খুঁজুন
                               
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৭ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

মালয়েশিয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৩:২৬ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Oplus_131072

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ার পথে রওনা হয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

রোববার (২১ জুন) দুপুর পৌনে ৩টায় তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশের একটি বিশেষ ফ্লাইট ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর ত্যাগ করে।

সরকারপ্রধানের অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে যাচ্ছেন মালয়েশিয়ায়। দুই দিনের এই সফর। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী একেবারেই ছোট।

এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, ঢাকায় মালয়েশিয়ার হাই কমিশনার শুহাদা ওসমান, চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনসহ ঊধর্তন সরকারি কর্মকর্তারা শাহজালাল বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করেন বিএনপিপ্রধান তারেক রহমান। এর চার মাস বাদে প্রথম বিদেশ সফরে গেলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের মধ্যে আছেন—পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন, প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা এ কে এম শামসুল ইসলাম, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ ২৩ জন।

পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম শনিবার ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে মালয়েশিয়া ও চীনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছয় দিনের সফরসূচি তুলে ধরেন।

সচিব সিয়াম জানান, সরকারপ্রধানের কুয়ালা লামপুরের সফরে মালয়েশিয়ার সঙ্গে সাংস্কৃতিক বিনিময় আর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে দুটি দলিল সইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

পররাষ্ট্র সচিব জানান, সফরের প্রথম দিন রোববার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মালয়েশিয়ায় আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হবে। পরদিন পুত্রাজায়ায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুই দেশের সরকারপ্রধানের একান্ত বৈঠক হবে। এর পরপরই উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে বাণিজ্য-বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জ্বালানি সহযোগিতা, হালাল অর্থনীতি, কর্মী প্রেরণ, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প ও কৃষি, শিক্ষা ও জন-যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুইদেশের মধ্যে অধিকতর সহযোগিতা স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব সিয়াম।

তিনি বলেন, বিশেষত, মালয়েশিয়ার বিভিন্ন সেক্টরে নতুন বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের অনুরোধ এবং বাংলাদেশিদের কল্যাণের বিষয়ে অনুরোধ জানানো হবে।

আসাদ আলম সিয়াম বলেন, মালয়েশিয়া সফরে বাংলাদেশের আসিয়ানের ‘ডায়ালগ পার্টনার এবং রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ-আরসেপে’ যোগদান করার আবেদন জোরালোভাবে তুলে ধরে মালয়েশিলার সমর্থন চাওয়া হবে।

মালয়েশিয়ার দুইদিনের সফর শেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা হবেন।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, প্রস্তাবিত কর্মসূচি অ নুযায়ী প্রধানমন্ত্রী ২২ জুন দুপুরে কুয়ালা লামপুর থেকে দালিয়ানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন, সন্ধ্যায় পৌঁছাবেন।

সেখানে ২৬ জুন ওইদিন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বৈঠক শেষে ওইদিন তিনি বিকালে বেইজিং থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। সন্ধ্যায় ঢাকায় অবতরণ করবেন।

কালের আলো/এসএকে

ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক : চিফ প্রসিকিউটর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক : চিফ প্রসিকিউটর

ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের কিলিং নেটওয়ার্ক ছিল বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

রোববার (২১ জুন) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে শতাধিক গুম ও খুনের ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউলের বিরুদ্ধে আজ গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন একজন সেনা কর্মকর্তা। তার জবানবন্দি এখনও চলমান রয়েছে। তিনি ট্রাইব্যুনালের সামনে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর বর্ণনা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে একটি ছিল জিয়াউলের জাফলং অপারেশন। অর্থাৎ র‍্যাবের টিএফআই সেল থেকে দুজন আসামিকে নিয়ে জিয়াউলের নেতৃত্বে জাফলংয়ে গিয়েছিলেন সাক্ষীসহ আরও কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা। জাফলংয়ে যাওয়ার পর আরও দুজন আসামিকে নিয়ে আসেন ভারত থেকে আসা সাদা পোশাকের কিছু লোকজন। এরপর এসব আসামিদের বিনিময়ের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়।

সাক্ষীর বিবরণ দিয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, ভারত থেকে আনা দুজনকে রাস্তায় মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যা করেন জিয়াউল আহসান। এভাবেই তিনি হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন। ভারতের লোকজনকে জিয়াউল আহসানের অনুসারীরাই হয়তো নিয়ে আসতেন। তারা কোনো দলের বা কোনো বাহিনীর হতে পারে। অর্থাৎ জিয়াউলের এই কিলিং নেটওয়ার্ক ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল। তবে ভারত থেকে সাদা পোশাকে আসা লোকজন যে দুজন ব্যক্তিকে হস্তান্তর করেছিলেন, তারা কি ভারতের নাকি বাংলাদেশের নাগরিক তা যাচাই-বাছাই করা সম্ভব হয়নি।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, বিডিআরের বিভিন্ন সদস্যদকে ধরে এনে দুটো পদ্ধতিতে হত্যা করেছেন জিয়াউল আহসান। এর মধ্যে কাউকে ইনজেকশন পুশ করে, আবার কাউকে মাথায় গুলি ঠেকিয়ে হত্যার পর নদীতে ফেলে দিতেন। এই দুই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১০ থেকে ১২ জন বিডিআর সদস্যকে তিনি হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছেন সাক্ষী।

কালের আলো/এসএকে

গোপালগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের আত্মহত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
গোপালগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের আত্মহত্যা

রোববার (২১ জুন) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নের দারিয়ারকুল গ্রামের নিজ বাড়ির বাইরে কামরাঙা গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

বিদ্যুৎ কান্তি রায় (৫৮) উপজেলার পাটগাতী মুন্সীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।

টুঙ্গিপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোসলেম আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক বিদ্যুৎ কান্তি রায় ব্যাপক ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়েছিলেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার ও স্থানীয় লোকজন। তাই ঋণের বোঝা বইতে না পেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে বাবা-মার সমাধির পাশের কামরাঙা গাছের সঙ্গে গলায় দড়ি দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়রা সকালে গাছে তার লাশ ঝুলে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়।

এসআই মোসলেম আরও বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ থেকে লাশ নামায়। এ ঘটনায় টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। এছাড়া লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় অর্থনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৪:১৬ অপরাহ্ণ
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় অর্থনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, বর্তমানে রাজস্ব আহরণ, ঋণ ব্যবস্থাপনা ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় অর্থনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ।

রোববার (২১ জুন) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে বাজেট হেল্পডেস্ক-২০২৬ এর অধীনে বাজেট বিষয়ক ডিব্রিফিং সেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাজেট ডিব্রিফিং সেশনের আয়োজন সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ। জাতীয় বাজেট ও সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সংসদ সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এই ধরনের সেশন কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের তথ্য ও উপাত্ত নির্ভর বাজেট বিশ্লেষণে বাজেট হেল্পডেস্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকারের আর্থিক নীতি ও কৌশল সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও গভীর ধারণা পেতে সংসদ-সদস্যগণ সংসদ লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে পারেন।

তিনি আরো বলেন, বাজেট নিয়ে সংসদ-সদস্যদের আগ্রহ এবং সংসদীয় উদ্যোগে নিজেকে ব্যাপৃত করতে পারলে জাতি উপকৃত হবে। জনগণ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে এই সংসদ নিয়ে। তাদের ভবিষ্যৎ চলার রূপরেখা এখান থেকে নির্ধারিত হবে।

স্পিকার বলেন, সংসদীয় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণে ইইউর এ ধরনের প্রোগ্রাম সংসদ-সদস্যদের কার্যকর অংশগ্রহণ ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনপ্রত্যাশা পূরণে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। তিনি এসময় বাজেট ডিব্রিফিং সেশনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, স্বাধীনতা উত্তর সময়ে সংসদ নিয়ে অনেক বেশি জনপ্রত্যাশা ছিল। জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সংসদ একটি ব্যতিক্রমী সংসদ। প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার জনগণ এই সংসদ পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি বলেন, অর্থনীতি, সমাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতির আধার এই সংসদ। তথ্যভিত্তিক সংসদ প্রতিষ্ঠায় বাজেট ডিব্রিফিং সেশন কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ও সুশৃঙ্খল ব্যবহারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার একটি যুগোপযোগী ও বাস্তবমুখী বাজেট উপস্থাপন করেছে। স্বাধীনতার পর এমন ভালো বাজেট কখনো হয়নি।

তিনি বলেন, বাজেট হেল্পডেস্ক সংসদ সদস্যদের প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দেয়। এক সময় বাজেট-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে সংসদ সদস্যদের অনেক কষ্ট করতে হতো। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই প্রশংসনীয় উদ্যোগের ফলে এখন সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাচ্ছে এবং বাজেটকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের নেতা, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, হুইপসহ আজকের সেশনের আমন্ত্রিত সংসদ-সদস্য এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

কালের আলো/এসএকে