সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার, অপরাধ প্রতিরোধ এবং কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও কার্যকর করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা বর্তমান পুলিশিং কার্যক্রমে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক ও ছিনতাই নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমে তাদের সম্পৃক্ত করারও আহ্বান জানান।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আরএমপি’র উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর), উপ-পুলিশ কমিশনার (ফোর্স), বিশেষ পুলিশ সুপার (সিটিএসবি), আরএমপি’র মুখপাত্র ও উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড সিটিটিসি), অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) এবং রাজশাহীর অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তারা।

সভা শেষে ভবিষ্যতে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি