খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

বিগত সরকারের নেওয়া ১৩০০ প্রকল্পকে না পারছি ফেলতে, না গিলতে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
বিগত সরকারের নেওয়া ১৩০০ প্রকল্পকে না পারছি ফেলতে, না গিলতে: অর্থমন্ত্রী

Oplus_131072

বিগত সরকারের নেওয়া ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্পকে বর্তমান সরকার ‘গলার কাঁটা’ মনে করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, বিগত সরকারের নেওয়া ১৩০০ ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। ওই প্রজেক্টটা আমাদের জন্য লায়াবিলিটি। কী ধরনের প্রজেক্ট আপনারা বুঝতে পারছেন। কিছু বাদ দিতে পারছি, সব বাদও দেওয়া যাচ্ছে না। অনেক প্রজেক্টের ৫০-৬০ পার্সেন্ট ইমপ্লিমেন্ট হয়ে গেছে। না ফেলতে পারছি, না গিলতে পারছি। এটা বর্তমান সরকারের বড় সমস্যা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে রাজধানীতে ‘ডিবেটিং বাজেট অ্যান্ড বিওন্ড’ শীর্ষক এক সেমিনারে এই কথা জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অবকাঠামো ও উন্নয়ন খাতের এই বিপুলসংখ্যক প্রকল্পের কাজ অর্ধেক বা তারও বেশি শেষ হয়ে যাওয়ায় এগুলো চাইলেও পুরোপুরি বাতিল করা সম্ভব হচ্ছে না। বিগত ১৫ বছরে নেওয়া এসব প্রকল্প আমাদের জন্য এখন বড় লায়াবিলিটি। এগুলো আসলে কোন ধরনের প্রকল্প, তা আপনারা নিশ্চয়ই খুব ভালো করেই বুঝতে পারছেন। আমরা এর মধ্য থেকে কিছু প্রকল্প বাদ দিতে পেরেছি, কিন্তু সব বাদ দেওয়াও সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি  বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং স্পট বায়িং বা অর্থায়নের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। এর মাঝেই গতানুগতিক ফরম্যাট থেকে বেরিয়ে এসে অর্থনীতিতে একটি নতুন মডেল ও চিন্তার ওরিয়েন্টেশন দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গ্রামগঞ্জে মৃৎশিল্প, শীতলপাটিসহ বিভিন্ন খাতের যেসব কারিগররা রয়েছেন, তাদের এগিয়ে নিতে সৃজনশীল অর্থনীতির উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা তাদের কাজ আরও মার্কেট অ্যাবল করতে চাই। যা এখন ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে তা ২০০০ টাকায় বিক্রি হবে। তাদের আয় বাড়লেই তো জিডিপি বাড়বে।

কালের আলো/এসএকে

১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রী

Oplus_131072

আগামীতে সরকারের ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির বড় লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের তদারকিতে এবার ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড ব্যবহার করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্ব-স্ব মন্ত্রীদের অফিস এবং আইএসে এই ড্যাশবোর্ড থাকবে। প্রতিদিন প্রতিটি প্রকল্পের মুভমেন্ট কী হচ্ছে, তা সরকার সরাসরি মনিটর করবে। কোথাও কাজের গতি থমকে গেলে বা ল্যাপস হলে সঙ্গে সঙ্গে ড্যাশবোর্ডে তা ফ্ল্যাশ করবে এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে এর জবাবদিহি করতে হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার ডেট বা ঋণ বর্তমান সরকারকে পরিশোধ করতে হবে। এতে ফিসক্যাল স্পেস (আর্থিক সক্ষমতার জায়গা) সংকুচিত হয়ে এসেছে। তা সত্ত্বেও আগামীতে ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির বড় লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে সরকারের।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাজেটের শতভাগ না হলেও অন্তত ৮০ শতাংশ বাস্তবায়ন করতে পারলে দেশের প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান এবং নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করা সম্ভব হবে।

কালের আলো/এসএকে

২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৯ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৯ জনের মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সন্দেহজনক হামে নয় জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৮৯৩ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৯৬ হাজার ৬৫৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৫২ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৪৪২ জন।

গত ১৫ মার্চ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮০ হাজার ৪৯৭ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৭৮৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে নয় জনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৬০৫ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

‘রিকশায় চড়া অনেকেই এখন প্রাডোতে চড়ে জুলাই চেতনা বিক্রি করেন’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
‘রিকশায় চড়া অনেকেই এখন প্রাডোতে চড়ে জুলাই চেতনা বিক্রি করেন’

আগে রিকশায় চড়তেন, এমন অনেকেই এখন প্রাডোতে (দামী গাড়ি) চড়ে জুলাই চেতনা বিক্রি করেন বলে মন্তব্য করেছেন ময়মনসিংহ-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বলেন, আমরা জুলাই যুদ্ধ করেছি, আমি নিজেও করেছি। আমাদের এখানে যারা আছেন অনেকেই জুলাই যুদ্ধ করেছেন, আমাদের সন্তানেরা করেছেন। অনেকেই জুলাই চেতনা বিক্রি করেন। কিন্তু, আমরা জুলাই চেতনা বিক্রি করি না, আমরা জুলাইকে ধারণ করি। জুলাই তো বিক্রি করার বিষয় না।

তিনি বলেন, অনেকেই রিকশায় চড়তেন, এখন প্রাডো গাড়িতে চড়েন আর জুলাই চেতনা বিক্রি করেন। আমি যে গাড়িতে চড়তাম সেই গাড়িটি নির্বাচনের সময় অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গেছে, আমি এখনো সেই গাড়িতেই চড়ি। যারা জুলাই চেতনা বিক্রি করেন, আমি অনুরোধ করবো উনারা আগে কিসে চড়তেন আর এখন কিসে চড়েন, কোন বাসায় থাকেন, উনারা যেন মাঝেমধ্যে লাইভ করেন কোন বাসায় থাকেন ৷ একটু লাইভ করলেই জাতি দেখতো উনাদের কী (অবস্থা) এখন, আগে কোথায় ছিলেন এখন পরিবর্তনটা কী রকম হয়েছে।

বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে এই সংসদ সদস্য বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, চিকিৎসা- আপনি দেখবেন সামাজিক সুরক্ষা খাতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়- আমরা এই দেশটিকে সিঙ্গাপুর, কানাডা বানাতে চাই। এই বাজেটে বিনিয়োগকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে দেশি- বিদেশি বিনিয়োগকে। কর ছাড়ের সুযোগ নিয়ে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিনিয়োগ করেন।

বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, সঠিক নেতৃত্ব, দূরদর্শী নেতৃত্ব একমাত্র তারেক রহমান। মুক্তিযুদ্ধের পর আমরা যেমন মুক্তিযুদ্ধ ধারণ করি, আমরা জুলাইও ধারণ করি। মুক্তিযুদ্ধের পর মহান স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান যখন এ দেশের দায়িত্ব নিয়েছিলেন, এই দেশটিকে অর্থনীতির মুক্তির জন্যে তিনি দেশপ্রেমের উজ্জ্বল সততা, আদর্শের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। আমরা স্বাধীনতাকে জুলাই দিয়ে মুছতে চাই না, আমরা স্বাধীনতাকে অন্তরে ধারণ করি, জুলাইকেও অন্তরে ধারণ করি।

কালের আলো/এসএকে