খুঁজুন
                               
, ,
           

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিতে তিন বাহিনী প্রধানের তৎপরতায় নবতর আশা, পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার বার্তা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৫ অপরাহ্ণ
নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিতে তিন বাহিনী প্রধানের তৎপরতায় নবতর আশা, পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার বার্তা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আর মাত্র ৬ দিন বাকী। শুরু থেকেই নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ ইউনূস। দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ এই সন্ধিক্ষণে মাঠ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিজেদের কাঁধেই পুরো দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। স্বাধীন ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিতের মাধ্যমে জনগণের আস্থা-বিশ্বাস পুনরুজ্জীবিত করতে দিন-রাত একাকার করে কাজ শুরু করেছেন তাঁরা। নিজেদের কর্মপদ্ধতি ও কৌশল নির্ধারণের পাশাপাশি আন্ত-প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ে সর্বোচ্চ জোর দিয়েছেন। সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দিনমান ব্যস্ত একদিন অতিবাহিত করেছেন সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধান। নিজ চোখে মাঠ পর্যায়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। ঐক্যবদ্ধ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও ভ্রাতৃত্ববোধে দৃঢ় সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ নেতৃত্ব প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে নিজেদের সমন্বয়কে করেছেন আরও গভীর ও নিবিড়। সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এদিন রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় স্টেডিয়াম এলাকায় স্থাপিত সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করে দায়িত্বরত সেনাসদস্যদের দিকনির্দেশনা প্রদানের পাশাপাশি অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। আগের দিন কুতুবদিয়া ও সন্দ্বীপ কন্টিনজেন্ট পরিদর্শনের পর বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বরগুনা সার্কিট হাউসে নৌবাহিনীর কন্টিনজেন্ট ক্যাম্প পরিদর্শন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। একই দিনে ঢাকা সেনানিবাসস্থ বিএএফ ঘাঁটি বাশারে অবস্থিত সি-১৩০ হ্যাঙ্গারে অনুষ্ঠানে আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে বাহিনীর সদস্যদেরকে সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব বজায় রাখার বার্তা দিয়েছেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নির্দেশনা ও নির্বাচনী আচরণবিধি অনুসরণ এবং প্রয়োগের উপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

তিন বাহিনী প্রধানের অভিন্ন বার্তা থেকে স্পষ্ট নির্বাচনী নিরাপত্তার প্রশ্নে আর কোন ভয়-শঙ্কা নেই। সাধারণ মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে গণতন্ত্রের মৌলিক সত্যটিকে পুন:প্রতিষ্ঠিত করবেন। মুছে যাবে সন্দেহ-অবিশ্বাসের সব অধ্যায়। নিরপেক্ষতা, সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন জেনারেল ওয়াকার উজ-জামান, এডমিরাল এম নাজমুল হাসান ও এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন এর সুদৃঢ় অঙ্গীকার। সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধানের সক্রিয় তৎপরতা ও আন্তরিকতাই প্রমাণ করে এবার আর যেনতেন কোন নির্বাচন হওয়ার কোন সুযোগ নেই। স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠানে তাদের সুদৃঢ় অবস্থান জনমনে নবতর আশার সঞ্চার করেছে।

সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে উত্তপ্ত ভোটের মাঠ। নির্বাচনী রাজনীতি পুরোদমে চাঙ্গা। নেতায় নেতায় চলছে কথার লড়াই। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে বড় ফ্যাক্টর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। তাই এবারের নির্বাচনে প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে কাজ করবেন। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর ১ লাখ, নৌবাহিনীর ৫ হাজার ও বিমান বাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০ (স্থলভাগে ১ হাজার ২৫০) সদস্য থাকছেন। অপরাধীদের ধরতে সারা দেশে বিশেষ অভিযান, টহল, তল্লাশি চৌকি, মোবাইল পেট্রোল ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়িয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সশস্ত্র বাহিনী ভোটের পরিবেশ তৈরিতে ফ্রন্টলাইনে থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ ও ঝুঁকিমুক্ত একটি নির্বাচনের প্রতীক্ষায় রয়েছে দেশবাসী।

পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের বিশেষ গুরুত্বারোপ সেনাপ্রধানের
রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় স্টেডিয়াম এলাকায় স্থাপিত সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) মতবিনিময়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়। সেনাপ্রধান পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য ও নাগরিকবান্ধব আচরণের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকারী সব সংস্থার মধ্যে আন্তপ্রাতিষ্ঠানিক ও আন্তঃবাহিনী সমন্বয় জোরদার করার লক্ষ্যে সেনাপ্রধান গত ২২ জানুয়ারি থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রংপুর, বগুড়া, বরিশাল, যশোর, কক্সবাজার, সিলেট, ঘাটাইল ও সাভার এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, সব বিভাগ ও জেলার বেসামরিক প্রশাসন এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সেনাবাহিনী প্রধান জাতীয় স্টেডিয়ামের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সভায় ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তা, ঢাকা মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ ছাড়া সেনাপ্রধান ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ুএর আওতায় মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে এবং জনগণের মনে আস্থা ফেরাতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

সেনা সদর থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে ও পরে যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা নাশকতা প্রতিরোধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে সেনাবাহিনী বদ্ধপরিকর। এই নির্বাচনে সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করবে।

বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানের রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সেনা সদরের সামরিক অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি ও চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিতে সংবাদ সম্মেলন করেন। এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১০ জানুয়ারি থেকে মাঠপর্যায়ে সেনাবাহিনীর সদস্যসংখ্যা ৩৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০ জানুয়ারি তা এক লাখে উন্নীত করা হয়। পাশাপাশি নৌবাহিনীর ৫ হাজার এবং বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাবাহিনী দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৬২ জেলায়, ৪১১টি উপজেলায় এবং মেট্রোপলিটন শহরগুলোয় মোট ৫৪৪টি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করেছে। নিয়মিত টহল, যৌথ অভিযান ও চেকপোস্টের মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। সেখানে তিনি দুটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। প্রথমত, নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট অসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আশ্বস্ত করা যে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেবে; দ্বিতীয়ত, সাধারণ মানুষের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে আস্থা তৈরি করা, যাতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মিলিতভাবে কাজ করলে নির্বাচন সম্ভব বলে মনে করেন নৌবাহিনী প্রধান
নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। নির্বাচনকে ঘিরে অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয় আরও গভীর ও নিবিড় হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় বরগুনায় নৌবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। নৌবাহিনী প্রধান বলেন, নির্বাচন পরিচালনার মূল দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় প্রশাসন, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের। সশস্ত্র বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাঁদের সার্বিক সহযোগিতায় প্রস্তুত আছে।

নৌবাহিনীর প্রধান বলেন, ‘অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় এবার প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনীর সম্পর্ক অনেক বেশি গভীর ও সমন্বিত। আমাদের মধ্যে চমৎকার বোঝাপড়া ও সমন্বয় আছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাচ্ছে। সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব।’

দেশ ও জাতির জন্য এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে নৌবাহিনী প্রধান আরও বলেন, ‘এর মাধ্যমে আমরা পুনরায় গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে যাব এবং একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করতে সক্ষম হব।’ নিজ বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে নৌবাহিনী প্রধান বলেন, ‘একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে আমাদের আগামী কয়েক দিন পরিশ্রম করে যেতে হবে নিষ্ঠার সাথে, আন্তরিকতার সাথে ও দেশপ্রেমের সঙ্গে। আমার দৃঢ়বিশ্বাস, আপনাদের প্রস্তুতি সম্পর্কে যে ব্রিফিং শুনেছি এবং আপনাদের মধ্যে যে কর্মস্পৃহা, উদ্যোগ আর আন্তরিকতা দেখেছি; আমি নিশ্চিত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রত্যেক সদস্য তাঁদের দায়িত্ব সুচারুরূপে পালন করতে সক্ষম হবেন।’

নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে জানিয়ে এম নাজমুল হাসান বলেন, শুধু নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে প্রায় পাঁচ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যা আগের যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় নৌবাহিনীর প্রধান হেলিকপ্টারে বরগুনা সার্কিট হাউস মাঠে পৌঁছান। পরে তিনি নৌবাহিনীর কন্টিনজেন্ট ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনা দেন। এরপর বেলা একটার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় নৌবাহিনীর প্রধান বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নৌবাহিনীর জাহাজ মোতায়েনের পাশাপাশি পর্যাপ্তসংখ্যক বোট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। স্বার্থান্বেষী মহলের যেকোনো অপতৎপরতা, সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

এম নাজমুল হাসান বলেন, জনগণ যেন কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে জন্য নৌবাহিনীসহ সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ভোটকেন্দ্রের সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনা দেন তিনি।

মতবিনিময় সভায় বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

কঠোরভাবে নিরপেক্ষ থাকার নির্দেশনা বিমান বাহিনী প্রধানের
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিমানবাহিনীর সদস্যদের কঠোরভাবে নিরপেক্ষ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা সেনানিবাসের বিএএফ ঘাঁটি বাশারে আয়োজিত এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইউনিফর্মে থাকা অবস্থায় কোনো বাহিনীর সদস্য কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করতে পারবেন না।

কারো ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মতামত থাকতে পারে, তবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সেটি যেন কোনোভাবেই প্রকাশ না পায়, সে বিষয়ে তিনি সদস্যদের সতর্ক করে দেন। একটি নিরবিচ্ছিন্ন, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন উপহার দিতে বিমানবাহিনী অন্য বাহিনীর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের রূপরেখা তুলে ধরে হাসান মাহমুদ খাঁন জানান যে, এবারই প্রথমবারের মতো সেনাবাহিনীর সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে সরাসরি দায়িত্ব পালন করবে বিমানবাহিনী। এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিমানবাহিনীর মোট ৩ হাজার ৭৩০ জন সদস্য সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবেন।

নির্বাচনের দিন যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সদস্যদের সর্বদা দৃশ্যমান থাকতে হবে এবং ঘাঁটিতে অবস্থানরতদের নিজ নিজ অবস্থানেই উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিমানবাহিনী প্রধানের এই নির্দেশনা মূলত নির্বাচনের সময় বাহিনীর শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনমনে আস্থা তৈরির একটি বড় প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে। এয়ার চিফ মার্শাল তার বক্তব্যে বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, নির্বাচনী ময়দানে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিমানবাহিনীর উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কোনো বিশেষ দল বা প্রার্থীর প্রতি অনুরাগ যেন কর্তব্য পালনে বিঘ্ন না ঘটায়, সেদিকে নজরদারি বাড়ানো হবে। বিমানবাহিনীর ইতিহাসে মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনের সরাসরি দায়িত্ব পালন এটিই প্রথম হওয়ায় সদস্যদের যথাযথ প্রস্তুতির ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। এই বিশেষ ব্রিফিং অনুষ্ঠানে বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

বিজিবির অভিযানে জুন মাসে ৩০৭ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৫২ অপরাহ্ণ
বিজিবির অভিযানে জুন মাসে ৩০৭ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ

গত জুন মাসজুড়ে দেশের সীমান্ত এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সর্বমোট ৩০৭ কোটি ৬৫ লাখ ১১ হাজার টাকা মূল্যের চোরাচালান ও পণ্যসামগ্রী জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলামী এতথ্য নিশ্চিত করেন।

জব্দকৃত চোরাচালান দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে- ৫ কেজি ৫৯২ গ্রাম স্বর্ণ, ১ হাজার ৮১৫টি শাড়ি, ৩ হাজার ২৫২টি থ্রিপিস/শার্টপিস/চাদর/কম্বল, ৯ হাজার ৫৫১টি তৈরি পোশাক, ১ লাখ ৮৯ হাজার ১৮টি কসমেটিক্স সামগ্রী, ১৭ লাখ ৫৪ হাজার ৫৪৩ পিস আতশবাজি, ৭ হাজার ৪৬৪ ঘনফুট কাঠ, ৭ হাজার ৩১৬ কেজি চা পাতা, ৪ হাজার ২৭০ কেজি সুপারি, ১ লাখ ১ হাজার ৭৭৬ কেজি কয়লা, ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৯৮ প্যাকেট বিড়ি ও সিগারেট, ৪৯৭টি মোবাইল, ১ হাজার ৮৬৫পিস মোবাইলের ডিসপ্লে, ৪১ হাজার ১৬২ পিস মোবাইলের যন্ত্রাংশ, ১৫ হাজার ৫৬ পিস ইলেকট্রিক সামগ্রী, ২২ হাজার ৬১২টি চশমা, ৫২ হাজার ৭৩৬ কেজি জিরা, ৪ হাজার ২৮৫ কেজি রসুন, ১৮ হাজার ৭৯৮ কেজি চিনি, ১০ হাজার ২২৪ কেজি সার, ১১ লাখ ৪১ হাজার ১৬৯ পিস চিংড়ি মাছের পোনা, ৩ হাজার ২৮২ লিটার ভোজ্যতেল/ডিজেল/অকটেন/পেট্রোল/মবিল, ২ হাজার ২৭৬ প্যাকেট কীটনাশক, ৫ লাখ ৯১ হাজার ৪১৯ পিস বিভিন্ন প্রকার ওষুধ, ৬৯৪ কেজি বিভিন্ন প্রকার বীজ, ১ হাজার ২৩৯ পিস যানবাহন যন্ত্রাংশ, ১১টি ট্রাক/কাভার্ড ভ্যান, ৫টি পিকআপ ভ্যান, ৩টি প্রাইভেটকার/বাস, ৩টি ট্রাক্টর, ২০টি ট্রলি/মাইক্রোবাস, ৬৮টি সিএনজি/ইজিবাইক/ অটোরিকশা, ৩৫টি মোটরসাইকেল ও ৫৩টি বাইসাইকেল/ভ্যান।

উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে- ৮টি দেশি/বিদেশি পিস্তল, ১টি রাইফেল, ১৬টি ম্যাগাজিন, ৬৩০ রাউন্ড গোলাবারুদ, ২টি মাইন, ৬টি গ্রেনেড ও ৬টি অন্যান্য অস্ত্র।

এ ছাড়া গত মাসে বিজিবি কর্তৃক বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে- ৩৭ লাখ ৭৯ হাজার ৩৫২ পিস ইয়াবা, ১৮ কেজি ১৫০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস, ৬০৭ গ্রাম হেরোইন, ১ হাজার ৪২২ বোতল ফেনসিডিল, ৬ হাজার ৮৩৮ বোতল বিদেশি মদ, ৩৯৫ লিটার বাংলা মদ, ৩ হাজার ২৬৮ ক্যান বিয়ার, ১ হাজার ৭১০ কেজি ৪৭০ গ্রাম গাঁজা, ১ লাখ ৮৪ হাজার ৬৩৩টি নেশাজাতীয় ট্যাবলেট/ইনজেকশন, ২৪ হাজার ২০১ বোতল বিভিন্ন প্রকার সিরাপ ও ৮২ হাজার ৭১৫ পিস বিভিন্ন প্রকার ওষুধ/ট্যাবলেট।

সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক পাচার ও অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ২১২ জন চোরাচালানি এবং অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ৪৭ জন বাংলাদেশি নাগরিক, একজন ভারতীয় নাগরিক ও ২৮৪ জন মিয়ানমার নাগরিককে আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু অক্টোবরে, রোডম্যাপ করছে ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৩ অপরাহ্ণ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু অক্টোবরে, রোডম্যাপ করছে ইসি

আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ জন্য রোডম্যাপ তৈরি করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী বছরের অক্টোবরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া শেষ হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে এরইমধ্যে রোডম্যাপ তৈরি করছে নির্বাচন কমিশন।

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত জুনে অতিরিক্ত বিদ্যুৎবিল আসার ব্যাপারে জনগণের অভিযোগ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা ঠেকাতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, দেশে খাদ্য চাষ এবং সংরক্ষণ পর্যায়ে খাদ্যপণ্যে অনেক রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। দেশের খাদ্য ব্যবসায়ীদের ডাটা সংগ্রহ করে একটি তথ্য ভান্ডার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের সচেতন করার পাশাপাশি, অনিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা ঠেকাতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সাভারে এনসিপির জনসভায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় তদন্ত হবে জানিয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, এর সঙ্গে জড়িতদের আটক করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে কটূক্তির বিষয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, জুলাই নিয়ে কটূক্তি করা, মন্তব্য করা অত্যন্ত মর্মান্তিক। তবে আইনি কাঠামো অনুযায়ী এটি অপরাধের পর্যায়ে পড়ে না। এসব মন্তব্য ক্রিমিনাল অফেন্স হিসেবে গণ্য করা হবে কিনা সেই আলোচনা চলতে পারে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

উপকূলে ঝড়ের শঙ্কা কাটেনি, সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সংকেত বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:০৮ অপরাহ্ণ
উপকূলে ঝড়ের শঙ্কা কাটেনি, সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সংকেত বহাল

স্থল নিম্নচাপটি ধীরে ধীরে দুর্বল হওয়ার আভাস থাকলেও উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা কাটেনি। তাই সব সমুদ্রবন্দরে বহাল তিন নম্বর সংকেত।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ ঝাড়খণ্ড এলাকায় অবস্থানরত মৌসুমি স্থল নিম্নচাপটি উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে বর্তমানে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে পূর্ব মধ্য প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে।

সমুদ্রবন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এই অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এতে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন