খুঁজুন
                               
, ,
           

ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য পূরণে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৬ অপরাহ্ণ
ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য পূরণে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য পূরণে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, নতুন ও দূরদর্শী বিএনপি সরকার বিনিয়োগকারীদের পাশে থাকবে এবং ব্যবসা সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা নিশ্চিত করবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে কর্মসংস্থান ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বৈদেশিক বিনিয়োগ ত্বরান্বিতকরণ’—শীর্ষক ‘এফআইসিসিআই এফডিআই সম্মেলন—২০২৬’ এ তিনি এই আহ্বান জানান।

বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনে উপস্থিত দেশি-বিদেশি অতিথি, ব্যবসায়ী নেতা, এফআইসিসিআইর সদস্য, উন্নয়ন সহযোগী ও বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনের শীর্ষ করপোরেট প্রধান, সফল বিনিয়োগকারী ও বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতি বাংলাদেশের প্রতি বৈশ্বিক আস্থার প্রতিফলন। যারা বাংলাদেশকে বিনিয়োগের গন্তব্য হিসেবে বেছে নিয়েছেন, তাঁরা নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আধুনিক প্রযুক্তির প্রবর্তন, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালীকরণ এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। এজন্য তিনি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনীতিতে আসার আগে তিনি নিজেও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকে তিনি উপলব্ধি করেছেন, শুধু উদ্যোক্তার দক্ষতা বা রাজনৈতিক আশ্বাস নয়, ব্যবসার সাফল্য অনেকাংশে নির্ভর করে সরকারের প্রবৃদ্ধি-সহায়ক নীতিমালার ওপর। তিনি বলেন, সরকার দেশীয় ও বিদেশি উভয় বিনিয়োগকারীকেই বাংলাদেশে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান জানাচ্ছে। কেউ বাংলাদেশে মূলধন বিনিয়োগ করলে সরকারও সময়, প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা এবং সময়োপযোগী নীতিমালার মাধ্যমে তার পাশে থাকবে। এটি কেবল আশ্বাস নয়, সরকারের সুস্পষ্ট অঙ্গীকার বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বাংলাদেশের সামনে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও সম্ভাবনার দিকটি আরও শক্তিশালী বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দ্রুত বিকাশমান বৃহৎ অভ্যন্তরীণ বাজার, তরুণ ও পরিশ্রমী জনশক্তি, কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান এবং নিরঙ্কুশ জনসমর্থনপুষ্ট নির্বাচিত সরকার বাংলাদেশের অন্যতম শক্তি। এসব উপাদান দেশকে টেকসই ও স্থায়ী সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিচ্ছে।

তিনি জানান, সরকারের মূল লক্ষ্য একটি নিয়মভিত্তিক, বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে সংযুক্ত এবং বেসরকারি খাতনির্ভর গতিশীল অর্থনীতি গড়ে তোলা। এ লক্ষ্যে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে একটি সুস্পষ্ট অর্থনৈতিক রূপান্তরের রূপরেখা রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের শুধু বাংলাদেশে বিনিয়োগের নয়, এই রূপকল্প বাস্তবায়নের অংশীদার হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

সরকারের পাঁচ মাসের কার্যক্রম তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের অনেক আগে থেকেই অর্থনৈতিক ও নীতিগত প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। এ সময় বিনিয়োগকারী, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়িক চেম্বার, অর্থনীতিবিদ, উন্নয়ন সহযোগী ও নীতিনির্ধারকদের মতামত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, তাদের পরামর্শের ভিত্তিতে সরকার প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) বাড়াতে বিনিয়োগের আইনি সুরক্ষা জোরদার, আধুনিক ও ব্যবসাবান্ধব নিয়ন্ত্রক কাঠামো গঠন, সহজ করব্যবস্থা, অর্জিত মুনাফা নির্বিঘ্নে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর সুযোগ, শক্তিশালী পুঁজিবাজার এবং উন্নত অবকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার বর্তমানে আইনি ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর আধুনিকায়ন, বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা বৃদ্ধি, দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা উন্নয়ন, কর ও ভ্যাট প্রশাসন সহজীকরণ এবং মুনাফা প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া ঝামেলামুক্ত করার কাজ করছে। একই সঙ্গে গতিশীল পুঁজিবাজার গঠন, স্টার্টআপ খাতে উৎসাহ প্রদান, অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ ও লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমানো, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং সরকারি সেবার ডিজিটালাইজেশন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বন্দর ও লজিস্টিকস অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এ লক্ষ্যে বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ওষুধশিল্প, ইলেকট্রনিক্স, ডিজিটাল সেবা, কৃষি-প্রক্রিয়াজাতকরণ, উন্নত বস্ত্রশিল্প, স্বাস্থ্যসেবা এবং লজিস্টিকস খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশকে বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি তৈরি পোশাকশিল্পে বহুমুখীকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে প্রযুক্তি ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ শুধু বিনিয়োগ আকর্ষণের ওপর নির্ভর করে না, বরং দীর্ঘমেয়াদি ও বিশ্বাসযোগ্য অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ওপরও নির্ভরশীল। তিনি দেশি-বিদেশি ব্যবসায়িক নেতাদের বাংলাদেশের এই সম্ভাবনাময় যাত্রার অংশ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি শক্তিশালী, ন্যায়ভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব।

একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশে বিনিয়োগ, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈশ্বিকভাবে সংযুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানান।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

 

মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পাওয়া বস্তুটি ছিলো আইইডি বোমা : ডিএমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পাওয়া বস্তুটি ছিলো আইইডি বোমা : ডিএমপি

রাজধানীর মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা একটি আইইডি (ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) বোমা উদ্ধার করে সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট। এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এসব তথ্য জানান।

নিয়াজ মেহেদী জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ১৫ মিনিট থেকে ৬টা ৩০ মিনিটের মধ্যে মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা একটি পরিত্যক্ত ছাতা দেখতে পান। সন্দেহ হওয়ায় ছাতাটি পরীক্ষা করে এর ভেতরে আইইডি সদৃশ একটি বস্তু দেখতে পান তারা। পরে সঙ্গে সঙ্গে পুরো এলাকা কর্ডন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় এবং বিষয়টি ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে জানানো হয়।

তিনি বলেন, খবর পেয়ে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। পরে অত্যন্ত দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে আইইডি সদৃশ বস্তুটি সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ঘটনাটিতে কোনো ধরনের হতাহত বা সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বস্তুটির প্রকৃত উৎস এবং ঘটনার কারণ উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট ইউনিট তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

কাফরুলে গুলিতে যুবদলকর্মী নিহত, ২ পথচারী আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ২:১৯ পূর্বাহ্ণ
কাফরুলে গুলিতে যুবদলকর্মী নিহত, ২ পথচারী আহত

রাজধানীর কাফরুলে দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে ইউসুফ আলী (৪৫) নামে এক যুবদলকর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও দুই পথচারী।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিবাগত রাত ১১টার দিকে কাফরুল থানার মিরপুর-১৩-এর ই-ব্লক এলাকায় ওপেক্স গার্মেন্টসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ইউসুফ আলীকে রাজনৈতিক সহযোদ্ধা পরিচয় দেওয়া মামুন মিয়া নামে হাসপাতালে একজন সাংবাদিকদের জানান, প্রতিদিনের মতো রাতে তারা কাফরুল ই-ব্লকের ১ ও ২ নম্বর লিংক রোডে ওপেক্স গার্মেন্টসের সামনে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন।

এসময় ৩-৪ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি তাদের পাশ দিয়ে কয়েকবার ঘোরাঘুরি করে। একপর্যায়ে ইউসুফ তাদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা আগ্নেয়াস্ত্র বের করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

তিনি বলেন, গুলির পর আশপাশের লোকজনকে নিয়ে হামলাকারীদের ধাওয়া করা হয়। পরে ঘটনাস্থলে ফিরে এসে দেখা যায়, ইউসুফ গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে আছেন।

এছাড়া দুই পথচারীও গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কাতরাচ্ছিলেন। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক রাত সাড়ে ১২টার দিকে ইউসুফকে মৃত ঘোষণা করেন।

মামুন মিয়ার দাবি, ইউসুফ আলী আগে কাফরুল থানা ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি যুবদলের কর্মী হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। তার বাড়ি কাফরুলের পশ্চিম বাইশটেকি এলাকায়। গ্রামের বাড়ি বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শাকরাল গ্রামে।

আহতরা হলেন– নালাম সরদার (৪৫) ও মনির হোসেন (৩২)। নালাম সরদার পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার বাসিন্দা, তিনি ফুটপাতে কাঁচামাল বিক্রি করেন। নালাম মাথার ডান পাশে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। মনির হোসেন মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার বাসিন্দা, তিনি ফুটপাতে কাপড় ব্যবসা করেন। মনির বাম পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ইউসুফের মৃত্যুর তথ্য জানান। তিনি জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আহত দুজন ঢামেকের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কাফরুল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কামরুল বলেন, গুলির ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে অস্ত্রসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেন। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার পেছনের কারণ ও বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা চলছে বলে কাফরুল থানার একটি সূত্র জানিয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য

৯০ দিনের মধ্যে ভোট, দ্রুতই তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি ইসির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
৯০ দিনের মধ্যে ভোট, দ্রুতই তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি ইসির

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের কারণে শূন্য হওয়া আসনে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংবিধানের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুতই এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পদ শূন্য হওয়ার নির্ধারিত ৯০ দিনের মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে।

বিদায়ী রাষ্ট্রপতি ২৪ জুলাই পদত্যাগ করায় এই পদটি শূন্য হয়।

ইসির সংশ্লিষ্টরা জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন-১৯৯১ অনুসরণ করে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হবে। এই নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিজেই রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকবেন। বিদ্যমান সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের ৩৫০ জন সংসদ সদস্য এই নির্বাচনের ভোটার হিসেবে গণ্য হবেন। সে অনুযায়ী ইসি দ্রুত সময়ের মধ্যে ভোটার তালিকা তৈরি করে তা চূড়ান্ত করবে।

ইসি কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ আরও জানান, ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার পরপরই নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল প্রকাশ করা হবে। নির্বাচন পরিচালনা করা হবে অনেকটা সংরক্ষিত নারী আসনের পদ্ধতির মতো। প্রার্থী একাধিক হলে নির্ধারিত দিনে জাতীয় সংসদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে, আর একক প্রার্থী থাকলে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির কারণে কমিশনের দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায়, আগামী রোববার বা তার পরবর্তী দিনগুলোতে তফসিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠক করবে ইসি।

খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই দেশবাসী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল জানতে পারবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি