খুঁজুন
                               
, ,
           

আলোচনায় ইরান আগের চেয়ে ‘বেশি আন্তরিক’: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ
আলোচনায় ইরান আগের চেয়ে ‘বেশি আন্তরিক’: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যেও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) স্থানীয় সময় হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

টানা ১৩তম রাতের মতো ইরানে মার্কিন হামলার পর ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা চলছে এবং তার মতে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইরান আগের তুলনায় আরও আন্তরিক মনোভাব দেখাচ্ছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আন্তরিকতা বাড়লেও তা কোনো চুক্তি নিশ্চিত করে না।

তিনি বলেন, আমার মনে হয়, এ পর্যন্ত যতটা দেখেছি, এখন তারা সবচেয়ে বেশি আন্তরিক। কিন্তু এর মানে এই নয় যে আমরা অবশ্যই একটি সমঝোতায় পৌঁছাব।

আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব কারা করছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানান, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা এ প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত রয়েছেন।

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য কোনো চুক্তি নিয়ে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তার ভাষায়, আমাদের এটি সঠিকভাবে করতে হবে।

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে একাধিক কৌশল রয়েছে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, একটি বিকল্প হলো সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখা এবং প্রয়োজনে হামলার মাত্রা আরও বাড়ানো। তবে তিনি কূটনৈতিক সমাধানকেও গুরুত্ব দেন।

তার মতে, আরও বুদ্ধিমান পথ হলো একটি চুক্তিতে পৌঁছানো। আমার ধারণা, তারাও চুক্তি করতে চায়। যদিও এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত নয়।

এ সময় সৌদি আরবের সঙ্গে সম্ভাব্য বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি জানান, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক না করলে সৌদি আরবের সঙ্গে এ ধরনের সহযোগিতা চুক্তি এগিয়ে নেওয়া হবে না। তার ভাষায়, আব্রাহাম চুক্তির আওতায় রিয়াদের ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনই হবে এমন সহযোগিতার পূর্বশর্ত।

অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, বর্তমান সংকট নিরসনে কোনো মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন নেই। তার দাবি, সংকটের সমাধান চাইলে যুক্তরাষ্ট্রকেই তার নীতি পরিবর্তন করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ইরান কোনো ধরনের চাপ বা হুমকির কাছে নতি স্বীকার করবে না। ইরানের জনগণের ন্যায্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তেহরান তার অবস্থান থেকে সরে আসবে না বলেও জানান তিনি।

এদিকে, দুই দেশের উত্তেজনার মধ্যেই হরমুজ প্রণালির কাছে ৩০ নাবিক বহনকারী একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। উন্মুক্ত সামুদ্রিক রেডিও যোগাযোগে শোনা যায়, একটি জাহাজকে ইরানের জলসীমার দিকে অগ্রসর না হওয়ার সতর্কবার্তা দেওয়া হয় এবং ইঞ্জিন কক্ষে হামলার হুমকিও দেওয়া হয়। পরে ‘দিশা’ নামের জাহাজটি জরুরি বার্তায় জানায়, অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং জাহাজে থাকা ৩০ নাবিককে উদ্ধারে দ্রুত সহায়তা প্রয়োজন।

এদিকে ইয়েমেনের হুতি-নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম আল মাসিরাহ দাবি করেছে, পশ্চিমাঞ্চলীয় বন্দরনগরী হোদেইদায় সৌদি আরব বিমান হামলা চালিয়েছে। এর আগে হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করে এবং দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার দায় স্বীকার করে।

জাতিসংঘ এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং সামুদ্রিক চলাচলের ওপর নতুন হুমকি পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলতে পারে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

৮২ বছর বয়সে মারা গেলেন অভিনেত্রী নাসিমা খান

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ
৮২ বছর বয়সে মারা গেলেন অভিনেত্রী নাসিমা খান

বাংলা চলচ্চিত্রের সূচনালগ্নের অন্যতম অভিনেত্রী নাসিমা খান আর নেই। রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

অভিনেত্রীর দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা নূরজাহান বেগম গণমাধ্যমকে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যায় ভুগছিলেন নাসিমা খান। সাত দিন আগে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তার মৃত্যুতে চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেকে শোক প্রকাশ করেছেন। অভিনেতা ওমর সানী এক শোকবার্তায় নাসিমা খানকে পুরোনো দিনের ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ও উচ্চশিক্ষিত শিল্পী হিসেবে স্মরণ করেন। তার সঙ্গে অভিনয়ের সুযোগ পাওয়াকে সৌভাগ্যের বিষয় উল্লেখ করে প্রয়াত অভিনেত্রীর আত্মার শান্তি কামনা করেন তিনি।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ও অভিনেতা সনি রহমানও তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, নাসিমা খান বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আজীবন সম্মানিত সদস্য ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নাসিমা খানের বড় ছেলে যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। তার ছোট ছেলে নাবিল নাছির রহমান কুশল গত ফেব্রুয়ারি থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। ছেলের সন্ধান পেতে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেছিলেন অভিনেত্রী। বড় ছেলে দেশে ফেরার আগ পর্যন্ত নাসিমা খানের মরদেহ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে। তিনি দেশে ফিরলে শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন সনি রহমান।

১৯৪৪ সালের ৬ আগস্ট পুরান ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেন নাসিমা খান। তার পৈতৃক নিবাস মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার রাঢ়িখাল গ্রামে। পারিবারিক পরিবেশেই ছোটবেলা থেকে সংস্কৃতিচর্চার সঙ্গে যুক্ত হন তিনি এবং নাচ শেখেন। অভিনেতা ও নির্মাতা খান আতাউর রহমানের পরিবারের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠতার সূত্র ধরে চলচ্চিত্রে আসেন নাসিমা।

১৯৫৯ সালে এ জে কারদার পরিচালিত উর্দু চলচ্চিত্র ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। ষাটের দশকে ঢাকার অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি পান তিনি। বাংলা ও উর্দু—দুই ভাষার চলচ্চিত্রেই অভিনয় করেছেন নাসিমা খান।

তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘যে নদী মরু পথে’, ‘সূর্যস্নান’, ‘বেগানা’, ‘উজালা’, ‘তানহা’, ‘ধারাপাত’, ‘কার বউ’, ‘আপন দুলাল’, ‘উলঝান’, ‘ম্যায় ভি ইনসান হুঁ’, ‘দুই ভাই’ ও ‘গৌরী’।

স্বাধীনতার পর একসময় চলচ্চিত্র থেকে দূরে সরে গেলেও পরে টেলিভিশনে উপস্থাপনার মাধ্যমে আবারও দর্শকদের সামনে আসেন। পরবর্তী সময়ে নাটক ও চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন তিনি।

তার মৃত্যুতে বাংলা চলচ্চিত্রের প্রাথমিক সময়ের একজন পরিচিত শিল্পীর প্রয়াণ ঘটল।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

প্রবাসী আয়ে ঊর্ধ্বমুখী ধারা, ১০ দিনে এলো প্রায় ৯৯ কোটি ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
প্রবাসী আয়ে ঊর্ধ্বমুখী ধারা, ১০ দিনে এলো প্রায় ৯৯ কোটি ডলার

দেশের প্রবাসী আয়ে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ১০ দিনে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে ৯৮ কোটি ৯৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১২ হাজার ১৮১ কোটি টাকা।

রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ১০ পয়সা হিসাবে রেমিট্যান্সের এ পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের অক্টোবরের প্রথম ১০ দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। ২০২৫ সালের অক্টোবরের প্রথম ১০ দিনে দেশে ৯৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। সে হিসাবে চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৫ দশমিক ৩ শতাংশ।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট ৯৫৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

অন্যদিকে, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৮৫৩ কোটি ডলার। সেই হিসাবে চলতি অর্থবছরের ১০ অক্টোবর পর্যন্ত আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে প্রায় ১২ দশমিক ৩ শতাংশ।

রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকারদের মতে, ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের প্রতিযোগিতামূলক বিনিময় হার এবং বৈধ পথে প্রবাসী আয় পাঠাতে উৎসাহিত করার উদ্যোগ এ প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।

প্রবাসী আয়ের এ প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার জোগান ও সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকায় প্রবাসী আয় নিয়ে ইতিবাচক পরিস্থিতি বজায় রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

দিল্লির বিক্ষোভ নিয়ে কঙ্গনার বিস্ফোরক মন্তব্য, তুললেন ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
দিল্লির বিক্ষোভ নিয়ে কঙ্গনার বিস্ফোরক মন্তব্য, তুললেন ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে চলমান বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছেন অভিনেত্রী ও বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে নয়াদিল্লিতে চলমান আন্দোলনের একাংশকে ‘দেশবিরোধী শক্তি’ আখ্যা দিয়ে তিনি অভিযোগ করেছেন, দেশকে অস্থিতিশীল করে তোলার ষড়যন্ত্রের অংশ এই বিক্ষোভ।

তবে আন্দোলনকারীদের মূল দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত এবং এ বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা বলেন, দেশের সাধারণ মানুষও এখন তথাকথিত দেশবিরোধী শক্তিগুলোকে চিনতে শুরু করেছেন। তার ভাষ্য, মানুষ বুঝতে পারছেন কারা দেশকে বিপদের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে।

কঙ্গনা বলেন, ‘দেখুন, কীভাবে মানুষ এখন এই দেশবিরোধী শক্তিগুলিকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসছেন। পুলিশকে বাদ দিলেও সাধারণ মানুষ এবার তাদের ধরে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাবেন। কারণ, কারা দেশকে বিপদের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে, তা মানুষ বুঝতে পারছেন।’

বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের অভিযান, আটক নিয়ে বিতর্ক

দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের অভিযানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কঙ্গনার এই মন্তব্য সামনে আসে। আন্দোলনকারীদের আটক করার ঘটনায় বিরোধী শিবিরের কয়েকজন নেতাও পুলিশের পদক্ষেপের মুখে পড়েন।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ ঘটনায় আটক ব্যক্তির সংখ্যা চার হাজার ছাড়িয়ে যায়। তবে আটক ব্যক্তির সংখ্যা ও পুলিশের অভিযানের বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

বিক্ষোভকে দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র বলে অভিহিত করলেও নাগরিকদের দুর্ভোগ কমানোর ওপর জোর দিয়েছেন কঙ্গনা। দিল্লিগামী ট্রেন বাতিল, মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং যন্তর মন্তরের আশপাশে যান চলাচলে বাধার মতো পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।

আগেও আন্দোলনকারীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য

সিজেপির আন্দোলন ঘিরে এবারই প্রথম বিতর্কিত মন্তব্য করলেন না কঙ্গনা। এর আগে জুলাই মাসে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ নিয়ে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের সময় আন্দোলনকারীদের ‘নর্দমার প্রজন্ম’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।

সে সময় আন্দোলনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও, ভাষা, পোশাক ও আচরণ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতেও এ নিয়ে সমালোচনা করেন তিনি।

সৌরভ দাসের সঙ্গে প্রকাশ্য বাকযুদ্ধ

সিজেপি নেতা সৌরভ দাসের সঙ্গেও প্রকাশ্য বাকযুদ্ধে জড়িয়েছেন কঙ্গনা। সৌরভের দাবি ছিল, বিজেপিসহ কোনো রাজনৈতিক দলই কঙ্গনাকে গুরুত্ব দেয় না। তার মতে, গণতন্ত্রকে নতুন করে জাগিয়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা কঙ্গনার সংসদ সদস্য হিসেবে কাজের চেয়ে বেশি।

এর জবাবে সৌরভকে ‘অকর্মণ্য’ বলে আক্রমণ করেন কঙ্গনা। জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী হিসেবে তাকে কী করতে হবে, সে বিষয়ে সৌরভের উপদেশ দেওয়ার অধিকার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে কঙ্গনার মন্তব্য রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। একদিকে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলছেন বিজেপি সাংসদ, অন্যদিকে বিক্ষোভকারীরা এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত ও জবাবদিহি দাবি করছেন। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে।

কালের আলো/জেএন