খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হলে সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

শনিবার (৯ মে) ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুড (বিএসএসএফ) আয়োজিত ‘ইনশিউরিং সেফ ফুড ফর আ সাসটেইনেবল ফিউচার’ প্রতিপাদ্যভিত্তিক ৮ম জাতীয় বৈজ্ঞানিক সম্মেলন ‘ফুড সেফটি অ্যান্ড হেলথ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাদ্যে ক্ষতিকর উপাদান ও অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে। দেশে নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি নিশ্চিতে গবেষণার গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে গবেষণা কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একসময় ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশে মাছের উৎপাদন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিপুল জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ, পুষ্টিকর ও টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। মানুষের পুষ্টিকর খাদ্যের চাহিদা পূরণ এবং একটি সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, বর্তমানে মাদক সমস্যা দেশের অন্যতম বড় সামাজিক সংকটে পরিণত হয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষায় পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে এসে সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করার আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুডের (বিএসএসএফ) সভাপতি প্রফেসর ড. মো. খালেদ হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের সভাপতি মোশিউর রহমান।

সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের সাবেক সদস্য পরিচালক (মৎস্য বিভাগ) ড. মো. মনিরুল ইসলাম। এসময় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক, শিক্ষক, বিজ্ঞানী, খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট খাতের পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

টিকা নিতে অনাগ্রহে হামের বিস্তার: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
টিকা নিতে অনাগ্রহে হামের বিস্তার: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বিস্তারের পেছনে টিকাদানে অনীহা, অসম্পূর্ণ টিকাদান এবং জনসচেতনতার ঘাটতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ভৌগোলিক ও সামাজিক কিছু প্রতিবন্ধকতাও রোগটির বিস্তারে প্রভাব ফেলছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলের সদস্য মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তারের তারকা চিহ্নিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার হামের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ এবং শিশু মৃত্যুহার কমাতে বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। সকল শিশুকে টিকার আওতায় এনে শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধক বলয় বা ইমিউনিটি গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। তবে রোগটির বিস্তারে টিকাদানে অনীহা, অসম্পূর্ণ টিকাদান, জনসচেতনতার ঘাটতি এবং কিছু ক্ষেত্রে ভৌগোলিক ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতা ভূমিকা রাখছে। ফলে প্রাদুর্ভাবের জন্য দায় নির্ধারণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঘটনার তদন্ত ও প্রমাণের ওপর নির্ভরশীল।

মন্ত্রী জানান, হামের প্রাদুর্ভাব ও এ-সংক্রান্ত মৃত্যুর জন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিষয়টি তথ্য-উপাত্ত ও তদন্তের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়। কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর অবহেলা, দায়িত্বে গাফিলতি বা কর্তব্যে অবজ্ঞার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ইপিআই কর্মসূচির আওতায় টিকা সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়ে থাকে।

মন্ত্রী বলেন, টিকা সংগ্রহ পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তনের ফলে টিকাদান কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কি না, তা প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও কারিগরি মূল্যায়নের ভিত্তিতে পর্যালোচনা করা হবে। এ পর্যালোচনায় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে সরকার ইতোমধ্যে টিকা সরবরাহ ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা, টিকা মজুত ব্যবস্থাপনা জোরদার, রোগ নজরদারি কার্যক্রম সম্প্রসারণ, দ্রুত প্রাদুর্ভাব শনাক্তকরণ ও প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় আরও সুদৃঢ় করার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এ ছাড়া দেশে হামের টিকাদানের আওতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষার আওতায় আনতে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও সংসদকে জানান মন্ত্রী।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

অবৈধ ওয়াকিটকি ব্যবহারে সতর্কবার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ণ
অবৈধ ওয়াকিটকি ব্যবহারে সতর্কবার্তা

অবৈধ ওয়াকিটকি ব্যবহারের বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা দেয় বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি ও স্থাপনার বিরুদ্ধে বিটিআরসি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযানকালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে লাইসেন্সবিহীন অবস্থায় ব্যবহৃত ওয়াকিটকি জব্দ করে স্থানীয় থানায় মামলা দায়ের করা হচ্ছে।

আইন স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিটিআরসি বলেছে- বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ (সংশোধনী-২০২৬) অনুযায়ী, যেকোনো ধরনের ওয়াকিটকি বা বেতার যোগাযোগ যন্ত্র ব্যবহার, সংরক্ষণ, আমদানি, বিপণন বা পরিচালনার জন্য বিটিআরসি থেকে তরঙ্গ বরাদ্দ এবং বেতার যন্ত্রের লাইসেন্স গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। লাইসেন্স ব্যতীত এ ধরনের যন্ত্র ব্যবহার আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এমতাবস্থায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, নিরাপত্তা সেবা প্রদানকারী সংস্থা, হোটেল, রেস্তোরাঁ, শপিংমলসহ সব ব্যক্তি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে বিশেষ সতর্ক করা যাচ্ছে যে, বিটিআরসির যথাযথ অনুমোদন ও লাইসেন্স ব্যতীত কোনো ধরনের বেতার যন্ত্র বা ওয়াকিটকি ব্যবহার করা যাবে না।

অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন বেতার যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিটিআরসির অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইন অমান্য করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনস্বার্থে এবং সুষ্ঠু বেতার যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সবাইকে যথাযথ আইন ও বিধি-বিধান মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে বিটিআরসি।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

আসন্ন হজ মৌসুম নিয়ে মন্ত্রণালয়ের নতুন সতর্কবার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
আসন্ন হজ মৌসুম নিয়ে মন্ত্রণালয়ের নতুন সতর্কবার্তা

অনুমোদনবিহীন এজেন্সি বা গ্রুপ বা কাফেলার হজ কার্যক্রমের প্রচারণা বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-৩ শাখা থেকে এক চিঠিতে এ সতর্ক করা হয়েছে।

চিঠিতে হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তি ও সর্বসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়েছে- অনুমোদনবিহীন এজেন্সি বা গ্রুপ বা কাফেলা নামীয় কিছু প্রতিষ্ঠান ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আকর্ষণীয় হজ প্যাকেজ ঘোষণা করে পবিত্র হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তিদের প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করছে। প্রকৃতপক্ষে সরকার অনুমোদিত বৈধ লাইসেন্সধারী ও তালিকাভুক্ত যোগ্য হজ এজেন্সি ব্যতীত অন্য কোনো এজেন্সি বা এজেন্ট বা গ্রুপ বা কাফেলার হজ কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ নেই এবং তাদের মাধ্যমে হজে গমন সম্ভব নয়।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত যোগ্য হজ এজেন্সি ব্যতীত অন্য কোনো এজেন্সি বা ট্রাভেল এজেন্ট বা গ্রুপ বা কাফেলার সাথে হজ সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেন না করার জন্য সব চিঠিতে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

চিঠিতে ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ও গাইড লাইন শিগগিরই ঘোষণা করা হবে উল্লেখ করে প্রকাশিত হজ প্যাকেজ ও গাইড লাইন অনুসরণ করার জন্য সংশ্লিষ্টদেরকে অনুরোধ করা হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে