খুঁজুন
                               
, ,
           

ইরান যুদ্ধে আমিরাতকে রক্ষায় আয়রন ডোম ও সেনা পাঠিয়েছিল ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ণ
ইরান যুদ্ধে আমিরাতকে রক্ষায় আয়রন ডোম ও সেনা পাঠিয়েছিল ইসরায়েল

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) রক্ষায় সেখানে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘আয়রন ডোম’ মোতায়েন করেছিল ইসরায়েল। এছাড়া এটি পরিচালনার জন্য দেশটিতে বেশ ক’জন সেনাও পাঠিয়েছিল তেল আবিব।

রোববার (২৬ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইসরায়েলি ও মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অন্য কোনো দেশে আয়রন ডোম পাঠানোর ঘটনা এটিই প্রথম।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল বনাম ইরান যুদ্ধ চলাকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর ক্রমাগত হামলা চালায় তেহরান। আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইরান দেশটিতে প্রায় ৫৫০টি ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০-এর বেশি ড্রোন ছুড়েছে। এর ফলে এই যুদ্ধে ইসরায়েলসহ এই অঞ্চলের অন্য সব দেশের তুলনায় আরব আমিরাতকেই সবচেয়ে বেশি হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে হয়েছে।

পুরো যুদ্ধজুড়ে এই অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলার হুমকি দিয়ে আসছিল ইরান। এরই অংশ হিসেবে তারা উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পাশাপাশি ইরান হরমুজ প্রণালিও বন্ধ করে দেয়, যা জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের অন্যতম প্রধান পথ হিসেবে পরিচিত।

সংযুক্ত আরব আমিরাতকে লক্ষ্য করে ছোড়া বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করে দেওয়া সম্ভব হলেও, বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরিস্থিতির মুখে বাধ্য হয়েই মিত্রদের কাছে সহযোগিতা চায় আবুধাবি।

ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এক্সিওস জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে এক ফোনালাপের পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের নির্দেশ দেন। বলা হচ্ছে, এই আয়রন ডোম ব্যবস্থাটি ইরানের ছোড়া ডজনখানেক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশেই ধ্বংস করে দিয়েছে।

২০২০ সালে স্বাক্ষরিত ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এর মাধ্যমে ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়। দুই দেশের এই সম্পর্কের নেপথ্যে অন্যতম প্রধান কারণ ছিল ইরানের দিক থেকে আসা অভিন্ন হুমকি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল ও আমিরাতের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, দুই দেশ সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে। এমনকি উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য হুমকিস্বরূপ স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ধ্বংস করতে যুদ্ধ চলাকালে দক্ষিণ ইরানে অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই দেশের কর্মকর্তারাই এখন বলছেন যে তাদের এই অংশীদারত্ব বর্তমানে নজিরবিহীন উচ্চতায় পৌঁছেছে। তবে এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরায়েল যখন নিজে ব্যাপক হামলার মুখে ছিল, তখন দেশের বাইরে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর এই সিদ্ধান্ত খোদ ইসরায়েলিদের মধ্যেই ক্ষোভের সৃষ্টি করতে পারে।

এক্সিওস আরও জানিয়েছে, আরব আমিরাতের মাটিতে ইসরায়েলি সেনার উপস্থিতি সে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির জন্য ‘স্পর্শকাতর’ বিষয় হতে পারে। তবে প্রতিবেদনে উদ্ধৃত এক জ্যেষ্ঠ আমিরাতি কর্মকর্তা বলেছেন, যুদ্ধের সময় ইসরায়েল যে সহায়তা করেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত তা কখনোই ভুলবে না।

এদিকে অন্য একজন আমিরাতি কর্মকর্তা যুদ্ধের সময় সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, ইতালি ও অস্ট্রেলিয়ারও প্রশংসা করেছেন।

ইসরায়েলের বহুল আলোচিত এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাওয়ার তালিকায় শুধু সংযুক্ত আরব আমিরাত একাই ছিল না। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং দেশটির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও বিভিন্ন সময়ে আয়রন ডোম প্রযুক্তি চেয়ে ইসরায়েলের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন। তবে কিয়েভের সেই অনুরোধ বারবারই প্রত্যাখ্যান করেছে তেল আবিব।

এদিকে আয়রন ডোম থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘গোল্ডেন ডোম’ নামে একটি নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছেন। তবে আয়রন ডোম মূলত ভূমিভিত্তিক ব্যবস্থা হলেও ট্রাম্পের প্রস্তাবিত এই গোল্ডেন ডোম হবে মহাকাশভিত্তিক। এর লক্ষ্য হলো কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইটের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করা, যা ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত, সেটির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনে তা ধ্বংস করতে সক্ষম হবে। এই আকাশ সুরক্ষা বলয় বা শিল্ডের আওতায় ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত ও ট্র্যাকিংয়ের জন্য কয়েকশ স্যাটেলাইট মহাকাশে মোতায়েন করা হতে পারে।

সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মিরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি, হাতেনাতে গ্রেপ্তার সন্ত্রাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
মিরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি, হাতেনাতে গ্রেপ্তার সন্ত্রাসী

রাজধানীর মিরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে গুলি করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গুলিসহ অভিযুক্ত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৭জুলাই) রাত সোয়া ৯ টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বরের ফলপট্টি-সংলগ্ন চৌরঙ্গী মার্কেটের দক্ষিণ পাশের একটি গলিতে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ সাইফুল ইসলাম সিজু (৪০) মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী সাইদুল জানান, রাতে মুন্সি বাড়ি রোডে সাইফুল ইসলাম সিজু তার নিজ অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় হঠাৎ জাকির হোসেনের শান্তর (২৭) নেতৃত্বে ৩/৫জন এলোপাতাড়ি গুলি করে। এতে সাইফুলের কোমরে এবং দুই পায়ে গুলি লাগে।

সিজু গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ​গোলাগুলির শব্দে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পথচারীরা দিকবিদিক ছুটোছুটি করতে থাকেন। তবে ঘটনার পরপরই পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় কিছু জনতা ধাওয়া করে এক যুবককে একটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক করে। পরবর্তীতে তাকে মিরপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য, পূর্বশত্রুতার জেরে শান্ত ভূঁইয়া নামে এক ব্যক্তি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে সাইফুল ইসলাম সিজুকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে শান্ত ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলভার ও চার রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো হাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনার পরপরই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলভার ও চার রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

দুই গোল পিছিয়ে থেকেও শেষ সময়ে জয় পেল আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১:২০ পূর্বাহ্ণ
দুই গোল পিছিয়ে থেকেও শেষ সময়ে জয় পেল আর্জেন্টিনা

দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত নাটকীয় জয় তুলে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। মিশরের বিপক্ষে ৩-২ গোলের জয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে (শেষ আট) জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের শুরুটা ছিল মিশরের পক্ষে। প্রথমার্ধেই ইয়াসির ইব্রাহিমের হেডে এগিয়ে যায় তারা। এরপর মোস্তফা জিকো ব্যবধান দ্বিগুণ করলে বড় অঘটনের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে মিশর।

তবে পিছিয়ে পড়ে হাল ছাড়েনি আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়িয়ে প্রথমে ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর গোলে ব্যবধান কমায় তারা। এরপর দলের প্রাণভোমরা লিওনেল মেসি গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান।

এর আগে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হলেও মেসি শেষ পর্যন্ত নিজের অষ্টম গোল তুলে নেন। এই গোলের মাধ্যমে গোল্ডেন বুটের দৌড়েও নিজের অবস্থান শক্ত করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা সময়ে আসে ম্যাচের সবচেয়ে নাটকীয় মুহূর্ত। লাউতারো মার্টিনেজের দুর্দান্ত ক্রস থেকে এনজো ফার্নান্দেজ হেডে বল জালে পাঠিয়ে আর্জেন্টিনাকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

গোলের আগে ফাউলের অভিযোগ তুলে ভিএআরের কাছে আবেদন করে মিশর। কিন্তু পর্যালোচনার পর গোল বহাল রাখেন কর্মকর্তারা। প্রতিবাদের কারণে মিশরের কোচিং স্টাফের এক সদস্য লাল কার্ড দেখেন।

শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তনের সাক্ষী হয় বিশ্বকাপ। ০-২ গোলে পিছিয়ে থেকেও জয় তুলে নিয়ে শিরোপা ধরে রাখার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

মেসির পেনাল্টি মিসে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
মেসির পেনাল্টি মিসে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা

চলতি আসরে প্রথমবার আর্জেন্টিনা পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করল। শুরুতেই তারা গোল হজম করে। পেনাল্টি মিস করার কারণে গোল শোধ দিতে পারেনি তারা। মিশর ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরু করবে।

শুরুতেই আর্জেন্টিনার জাল কাঁপায় মিশর। ১৫ মিনিটে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে।

মিশরীয় ডিফেন্ডার ইয়াসির ইব্রাহিম ডি-বক্সের মাঝখান থেকে দুর্দান্ত এক হেড করেন। বলটিকে পোস্টের ডানদিকের নিচের কোণ দিয়ে জালের ভেতরে পাঠান তিনি। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে ক্রস বাড়িয়ে এই গোলটিতে অ্যাসিস্ট করেন মারওয়ান আতিয়া।

১৫ মিনিটে গোল খাওয়ার পর পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে গোল শোধ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারেননি মেসি।

তাগলিয়াফিকো মিশরের বক্সের মধ্যে ফাউলের শিকার হন। ২১ মিনিটে মেসি পেনাল্টি কিক নেন। তার বাম পায়ের শট বাঁ দিকে ডাইভ দিয়ে ফিরিয়ে দেন মোস্তফা শোবেইর।

বিশ্বকাপে নেওয়া মোট ৮টি পেনাল্টির মধ্যে ৪টিই মিস করলেন মেসি। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় পেনাল্টি মিস। এর আগে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পেনাল্টি গোল করতে পারেননি তিনি।

মেসি শটটি গোলরক্ষকের বাঁ দিক ঘেঁষে নিলেও তাতে যথেষ্ট গতি ছিল না। মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা সঠিক উচ্চতায় থাকা বলটিকে দারুণভাবে প্রতিহত করেন।

গোলরক্ষক মোস্তফার জন্যও এটি এই টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় পেনাল্টি সেভ। এর আগে গ্রুপ পর্বে ইরানের তারেমির পেনাল্টিও তিনি একইভাবে আটকে দিয়েছিলেন।

২৮ মিনিটে আরেকবার আর্জেন্টিনাকে ফিরিয়ে দেন মোস্তফা। রদ্রিগো ডি পলের ক্রসে ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড ডানদিকে ঝুঁকে রুখে দেন তিনি।

১০ মিনিট পর মেসির বাঁ পায়ের শট গোলবারের অনেক উপর দিয়ে যায়। পরের মিনিটেই তাগলিয়াফিকোর কাটব্যাক থেকে বল পেয়ে আলভারেজ শট নেন। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বল রুখে দেন মোস্তফা।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি