খুঁজুন
                               
সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ২৮ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

পুলিশের ডিসিপ্লিন রক্ষায় কোনো আপস নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
পুলিশের ডিসিপ্লিন রক্ষায় কোনো আপস নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশ বাহিনীর ‘চেইন অব কমান্ড’ এবং ডিসিপ্লিন রক্ষায় কোনো আপস করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি আরও বলেছেন, ‘পুলিশ বাহিনীতে দুর্নীতির কোনো স্থান নেই। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে বজায় রাখা হবে।’

সোমবার (১১ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬’ উপলক্ষে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনামূলক ভাষণ প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে অপরাধের ধরন ও মাত্রায় পরিবর্তন এসেছে। সেজন্য সাইবার ক্রাইম, সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব এবং অপপ্রচার প্রতিরোধে একটি বিশেষায়িত ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’ গঠন করা হবে।’

মন্ত্রী জানান, পুলিশের পেশাদারিত্ব বাড়াতে চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে দুটি নতুন পুলিশ প্রশিক্ষণ একাডেমি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি হবে এলিট ফোর্সের জন্য এবং অন্যটি সাধারণ ফোর্সের জন্য। এলিট ফোর্সের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে আলাদা লেজিসলেশন (আইন) প্রণয়ন করা হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাছাড়া জমি প্রাপ্তি সাপেক্ষে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘পুলিশ স্পোর্টস কমপ্লেক্স’ নির্মাণ করা হবে।’

অপারেশনাল কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে বডিওর্ন ক্যামেরার ব্যবহার বাড়ানোর নির্দেশ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘের মানদণ্ড অনুযায়ী ন্যূনতম বল প্রয়োগ নীতি অনুসরণে পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। অপরাধ দমনে কৌশলী হতে হবে, তবে কোনো অবস্থাতেই মানবাধিকার লঙ্ঘন করা যাবে না।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশের সেবার মানোন্নয়নে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ও অনলাইন জিডিসহ সব ধরনের সেবা দ্রুততম সময়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি ট্যুরিস্ট পুলিশের সক্ষমতা বাড়িয়ে পর্যটন খাতের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘৩১ দফার নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের পূর্বশর্ত হলো- স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। ‘পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ’—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে প্রতিটি থানাকে সেবার কেন্দ্রে পরিণত করতে হবে। আধুনিক পুলিশিং ডকট্রিন অনুযায়ী প্রিভেন্টিভ পুলিশিং বা অপরাধ সংঘটনের আগেই তা প্রতিরোধের ওপর সর্বোচ্চ জোর দিতে হবে।’

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য দেন পুলিশ হেডকোয়ার্টারের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) একেএম আওলাদ হোসেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনামূলক ভাষণের আলোকে পুলিশের আধুনিকায়ন ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়।

সভায় অতিরিক্ত আইজিপি, ডিআইজি, অ্যাডিশনাল ডিআইজি, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগ স্থানীয় সরকারকে আরও জনবান্ধব করবে: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগ স্থানীয় সরকারকে আরও জনবান্ধব করবে: মির্জা ফখরুল

গ্রাম পর্যায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে এবং নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করতে গ্রাম আদালতের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা শক্তিশালীকরণ ও গ্রাম পুলিশে নারী সদস্য নিয়োগে গুরুত্বারোপ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবর (১১ মে) সচিবালয়ে ইউএনডিপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে ইউএনডিপির ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনালি দয়ারত্নেসহ চার সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়াও স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে গ্রাম আদালত প্রকল্পের বর্তমান কার্যক্রম, অগ্রগতি এবং এর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় গ্রামীণ জনগণের জন্য সহজ, দ্রুত ও কম খরচে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গ্রাম আদালতের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, গ্রাম আদালত এ অঞ্চলে শতবর্ষ ধরে গ্রামীণ বিরোধ নিষ্পত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। স্থানীয় পর্যায়ে ছোটোখাটো বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি হলে আদালতের ওপর চাপ কমবে এবং সাধারণ মানুষও সহজে ন্যায়বিচার পাবে।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। এ সময় গ্রাম পুলিশে নারী সদস্য নিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নারীর সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পেলে স্থানীয় সরকারের কার্যক্রম আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব হবে। পাশাপাশি নারী গ্রাম পুলিশ সদস্যরা নারী ও শিশু সংক্রান্ত বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।

তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বৈঠকে গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, স্থানীয় পর্যায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ সরকার ও ইউএনডিপির মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে উভয়পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/এসএকে

মন্ত্রিত্ব ছাড়ব, তবু সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন হতে দেব না: ধর্মমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
মন্ত্রিত্ব ছাড়ব, তবু সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন হতে দেব না: ধর্মমন্ত্রী

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেছেন, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব। তবুও এ দেশের সংখ্যালঘুদের ওপরে কোনো অত্যাচার-নির্যাতন হতে দেব না।

সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘ভারতে সংখ্যালঘুদের অত্যাচারের অজুহাতে বাংলাদেশে কোনো সংখ্যালঘুদের ওপরে অত্যাচার-নির্যাতন হতে দেব না। প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব। তবুও এ দেশের সংখ্যালঘুদের ওপর যাতে কোনো নির্যাতন না হয়, সে ব্যবস্থা নিতে চাই।’

এবারের হজে খরচ কিছুটা কমানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আগামী হজ মৌসুমে খরচ আরও কমানো হবে। তিনি অনেক ভালো কাজের উদ্যোগ নিয়েছেন। অনেক ভালো ভালো কাজ করছে সরকার। সেগুলো অনেকেই সহ্য করতে পারছে না।’

ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন দরকার রয়েছে। যেহেতু আমরা স্বচ্ছতায় বিশ্বাসী, ফলে অপপ্রচার বন্ধে এবং ভালো মানুষদের রক্ষায় এই আইনটি প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ‘একটি মহল গণতন্ত্রকে হত্যা করতে চায়। বিরোধী দল সরকারকে বিপাকে ফেলতে চায়। এজন্য অনেক ষড়যন্ত্র চলছে। যারা সরকারের স্বাদ নিতে পারেনি, তারাই ষড়যন্ত্র করছে। এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’

কালের আলো/এসআর/এএএন

জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে একচুলও সরিনি: ডিআইজি রেজাউল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে একচুলও সরিনি: ডিআইজি রেজাউল

বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে দীর্ঘ ১৮ বছরের চাকরি জীবনে পদবঞ্চনা, বৈষম্য, অপমান ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক। তবে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে একচুলও বিচ্যুত হননি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সোমবার (১১ মে) পুলিশ সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডিআইজি রেজাউল।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বরাষ্ট্রসচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রেজাউল করিম মল্লিক শৈশব স্মৃতির কথা তুলে ধরে জানান, সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় মাদারীপুরের শিবচরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ধানের শীষের মালা পরিয়ে বরণ করার সুযোগ হয়েছিল তার। সেই মুহূর্তকে তিনি জীবনের অন্যতম সৌভাগ্য হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ১৯৭৭ থেকে ১৯৮১ সালের মধ্যে আরও কয়েকবার জিয়াউর রহমানের সান্নিধ্যে যাওয়ার সুযোগ হয়। সবশেষ ১৯৮১ সালের ২৫ জানুয়ারি আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে জুনিয়র ক্যাডেট কোর ক্যাম্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে শহীদ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা হয়েছিল।

অনুষ্ঠান শেষে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে করমর্দন করে গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দেওয়ার সুযোগ হয়েছিল রেজাউল করিমের। সেই স্মৃতির কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘সেদিনের অনুভূতি ছিল এমন, যেন আমি বিশ্বজয় করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু কয়েক মাস পরই ৩০ মে সেই বিষাদময় সংবাদ শুনতে হয়। নিজেকে আর স্থির রাখতে পারিনি, কান্নায় ভেঙে পড়েছিলাম।’

বক্তব্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ডিআইজি রেজাউল। জীবনের কঠিন সময়ে বেগম খালেদা জিয়ার একটি আশ্বাস কিংবা স্নেহমাখা বাক্য তাঁকে নতুন করে বেঁচে থাকার শক্তি দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। খালেদা জিয়াকে ‘আশ্রয় ও সাহসের প্রতীক’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রসঙ্গে এই ডিআইজি বলেন, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন আশার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে তিনি জাতীয়তাবাদী শক্তিকে পুনরায় ঐক্যবদ্ধ করেছেন এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন