খুঁজুন
                               
, ,
           

ফ্রান্স বনাম স্পেন : ৩৭ হাজার কোটি টাকার সেমিফাইনাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ৯:০৪ অপরাহ্ণ
ফ্রান্স বনাম স্পেন : ৩৭ হাজার কোটি টাকার সেমিফাইনাল

ফ্রান্স ও স্পেনের মধ্যকার ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালটি ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে মূল্যবান সেমিফাইনাল হতে যাচ্ছে। এই দুই দলের খেলোয়াড়দের মোট বাজার মূল্য প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার! বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকার বেশি।

মাঝেও দুই দলের মধ্যে প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের ব্যবধান রয়েছে। যেখানে ফরাসি দল এগিয়ে আছে। ফ্রান্সের মোট বাজার মূল্য প্রায় ১.৭৮ বিলিয়ন ডলার। স্পেনের মোট বাজার মূল্য প্রায় ১.৪৩ বিলিয়ন ডলার। বিশ্বকাপের সবচেয়ে মূল্যবান ৫ খেলোয়াড়ের মধ্যে চার জনই আছেনএই সেমিফাইনালে।

প্রায় ২৩৪ মিলিয়ন ডলার নিয়ে সবার উপরে স্পেনের তারকা লামিন ইয়ামাল। ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে ২১০ মিলিয়ন ডলার ও মাইকেল অলিসের মূল্য প্রায় ১৭৫ মিলিয়ন ডলার। স্পেনের পেদ্রি গঞ্জালেসের বাজারমূল্যও ১৭৫ মিলিয়ন ডলার। শীর্ষ পাঁচে থাকা আর্লিং হালান্ডের (প্রায় ২৩৪ মিলিয়ন) নরওয়ে বাদ পড়েছে কোয়ার্টার ফাইনালে।

তাদের বাইরেও স্পেন বনাম ফ্রান্সের সেমিফাইনালে সাতজন খেলোয়াড় আছেন, যাদের বাজারমূল্য ১১৭ মিলিয়ন ডলারের বেশি। দুই স্কোয়াডে ২২ খেলোয়াড়ের মূল্য অন্তত ৫৮ মিলিয়ন ডলার। তাদের মধ্যে সাতজন স্পেনের, তার চেয়ে দ্বিগুণ মানে বাকি ১৫ জন ফ্রান্সের।

গোলকিপারদের মোট বাজারমূল্য ৬৭ মিলিয়ন ডলার। তবে স্পেনের তিন গোলকিপারের মোট মূল্য তাদের ছাপিয়ে গেছে, ১১৪ মিলিয়ন ডলার। ডিফেন্সে বাজারমূল্যে শক্তিশালী ফ্রান্স। স্পেনের ৩৩৭ মিলিয়ন ডলারের বিপরীতে তাদের ৪৭৩ মিলিয়ন ডলারের রক্ষণভাগ।

মিডফিল্ডে স্পেনের মোট বাজারমূল্য ৪৯১ মিলিয়ন ডলার, ফ্রান্সের ৩৬৫ মিলিয়ন ডলার। সবচেয়ে বড় তফাৎ আক্রমণে। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড় ইয়ামাল থাকলেও আক্রমণভাগের দরে স্পেন পিছিয়ে। ফ্রান্সের উইঙ্গার ও স্ট্রাইকার মিলিয়ে তাদের দাম ৮৭৭ মিলিয়ন ডলার। আক্রমণভাগের গভীরতার কারণেই সেমিফাইনালে ফ্রান্স এবং তাদের সঙ্গে স্পেনের এত বড় পার্থক্য।

বাজারমূল্যে দুই দলের তফাৎ থাকলেও এটা নিশ্চিত, বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে মূল্যবান সেমিফাইনাল হতে যাচ্ছে। ৩০০ কোটি ডলারের সেমিফাইনাল।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

এমবাপের ফ্রান্সকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ইয়ামালের স্পেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৩:০৪ পূর্বাহ্ণ
এমবাপের ফ্রান্সকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ইয়ামালের স্পেন

টানা তৃতীয়বারের মত বিশ্বকাপে ফাইনালে ওঠা হল ফ্রান্সের। ২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ২০২২ সালে রানার্স আপ হয় কিলিয়ান এমবাপের দল। এবারও টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট ছিল ফরাসিরা। সেমিফাইনাল পর্যন্ত দাপুটে ফুটবল খেললেও শেষ চারেই আটকে গেল স্পেনের কাছে। মাইকেল ওলিসে, উসমান দেম্বেলে ও কিলিয়ান এমবাপেরা থাকলেন নিজেদের ছায়া হয়ে, ভাঙতে পারলেন না স্প্যানশ রক্ষণের দেয়াল। ওদিকে ম্যাচের শুরুতেই পাওয়া পেনাল্টি কাজে লাগিয়ে লিড নেওয়া লুই দে লা ফুয়েন্তের দল দ্বিতীয়ার্ধে দলীয় সমন্বয়ে করলো আরও এক গোল। দিদিয়ের দেশমের দল শেষ পর্যন্ত একবারও জালের দেখা না পাওয়ায় ২-০ গোলের দাপুটে জয়ে এবারের আসরের ফাইনালে খেলা নিশ্চিত করেছে লামিন ইয়ামালের স্পেন।

এলিসে, দেম্বেলে ও এমবাপেদের নিয়ে গড়া ফ্রান্সের আক্রমণ ভাগ এবারের বিশ্বকাপে ফাইনাল পর্যন্ত দাপিয়ে বেড়াবেন, এমনটাই ভেবেছিলেন অনেকেই। তবে দুর্দান্ত এই আক্রমণ স্প্যানিশ প্রতিরোধের সামনে থাকল নিজেদের ছায়া হয়ে। টিকিটাকার পসরা সাজিয়ে ছন্দময় ফুটবলে বলের দখল রাখার সঙ্গে সঙ্গে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও নিজেদের দখলেই রাখল স্প্যানিশরা। দারুণ দুই গোলে জিতে নিল ফাইনালের টিকিটও।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবলই খেলেছে। ফরাসি ও স্প্যানিশ আক্রমণে শুরুতেই ম্যাচ জমে ওঠে। তবে আক্রমণ-প্রতি আক্রমণের ধারাবাহিকতায় ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় স্পেনি। ম্যাচের ২১ মিনিটে ফরাসিদের বক্সের মধ্যে ফাউলের শিকার হন লামিন ইয়ামাল। রেফারি বাজান পেনাল্টির বাঁশি। এমবাপেরা প্রতিবাদ জানালেও তা ধোপে টেকেনি। স্পটকিক থেকে দারুণ এক গোল করে ম্যাচের ২২ মিনিটেই দলকে এগিয়ে দেন মিকেল ওয়িয়ারসাবাল।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

দ্বিতীয়বার ফ্রান্সের জাল কাঁপাল স্পেন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ২:৩৯ পূর্বাহ্ণ
দ্বিতীয়বার ফ্রান্সের জাল কাঁপাল স্পেন

বিশ্বকাপের ফাইনালে এক পা দিয়ে রাখল স্পেন। এক ঘণ্টা না যেতেই দুইবার ফ্রান্সের জালে বল জড়াল তারা। ডালাসে সেমিফাইনালে ৫৮ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করল ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়নরা।

দানি ওলমো কাউন্টার অ্যাটাকে প্রথম সুযোগটি নষ্ট করেন এবং ওইয়ারজাবালকে বল পাস দিয়ে গোল দেওয়ার মতো পজিশনে পাঠাতে ব্যর্থ হন। তবে বলটি শেষ পর্যন্ত পেড্রো পোরোর কাছে ফিরে আসে, যিনি ওলমোর সাথে ওয়ান-টু খেলে মাগনিয়ঁকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান।

তিন মিনিট পর একক চেষ্টায় ইয়ামাল তৃতীয়বার ফ্রান্সের জালে বল ঠেলে দেন। কিন্তু গোলটি উদযাপনের আগেই বাতিল হয় লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা ওড়ালে।

এর আগে নবম মিনিটে ওলমো ফ্রান্সের বক্সের সামনে ফ্রি কিক আদায় করেন। বায়েনা কিক নেন। কিন্তু রক্ষণদেয়ালে আঘাত করে বল। ফ্রান্স দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ১৪ মিনিটে। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে এমবাপে দ্রুত বল নিয়ে বক্সে ঢুকেছিলেন। তার সামনে কেবল পোরো ও গোলকিপার ছিলেন। কুবারসি ও লাপোর্তে তাদের পজিশনে থেকে এমবাপেকে রুখে দেন।

হাইড্রেশন ব্রেকের আগে এগিয়ে যায় স্পেন। লামিন ইয়ামালকে ফাউল করলেন দিনিয়ে। ডিবক্সের মধ্যে স্পেন তারকাকে ফেলে দিয়ে পেনাল্টি পায় লা রোজারা। তারপর মিকেল ওয়ারসাবালের কিকে এগিয়ে গেল তারা। ফ্রান্স ২৩তম মিনিটে পিছিয়ে পড়ে।

 

২০ মিনিটে স্পেন পেনাল্টি পায়। কুকুরেয়ার বক্সের মধ্যে বাড়ানো ক্রস দিনিয়ে বুক দিয়ে নিয়ন্ত্রণে নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এই লেফটব্যাক ব্যর্থ হন। তার সামনে ছিল ইয়ামাল। তাকে ফাউল করে বসেন। রেফারি দ্রুত পেনাল্টির বাঁশি বাজান। বিশ্বকাপ ইতিহাসে তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে পেনাল্টি আদায় করলেন ১৯ বছর ও ১ দিনের ইয়ামাল।

ওয়ারসাবাল নেন পেনাল্টি কিক। রিয়াল সোসিয়েদাদ তারকার শট ডানকোণা দিয়ে নেন। ফরাসি কিপার মাগনিয়ঁ ঠিক দিকেই ডাইভ দিয়েছিলেন। কিন্তু বল তার নাগালে ছিল না। জালে জড়ায় বল। পিছিয়ে পড়ার পর দলের সেন্টার ব্যাক সালিবা ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়লে তাদের বিপদ আরও বাড়ে।

৩৬ মিনিটে ফ্রান্সকে আরেকবার কাঁপিয়ে দেয় স্পেন। দূরপাল্লার একটি ক্রস নিয়ন্ত্রণে নেন বায়েনা। মাইগনান তাকে রুখে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড শট নিতেই অফসাইডের বাঁশি বাজে। পরের মিনিটে স্পেনের বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া বারকোলার ডানপায়ের বাঁকানো শট গোলবারের অনেক উপর দিয়ে যায়।

তিন মিনিট পর স্পেন আরেকটি সুযোগ তৈরি করে। ওলমোর সঙ্গে ওয়ান-টু পাস করেন ইয়ামাল। তারপর ওলমোর ব্যাকহিল থেকে ইয়ামালের পাসে বল পান রুইজ। কিন্তু তার শট গোলবার ঘেঁষে যায়।

৪৩ মিনিটে ফ্রান্স চমৎকার সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু এমবাপেকে বল পায়েই নিতে দেননি সিমন। স্প্যানিশ কিপার দ্রুত বক্সের বাইরে এসে বল ক্লিয়ার করেন। তাতে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্পেন।

মূল একাদশ: দিনিয়ে, মাগনিয়ঁ, রাবিও, দেম্বেলে, এমবাপে, উপামেকানো, কুন্দে, চুয়ামেনি, সালিবা, অলিসে, বারকোলা।

অতিরিক্ত খেলোয়াড়: ব্রিস সাম্বা, কান্তে, লুকাস, তুরাম, থিও, জঁ-ফিলিপ মাতেতা, কোনাতে, মাক্সেন্স লাক্রোয়া, চেরকি, মানু কোনে, গুস্তো, জাইরে-এমেরি, মাগনেস আকলিউশ, দুয়ে, রবিন রিসার।

মূল একাদশ: লাপোর্তে, উনাই সিমন, কুকুরেয়া, ফ্যাবিয়ান রুইজ, ওয়ারজাবাল, অলমো, রদ্রি, অ্যালেক্স বায়েনা, পোরো, লামিনে ইয়ামাল, কুবারসি।

অতিরিক্ত খেলোয়াড়: গ্রিমালদো, ইগলেসিয়াস, লরেন্তে, ডেভিড রায়া, মেরিনো, ফেরান তোরেস, এরিক গার্সিয়া, মার্টিন জুবিমেন্দি, ইয়েরেমি, পেদ্রি, জোয়ান গার্সিয়া, নিকো উইলিয়ামস, মার্ক পুবিল, গাভি, ভিক্টর মুনিয়োজ।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

ফ্রান্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৭ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন

সেমিফাইনালের প্রথমার্ধ শেষে ফ্রান্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে আছে স্পেন। ফাইনালের টিকিট নিশ্চিতের লড়াইয়ে মুখোমুখি ইউরোপিয়ান দুই পরাশক্তি। টুর্নামেন্টের হট ফেভারিট এই দুই দলের লড়াইয়ে শুরুতেই গোল পেয়ে লিড নেয় স্প্যানিশরা। কিলিয়ান এমবাপে, উসমান দেম্বেলে ও মাইকেল ওলিসেদের নিয়ে গড়া শক্তিশালী আক্রমণভাগের বিপক্ষে পেনাল্টিতে এগিয়ে যান লামিন ইয়ামালরা। স্পটকিক থেকে করা সেই গোলেই ১ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধের খেলা শেষ করেছে লুই দে লা ফুয়েন্তের দল।

ইউরোপিয়ান দুই দলের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ শুরু থেকেই জমে ওঠেছে। দুই দলই চেষ্টা করছে একে অপরের ওপর চাপ প্রয়োগ করে সুযোগ তৈরির। ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিটেই বেশ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে দুই দল। তবে ফ্রান্সের আক্রমণের বিপরীতে পেনাল্টি থেকে গোল করে লিড নিয়েছে স্প্যানিশরাই।

ম্যাচের ২১ মিনিটে স্প্যানিশ আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে বক্সের ভেতরে লামিন ইয়ামালকে ফাউল করেন ফরাসি ডিফেন্ডার। রেফারি সঙ্গে সঙ্গেই পেনাল্টির বাঁশি বাজান। আর স্পট কিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মিকেল ওইয়ারসাবাল।

দারুণ এক পেনাল্টি নেন ওইয়ারসাবাল। ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মাইক মাইনিয়ঁ ঠিক দিকেই ঝাঁপিয়েছিলেন, নিজের বাঁ দিকে। কিন্তু ওইয়ারসাবালের জোরালো শট গোলরক্ষকের নাগালের বাইরে দিয়ে জালে জড়ায়।

এদিকে পিছিয়ে পড়ার পর দুঃসংবাদ পায় ফরাসিরা। ৩০ মিনিটে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়লেন উইলিয়াম সালিবা। তাঁর জায়গায় আসলেন ম্যাক্সাঁস লাক্রোয়া। গোল হজম করে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়েই লড়েন এমবাপেরা। বেশ কয়েকবার সুযোগ তৈরি করলেও সেসব ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত এক গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় দিদিয়ের দেশমের দল।

কালের আলো/এসআর/এএএন