খুঁজুন
                               
রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১৪ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

কারিগরি শিক্ষক নিয়ে সংসদে যে তথ্য দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ
কারিগরি শিক্ষক নিয়ে সংসদে যে তথ্য দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

দেশের কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ১৫ হাজার ৮৪৪টি অনুমোদিত শিক্ষক পদের বিপরীতে বর্তমানে ৮ হাজার ৪৮৬টি শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদের বৈঠকে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুজন সংসদ সদস্যের লিখিত পৃথক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।

প্রশ্নোত্তর পর্বে এহছানুল হক মিলন বলেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৫ হাজার ৮৪৪টি শিক্ষক পদের মধ্যে বর্তমানে ৭ হাজার ৭৪ জন কর্মরত আছেন। ৮ হাজার ৪৮৬টি পদ শূন্য রয়েছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইনস্ট্রাক্টর (৯ম গ্রেড) ও জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর (১০ম গ্রেড) পদে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে বিসিএস (ক্যাডার ও নন-ক্যাডার) পরীক্ষার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরইমধ্যে দুই হাজার ২০৪টি শূন্য পদে নিয়োগের সুপারিশ চেয়ে পিএসসিতে রিকুইজিশন পাঠানো হয়েছে। ৪৫তম বিসিএসে পিএসসি ৯৭ জন ক্যাডার এবং ৩৪৯ জন নন-ক্যাডার শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করেছে। পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষে তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, পদোন্নতির মাধ্যমেও শূন্য পদ পূরণ করা হয়ে থাকে। তবে পদোন্নতিযোগ্য ৪ হাজার ১৩১টি শিক্ষক ও কর্মচারীর পদে কর্মরত জনবল না থাকায় সেসব পদে পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

কালের আলো/এসএকে

নতুন অর্থবছরই তিস্তা মহাপরিকল্পনার স্টাডি শেষ করে বাস্তবায়ন শুরু : পানিসম্পদ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
নতুন অর্থবছরই তিস্তা মহাপরিকল্পনার স্টাডি শেষ করে বাস্তবায়ন শুরু : পানিসম্পদ মন্ত্রী

দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের দুই কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরই তিস্তা মহাপরিকল্পনার ফিজিবিলিটি স্টাডি বা সম্ভাব্যতা যাচাই শেষ করে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী।

রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই আশাবাদের কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, তিস্তা পাড়ের মানুষ প্রতিনিয়ত নদী ভাঙনের শিকার হয়ে চরম মানবিক সংকটের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে। এই সংকট থেকে স্থায়ী মুক্তির লক্ষ্যে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরকালে সে দেশের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রীর সাথে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নদী ব্যবস্থাপনায় চীনের প্রযুক্তি পৃথিবীর অন্যতম সেরা এবং চীন সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ বাংলাদেশের সামগ্রিক নদী ব্যবস্থাপনায় ফিজিবিলিটি স্টাডি ও টেকনিক্যাল সাপোর্ট দিতে সম্পূর্ণ সম্মত হয়েছে।

পানিসম্পদ মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ফারাক্কা ব্যারাজের চুক্তি থাকা সত্ত্বেও শুষ্ক মৌসুমে বিশেষ করে মার্চ ও এপ্রিল মাসে উত্তরবঙ্গের মানুষ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত থাকে, যা ওই অঞ্চলের কৃষিকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে। একই সাথে নদী পদ্ধতিগুলো বিচ্ছিন্ন থাকায় জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততার কারণে সুন্দরবনের ইকোসিস্টেমের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা সমাধানের অংশ হিসেবে একনেকে ইতিমধ্যেই ‘পদ্মা ব্যারাজ’ প্রকল্প পাস হয়েছে এবং খুব শিগগিরই এর টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এর মাধ্যমে দেশের এক-তৃতীয়াংশ অর্থাৎ প্রায় সাত কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ সুফল পাবে।

নদী ও গ্রামীণ অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করতে সরকারের নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন বিপ্লবের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে সারা দেশে একটি নতুন জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। গত চার মাসে জরুরি ভিত্তিতে ৫০০ কিলোমিটার খালের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে এবং লক্ষ্যমাত্রা ২০ হাজার কিলোমিটার ছাড়িয়ে ২৫ হাজার কিলোমিটারে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই খাল খনন কর্মসূচির ফলে দেশের কৃষি উৎপাদন ব্যাপক বৃদ্ধি পাবে যা একসময় বিদেশে রপ্তানি করাও সম্ভব হবে।

একই সাথে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার উদ্দেশে রাজনৈতিক ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসন ও অত্যাচার-নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠিন আন্দোলন করে এবং ঐক্যবদ্ধ থেকে আজ সকলে সংসদে এসেছেন। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে এবং চলমান কঠিন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় এই রাজনৈতিক ঐক্যের ধারা বজায় রেখে সবাইকে একযোগে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে হবে।

কালের আলো/এসএকে

তুরাগ থেকে মরদেহ উদ্ধারের প্রচারিত তথ্য বিভ্রান্তিকর, দাবির সত্যতা নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
তুরাগ থেকে মরদেহ উদ্ধারের প্রচারিত তথ্য বিভ্রান্তিকর, দাবির সত্যতা নেই

ঢাকার তুরাগ নদী থেকে একাধিক মরদেহ উদ্ধারের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে বিভ্রান্তিকর উল্লেখ করে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

পুলিশের দাবি, ডিএমপির আওতাধীন তুরাগ, পল্লবী ও রূপনগর থানা এলাকায় এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ, জিডি বা মামলাও হয়নি।

রোববার (২৮ জুন) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুরাগ নদী থেকে ধারাবাহিকভাবে মরদেহ উদ্ধারের যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তা গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করেছে ডিএমপি। অনুসন্ধানে এসব দাবির কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

ফারুক হোসেন জানান, উত্তরা বিভাগের আওতাধীন তুরাগ থানা এলাকায় এ ধরনের কোনো মৃতদেহ উদ্ধার বা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি। একইসঙ্গে এ বিষয়ে থানায় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ, সাধারণ ডায়েরি (জিডি) কিংবা মামলাও দায়ের হয়নি।

তিনি আরও বলেন, মিরপুর ক্রাইম ডিভিশনের আওতাধীন পল্লবী ও রূপনগর থানার ভৌগোলিক সীমানাও পর্যালোচনা করা হয়েছে। সেখানে প্রচারিত ঘটনার সঙ্গে ওই দুই থানার কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতেও এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ বা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করার মতো তথ্য নেই।

যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বলেন, বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকেও এরইমধ্যে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রচার, বিশ্বাস বা শেয়ার না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের অপপ্রচার সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণ হতে পারে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গুজবটি প্রথমে ডিএমপির আওতাধীন এলাকায় ডিএমপির অংশগ্রহণে ঘটেছে বলে প্রচার করা হয়েছিল। যদিও এর সঙ্গে ডিএমপির কোনো থানা বা ইউনিটের সংশ্লিষ্টতা নেই। আমরা যতটুকু জেনেছি, আমিনবাজার নৌ পুলিশ একটি মরদেহ করেছে। তারা দারুসসালাম থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছে। সেটি নৌ পুলিশের অধিক্ষেত্র।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা শুধু ডিএমপির আওতাধীন এলাকার কথা বলতে পারি। ডিএমপিতে এরকম কিছু ঘটেনি। ডিএমপির বাইরের কোনো তথ্য সম্পর্কে আমি বলবো না।

কালের আলো/এসএকে

খুচরা ব্যবসায়ীদের সুখবর দিলো সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
খুচরা ব্যবসায়ীদের সুখবর দিলো সরকার

অবশেষে প্রত্যাহার হচ্ছে খুচরা ব্যবসায়ীদের ওপর ০.২০ শতাংশ অগ্রিম কর আরোপের প্রস্তাব। এরই মধ্যে যার চূড়ান্ত প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

মূলত দেশে করজাল সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রথমবারের মতো খুচরা ব্যবসায়ীদের করের আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়।

এ লক্ষ্যে তাদের কাছে পণ্য সরবরাহের ওপর শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ অগ্রিম কর (এটিএ) আরোপের প্রস্তাব দেন অর্থমন্ত্রী। তবে ব্যবসায়ী নেতাদের আপত্তি ও উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে এ কর প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হলো।

ব্যবসায়ী নেতারা সতর্ক করে বলেছেন, এ কর বহাল থাকলে সরবরাহ ব্যবস্থার বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপর পড়তে পারে।

তাদের মতে, অতিরিক্ত করের চাপ সামাল দিতে খুচরা বিক্রেতারা পণ্যের মূল্যের সঙ্গে করের অর্থ যোগ করবেন।

ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি ছোট ব্যবসায়ীদের ওপরও অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

কালের আলো/এসএকে