খুঁজুন
                               
রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ইরান যুদ্ধে আমিরাতকে রক্ষায় আয়রন ডোম ও সেনা পাঠিয়েছিল ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ণ
ইরান যুদ্ধে আমিরাতকে রক্ষায় আয়রন ডোম ও সেনা পাঠিয়েছিল ইসরায়েল

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) রক্ষায় সেখানে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘আয়রন ডোম’ মোতায়েন করেছিল ইসরায়েল। এছাড়া এটি পরিচালনার জন্য দেশটিতে বেশ ক’জন সেনাও পাঠিয়েছিল তেল আবিব।

রোববার (২৬ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইসরায়েলি ও মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অন্য কোনো দেশে আয়রন ডোম পাঠানোর ঘটনা এটিই প্রথম।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল বনাম ইরান যুদ্ধ চলাকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর ক্রমাগত হামলা চালায় তেহরান। আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইরান দেশটিতে প্রায় ৫৫০টি ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০-এর বেশি ড্রোন ছুড়েছে। এর ফলে এই যুদ্ধে ইসরায়েলসহ এই অঞ্চলের অন্য সব দেশের তুলনায় আরব আমিরাতকেই সবচেয়ে বেশি হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে হয়েছে।

পুরো যুদ্ধজুড়ে এই অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলার হুমকি দিয়ে আসছিল ইরান। এরই অংশ হিসেবে তারা উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পাশাপাশি ইরান হরমুজ প্রণালিও বন্ধ করে দেয়, যা জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের অন্যতম প্রধান পথ হিসেবে পরিচিত।

সংযুক্ত আরব আমিরাতকে লক্ষ্য করে ছোড়া বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করে দেওয়া সম্ভব হলেও, বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরিস্থিতির মুখে বাধ্য হয়েই মিত্রদের কাছে সহযোগিতা চায় আবুধাবি।

ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এক্সিওস জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে এক ফোনালাপের পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের নির্দেশ দেন। বলা হচ্ছে, এই আয়রন ডোম ব্যবস্থাটি ইরানের ছোড়া ডজনখানেক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশেই ধ্বংস করে দিয়েছে।

২০২০ সালে স্বাক্ষরিত ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এর মাধ্যমে ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়। দুই দেশের এই সম্পর্কের নেপথ্যে অন্যতম প্রধান কারণ ছিল ইরানের দিক থেকে আসা অভিন্ন হুমকি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল ও আমিরাতের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, দুই দেশ সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে। এমনকি উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য হুমকিস্বরূপ স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ধ্বংস করতে যুদ্ধ চলাকালে দক্ষিণ ইরানে অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই দেশের কর্মকর্তারাই এখন বলছেন যে তাদের এই অংশীদারত্ব বর্তমানে নজিরবিহীন উচ্চতায় পৌঁছেছে। তবে এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরায়েল যখন নিজে ব্যাপক হামলার মুখে ছিল, তখন দেশের বাইরে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর এই সিদ্ধান্ত খোদ ইসরায়েলিদের মধ্যেই ক্ষোভের সৃষ্টি করতে পারে।

এক্সিওস আরও জানিয়েছে, আরব আমিরাতের মাটিতে ইসরায়েলি সেনার উপস্থিতি সে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির জন্য ‘স্পর্শকাতর’ বিষয় হতে পারে। তবে প্রতিবেদনে উদ্ধৃত এক জ্যেষ্ঠ আমিরাতি কর্মকর্তা বলেছেন, যুদ্ধের সময় ইসরায়েল যে সহায়তা করেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত তা কখনোই ভুলবে না।

এদিকে অন্য একজন আমিরাতি কর্মকর্তা যুদ্ধের সময় সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, ইতালি ও অস্ট্রেলিয়ারও প্রশংসা করেছেন।

ইসরায়েলের বহুল আলোচিত এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাওয়ার তালিকায় শুধু সংযুক্ত আরব আমিরাত একাই ছিল না। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং দেশটির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও বিভিন্ন সময়ে আয়রন ডোম প্রযুক্তি চেয়ে ইসরায়েলের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন। তবে কিয়েভের সেই অনুরোধ বারবারই প্রত্যাখ্যান করেছে তেল আবিব।

এদিকে আয়রন ডোম থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘গোল্ডেন ডোম’ নামে একটি নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছেন। তবে আয়রন ডোম মূলত ভূমিভিত্তিক ব্যবস্থা হলেও ট্রাম্পের প্রস্তাবিত এই গোল্ডেন ডোম হবে মহাকাশভিত্তিক। এর লক্ষ্য হলো কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইটের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করা, যা ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত, সেটির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনে তা ধ্বংস করতে সক্ষম হবে। এই আকাশ সুরক্ষা বলয় বা শিল্ডের আওতায় ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত ও ট্র্যাকিংয়ের জন্য কয়েকশ স্যাটেলাইট মহাকাশে মোতায়েন করা হতে পারে।

সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

যুদ্ধের প্রভাবে ৬০ বিলিয়ন ডলারের বাড়তি চাপ মার্কিনিদের কাঁধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৯:১০ পূর্বাহ্ণ
যুদ্ধের প্রভাবে ৬০ বিলিয়ন ডলারের বাড়তি চাপ মার্কিনিদের কাঁধে

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের ওপর। নতুন এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত তিন মাসে দেশটির ভোক্তাদের মোট অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলার।

মুডিজ অ্যানালিটিকসের তথ্য অনুযায়ী কাতারভিত্তিক সংবাদমাদ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর থেকে জ্বালানিসংশ্লিষ্ট খাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি পরিবারে গড়ে ৪৪৭ দশমিক ১৯ ডলার অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে।

পেট্রোলের দাম বৃদ্ধি এবং বিমানভাড়া বেড়ে যাওয়ায় এই অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত তিন মাসে মার্কিন ভোক্তাদের সম্মিলিত অতিরিক্ত ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

অর্থনীতিবিদেরা আশঙ্কা করছেন, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে ভোক্তাদের ওপর আর্থিক চাপ আরও বাড়বে।

মুডিজের প্রধান অর্থনীতিবিদ মার্ক জান্ডি বলেন, ‘যুদ্ধ দ্রুত শেষ না হলে আর্থিক চাপে থাকা ভোক্তারা ব্যয় কমাতে বাধ্য হবেন। এতে ইতিমধ্যে দুর্বল হয়ে পড়া অর্থনীতি আরও চাপে পড়তে পারে।’

বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, জ্বালানির বর্তমান মূল্যস্তর অব্যাহত থাকলে যুদ্ধ শুরুর এক বছর পূর্তির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি পরিবারের অতিরিক্ত ব্যয় প্রায় ২ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় যা জানালো আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ২:২০ পূর্বাহ্ণ
সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় যা জানালো আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

রাজধানীর মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগের ঘটনায় নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে ব্যাখ্যা দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

একই সঙ্গে ৩০ মে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দুঃখও প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

শনিবার (৩০ মে) আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের পরিচালক (এইচআর অ্যান্ড কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স) তারিকুল ইসলাম মুকুল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৭ মে হাসপাতালে ছয় নবজাতকের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পুলিশ, র‌্যাবসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।

পাশাপাশি সরকার এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এর ফলে কয়েকদিন ধরে হাসপাতালজুড়ে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের আসা-যাওয়া এবং বিপুলসংখ্যক সাংবাদিকের উপস্থিতি ছিল।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, এ পরিস্থিতিতে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য সেবাকর্মীরা মানসিক চাপের মধ্যে দায়িত্ব পালন করছিলেন। একই সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও সেবা নিতে আসা ব্যক্তিদেরও নানা ধরনের অসুবিধার মুখোমুখি হতে

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে চলে যাওয়ার পর বিপুলসংখ্যক সাংবাদিক হাসপাতালে প্রবেশের চেষ্টা করেন। তখন চিকিৎসাধীন রোগীদের স্বার্থে সাংবাদিকদের হাসপাতালে প্রবেশ থেকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করা হয়।

হাসপাতালের ভাষ্য অনুযায়ী, এ সময় কর্মীদের সঙ্গে সাংবাদিকদের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে একজন সাংবাদিক পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ‘ঝাড়ুদার’ বলে সম্বোধন করেন। এতে তারা নিজেদের অপমানিত বোধ করে উত্তেজিত হয়ে পড়েন এবং সাংবাদিকদের হাসপাতাল ত্যাগের অনুরোধ জানান। পরে হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কর্মীদের শান্ত করার উদ্যোগ নেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল জানায়, প্রতিষ্ঠানটি সবসময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করে। এরপরও ৩০ মে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।

কর্মীদের অনিচ্ছাকৃত আচরণে কোনো গণমাধ্যমকর্মী কষ্ট পেয়ে থাকলে তারা বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আহত কয়েকজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আহত কয়েকজন

রাজধানীর আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন।

শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

সম্প্রতি হাসপাতালটিতে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতালের একটি ভবনে অবৈধ বিস্কুট কারখানা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরে এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে চাইলে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্টাফ নার্সদের সাংবাদিকদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান।

একপর্যায়ে তারা সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া করেন। এতে কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। হামলার শিকার হওয়াদের মধ্যে টাইমস অফ বাংলাদেশ স্টাফ রির্পোটার কাজী জাহিদ, দীপ্ত টিভির ক্যামেরাপারসন আহত, বৈশাখী টিভির ক্যামেরা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনাস্থলে দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি