খুঁজুন
                               
, ,
           

গ্যাস লিকেজের আগুনে দগ্ধ স্বামী ও ভাগনির পর মারা গেলেন ফাহিমাও

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
গ্যাস লিকেজের আগুনে দগ্ধ স্বামী ও ভাগনির পর মারা গেলেন ফাহিমাও

রাজধানীর ভাটারায় গ্যাসলাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ ফাহিমা আক্তারও (২১) মারা গেছেন। এর আগে এ ঘটনায় তার স্বামী শাহীন (২৪) ও ভাগনি হাফছা (৪) মারা যান। এ নিয়ে দগ্ধ তিনজনেরই মৃত্যু হলো।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাত ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ফাহিমা। ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ভাটারায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ ফাহিমা শনিবার রাত ১১টার দিকে আইসিইউতে মারা গেছেন। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, এর আগে ফাহিমার স্বামী শাহীন ও ভাগনি হাফছাও আইসিইউতে মারা যান। শাহীনের শরীরের ৫০ শতাংশ এবং হাফছার শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরের দিকে ভাটারার নতুনবাজার ১০০ ফিট এলাকার একটি বাড়িতে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী ও তাদের এক ভাগনি দগ্ধ হন। পরে দগ্ধ তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

শাহীনের প্রতিবেশী মো. জসিম বলেন, শাহীন একটি দোকানের কর্মচারী ছিলেন। পরিবার নিয়ে ভাটারা থানার নতুনবাজার ১০০ ফিট এলাকার একটি বাসার নিচতলায় থাকতেন। মঙ্গলবার ভোরের দিকে বিকট শব্দে গ্যাসের লাইন লিকেজ থেকে তাদের বাসায় বিস্ফোরণ হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে যোগ্যদের পদোন্নতি দিন: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১:০৩ অপরাহ্ণ
রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে যোগ্যদের পদোন্নতি দিন: প্রধানমন্ত্রী

সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে থেকে পেশাগত দক্ষতা, সততা ও যোগ্যতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (২৬ জুলাই) সকালে সেনাসদর দপ্তরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

জানা গেছে, প্রথম পর্বের এই পদোন্নতি পর্ষদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্নেল থেকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল থেকে কর্নেল পদবির যোগ্য কর্মকর্তারা পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদোন্নতির ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ ও রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠতে হবে।

অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলী, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা, আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পদোন্নতি বিবেচনা করতে হবে।

এর আগে বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন।

একইসঙ্গে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সব শহীদ, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে আহত ও নিহত সেনাসদস্যদেরও তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাদের মূল দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

দেশের প্রয়োজনে আত্মত্যাগের জন্য সেনাপ্রধান থেকে শুরু করে সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী সেনাসদর দপ্তরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান এবং চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস)। শত কর্মব্যস্ততার মাঝেও উপস্থিত হয়ে নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সেনাপ্রধান।

সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম, পিএসসি, জি (অব.)-সহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন এবং পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

এলএনজি সরবরাহ কমায় তিতাস এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ
এলএনজি সরবরাহ কমায় তিতাস এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এলএনজি টার্মিনালগুলোতে কারিগরি ত্রুটির কারণে পুনঃগ্যাসীকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (আরএলএনজি) সরবরাহ প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) কমে গেছে।

এর ফলে তিতাস গ্যাসের আওতাভুক্ত এলাকায় শিল্প, বাণিজ্যিক, সিএনজি ও আবাসিকসহ সব শ্রেণির গ্রাহক তীব্র গ্যাস সংকটের মুখে পড়েছেন।

রোববার (২৬ জুলাই) এক বার্তায় তিতাস গ্যাস জানায়, মহেশখালীতে অবস্থিত এলএনজি টার্মিনালসমূহ থেকে আরএলএনজি সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তিতাস গ্যাসের অধীন বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ বিরাজ করবে।

এতে গ্রাহক পর্যায়ে স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে।এ অবস্থায় গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

একই সঙ্গে কারিগরি ত্রুটি নিরসন ও সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে বলেও জানানো হয়েছে

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

একরামুল হত্যায় হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ
একরামুল হত্যায় হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন

কক্সবাজারের টেকনাফে পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর একরামুল হকের হত্যা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) সকালে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে র‍্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হক। একটি ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার পর বিচারবহির্ভূত ওই হত্যাকাণ্ডটি দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করে। মাদক উদ্ধার অভিযানে কাউন্সিলর একরাম বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছিলেন বলে দাবি করা হলেও পরবর্তীতে হত্যাকাণ্ডের সময় স্ত্রীর সঙ্গে একরামুলের মুঠোফোনের কলরেকর্ড প্রকাশের পর কথিত বন্দুকযুদ্ধের এই সাজানো ঘটনা ফাঁস হয়ে যায় এবং দেশে বিদেশে এঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

সেই কলরেকর্ডের একপর্যায়ে একরামের মেয়েকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘আব্বু, তুমি কানতেছ যে।’ এর পর শোনা যায় গুলির শব্দ, শোরগোল। সরাসরি কলরেকর্ডে একরাম হত্যার নির্মম সাক্ষী হয়েছিল তার পরিবার। কিন্তু সেসময় ঘটনায় জড়িত বাহিনী ও সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীর সরাসরি হুমকির কারণে পরিবার বিচার চাইতে পারেনি, করতে পারেনি কোন মামলা।

চব্বিশ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর একরাম হত্যার বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। পরিবারের পক্ষ থেকেও নতুন করে বিচারের দাবি ও মামলার কথা জানানো হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি