খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ১২ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

অর্থনীতির জন্য বড় চাপ বেকারত্ব

কালের আলো রিপোর্ট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ণ
অর্থনীতির জন্য বড় চাপ বেকারত্ব

সাম্প্রতিক পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) এক গবেষণা ও পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ বলছে, দেশে প্রায় ৫৫ লাখ তরুণ বর্তমানে বেকার অবস্থায় রয়েছে। যদিও সামগ্রিক বেকারত্বের হার তুলনামূলকভাবে কম দেখানো হয়, বাস্তবে শিক্ষিত তরুণদের মধ্যে এই হার অনেক বেশি। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করার পরও অনেকেই উপযুক্ত চাকরি পাচ্ছেন না। ফলে উচ্চশিক্ষিত একটি বড় অংশ দীর্ঘ সময় ধরে কর্মহীন থাকছে, যা অর্থনীতির জন্য একটি বড় চাপ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

বলছেন, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তরুণ। তবে এই জনশক্তিকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো না গেলে তা উল্টো বোঝায় পরিণত হতে পারে। বর্তমানে যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তাতে ডিগ্রির সংখ্যা বাড়লেও সেই অনুপাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে না। এছাড়াও প্রায় ৫৫ শতাংশ তরুণ বিদেশে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করছে। তরুণদের একটি অংশ আবার শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ—এই তিন ক্ষেত্রের বাইরেই অবস্থান করছে। এই শ্রেণির সংখ্যা কয়েক কোটি ছাড়িয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেটা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

সম্প্রতি প্রকাশিত ‘যুবসমাজের সম্ভাবনা কাজে লাগানো: বাংলাদেশে যুব উন্নয়নের জন্য নীতিমালা কাঠামো’ শীর্ষক প্রতিবেদনে জিইডি বলেছে, দেশে বর্তমানে ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী প্রায় ৩ কোটি ১৬ লাখ তরুণ রয়েছে, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। এই বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী একদিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হতে পারে, আবার অপরদিকে যথাযথ সুযোগ না পেলে সামাজিক অস্থিরতার ঝুঁকিও বাড়াতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে মোট তরুণ বেকারত্বের হার আপাতদৃষ্টিতে ৮ দশমিক ০৭ শতাংশ হলেও শিক্ষিত তরুণদের মধ্যে এই হার অনেক বেশি। বিশেষ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের মধ্যে বেকারত্বের হার ২৮ দশমিক ২৪ শতাংশে পৌঁছেছে, যা একটি গুরুতর সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে উচ্চশিক্ষায় একটি স্বাধীন মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু, কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন এবং শ্রমবাজারের সঙ্গে দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমকে সমন্বয় করার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া মাদকাসক্তি মোকাবিলায় শাস্তিমূলক পদ্ধতির পরিবর্তে জনস্বাস্থ্যভিত্তিক পদ্ধতি গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক উদাহরণ হিসেবে পর্তুগালের নীতি ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

জিইডি সতর্ক করছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তরুণদের নেতৃত্বাধীন বিভিন্ন আন্দোলন, বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের ঘটনাগুলো, তরুণদের হতাশা ও সুযোগের অভাবের ইঙ্গিত দেয়। প্রয়োজনীয় সংস্কার ও বিনিয়োগ না হলে বাংলাদেশ তার জনমিতিক সুবিধার সুযোগ হারাতে পারে, যার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়বে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও সমাজ-অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যোক্তা তৈরির কথা বলা হলেও বাস্তবে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন, প্রশিক্ষণ ও সহায়তা তরুণরা পাচ্ছে না। ফলে তারা নিজেরাও উদ্যোগ নিতে পারছে না। এর ফল হিসেবে একদিকে হতাশা তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে অনেক তরুণ মাদকাসক্তি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে, যা ভবিষ্যতে বড় সামাজিক সংকটে রূপ নিতে পারে।

কালের আলো/এম/এএইচ

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৪

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, গতকাল বুধবার কারাকাসের প্রায় ১৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর এক মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

ইউএসজিএস জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটি ছিল ‘ফোরশক’ বা পূর্বকম্প এবং দ্বিতীয়টি ছিল মূল কম্পন বা ‘মেইনশক’।

ভেনিজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ প্রথমে ৩২ জন নিহত ও ৭০০ জন আহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছিলেন। পরে তিনি হতাহতের সংখ্যা বাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

রাত নামার পর রাজধানী কারাকাসে ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান চালান জরুরি কর্মীরা। স্বজনেরা আটকা পড়া প্রিয়জনদের খোঁজে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। উদ্ধার করা কয়েকজনকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যেতে দেখা যায়।

কারাকাসের বাসিন্দা মারিয়া আলেজান্দ্রা বলেন, ‘আমরা যখন নিচে নামলাম, দৃশ্যটা ছিল একটি ভৌতিক সিনেমার মতো। ধ্বংসস্তূপের ওপর দিয়ে আমাদের বের হতে হয়েছে। ভবনের তত্ত্বাবধায়ক তার শিশুসন্তানকে নিয়ে এবং অন্য প্রতিবেশীরা নিচে নেমে এসেছিলেন। কিন্তু আমি শুধু একটি পরিবারকে ওই ভবন থেকে বের হতে দেখেছি।’

ভেনিজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজ জানান, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে লা গুয়াইরা রাজ্য, যেখানে রাজধানীর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অবস্থিত। ভূমিকম্পের পর বিমানবন্দরটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ডজন ডজন ভবন ধসে পড়েছে। যত বেশি সম্ভব মানুষের জীবন বাঁচাতে আমরা সর্বোচ্চ উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছি।’

ইউএসজিএসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, হতাহতের সংখ্যা কয়েক হাজারে পৌঁছাতে পারে এবং ১০ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। বিরোধী দলগুলোর তৈরি নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকায় ৬ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষের নাম রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দুদেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তারেক রহমান চীনের বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট অব পিপলে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী তাকে স্বাগত জানান।

তারেক রহমানকে লালগালিচা দিয়ে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান লি কিয়াং। সশস্ত্র সালাম দেয় চীনের সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত একটি চৌকস দল।

এ সময় দু’দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। তোপধ্বনি দেয়া হয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিবাদন জানিয়ে। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর প্যারেড পরিদর্শন করেন।

বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

এদিন চীনা বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরামের আলোচনায়।

শুধু চীনা প্রধানমন্ত্রী নয়, আজ দেশটির বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, নীতিনির্ধারকদের সঙ্গেও আলাদা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এরপর শুক্রবার চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সূচি রয়েছে। রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি শেষে ওই দিনই ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার কথা সরকার প্রধানের।

এর আগে চীনের দালিয়ান প্রদেশে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের সম্মেলন শেষে গত বুধবার (২৪ ‍জুন) বিকেলে বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় স্টেশনের প্ল্যাটফর্মেই তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। দেয়া হয় লালগালিচা সংবর্ধনা, ছিল গার্ড অব অনারও।

বুধবার দিনভর দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনসহ নানা আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দেন তারেক রহমান। এবারের সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যম অঙ্গনের ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন। সাইডলাইন বৈঠকে কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানের সঙ্গে বৈঠকও করেন প্রধানমন্ত্রী।

কালের আলো/এসএকে

পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, সংগঠিত অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ দমন এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে।

জবাবে হাইকমিশনার সারাহ কুক জানান, আগামী ৭ ও ৮ জুলাই যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে দ্বিতীয় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় দুটি চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি জানান। সভাটি দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০২৪ সালে স্বাক্ষরিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মতান্ত্রিক প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্য সরকারের পাঠানো ‘ইউকে লেটার’-এর প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধ, ‘পুলিশ রেফারেল প্রোগ্রাম’, অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করছি। এ সময় রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের মানবিক সহায়তার জন্য দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আবদুল কাদের, উপসচিব মিনারা নাজমীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন