খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

বাংলাদেশিসহ সব প্রবাসীর জন্য কাতারের জরুরি নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশিসহ সব প্রবাসীর জন্য কাতারের জরুরি নির্দেশনা

Oplus_131072

বাংলাদেশিসহ সব প্রবাসীর জন্য রেসিডেন্স পারমিট বা আকামা বাতিলসংক্রান্ত জরুরি নতুন নির্দেশনা জারি করেছে কাতার সরকার। এখন থেকে কাতারে যেসব প্রবাসীর রেসিডেন্স পারমিট বাতিল করা হবে, তাদের বাতিলের তারিখ থেকে পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে দেশ ত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় তাদের প্রতিদিন নির্দিষ্ট হারে জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। খবর গালফ নিউজের।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ আয়োজিত নিরাপদ ভ্রমণবিষয়ক এক ওয়েবিনারে বিমানবন্দর পাসপোর্ট বিভাগের কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন আলি আহমেদ আলি আল কুয়ারি প্রবাসীদের জন্য এই নতুন নির্দেশনা ও নিয়মের কথা জানান। তিনি বলেন, রেসিডেন্স পারমিট বাতিলের পর প্রবাসীদের কাতার ছাড়ার জন্য আগে যে ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বা অতিরিক্ত সময় দেওয়া হতো, নতুন নিয়মে তা কমিয়ে দুই সপ্তাহ বা ১৪ দিন করা হয়েছে।

আল কুয়ারি প্রবাসীদের সতর্ক করে বলেন, কোনো প্রবাসী নতুন নির্ধারিত ১৪ দিনের সময়সীমা অতিক্রম করে কাতারে অবস্থান করলে, তাকে অতিরিক্ত প্রতি দিনের জন্য ১০ কাতারি রিয়াল হারে জরিমানা গুনতে হবে।

একই ওয়েবিনারে কাতার প্রবাসী ও ভ্রমণকারীদের পাসপোর্টে সংযুক্ত ভিসা স্ট্যাম্পে উল্লিখিত ভিসার বৈধতা এবং অবস্থানের মেয়াদ সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়। আল কুয়ারি বলেন, ভিজিট ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যদি কেউ কাতারে অবস্থান করেন, তবে তাকে প্রতিদিন ২০০ কাতারি রিয়াল হারে ভারী জরিমানা দিতে হবে।

বাংলাদেশিসহ সব প্রবাসীর যেকোনো ধরনের ভ্রমণের আগে ‘মেতরাশ’ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে নিজেদের আইনি অবস্থা যাচাই করে নেওয়ার বিশেষ পরামর্শ দিয়েছে কাতার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই অ্যাপের মাধ্যমে প্রবাসীরা কাতার ছাড়ার আগে তাদের কোনো বকেয়া ট্রাফিক জরিমানা, অতিরিক্ত অবস্থানের জরিমানা কিংবা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত কোনো আইনি জটিলতা রয়েছে কি না, তা সহজেই পরীক্ষা করে নিতে পারবেন।

এ ছাড়া যেসব প্রবাসী তাদের নতুন পাসপোর্টে রেসিডেন্স পারমিট বা আকামা স্থানান্তর করতে চান, তারাও কোনো সরকারি দপ্তরে না গিয়ে এই মেতরাশ অ্যাপের মাধ্যমেই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

দেশে একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের লক্ষ্যে ‘ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান’ (জাতীয় কর্মপরিকল্পনা) তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

বুধবার (১৭ জুন) মন্ত্রণালয়ে তথ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে, রাষ্ট্রদূতকে তিনি এ বিষয়ে জানান।

সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বাক স্বাধীনতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।

বৈঠকে স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে বর্তমান সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।

এ বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ করে তিনি বলেন, গণমাধ্যমে স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাংলাদেশ তা কাজে লাগাতে পারে।

রাষ্ট্রদূতের মন্তব্যের জবাবে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। তবে স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণকে ভুল তথ্য ও অপতথ্য থেকে সুরক্ষা দেওয়াও সরকারের অন্যতম দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, এই দুই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই সরকার একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে কাজ করছে।

তথ্যমন্ত্রী জানান, গণমাধ্যম খাতে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে একটি ‘ড্রাফট কমিটি’ গঠন করা হবে। এই কমিটি একটি ‘ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান’ তৈরি করে সরকারের কাছে উপস্থাপন করবে। পরবর্তীতে এই ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যানের ওপর ভিত্তি করেই স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা হবে।

কালের আলো/এসএকে

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন: একদিনে ডিএমপির ২ হাজার ১১৪ মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন: একদিনে ডিএমপির ২ হাজার ১১৪ মামলা

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে এক দিনে ২ হাজার ১১৪টি মামলা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

বুধবার (১৭ জুন) ডিএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, মঙ্গলবার (১৬ জুন) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মামলা করে।

ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৩টি বাস, ৫টি কাভার্ডভ্যান, ১০টি সিএনজি ও ৩৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৬৭টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ২৪টি বাস, ৮টি ট্রাক, ১টি কাভার্ডভ্যান, ১৯টি সিএনজি ও ৮১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫৯টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ২২টি বাস, ৫টি ট্রাক, ২৬টি কাভার্ডভ্যান, ৮৫টি সিএনজি ও ২৭৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৭৭টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ২১টি বাস, ১৫টি ট্রাক, ১৭টি কাভার্ডভ্যান, ২৬টি সিএনজি ও ৬৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৯৫টি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১০টি বাস, ৪টি ট্রাক, ১০টি কাভার্ডভ্যান, ২২টি সিএনজি ও ৫৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৪৭টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৫টি বাস, ১০টি ট্রাক, ২১টি কাভার্ডভ্যান, ৫৬টি সিএনজি ও ২৫৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪০৫টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ২৯টি বাস, ১টি ট্রাক, ১৫টি কাভার্ডভ্যান, ৯৩টি সিএনজি ও ১৮৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৫১টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ২৮টি বাস, ৮টি ট্রাক, ৯টি কাভার্ডভ্যান, ২৫টি সিএনজি ও ৬৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২১৩টি মামলা হয়েছে।

এ ছাড়া অভিযানের সময় ৩৯৫টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ৩১৭টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একই সময়ে আরও ১১১ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হওয়ার কথাও বলেছে তারা।

বুধবার (১৭ জুন) অধিদপ্তরের হামসংক্রান্ত নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, সারাদেশে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ জনের। আর উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৫৬৮ জন।

এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ২৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে রাজশাহী বিভাগ, যেখানে মৃত্যু হয়েছে ৮৭ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলেছে, বুধবার সকাল ৮ থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় ১১১ জনের মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন ৯৬৬ জন; এরমধ্যে ৮৭২ জনকে ভর্তি হতে হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে; ৩১৫ জন। সবচেয়ে কম ২৫ জন ভর্তি হয়েছে রংপুর বিভাগের হাসপাতালগুলোতে।

১৫ মার্চ থেকে দেশে হামের উপসর্গ থাকা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৮ হাজার ৮৯৫ জন। আর হাম শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৬৩৪ জনের শরীরে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি